| ২৮ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম:

কাপ্তাইয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অপুষ্টি দূরীকরণ ও জীবনরক্ষাকারী স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা সম্পন্ন

কাপ্তাইয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অপুষ্টি দূরীকরণ ও জীবনরক্ষাকারী স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা সম্পন্ন

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি : 

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জরুরি জীবনরক্ষাকারী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ এবং পুষ্টির মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ‘অ্যাক্সেস টু অ্যান্ড ইউটিলাইজেশন অব লাইফসেভিং সার্ভিসেস বাই মার্জিনালাইজড কমিউনিটিস ইন চিটাগং হিল ট্র্যাক্টস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পের উপজেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বেলা ১১টায় কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষ ‘কিন্নরী’-তে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘আশিকা ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েটস’-এর আয়োজনে এবং ‘হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ’-এর সার্বিক সহযোগিতায় এ সভা বাস্তবায়ন করা হয়।

কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রায়হানুল ইসলামের প্রধান অতিথি ও আশিকার প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর হিল্লোল চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য ও মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আশিকার উপজেলা কো-অর্ডিনেটর দয়াল কান্তি চাকমা।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই স্বাস্থ্য বিভাগের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ক্লিনটন দে, ​উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. হোসেন,​​মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মাহমুদ হাসান,সহকারী তথ্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন

এতে আরও বক্তব্য রাখেন—​উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহআলম,​কাপ্তাই খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পলাশ ঘোষ,​৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল লতিফ, ৫ নম্বর ওয়াগ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চিরনজীত তনচংগ্যা, ১১৯ নম্বর ভাইয্যাতলী মৌজার হেডম্যান থোয়াই অং মারমা,​ সাংবাদিক মাহফুজ আলম।

সভায় বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনরক্ষাকারী বিভিন্ন সেবায় প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি এবং এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এই প্রকল্পের আওতায় পার্বত্য অঞ্চলের ১০টি উপজেলায় পুষ্টি, জীবিকা উন্নয়ন ও ওয়াশ (WASH) প্রমোশনের লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।বিশেষ করে, ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের মারাত্মক তীব্র অপুষ্টি (SAM) ও মধ্যম তীব্র অপুষ্টি (MAM) শনাক্তকরণ, দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা প্রদান এবং অপুষ্টির শিকার শিশুদের স্বাস্থ্য স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে সুষম খাদ্য গ্রহণে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।​সভায় কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় হেডম্যান-কারবারি, বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বান্দরবান জেলা পরিষদ কর্তৃক আলীকদমে কৃষকদের মাঝে ফলজ ও বনজ চারা বিতরণ

কাপ্তাইয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অপুষ্টি দূরীকরণ ও জীবনরক্ষাকারী স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা সম্পন্ন

 

‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ,

‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত দেশব্যাপী আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি (চারা) বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ উদ্যোগে আলীকদম উপজেলায় কৃষকদের আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য মৌসুমি ফল ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করেছে।

‎মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকাল ৪ ঘটিকার সময় পান বাজার জেলা পরিষদ রেস্টহাউজ প্রাঙ্গণে আর্থ সামাজিক অবস্থা উন্নয়নের লক্ষে কৃষাকদের মাঝে মৌসুমি ফল ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করেন পার্বত্য বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম রিমন।

‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বান্দরবান জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী লেনিন চাকমা, হর্টিকালচার সেন্টার বালাঘাটা, বান্দরবান এর উপ পরিচালক লিঠন দেবনাথ, আলীকদম উপজেলা কৃষি সম্প্রচারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সোহেল রানা, স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ ও উপকারভোগী কৃষক- কৃষাণীগণরা।

‎প্রধান অতিথি বলেন-  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের  ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর মাধ্যমে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন ইউনিয়নে এসব ফলজ ও বনজ চারা বিতরণ করিতেছি, তার মধ্যে ফলজ চারা ১২২টি ও বনজ চারা ৫০টি প্রত্যেককে ১৭২ টি করে চারা সাথে কীটনাশক ও সার দিচ্ছি, চারাগুলো সঠিক নিয়ম মেনে পরিচর্যার পরামর্শ দেন এবং চারাগুলো রোপনের ১০/১৫ দিন পর উদ্যান কর্মকর্তাগণ তা তদারকি করিবেন।

কাপ্তাইয়ে বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পরিত্যাক্ত একনলা বন্দুক উদ্ধার

কাপ্তাইয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অপুষ্টি দূরীকরণ ও জীবনরক্ষাকারী স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা সম্পন্ন

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

​রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলায় কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) এর বিশেষ অভিযানে একটি পরিত্যাক্ত একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) এর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

​বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কাওসার মেহেদী, সিগন্যালস-এর দিকনির্দেশনা ও সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুমদুমিয়া বিজিবি ক্যাম্পের একটি বিশেষ টহল দল রাঙামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার ৩নং ফারুয়া ইউনিয়নের দুমদুমিয়া পাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানকালে টহল দলটি তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যাক্ত অবস্থায় ১টি একনলা বন্দুক উদ্ধার করে।

 

​বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত অস্ত্রটি প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। সীমান্ত সুরক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবি’র কঠোর অবস্থানের কথা উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ এবং অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক পাচার রোধে সম্ভাব্য রুটসমূহ চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব পয়েন্টে বিজিবি’র টহল তৎপরতা, নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

বিলাইছড়িতে পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

কাপ্তাইয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অপুষ্টি দূরীকরণ ও জীবনরক্ষাকারী স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা সম্পন্ন

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

বিলাইছড়ি উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুর উপজেলা পরিষদ সন্মেলন কক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামে সহনশীল জীবিকার জন্য সহায়তা (পিআরএলসি) প্রকল্পের আওতায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা  হিল ফ্লাওয়ার এর উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেন-এর সভাপতিত্বে উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রকল্পের সমন্বয়কারী জ্যোতি বিকাশ চাকমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায়  উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: সুরজিত দত্ত, থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওসমান গনি, বিলাইছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ানসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ, প্রকল্পের সদস্যসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মাতৃ ও শিশুপুষ্টি উন্নয়ন, অপুষ্টি প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও প্রকল্পের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য পুষ্টিসেবা সম্প্রসারণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

×