শিরোনাম:

রামগড়ের পাতাছড়ায় গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ বালুর পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে পাহাড়ের লালমাটি

রামগড়ের পাতাছড়ায় গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ বালুর পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে পাহাড়ের লালমাটি

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলার ২ নম্বর পাতাছড়া ইউনিয়নে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এতে আসন্ন বর্ষা মৌসুমেই সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন থেকে প্রায় ৪ দশমিক ৯৫০ কিলোমিটার সড়কের সলিং উঠিয়ে কার্পেটিং করার জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বিশেষ বরাদ্দ দেয়। টেন্ডারের মাধ্যমে এমএস রিফ এন্টারপ্রাইজ ও এমএস ইমু এন্টারপ্রাইজ নামের দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি দুই ভাগে বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায়। তবে নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকেই কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, যেখানে নিয়ম অনুযায়ী বালু ব্যবহারের কথা, সেখানে বালুর পরিবর্তে পাহাড়ি লাল মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া এস (কংক্রিট) ঢালাইয়ের পর পুনরায় বালু দেওয়ার বিধান থাকলেও সেখানেও একইভাবে পাহাড়ি মাটি ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি তাদের।

রাজনৈতিক সমস্যার আশঙ্কায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা বলেন, “আমরা কয়েকবার ঠিকাদারের লোকজনকে বিষয়টি জানিয়েছি। কিন্তু তারা আমাদের অভিযোগ আমলে নেয়নি। এভাবে নিম্নমানের কাজ হলে বর্ষা শুরু হলেই রাস্তা ভেঙে যাবে।” এলাকাবাসীর আশঙ্কা, নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়তে পারে। এতে স্থানীয় শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে।

এ বিষয়ে রিফ এন্টারপ্রাইজ ও ইমু এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনে সংযোগ না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

রামগড় উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা মো. নাইমুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। শিগগিরই সরেজমিনে পরিদর্শন করে কাজের মান যাচাই করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আলীকদমে শ্রমিক দলের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

রামগড়ের পাতাছড়ায় গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ বালুর পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে পাহাড়ের লালমাটি

 

‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ, ‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান,সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দেশের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বান্দরবানের আলীকদমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল এর উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‎

‎শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে আলীকদম উপজেলার পানবাজার এটিসি টোব্যাকো মাঠে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল ১নং আলীকদম সদর ইউনিয়নের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ‎‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলীকদম ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি আবুল হাসেম কোম্পানি, আলীকদম স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবুল বশর এবং আলীকদম কৃষক দলের সভাপতি সাহাবুদ্দিন। ‎ ‎

এ সময় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে দেশ ও জাতির কল্যাণ, গণতন্ত্রের অগ্রগতি এবং সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে উপস্থিত সবার মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়।

জেলা পরিষদ সদস্য দায়িত্ব পেলে বিলাইছড়ি উপজেলা হবে উন্নয়নের রোল মডেল

রামগড়ের পাতাছড়ায় গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ বালুর পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে পাহাড়ের লালমাটি

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য দায়িত্ব পেলে বিলাইছড়ি উপজেলাকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলবেন বলে জানান শান্তি রায় চাকমা (রায় বাবু)। তিনি শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকালে নিজ বাসভবনে একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ১৯৯৯ সালে সাবেক বিএনপির সভাপতি রবীন্দ্র লাল চাকমা, বর্তমান বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম ফকির এবং মোঃ জাফর আহাম্মদ এর হাত ধরে বিএনপিতে এসেছেন। ২০০০ সাল হতে  আজ পর্যন্ত উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

তিনি বলেন, প্রয়াত কাকা আনন্দ লাল দেওয়ান ২৫ বছর ধরে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং পিসিমা ভারতী রানী দেওয়ান ১৯৮৯-১৯৯৭ সাল পর্যন্ত জেলা পরিষদ সদস্য ছিলেন। তিনি নিজেকে একজন রাজনৈতিক পারিবারের সন্তান হিসেবে দাবি করেন। যার ফলে উপজেলা বিএনপির অফিসের জায়গাটিও তাদের দান করা। তিনিও তার কাকা ও পিসিমার মতো কাজ করতে চান। তাই জেলা পরিষদ সদস্য পদ পেলে উপজেলাকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলবেন বলে এ আশা ব্যক্ত করেন। এতে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান ও জেলা, উপজেলার বিএনপির নেতৃবৃন্দ সহ সর্বস্তরের জণগণের কাছে দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করেন।

সাজেকে গাছ থেকে পড়ে যুবক আহত, বিজিবির চিকিৎসায় রক্ষা পেল প্রাণ

রামগড়ের পাতাছড়ায় গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ বালুর পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে পাহাড়ের লালমাটি

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের জপুই পাড়া এলাকায় গাছ থেকে পড়ে রুহিম ত্রিপুরা (১৭) যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে বিজিবির সদস্যরা খবর পেয়ে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তায় তার প্রাণ রক্ষা পায়।

শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে সাজেকের একটি পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক যুবক গাছে উঠে কাজ করার সময় হঠাৎ পা পিছলে নিচে পড়ে যান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এ সময় আশপাশের লোকজন বিষয়টি টহলরত বিজিবি সদস্যদের জানালে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত যুবককে উদ্ধার করেন। পরে তাকে বিজিবি ক্যাম্পে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

বাঘাইহাট ব্যাটালিয়নের ৫৪ বিজিবির অধিনায়ক লে: কর্ণেল মহি উদ্দিন ফারকী বলেন , সময়মতো চিকিৎসা দেওয়ার কারণে আহত যুবকের অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে এবং তার প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তিনি আরো বলেন বিজিবি দেশের সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত মানুষের মানবসেবায় কাজ করে যাচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম ও যোগাযোগবিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে জরুরি সহায়তা, চিকিৎসা সেবা এবং মানবিক সহায়তা দিয়ে স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াচ্ছে বাহিনীটি।

সাজেকসহ পার্বত্য এলাকার বিভিন্ন স্থানে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যরা নিয়মিত টহলের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের বিভিন্ন সমস্যায় সহযোগিতা করছেন। অনেক সময় দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তি, অসুস্থ রোগী কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে পড়া মানুষকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বিজিবির পক্ষ থেকে।

স্থানীয়রা জানান, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দ্রুত চিকিৎসা বা সহায়তা পাওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে বিজিবি সদস্যরা এগিয়ে এসে চিকিৎসা সহায়তা, ওষুধ প্রদান এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করছেন।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের আস্থা অর্জন এবং মানবিক সহায়তা প্রদান তাদের দায়িত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেই লক্ষ্যেই নিয়মিতভাবে পাহাড়ি এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছে বিজিবি।

স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠী বিজিবির এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

×