| ২০ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

বাংলাদেশের ঐতিহ্য হচ্ছে উপজাতীয় ভাষা শহিদ দিবসে ইউএনও- হাসনাত জাহান খান 

বাংলাদেশের ঐতিহ্য হচ্ছে উপজাতীয় ভাষা শহিদ দিবসে ইউএনও- হাসনাত জাহান খান 

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

বাংলা ভাষার পাশাপাশি বাংলাদেশের ঐতিহ্য হচ্ছে উপজাতীয় ভাষা বলে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে এই মন্তব্য করলেন ইউএনও হাসনাত জাহান খান। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে কনফারেন্স হলে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, আমাদের মাল্টি ল্যাঙ্গুয়েল হতে হবে। এখানে বাংলার ভাষার পাশাপাশি চাকমা, মার্মা,তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা সহ বিভিন্ন ভাষা রয়েছে। সমতলে গারো, সাওতাল ভাষা ও অন্যান্য ভাষা। যার যার মাতৃভাষাকে সমৃদ্ধ এবং ঠিকিয়ে রাখতে সেই ভাষা-ভাষীর লোকদের এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে শিশুদের বাংলা ভাষা সঠিক চর্চার জন্য আমাদের বাংলা ভাষায় ভালো একটা কনটেন্ট পাইনা। অথচ বিশ্বে ইংরেজিসহ অন্যান্য ভাষাতে ভালো ভালো কন্টেন্ট পাওয়া যায়। তাই ডিজিটাল এই যুগে এই বিষয়েও আমাদের কাজ করতে হবে। তবে জানার জন্য ইংরেজিসহ অন্য ভাষা শেখার কথাও বলেন। এসময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা বিনয়ের সাথে অন্যায়ের প্রতিবাদ করবো। আমরা সুন্দর একটা জাতি গঠন করতে চাই। এজন্য  তিনি সকলকে বই পড়ার পরামর্শ দেন বিশেষ করে বাংলা ইতিহাস, সংস্কৃতি, সাহিত্য ইত্যাদি। এসময় তিনি আরও বলেন, আমাদের বড়দেরও বই পড়ার অভ্যাস করতে হবে। তাহলে আমাদের ছেলে-মেয়েরাও পড়বে। কারণ শিশুরা অনুকরণ প্রিয়।তিনি এও জানিয়ে দেন দিবসে কর্মকর্তারা যারা উপস্থিত ছিলেন না তাদেরকে সতর্ক করলেন।

দিবসটি ঘিরে সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা (ভারঃ) ডা. মোহাম্মদ গোলাম আজম। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুরজিত দত্ত, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাজেশ প্রসাদ রায়, সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক জাফর আহমেদ, কুতুবদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রঞ্জন তঞ্চঙ্গ্যা, প্রভাষক  ইয়াসমিন সুলতানা প্রমূখ। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুবেল বড়ুয়ার সঞ্চালনায় এ সময় অন্য বক্তারা বলেন, পৃথিবীর ২য় আর কোন দেশ নেই যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছেন। তাই এই ভাষার মর্য়াদা সমুন্নত রাখতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি অন্যান্য সকল ভাষাকেও সম্মান জানাতে হবে। এর আগে দিবসটির প্রথম প্রহরে রাত বারোটা এক মিনিটে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশসহ সরকারি বে-সরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, প্রেসক্লাব, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ,সামাজিক ওসাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে শহিদদের আত্বার শান্তি কামনার জন্য এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। এবং বিলাইছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রভাত ফেরী করে।

অন্যদিকে শিক্ষার্থীর অবিভাবকরা জানান, প্রতিযোগিতায় সঠিক মূল্যায়ন করার মতো বিচারক না থাকার কারণে  তাদের ছেলে-মেয়েদের চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃতি ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করাতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। বিষয়টি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টির প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

আবারও চট্টগ্রাম ভাসল মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী

বাংলাদেশের ঐতিহ্য হচ্ছে উপজাতীয় ভাষা শহিদ দিবসে ইউএনও- হাসনাত জাহান খান 

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

মাত্র ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের টানা ভারী বৃষ্টিতে’ই আবারও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরী।

শুক্রবার (১৯ জুন)২৬খ্রিঃ সকালে হওয়া এই বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়।
ফলে ছুটি’র দিনেও জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ ও শ্রমজীবী পেশাজীবীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
সকাল সাড়ে ৮টার সময় শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি প্রায় ৪৫ মিনিট স্থায়ী হয়। অল্প সময়ের এ বর্ষণেই চকবাজার, কাতালগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমে যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভারী বৃষ্টির পর চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকার বেশ কয়েকটি সড়ক দ্রুত পানির নিচে চলে যায়। সড়কে পানি জমে থাকায় অনেক যানবাহন মাঝপথে আটকে পড়ে। এতে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে বাড়তি সময় লাগার পাশাপাশি দুর্ভোগও বাড়ে।
অনেক পথচারীকে হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে দেখা যায়।

স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বছরের পর বছর ধরে তারা জলাবদ্ধতার সমস্যা ভোগ করছেন। একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও বাস্তব পরিস্থিতির তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি।

রিকশাচালক রাসেল বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে রিকশা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে তাদের আয়ও কমে যাচ্ছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নাইম বলেন, রাস্তায় পানি জমে থাকায় যানবাহনের সংকট দেখা দিয়েছে। বাধ্য হয়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
এ সুযোগে কিছু পরিবহনচালক অতিরিক্ত ভাড়াও আদায় করছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার জন্য আলোচিত প্রবর্তক মোড়ে এবার তুলনামূলক কম পানি জমতে দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় হিজড়া খালে চলমান উন্নয়নকাজের ফলে ওই এলাকায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

তবে আশপাশের নিচু এলাকা ও সংযোগ সড়কগুলো পানির নিচে চলে যাওয়ায় সামগ্রিক দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মেলেনি। চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম জানান, শুক্রবার সকাল ৯ঃ০০টা পর্যন্ত নগরীতে ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। স্বল্প সময়ে ভারী বর্ষণের কারণেই নিচু এলাকাগুলোতে পানি জমেছে।
দিনভর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে এবং থেমে থেমে আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে নগরবাসীর অভিযোগ, দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাল পুনর্খনন ও সংস্কারকাজের ধীরগতি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। কোটি কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক বাসিন্দা।

আলীকদমে শিক্ষা ও উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সঙ্গে রিজিয়ন কমান্ডারের মতবিনিময়

বাংলাদেশের ঐতিহ্য হচ্ছে উপজাতীয় ভাষা শহিদ দিবসে ইউএনও- হাসনাত জাহান খান 


‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎বান্দরবানের আলীকদমে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন বান্দরবান রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম।

‎ শনিবার (২০ জুন) আলীকদমের মুরুং কমপ্লেক্সে আয়োজিত এ সভায় পার্বত্য এলাকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন এবং মুরুং কমপ্লেক্সের কার্যক্রম সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়।

‎সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আলীকদম জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান আশিক এবং আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনজুরুল আলম।

‎এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

‎সভায় জানানো হয়, বর্তমানে মুরুং কমপ্লেক্সের ছাত্রাবাসে ১২৪ জন শিক্ষার্থী অবস্থান করছে। ভবিষ্যতে আরও বেশি শিক্ষার্থীকে আবাসনের সুযোগ দিতে ছাত্রাবাসের ধারণক্ষমতা ২০০ থেকে ২৫০ জনে উন্নীত করার প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন রিজিয়ন কমান্ডার।

‎এছাড়া শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত দুইজন শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হলে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় কুরুকপাতা ইউনিয়নে নতুন একটি মুরুং কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও উত্থাপিত হয়। সম্ভাব্যতা যাচাই সাপেক্ষে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন,“শিক্ষাই পার্বত্য অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রধান ভিত্তি। মুরুং জনগোষ্ঠীর শিক্ষার প্রসার এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।”

‎সভায় বক্তারা মুরুং জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, সামাজিক অগ্রগতি ও জীবনমান উন্নয়নে মুরুং কমপ্লেক্সের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং এর অবকাঠামোগত ও প্রশাসনিক সক্ষমতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

‎বক্তারা বলেন, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষা বিস্তার, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের মাধ্যমে আলীকদম জোন দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। মুরুং কমপ্লেক্স সেই ধারাবাহিক উদ্যোগের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন রামগড় কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের

বাংলাদেশের ঐতিহ্য হচ্ছে উপজাতীয় ভাষা শহিদ দিবসে ইউএনও- হাসনাত জাহান খান 

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন করেছে পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। দীর্ঘ গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ সাফল্য অর্জিত হওয়ায় পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

জানা গেছে, রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হকের নেতৃত্বে কয়েক বছর ধরে পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষ নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। শুরুতে বিষয়টি গবেষকদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। কারণ পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি, আবহাওয়া ও পরিবেশ সমতল এলাকার তুলনায় ভিন্ন হওয়ায় এ ফলের চাষ উপযোগী করা সহজ ছিল না। তবে নিরলস গবেষণা, উন্নত পরিচর্যা পদ্ধতি ও উপযোগী জাত নির্বাচন করে গবেষকরা ধীরে ধীরে সফলতা অর্জন করেন। বর্তমানে গবেষণা কেন্দ্রের পরীক্ষামূলক বাগানে উৎপাদিত আলুবোখারা গাছে ভালো ফলন দেখা যাচ্ছে, যা স্থানীয় কৃষকদের মাঝেও ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

কৃষি গবেষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি নতুন ও লাভজনক ফল চাষ সম্প্রসারণে কাজ করছে গবেষণা কেন্দ্র। আলুবোখারা চাষ সফল হওয়ায় পাহাড়ি কৃষকদের জন্য এটি একটি সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হক বলেন, “পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা (বারি ১) চাষ একসময় বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। দীর্ঘ গবেষণা ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা সফলতা পেয়েছি। এখন পাহাড়ি এলাকার কৃষকরাও এ ফল চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।” তিনি আরও বলেন, বাণিজ্যিকভাবে আলুবোখারা চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকদের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় বহুমুখী ফল চাষের সম্ভাবনাও আরও বিস্তৃত হবে।

×