রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম:

বাংলাদেশের ঐতিহ্য হচ্ছে উপজাতীয় ভাষা শহিদ দিবসে ইউএনও- হাসনাত জাহান খান 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:১৭ পিএম
10 বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের ঐতিহ্য হচ্ছে উপজাতীয় ভাষা শহিদ দিবসে ইউএনও- হাসনাত জাহান খান 

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

বাংলা ভাষার পাশাপাশি বাংলাদেশের ঐতিহ্য হচ্ছে উপজাতীয় ভাষা বলে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে এই মন্তব্য করলেন ইউএনও হাসনাত জাহান খান। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে কনফারেন্স হলে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, আমাদের মাল্টি ল্যাঙ্গুয়েল হতে হবে। এখানে বাংলার ভাষার পাশাপাশি চাকমা, মার্মা,তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা সহ বিভিন্ন ভাষা রয়েছে। সমতলে গারো, সাওতাল ভাষা ও অন্যান্য ভাষা। যার যার মাতৃভাষাকে সমৃদ্ধ এবং ঠিকিয়ে রাখতে সেই ভাষা-ভাষীর লোকদের এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে শিশুদের বাংলা ভাষা সঠিক চর্চার জন্য আমাদের বাংলা ভাষায় ভালো একটা কনটেন্ট পাইনা। অথচ বিশ্বে ইংরেজিসহ অন্যান্য ভাষাতে ভালো ভালো কন্টেন্ট পাওয়া যায়। তাই ডিজিটাল এই যুগে এই বিষয়েও আমাদের কাজ করতে হবে। তবে জানার জন্য ইংরেজিসহ অন্য ভাষা শেখার কথাও বলেন। এসময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা বিনয়ের সাথে অন্যায়ের প্রতিবাদ করবো। আমরা সুন্দর একটা জাতি গঠন করতে চাই। এজন্য  তিনি সকলকে বই পড়ার পরামর্শ দেন বিশেষ করে বাংলা ইতিহাস, সংস্কৃতি, সাহিত্য ইত্যাদি। এসময় তিনি আরও বলেন, আমাদের বড়দেরও বই পড়ার অভ্যাস করতে হবে। তাহলে আমাদের ছেলে-মেয়েরাও পড়বে। কারণ শিশুরা অনুকরণ প্রিয়।তিনি এও জানিয়ে দেন দিবসে কর্মকর্তারা যারা উপস্থিত ছিলেন না তাদেরকে সতর্ক করলেন।

দিবসটি ঘিরে সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা (ভারঃ) ডা. মোহাম্মদ গোলাম আজম। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুরজিত দত্ত, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাজেশ প্রসাদ রায়, সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক জাফর আহমেদ, কুতুবদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রঞ্জন তঞ্চঙ্গ্যা, প্রভাষক  ইয়াসমিন সুলতানা প্রমূখ। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুবেল বড়ুয়ার সঞ্চালনায় এ সময় অন্য বক্তারা বলেন, পৃথিবীর ২য় আর কোন দেশ নেই যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছেন। তাই এই ভাষার মর্য়াদা সমুন্নত রাখতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি অন্যান্য সকল ভাষাকেও সম্মান জানাতে হবে। এর আগে দিবসটির প্রথম প্রহরে রাত বারোটা এক মিনিটে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশসহ সরকারি বে-সরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, প্রেসক্লাব, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ,সামাজিক ওসাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে শহিদদের আত্বার শান্তি কামনার জন্য এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। এবং বিলাইছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রভাত ফেরী করে।

অন্যদিকে শিক্ষার্থীর অবিভাবকরা জানান, প্রতিযোগিতায় সঠিক মূল্যায়ন করার মতো বিচারক না থাকার কারণে  তাদের ছেলে-মেয়েদের চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃতি ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করাতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। বিষয়টি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টির প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

দুর্গম সাজেকে শহীদ মিনার না থাকায় বাঁশের তৈরি শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১৬ পিএম
বাংলাদেশের ঐতিহ্য হচ্ছে উপজাতীয় ভাষা শহিদ দিবসে ইউএনও- হাসনাত জাহান খান 

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

পাহাড়ঘেরা দুর্গম জনপদ সাজেক ভ্যালি সাজেক ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের চাইল্যাতলী ত্রিপুরা পাড়া বেসরকারি প্রার্থমিক বিদ্যালয়ে স্থায়ী শহীদ মিনার না থাকায় স্থানীয় এলাকাবাসী ও তরুণরা বাঁশ দিয়ে অস্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে এক ব্যতিক্রমী আয়োজনে সাজেকের এই উদ্যোগ স্থানীয়দের দেশপ্রেম ও ভাষার প্রতি ভালোবাসার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।

ভোরের আলো ফুটতেই বিভিন্ন বয়সী মানুষ খালি পায়ে প্রভাতফেরিতে অংশ নেন। পরে বাঁশ দিয়ে তৈরি অস্থায়ী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তারা। “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” গানে মুখর হয়ে ওঠে পাহাড়ি জনপদ। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সংশ্লিষ্ট গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিমল ত্রিপুরা জানান, সাজেকে দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী শহীদ মিনারের দাবি থাকলেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। তাই নিজেদের উদ্যোগে বাঁশ সংগ্রহ করে রাতারাতি এই প্রতীকী শহীদ মিনার তৈরি করা হয়, যাতে ভাষা শহীদদের স্মরণে কোনো ঘাটতি না থাকে।

উল্লেখ্য, ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের স্মরণে সারাদেশে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করা হয়। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হলেও সাজেকবাসীর এই আয়োজন প্রমাণ করেছে—ভাষা ওম সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতায় থেমে থাকে না।

স্থানীয়রা দ্রুত সাজেকে একটি স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে আরও সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণভাবে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা যায়।

খাগড়াছড়িতে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০৬ পিএম
বাংলাদেশের ঐতিহ্য হচ্ছে উপজাতীয় ভাষা শহিদ দিবসে ইউএনও- হাসনাত জাহান খান 

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, খাগড়াছড়ি :

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে গতকাল (২০ ফেব্রুয়ারি) শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

দিবসের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে জেলা প্রশাসক মোঃ আনোয়ার সাদাত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রথম পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় তিনি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

এরপর জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপি) দলীয়ভাবে শোভাযাত্রার মাধ্যমে ফুল অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়।

শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় গান পরিবেশন, যার মধ্যে ছিল “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” গান, যা ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি উজ্জ্বল করেছে।

এর আগে ২০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ শিশু একাডেমির আয়োজনে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, ছড়া পাঠ, কবিতা পাঠ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি দুপুরে খাগড়াছড়ি পৌরটাউন হল মিলনায়তনে শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোঃ আনোয়ার সাদাত, বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ ফরিদ মিঞা, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক সাজিয়া তাহের, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ও অপস) মোঃ মিজানুর রাহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোস্তফা জাবেদ কায়সার, খাগড়াছড়ি সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ পুলক বরণ চাকমা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রুমানা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হাসান মারুফ, বীর মুক্তিযোদ্ধা হেমদা রঞ্জন ত্রিপুরা সহ সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়। খাগড়াছড়িতে এবছরও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে।

বাঘাইছড়িতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০৬ পিএম
বাংলাদেশের ঐতিহ্য হচ্ছে উপজাতীয় ভাষা শহিদ দিবসে ইউএনও- হাসনাত জাহান খান 

 

আনোয়ার হোসেন,
বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় পরিবেশের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে খতমে কোরআন, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টায় বাঘাইছড়ি উপজেলা মডেল মসজিদের হলরুমে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর উদ্যোগে এবং নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের সহযোগিতায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়। পরে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় খতমে কোরআন সম্পন্ন করা হয় এবং বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
দোয়া ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন আনোয়ার হোসেন, নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম, পশ্চিম মুসলিম ব্লক মসজিদের ইমাম মাওলানা কবির আহমেদ, মডেল টাউন মসজিদের ইমাম মাওলানা এইচ. এম. হোসাইন ইমাম পাড়া মসজিদের ইমাম মাওলানা আরিফুল ইসলাম, দেওয়ানি মাস্টার পাড়া মসজিদের ইমাম মাওলানা হাবিবুর রহমান, মধ্যমপাড়া মসজিদের ইমাম মাওলানা রবিউল হোসেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতির আত্মপরিচয় ও অধিকার প্রতিষ্ঠার এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। শহীদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমেই আমরা মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার অর্জন করেছি।
প্রধান আলোচক আনোয়ার হোসেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, ভাষা শহীদরা জাতির আত্মমর্যাদা ও চেতনার ভিত্তি স্থাপন করেছেন। তিনি নতুন প্রজন্মকে একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম এবং মসজিদভিত্তিক শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন। শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

সুশৃঙ্খল ও মনোরম পরিবেশে আয়োজিত এ খতমে কোরআন, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা একুশের চেতনা ও একুশের শিক্ষা মনে রেখে শেষ করা হয়।

×