শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম:

আজকের শিশুরা আগামী দিন’র ভবিষ্যৎ, তাই আজকের শিশুদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় মুল্যবোধ এবং আধ্যাত্মিক শিক্ষাই শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে, তাহলে মৌলবাদ ধর্মান্ধতা ও মাদকাসক্ত থেকে রক্ষা পাবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭ মার্চ, ২০২৬, ১:৫১ পিএম
14 বার পড়া হয়েছে
আজকের শিশুরা আগামী দিন’র ভবিষ্যৎ, তাই আজকের শিশুদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় মুল্যবোধ এবং আধ্যাত্মিক শিক্ষাই শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে, তাহলে মৌলবাদ ধর্মান্ধতা ও মাদকাসক্ত থেকে রক্ষা পাবে

 

বিশেষ প্রতিবেদক :

শ্রীশ্রী শংকর মিশন,রাঙ্গামাটির সার্বিক তত্বাবধানে রাঙ্গামাটির ১৯ টি গীতা স্কুলের শিক্ষার্থিদের শ্রীমদ্ভগবদগীতা উপহার’র মধ্য দিয়ে “রাঙ্গামাটি গীতা সমন্বয় কমিটি” এর উদ্যোগে এক চমকপ্রদ ও আরম্ভরপূর্ণ অনুষ্ঠান’র মধ্য দিয়ে গতকাল ৬ মার্চ শুক্রবার বিকেলে “আত্মজ্ঞান গীতা দর্পণ উৎসব”/২৬ শ্রীশ্রী রক্ষ্মাকালী মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়।

গীতা সমন্বয় কমিটির সভাপতি উত্তম দত্ত’র সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক সোহেল সাহার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই উৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ মিশন,চাঁদপুর’র যুগ্ন সম্পাদক স্বামী সুবলানন্দ মহারাজ, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা সভাপতি শিক্ষক অরুপ

মুৎসুদ্দী, বাংলাদেশ পুজা উদযাপন ফ্রন্ট, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা আহবায়ক নন্দীতা দাশ, শ্রীশ্রী শংকর মিশন,রাঙ্গামাটি সভাপতি মৃদুল দত্ত, শ্রীশ্রী রক্ষ্মাকালী মন্দির’র প্রধান পুরোহিত রণধীর চক্রবর্তি, রাঙ্গামাটি গীতা শিক্ষা সমন্বয় কমিটির সহ সভাপতি প্রভা রানী ধর, সাবেক পৌর কাউন্সিলার রূপসী দাশ গুপ্ত,হিন্দু নিবন্ধক খোকন কুমার দে, শ্রীশ্রী গীতাশ্রম,রিজার্ভ বাজার যুগ্ন সম্পাদক সুমন নন্দী,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নির্মল সেন,সনাতন যুব পরিষদ রাঙ্গামাটির সাধারন সম্পাদক রাজু শীল প্রমুখ।

বক্তাগন বলেন শিক্ষা দুই প্রকার একটি একাডেমীক শিক্ষা,অন্যটি আধ্যাত্মিক শিক্ষা। একাডেমিক শিক্ষা হচ্ছে জীবনকে প্রতিষ্ঠিত করতে, চাকুরী বাকুরী ব্যবসা বানিজ্যের জন্যে,আর আধ্যাত্মিক শিক্ষা হচ্ছে জীবনকে পরমেশ্বর ভাগবান’র প্রতি ধাবিত করতে। ধর্মান্ধতা মৌলবাদ থেকে মুক্ত এবং মাধক মুক্ত সমাজ বিনির্মানের জন্য একডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থিদের ধর্মীয় মুল্যবোধ ও আধ্যাত্মিক শিক্ষাই শিক্ষিত করে গড়ে তোলার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। এবং সানাতনী পরিবারের প্রতিটি শিশু সন্তানকে নিকটস্থ গীতা স্কুলে পাঠিয়ে ধর্মীয় মুল্যবোধ ও নৈতিক এবং গীতা শিক্ষা অর্জনের আহবান জানান।

সভা শেষে গীতা শিক্ষা সমন্বয় কমিটি কর্তৃক পরিচালিত শহরের ১৯ টি গীতা স্কুলের প্রায় ২ শতাধিক শিক্ষার্থিদের হাতে মহা মুল্যবান শ্রীমদ্ভগবদ গীতা তুলে দেন।

খাগড়াছড়িতে ৩৩৬ পরিবার বসতি স্থাপন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৬ পিএম
আজকের শিশুরা আগামী দিন’র ভবিষ্যৎ, তাই আজকের শিশুদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় মুল্যবোধ এবং আধ্যাত্মিক শিক্ষাই শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে, তাহলে মৌলবাদ ধর্মান্ধতা ও মাদকাসক্ত থেকে রক্ষা পাবে

 

বিশেষ প্রতিনিধি, খাগড়াছড়ি :

খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলার ক্যায়াংঘাট এলাকায় উগুদোছড়িতে  ৩৩৬ পরিবারের বসতি স্থাপন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা বানোয়াট ও বিভ্রান্তকর তথ্য প্রচার।

আজ শনিবার সকালে  খাগড়াছড়ি রিজিয়নের আওতাধীন মহালছড়ি জোনের ক্যাপ্টেন নাহিদের নেতৃত্বে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি দল ক্যায়াংঘাট এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।অভিযানের সময় এলাকাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখেন। খাগড়াছড়িতে ৩৩৬ পরিবার বসতি স্থাপন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে অপপ্রচার করা হচ্ছে মিথ্যা ও বানোয়াট।

স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে, বাঙালি ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ রয়েছে।

সেনা সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত এই তথ্যগুলো মূলত বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও এলাকায় অস্থিতিশীলতা তৈরির উদ্দেশ্যে ছড়ানো অপপ্রচারের অংশ হতে পারে। ইতোমধ্যে ভুল তথ্য প্রচারে জড়িত কিছু ভারতীয় নাগরিককে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সীমান্তে চোরাচালান ঠেকাতে সাজেকে নিরাপত্তা জোরদার, ৫৪ বিজিবির টহল বৃদ্ধি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৪ পিএম
আজকের শিশুরা আগামী দিন’র ভবিষ্যৎ, তাই আজকের শিশুদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় মুল্যবোধ এবং আধ্যাত্মিক শিক্ষাই শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে, তাহলে মৌলবাদ ধর্মান্ধতা ও মাদকাসক্ত থেকে রক্ষা পাবে

 

রুপম চাকমা, দিঘীনাল :

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সাজেক ও আশে পাশের সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে সাজেক সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে উপজেলার বাঘাইহাট ৫৪ বিজিবি। শনিবার ৭ মার্চ সকালে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে টহল বৃদ্ধি ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

বাঘাইহাট ব্যাটালিয়নের ৫৪ বিজিবির লে: কর্ণেল মহি উদ্দিন ফারুকর বিজিব জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত দিয়ে বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান পণ্য আনার চেষ্টা বাড়ায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি সদস্যরা। এ পরিস্থিতিতে সাজেক সীমান্তের দুর্গম এলাকাগুলোতেও নিয়মিত টহল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আর জানান, সীমান্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা তৎপর রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে মাদকদ্রব্য, অবৈধ পণ্য ও অন্যান্য চোরাচালান ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
এছাড়া স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে বিজিবি। কেউ চোরাচালান বা সন্দেহজনক কোনো কার্যক্রমের তথ্য পেলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।
বিজিবি জানায়, দেশের সীমান্ত নিরাপদ রাখতে এবং অবৈধ কার্যক্রম নির্মূলে ভবিষ্যতেও তাদের এ ধরনের অভিযান ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

পাহাড়ি নারীরা পরিশ্রমী—স্বামীর সংসারে তাদের অবদান অপরিসীম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭ মার্চ, ২০২৬, ৪:২৪ পিএম
আজকের শিশুরা আগামী দিন’র ভবিষ্যৎ, তাই আজকের শিশুদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় মুল্যবোধ এবং আধ্যাত্মিক শিক্ষাই শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে, তাহলে মৌলবাদ ধর্মান্ধতা ও মাদকাসক্ত থেকে রক্ষা পাবে

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

পাহাড়ি জনপদের নারীরা তাদের কঠোর পরিশ্রম, দায়িত্ববোধ ও আত্মত্যাগের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। পরিবারের সুখ-সমৃদ্ধি ও সংসার পরিচালনায় পাহাড়ি নারীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, স্বামীর সংসারের বেশির ভাগ দায়িত্বই তারা নিজের কাঁধে তুলে নেন। পাহাড়ি নারীদের দিন শুরু হয় খুব ভোরে।

ঘরের কাজকর্ম যেমন রান্না, ঘর পরিষ্কার, সন্তানদের দেখাশোনা—এসব দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তারা কৃষিকাজ, জুমচাষ, জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ, পাহাড়ি ঝর্ণা বা দূরবর্তী স্থান থেকে পানি আনা এবং বাজারে গিয়ে পণ্য বিক্রির মতো কঠিন কাজও করে থাকেন। ফলে সংসারের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও তাদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। অনেক পাহাড়ি পরিবারে নারীরাই পরিবারের প্রধান সহায়ক শক্তি। স্বামীদের পাশাপাশি তারা সমানভাবে পরিশ্রম করে সংসারের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখেন। নিজেদের উৎপাদিত সবজি, ফলমূল, ও হস্তশিল্প বাজারে বিক্রি করে তারা পরিবারের আয় বৃদ্ধিতেও সহায়তা করেন।

স্থানীয়দের মতে, পাহাড়ি সমাজে নারীদের এই নিরলস পরিশ্রম পরিবার ও সমাজকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাদের শ্রম, ধৈর্য ও ত্যাগ পাহাড়ি সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই পাহাড়ি নারীদের এই অবদানকে যথাযথ সম্মান ও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। তাদের উন্নয়নের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করা হলে পাহাড়ি সমাজ আরও সমৃদ্ধ হবে বলে মনে করেন।

×