শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম:

অস্ত্র উদ্ধারে ডেভিড ইমনসহ ৫ শীর্ষ সন্ত্রাসীর ১০ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৯:৪৫ এএম
2 বার পড়া হয়েছে
অস্ত্র উদ্ধারে ডেভিড ইমনসহ ৫ শীর্ষ সন্ত্রাসীর ১০ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

চট্টগ্রামে আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফটিকছড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি দেশীয় এলজি ও বেশ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ডেভিড ইমনকে একটি অস্ত্র মামলায় ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

৩০ জুলাই (বৃহস্পতিবার)২৬ খ্রিঃ সকালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম।

গ্রেপ্তার হওয়া অন্যরা হলেন-ঢাকার মতিঝিলের মো. শামীম (২৮), রাউজানের মোঃমিঠু ওরফে ধামা ইলিয়াছ (৪৯), ঢাকার শ্যামপুরের আল ইসলাম আলিফ ওরফে তমাল (২৫) এবং নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর মোঃ সাফায়েত হোসেন (২৪)।

পুলিশ জানায়, গত ১৩ জুন পাহাড়তলী এলাকায় সংঘটিত মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় গত ২২ জুলাই এজাহারভুক্ত আসামি ধামা ইলিয়াছকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের অনুমতি নিয়ে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ও অস্ত্রের মজুদ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন। ধামা ইলিয়াছের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ মোট ২১টি মামলা রয়েছে।

রিমান্ডে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৯ জুলাই যশোর জেলা পুলিশের সহযোগিতায় ঝুমঝুমপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডেভিড ইমনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রাম জেলা ডিবি পুলিশ। ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম নগর ও জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত ১৩টি মামলা রয়েছে।

পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

সেখান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি দেশীয় এলজি এবং বেশ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, উদ্ধার করা অস্ত্রের ঘটনায় নতুন মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি ফটিকছড়ি থানায় দায়ের হওয়া একটি অস্ত্র মামলায় ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

জেলা পুলিশ সুপার বলেন, সন্ত্রাস ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের বিশেষ ও গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ মিন্টুর মায়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার; হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে পুলিশ, এলাকাবাসীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৫ পিএম
অস্ত্র উদ্ধারে ডেভিড ইমনসহ ৫ শীর্ষ সন্ত্রাসীর ১০ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ

ছবি- প্রতিকী

একা থাকা বৃদ্ধাকে নৃশংস হত্যা, মধুপুরের দিঘিরপাড়ে চাঞ্চল্য

 

প্রিন্স এডওয়ার্ড মাংসাং – বিশেষ প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল :

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার শোলাকুড়ী ইউনিয়নের দিঘিরপাড় এলাকায় এক বৃদ্ধাকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় কোনো এক সময় দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হন স্থানীয় বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ মিন্টুর মা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়িতে একাই বসবাস করতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে প্রতিবেশী রেজাউল করিম রেজার স্ত্রী পান খাওয়ার উদ্দেশ্যে বৃদ্ধার বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি ঘরের ভেতরে রক্তাক্ত অবস্থায় বৃদ্ধার মরদেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। এ দৃশ্য দেখে তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। অল্প সময়ের মধ্যেই খবরটি পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং শত শত উৎসুক মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন।

খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রস্তুত, আলামত সংগ্রহ এবং ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।

স্থানীয়দের ধারণা, বৃদ্ধা একা বসবাস করায় দুর্বৃত্তরা ডাকাতির উদ্দেশ্যে বাড়িতে প্রবেশ করতে পারে। তবে বৃদ্ধা তাদের চিনে ফেলায় তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে অনেকের ধারণা। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি পুলিশ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হত্যার প্রকৃত উদ্দেশ্য কিংবা কারা এ ঘটনায় জড়িত—সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডে নিহতের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এলাকায় আতঙ্কও বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত হত্যাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুরো মধুপুর উপজেলায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। রহস্য উদ্ঘাটন ও প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দিকে এখন সবার দৃষ্টি।

রামগড় কৃষি গবেষনা কেন্দ্রের ৩০ শ্রমিক-১২ আনসারের নিরাপত্তার মাঝেও সেগুন গাছ চুরি !

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৮:১৬ পিএম
অস্ত্র উদ্ধারে ডেভিড ইমনসহ ৫ শীর্ষ সন্ত্রাসীর ১০ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড় পাহাড় অঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে একটি সেগুন গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি এই গবেষণা কেন্দ্রে প্রায় ৩০ জন শ্রমিক ও ১২ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। এর পাশাপাশি গবেষণা কেন্দ্রের কাছেই রয়েছে বিজিবির চেকপোস্ট। এমন নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেও কীভাবে একটি বড় সেগুন গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া হলো, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

গবেষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বাগানের একটি সেগুন গাছ কাটা হয়েছে। তবে গাছ কাটার সময় দায়িত্বরত শ্রমিক, আনসার সদস্য কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্য কেউ ঘটনাটি টের পাননি বলে দাবি করেছেন।

৩১ জুলাই (শুক্রবার) সকালে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ কাটার সত্যতা দেখতে পান। এবং গাছের কিছু অংশ উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়। ঘটনার পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে— এতজন শ্রমিক ও আনসার সদস্যের উপস্থিতি এবং পাশেই বিজিবির চেকপোস্ট থাকা সত্ত্বেও কারা বাগানে ঢুকে গাছটি কাটল ? কীভাবে গাছ কেটে তা গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হলো ? নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কারও নজরে ঘটনাটি না আসার কারণই বা কী—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি।

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, সকাল ৭টার দিকে বাগানের দিক থেকে একটি গাড়িতে গাছ নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি তারা দেখতে পান। তাদের ভাষ্য, গাছটি কেটে নিয়ে যাওয়ার পরই ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়। তবে কারা ওই গাছ কেটে নিয়ে গেছে এবং তাদের সঙ্গে বাগানের কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে, ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে গবেষণা কেন্দ্রের সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেখানে একটি সেগুন গাছ কাটা অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে গাছ কাটার সঙ্গে কারা জড়িত, কখন গাছটি কাটা হয়েছে এবং কীভাবে তা বাগান থেকে বের করে নেওয়া হয়েছে—এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগ রয়েছে, এর আগেও ২০২৩ সালে রামগড় পাহাড় অঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের গাছ কেটে বিক্রির ঘটনা নিয়ে আলোচনা ও অভিযোগ উঠেছিল। সরকারি বাগান থেকে বারবার গাছ কাটার অভিযোগ থাকলেও এসব ঘটনায় দাপ্তরিকভাবে কী ধরনের তদন্ত বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ফলে নতুন করে সেগুন গাছ কাটার ঘটনায় আগের ঘটনাগুলোর বিষয়ও সামনে এসেছে।

এ বিষয়ে রামগড় পাহাড় অঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ এমদাদুল হক বলেন, তিনি বর্তমানে স্টেশনের বাইরে রয়েছেন। গাছ কাটার বিষয়টি সম্পর্কে তিনি আগে অবগত ছিলেন না। তবে বিষয়টি জানতে পেরে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

মানিকছড়িতে বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল সভাপতি হাবিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক মীর হোসেন সাংগঠনিক নুরুজ্জামান মাষ্টার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৮:১২ পিএম
অস্ত্র উদ্ধারে ডেভিড ইমনসহ ৫ শীর্ষ সন্ত্রাসীর ১০ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ

 

মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে উৎসবমুখর পরিবেশে মানিকছড়ি উপজেলা টাউন হল মাঠে উপজেলা বিএনপি আয়োজন করে কাউন্সিলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠিত কাউন্সিল এর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমএন আবছার, জেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা জাকিয়া জিনাত বিথী, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এড. আব্দুল মালেক মিন্টু, মোশাররফ হোসেন অনিমেষ চাকমা রিংকু ও সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রব রাজা, বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদ প্রতিষ্ঠাতা ও স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ম্রাসাথোয়াই মারমাসহ বিভিন্ন উপজেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক বার্তা দিয়ে বলেন, বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে কেউ যদি অপকর্ম করে সেই যত বড় মাপের নেতা কোন ছাড় দেয়া হবে না। কোন বিএনপি নেতা নিরীহ মানুষের বিচার সালিশের নামে হয়রানি করলে কঠোর দলীয় ব্যবস্থা করবেন বলেন।

আলোচনা সভা শেষে দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিলে সভাপতি হাবিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক মোঃ মীর হোসেন সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান মাষ্টারসহ ১০১ সদস্যে নাম ঘোষণা করা হয়।

×