শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম:

ওয়াইহ্লামা পরিবারবর্গের উদ্যােগের মহাসংঘদান ও অষ্টপরিষ্কার দান অনুষ্ঠান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১৯ পিএম
19 বার পড়া হয়েছে
ওয়াইহ্লামা পরিবারবর্গের উদ্যােগের মহাসংঘদান ও অষ্টপরিষ্কার দান অনুষ্ঠান

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিবেদক :

রাঙ্গামাটি জেলা রাজস্থলী উপজেলা ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের হেডম্যান পাড়া কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গণের ওয়াইহ্লামা মারমা পরিবারবর্গে উদ্যােগের মহা সংঘদান ও অষ্ট পরিস্কার দান অনুষ্ঠিত হয়। এসময় প্রধান দায়ক ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আদোমং মারমা। ভিক্ষু সংঘের মহানায়ক প্রধান দেশনায়ক ডাকবাংলা পাড়া বৌদ্ধ বিহারে অধ্যক্ষ ওযাইনাসারা থেরো। আরও উপস্থিত ছিলেন, নাইক্যছড়া বৌদ্ধ বিহার অধ্যক্ষ উ: ক্ষেমাচারা থেরো সহ বিভিন্ন বিহার হতে আগত ভিক্ষুগণ।

সংঘদান অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় হেডম্যান পাড়া কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারে অধ্যক্ষ উ: ঞানাওয়াইনসা থেরো। মহাসংঘদান ও অষ্টপরিস্কার দান এর বিভিন্ন এলাকায় হতে আগত স্থানীয় এলাকা দায়ক দায়িকা ও দূরদূরান্তর প্রান্তের দায়ক দায়িকা আত্মীয়-স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। সংঘদান ও অষ্টপরিষ্কার দান উদ্দেশ্য গৌতম বুদ্ধের অনুসারী নিয়ম অনুযায়ী প্রয়াত স্বামী, দাদা, দাদী নিহত উৎসর্গ পরলোক বিদেহী আত্নার শান্তি পূর্ণ জন্ম নির্বান লাভের জন্য এ অনুষ্ঠান করা হয়ে থাকে।

সকালে দায়ক দায়িকারা বিহারে এসে গৌতম বুদ্ধের কাছে পঞ্চশীল অষ্ট শীল প্রদীপ জ্বল পূজা আত্ম পরিস্কার দান টাকা পয়সা দান বুদ্বমূর্তি জীবন্যাস উৎসর্গ করা হয়েছে। দুপুরে স্থানীয় দায়ক দায়িকারা সহ বিভিন্ন এলাকা হতে আগত দায়ক-দায়িকাদেরকে আহার ব্যবস্থা ও ভিক্ষুগণ অতিথিদেরকে আগে পিন্ডদান আহার ছোয়াইং দান করেন। শেষান্তে সকল দাযক দায়িকারা সমবেত বিহারে এসে গৌতম বুদ্ধের জগতের সকল প্রাণী সুখী শান্তি সমৃদ্ধির বয়ে আনুক প্রার্থনা করা হয়েছে। সব্বে সত্তা সুখীতা হোন্ত জগতে সকল প্রাণী সুখী হউক।

জমকালো আয়োজনে দিঘীনালায় প্রথম চাঙমা বই মেলা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৩৯ পিএম
ওয়াইহ্লামা পরিবারবর্গের উদ্যােগের মহাসংঘদান ও অষ্টপরিষ্কার দান অনুষ্ঠান

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

খাগড়াছড়ির দিঘীনালায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো চাঙমা বই মেলা। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয় ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শুক্রবার, বিকাল ৩টায়, মুকুন্দ নীলিমা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গনে অনুষ্টানটি আয়োজন করা হয়।

বই মেলা–২০২৬ শীর্ষক বই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চাঙমা ভাষা গবেষক ও জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ- এর চাঙমা লেখক সদস্য আর্য্যমিত্র চাঙমা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদকপ্রাপ্ত মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন লেখক ও কবি অংসুই মারমা, লেখক ও বাচিক শিল্পী চিংলামং মারমা এবং লেখক ও শিল্পী অংক্যমং মারমা। বই মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাহিত্য ও সংস্কৃতি কর্মী ত্রিদিব কান্তি দেওয়ান।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কবি ও লেখক দীপন চাঙমা দীপু। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন নোয়ারাম চাঙমা সাহিত্য সংসদ–এর পরিচালক ইনজেব চাঙমা।

ক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, চাঙমা ভাষা ও সাহিত্য সংরক্ষণ ও বিকাশে এই বই মেলা একটি ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ। মাতৃভাষায় পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, নতুন প্রজন্মকে নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করা এবং চাঙমা লেখকদের সৃষ্টিকর্ম পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, দিঘীনালায় এই প্রথম চাঙমা ভাষাভিত্তিক বই মেলা আয়োজনের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের ভাষা আন্দোলন ও সাংস্কৃতিক চর্চায় নতুন মাত্রা যুক্ত হলো।

শহিদ ও মাতৃভাষা দিবসের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা পরিদর্শনে ইউএনও হাসনাত জাহান খান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:২৩ পিএম
ওয়াইহ্লামা পরিবারবর্গের উদ্যােগের মহাসংঘদান ও অষ্টপরিষ্কার দান অনুষ্ঠান

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন,কবিতা আবৃত্তি এবং কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের আঁকা স্ব-চক্ষে পরিদর্শন করলেন ইউএনও হাসনাত জাহান খান। তিনি শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলা কনফারেন্স রুমে কুইজ ও কবিতা আবৃত্তি, মিলনায়তনে ৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের শহীদের শহিদ মিনার এবং শহিদের বিভিন্ন স্মৃতি ক্ষুদে শিল্পীদের নিখুঁত ভাবে রং-তুলিতে আঁকা দেখে মুগ্ধ হন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলার প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডা.মোহাম্মদ গোলাম আজম, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুবেল বড়ুয়া, বিলাইছড়ি কলেজের প্রভাষক ইয়াসমিন সুলতানা মনি, কেরনছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পুতুল চন্দ্র তঞ্চঙ্গ্যাসহ বিভিন্ন প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা।

২১শে ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে  উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাজেকে আবেদন করেও খাবারের স্থল না পাওয়ার অভিযোগ ; সিন্ডিকেটের কথা বললেন রিজাংসি চাকমা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:০৩ পিএম
ওয়াইহ্লামা পরিবারবর্গের উদ্যােগের মহাসংঘদান ও অষ্টপরিষ্কার দান অনুষ্ঠান

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

দেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র সাজেক ভ্যালি এলাকায় খাবারের স্থান (ফুড স্টল/রেস্টুরেন্ট স্পট) বরাদ্দ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এক পাহাড়ি তরুণী রিজাংসি চাকমা। তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, স্থানীয় বাসিন্দা হয়েও তিনি খাবারের একটি স্থল পাননি, অথচ আবেদন করা অন্য একজন তা পেয়েছেন।

রিজাংসি চাকমার দাবি, “আমরা সাজেকের স্থানীয় মানুষ হয়েও একটি খাবারের স্থল পেলাম না। কিন্তু আমার পরে যে ব্যক্তি আবেদন করেছে, সে জায়গা পেয়েছে। বিষয়টি আমাদের জন্য খুবই হতাশাজনক।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাজেক পর্যটন এলাকায় একটি ‘সিন্ডিকেট’ কাজ করছে, যার কারণে প্রকৃত স্থানীয়রা বঞ্চিত হচ্ছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় তরুণ-তরুণীরা পর্যটন নির্ভর ছোট ব্যবসা গড়ে তুলতে চেষ্টা করলেও প্রভাবশালী একটি চক্র বিভিন্নভাবে সুযোগ-সুবিধা নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে নতুন ও প্রকৃত স্থানীয় উদ্যোক্তারা পিছিয়ে পড়ছেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হলে প্রকৃত উদ্যোক্তারা উপকৃত হবেন এবং সাজেকের পর্যটন ব্যবস্থাপনাও আরও গতিশীল হবে।

উল্লেখ্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত সাজেক ভ্যালি বছরে বিপুল সংখ্যক পর্যটক আকর্ষণ করে। এখানে ছোট-বড় অসংখ্য খাবারের দোকান, রিসোর্ট ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা গড়ে উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব ব্যবসায় সুযোগ বণ্টনে স্বচ্ছতা না থাকলে ক্ষোভ বাড়তে পারে।

এ ঘটনায় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে রিজাংসি চাকমা বলেন, “আমরা চাই ন্যায্যতা ও সমান সুযোগ। স্থানীয়দের অগ্রাধিকার দিয়ে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বরাদ্দ দেওয়া হোক।” এ বিষয়ে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন পাহাড়ি কন্যা রিজাংসি চাকমা।

×