বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম:

কাপ্তাইয়ে আলোচনায় মায়ারাম তনচংগ্যা: জেলা পরিষদে দায়িত্ব পেলে উন্নয়নের নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:৫১ পিএম
17 বার পড়া হয়েছে
কাপ্তাইয়ে আলোচনায় মায়ারাম তনচংগ্যা: জেলা পরিষদে দায়িত্ব পেলে উন্নয়নের নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

দীর্ঘ তিন দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূল পর্যায়ে সুসংগঠিত অবস্থান এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির কারণে রাঙ্গামাটি কাপ্তাইয়ের রাজনীতিতে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মায়ারাম তনচংগ্যা। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলের ধারণা, তাঁকে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলে এলাকার ঝিমিয়ে পড়া উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

মায়ারাম তনচংগ্যার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ১৯৯৫ সালে ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়ন যুবদলের একজন সাধারণ সদস্য হিসেবে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। ২০০১ সালে ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক, ২০১০ সালে উপজেলা বিএনপির সদস্য এবং ২০১৯ সালে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির সদস্য এবং ওয়াগ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৯৮ সালের প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দীর্ঘ সময় পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় আত্মগোপনে থেকেও দলের আদর্শ বিচ্যুত না হওয়া তাঁকে একজন ‘পরীক্ষিত নেতা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

​বটতলী এলাকার মৃত লাল মোহন তনচংগ্যার সন্তান মায়ারাম তনচংগ্যা শুধু রাজনীতিতেই নয়, জনপ্রতিনিধি হিসেবেও নিজের মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়ন পরিষদের দুইবারের নির্বাচিত এই সদস্য স্থানীয় শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং দরিদ্র মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। ক্রীড়া ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তাঁর সরব উপস্থিতি তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত সহজপ্রাপ্য ও জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “মায়ারাম তনচংগ্যা সবসময় আমাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকেন। তিনি জনপ্রতিনিধি হিসেবে অত্যন্ত স্বচ্ছ এবং এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নে তাঁর বিশেষ নজর রয়েছে।” —

মায়ারাম তনচংগ্যা বিশ্বাস করেন, রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও এলাকার উন্নয়ন ও শান্তি-সম্প্রীতির প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি। জেলা পরিষদে তাঁর সম্ভাব্য অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে স্থানীয়দের প্রত্যাশা অনেক। বিশেষ করে:কাপ্তাইয়ের পর্যটন সম্ভাবনাকে বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া।বেকার যুবকদের কারিগরি প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি।পাহাড়ি ও সমতলের মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করা।

তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতে, মায়ারাম তনচংগ্যার মতো মাঠপর্যায়ের নেতাকে জেলা পরিষদে মূল্যায়ন করা হলে তা হবে দলের ত্যাগী কর্মীদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা আর ক্লিন ইমেজের এই নেতাকে ঘিরেই এখন কাপ্তাইয়ের উন্নয়নের সোনালী স্বপ্ন বুনছে সাধারণ মানুষ।

মোটরসাইকেলের তেলের টাঙ্কি ও সিটের নিচে মিললো ১০ কেজি গাঁজা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৯ পিএম
কাপ্তাইয়ে আলোচনায় মায়ারাম তনচংগ্যা: জেলা পরিষদে দায়িত্ব পেলে উন্নয়নের নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

গাইবান্ধা শহরের ব্যস্ততম ২ নং ট্রাফিক মোড়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে পারেনি মাদক কারবারি। পুলিশের সংকেত পেয়ে মোটরসাইকেল ফেলে চালক পালিয়ে গেলেও, সেই মোটরসাইকেল তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ১০ কেজি গাঁজা।

বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে ডিউটি চলাকালীন ২নং ট্রাফিক মোড়ে একটি সন্দেহভাজন বাজাজ ১৫০ সিসি মোটরসাইকেলকে থামার সংকেত দেন দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি ও কঠোর ভাবমূর্তি দেখে মোটর সাইকেল চালক আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ধরা পড়ার ভয়ে চালক মাঝপথেই মোটরসাইকেলটি ফেলে রেখে দ্রুত জনাকীর্ণ এলাকার দিকে পালিয়ে যান।

পরে মোটরসাইকেলটিতে তল্লাশি চালায় ট্রাফিক পুলিশ। তল্লাশিকালে দেখা যায়, মাদক বহনের জন্য চালক অত্যন্ত চতুর ও অভিনব কৌশলের আশ্রয় নিয়ে মোটরসাইকেলের তেলের টাঙ্কির ভেতরে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল গাঁজার প্যাকেট। এছাড়া সিটের নিচের অংশে বোরখা দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় আরও বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে উদ্ধারকৃত গাঁজার পরিমাণ প্রায় ১০ কেজি।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা ট্রাফিক ইনচার্জ আলতাফ হোসেন জানান, নিয়মিত তল্লাশির অংশ হিসেবে মোটর সাইকেলটিকে থামার সংকেত দেওয়া হয়েছিল। মাদক কারবারিরা প্রতিনিয়ত পাচারের নতুন নতুন পথ ও কৌশল অবলম্বন করছে। তবে আমাদের ট্রাফিক বিভাগ সর্বদা সজাগ রয়েছে। ১০ কেজি গাঁজাসহ মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে এবং পালিয়ে যাওয়া চালককে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

“শ্রীশ্রী সার্বজনীন মহাযজ্ঞ” সেনাবাহিনীর অর্থ সহায়তা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪ মার্চ, ২০২৬, ৩:১১ পিএম
কাপ্তাইয়ে আলোচনায় মায়ারাম তনচংগ্যা: জেলা পরিষদে দায়িত্ব পেলে উন্নয়নের নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা

 

বিশেষ প্রতিবেদক, খাগড়াছড়িঃ

পার্বত্য খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নের মুড়াপাড়ায় ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের আয়োজিত “শ্রীশ্রী সার্বজনীন মহাযজ্ঞ” অনুষ্ঠানে অর্থ সহায়তা ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গুইমারা রিজিয়নের সিন্দুকছড়ি জোন।

আজ বুধবার (৪ মার্চ) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিন্দুকছড়ি জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মো. মাজহার হোসেন রাব্বানী ও ক্যাপ্টেন মো. আসিফ বিন ফারুক।

“শ্রীশ্রী সার্বজনীন মহাযজ্ঞ” অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও নিরাপত্তায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাজ করছে বলে জানিয়েছে সেনা সূত্র।

সূর্যমুখী বাগানে ছবি তুলতে পাহাড়ি তরুণীদের ঢল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪ মার্চ, ২০২৬, ২:০০ পিএম
কাপ্তাইয়ে আলোচনায় মায়ারাম তনচংগ্যা: জেলা পরিষদে দায়িত্ব পেলে উন্নয়নের নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

রঙিন সূর্যমুখীর হাসিতে ভরে উঠেছে পাহাড়ি জনপদের বিস্তীর্ণ বাগান। শীতের মৃদু রোদ আর নীল আকাশের নিচে সূর্যমুখী ফুলের সঙ্গে ছবি তুলতে ভিড় করছেন পাহাড়ি তরুণীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আকর্ষণীয় ছবি পোস্ট করতে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

বাঘাইছড়ি জেলার রুপাকারি, করেঙ্গাতলি, বঙ্গলতলি, সাজেকসহ বিভিন্ন সূর্যমুখী বাগানে সম্প্রতি দর্শনার্থীদের সংখ্যা বেড়েছে কয়েকগুণ। বিশেষ করে পাহাড়িদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সেজে তরুণীরা দলবেঁধে বাগানে এসে ছবি তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

কেউ বন্ধুদের সঙ্গে, কেউবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কাটাচ্ছেন আনন্দঘন সময়।

স্থানীয় উদ্যোক্তারা জানান, কয়েক বছর ধরে পরীক্ষামূলকভাবে সূর্যমুখী চাষ শুরু হলেও এবার ফলন ভালো হওয়ায় বড় পরিসরে বাগান করা হয়েছে। ফুল ফোটার মৌসুমে দর্শনার্থীদের জন্য বাগান উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এতে কৃষকেরা যেমন অতিরিক্ত আয় করছেন, তেমনি স্থানীয় পর্যটনও চাঙ্গা হচ্ছে।

৩৫নং বঙ্গলতলি ইউনিয়নের টিশা চাকমা নামে এক তরুণী দর্শনার্থী বলেন, “সূর্যমুখীর হলুদ রঙ আর পাহাড়ের সবুজ প্রকৃতি মিলিয়ে অসাধারণ দৃশ্য তৈরি হয়েছে। ছবি তোলার জন্য এর চেয়ে সুন্দর জায়গা আর হয় না।”
তবে অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতে বাগান কর্তৃপক্ষ কিছু নিয়ম-কানুন জারি করেছে। ফুল নষ্ট না করা, নির্দিষ্ট পথে চলাচল এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে সবার প্রতি।

স্থানীয় প্রশাসন মনে করছে, এ ধরনের কৃষিভিত্তিক পর্যটন উদ্যোগ পাহাড়ি অঞ্চলের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সূর্যমুখীর হাসিতে তাই শুধু বাগানই নয়, হাসছে পাহাড়ি এলাকার প্রত্যন্ত জনপদ।

×