শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম:

নাইক্যছড়া আগাপাড়া প্রধান কারবারী শীলমোহর প্রদর্শনী অনুষ্ঠান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬ মার্চ, ২০২৬, ২:২৩ পিএম
5 বার পড়া হয়েছে
নাইক্যছড়া আগাপাড়া প্রধান কারবারী শীলমোহর প্রদর্শনী অনুষ্ঠান

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটি জেলা রাজস্থলী উপজেলা ৩২০ নং কাকড়াছড়ি মৌজা অধীনে বোমাং রাজা কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত প্রধান পাড়া কারবারী আগা পাড়া নিবাসী উ: চাইথোয়াইপ্রু মারমা ছাইপ্রা বা শীলমোহর প্রদর্শনী অনুষ্ঠান হয়।

৬ মার্চ শুক্রবার সকালে নিজ বাড়ি আগা পাড়া শীলমোহর প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ৩২০ নং কাকড়াছড়ি মৌজা প্রধান হেডম্যান উ: ক্যসুইথুই চৌধুরী হেডম্যান সহকারী ও রাজস্থলী প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক চাইথোয়াইমং মারমা, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান থোয়াইসুইখই মারমা ম্রুংদং পাড়া কারবারী প্রধান উথোয়াইমং মারমা, ধলিয়া পাড়া কারবারী নাইসুইক্রই মারমা, রমতিয়া পাড়া কারবারী নবকুমার তংচনঙ্গ্যা বিভিন্ন পাড়া আগত হতে কারবারী পাড়া প্রধান সমাজ সেবক শিক্ষক যুবক সমাজ যুবক যুবতী অন্যান্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ছাইপ্রা বা শীলমোহর প্রদর্শনীতে প্রথমে পাড়া প্রধান কারবারী কে ধুম ধাম ঢুল বাজনা বাজিয়ে সম্মান করেন। এরপর মারমা আদিকাল প্রথা ১৯০০ আইন বিধি শাসন বোমাং রাজা অনুশাসন অনুযারী পাড়া প্রধান কারবারীগন সংস্কৃতির রীতিনীতি মৌজা প্রধানকে ১টি মোড়ক সহ অন্যান্য ফলজ পানীয়জল দিয়ে সন্মান গ্রহণ সহ আর্শীবাদ প্রদান করা হয়েছে।

যুগ যুগ পূর্বে পুরুষ বংশধর শতশত বছর আগে ও বোমাংরাজা অনুশাসন কর্তৃক নিয়মনীতি মোতাবেক প্রথানুযায়ী পাড়া প্রধানগণ সহ মৌজা হেডম্যান প্রধানরা এসব সীলমোহর প্রদর্শন অনুষ্ঠান করে থাকে। এখানে পাড়া প্রতিবেশী সহ অন্যান্য বিভিন্ন শ্রেণীদেরকে আহার ভোজন শুকর মাংস মুরগী সবজি মাছ ও ফল ফ্রুট পানীয়সহ খাবার আয়োজন করতে হয়।

পূর্বে পুরুষ বংশধর পরিচয় বর্গরা পাড়া প্রধান কারবারী রর্ক্ষাথের যুগ যুগ ধরে পালন করে আসছে। বৃটিশ শাসন আমল হতে এ শীলমোহর বা ছাইপ্রা কারবারী প্রধান আসন পরিচিত লাভের জন্য পুরো গ্রামবাসীকে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। পাড়া প্রধানকারবারীগণ প্রত্যকে এধরনের প্রথা প্রচলিত নিয়ম পূর্বে পুরুষ বংশধর পরিচয় অনুসারী শীল মোহর প্রদশর্ণী চলমান রয়েছে বলে জানা যায়।

আলীকদমে শ্রমিক দলের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬ মার্চ, ২০২৬, ৮:১৩ পিএম
নাইক্যছড়া আগাপাড়া প্রধান কারবারী শীলমোহর প্রদর্শনী অনুষ্ঠান

 

‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ, ‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান,সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দেশের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বান্দরবানের আলীকদমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল এর উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‎

‎শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে আলীকদম উপজেলার পানবাজার এটিসি টোব্যাকো মাঠে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল ১নং আলীকদম সদর ইউনিয়নের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ‎‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলীকদম ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি আবুল হাসেম কোম্পানি, আলীকদম স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবুল বশর এবং আলীকদম কৃষক দলের সভাপতি সাহাবুদ্দিন। ‎ ‎

এ সময় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে দেশ ও জাতির কল্যাণ, গণতন্ত্রের অগ্রগতি এবং সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে উপস্থিত সবার মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়।

জেলা পরিষদ সদস্য দায়িত্ব পেলে বিলাইছড়ি উপজেলা হবে উন্নয়নের রোল মডেল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৩ পিএম
নাইক্যছড়া আগাপাড়া প্রধান কারবারী শীলমোহর প্রদর্শনী অনুষ্ঠান

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য দায়িত্ব পেলে বিলাইছড়ি উপজেলাকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলবেন বলে জানান শান্তি রায় চাকমা (রায় বাবু)। তিনি শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকালে নিজ বাসভবনে একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ১৯৯৯ সালে সাবেক বিএনপির সভাপতি রবীন্দ্র লাল চাকমা, বর্তমান বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম ফকির এবং মোঃ জাফর আহাম্মদ এর হাত ধরে বিএনপিতে এসেছেন। ২০০০ সাল হতে  আজ পর্যন্ত উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

তিনি বলেন, প্রয়াত কাকা আনন্দ লাল দেওয়ান ২৫ বছর ধরে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং পিসিমা ভারতী রানী দেওয়ান ১৯৮৯-১৯৯৭ সাল পর্যন্ত জেলা পরিষদ সদস্য ছিলেন। তিনি নিজেকে একজন রাজনৈতিক পারিবারের সন্তান হিসেবে দাবি করেন। যার ফলে উপজেলা বিএনপির অফিসের জায়গাটিও তাদের দান করা। তিনিও তার কাকা ও পিসিমার মতো কাজ করতে চান। তাই জেলা পরিষদ সদস্য পদ পেলে উপজেলাকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলবেন বলে এ আশা ব্যক্ত করেন। এতে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান ও জেলা, উপজেলার বিএনপির নেতৃবৃন্দ সহ সর্বস্তরের জণগণের কাছে দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করেন।

সাজেকে গাছ থেকে পড়ে যুবক আহত, বিজিবির চিকিৎসায় রক্ষা পেল প্রাণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬ মার্চ, ২০২৬, ৪:২৮ পিএম
নাইক্যছড়া আগাপাড়া প্রধান কারবারী শীলমোহর প্রদর্শনী অনুষ্ঠান

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের জপুই পাড়া এলাকায় গাছ থেকে পড়ে রুহিম ত্রিপুরা (১৭) যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে বিজিবির সদস্যরা খবর পেয়ে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তায় তার প্রাণ রক্ষা পায়।

শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে সাজেকের একটি পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক যুবক গাছে উঠে কাজ করার সময় হঠাৎ পা পিছলে নিচে পড়ে যান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এ সময় আশপাশের লোকজন বিষয়টি টহলরত বিজিবি সদস্যদের জানালে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত যুবককে উদ্ধার করেন। পরে তাকে বিজিবি ক্যাম্পে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

বাঘাইহাট ব্যাটালিয়নের ৫৪ বিজিবির অধিনায়ক লে: কর্ণেল মহি উদ্দিন ফারকী বলেন , সময়মতো চিকিৎসা দেওয়ার কারণে আহত যুবকের অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে এবং তার প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তিনি আরো বলেন বিজিবি দেশের সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত মানুষের মানবসেবায় কাজ করে যাচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম ও যোগাযোগবিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে জরুরি সহায়তা, চিকিৎসা সেবা এবং মানবিক সহায়তা দিয়ে স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াচ্ছে বাহিনীটি।

সাজেকসহ পার্বত্য এলাকার বিভিন্ন স্থানে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যরা নিয়মিত টহলের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের বিভিন্ন সমস্যায় সহযোগিতা করছেন। অনেক সময় দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তি, অসুস্থ রোগী কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে পড়া মানুষকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বিজিবির পক্ষ থেকে।

স্থানীয়রা জানান, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দ্রুত চিকিৎসা বা সহায়তা পাওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে বিজিবি সদস্যরা এগিয়ে এসে চিকিৎসা সহায়তা, ওষুধ প্রদান এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করছেন।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের আস্থা অর্জন এবং মানবিক সহায়তা প্রদান তাদের দায়িত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেই লক্ষ্যেই নিয়মিতভাবে পাহাড়ি এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছে বিজিবি।

স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠী বিজিবির এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

×