শিরোনাম:

কবিতার নাম : “ শিক্ষক ’’

কবিতার নাম : “ শিক্ষক ’’

“ শিক্ষক ’’

লেখিকা : স্বপ্না আকতার

শিক্ষক মানে পিতা মাতার মতো

অনেক ভালোবাসা,

শিক্ষক মানে পড়ালেখায় এগিয়ে নিয়ে যাওয়া

শিক্ষক মানে পড়ালেখার পাশাপাশি অনেক আনন্দ করা।

শিক্ষক মানে পিতা মাতার পরে দ্বিতীয় পিতা-মাতা

শিক্ষক মানে লেখাপড়ায় ভালো ফলাফল করানো,

শিক্ষক মানে আদর করে মায়ের মতো পড়ানো।

মোটরসাইকেলের তেলের টাঙ্কি ও সিটের নিচে মিললো ১০ কেজি গাঁজা

কবিতার নাম : “ শিক্ষক ’’

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

গাইবান্ধা শহরের ব্যস্ততম ২ নং ট্রাফিক মোড়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে পারেনি মাদক কারবারি। পুলিশের সংকেত পেয়ে মোটরসাইকেল ফেলে চালক পালিয়ে গেলেও, সেই মোটরসাইকেল তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ১০ কেজি গাঁজা।

বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে ডিউটি চলাকালীন ২নং ট্রাফিক মোড়ে একটি সন্দেহভাজন বাজাজ ১৫০ সিসি মোটরসাইকেলকে থামার সংকেত দেন দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি ও কঠোর ভাবমূর্তি দেখে মোটর সাইকেল চালক আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ধরা পড়ার ভয়ে চালক মাঝপথেই মোটরসাইকেলটি ফেলে রেখে দ্রুত জনাকীর্ণ এলাকার দিকে পালিয়ে যান।

পরে মোটরসাইকেলটিতে তল্লাশি চালায় ট্রাফিক পুলিশ। তল্লাশিকালে দেখা যায়, মাদক বহনের জন্য চালক অত্যন্ত চতুর ও অভিনব কৌশলের আশ্রয় নিয়ে মোটরসাইকেলের তেলের টাঙ্কির ভেতরে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল গাঁজার প্যাকেট। এছাড়া সিটের নিচের অংশে বোরখা দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় আরও বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে উদ্ধারকৃত গাঁজার পরিমাণ প্রায় ১০ কেজি।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা ট্রাফিক ইনচার্জ আলতাফ হোসেন জানান, নিয়মিত তল্লাশির অংশ হিসেবে মোটর সাইকেলটিকে থামার সংকেত দেওয়া হয়েছিল। মাদক কারবারিরা প্রতিনিয়ত পাচারের নতুন নতুন পথ ও কৌশল অবলম্বন করছে। তবে আমাদের ট্রাফিক বিভাগ সর্বদা সজাগ রয়েছে। ১০ কেজি গাঁজাসহ মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে এবং পালিয়ে যাওয়া চালককে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

“শ্রীশ্রী সার্বজনীন মহাযজ্ঞ” সেনাবাহিনীর অর্থ সহায়তা

কবিতার নাম : “ শিক্ষক ’’

 

বিশেষ প্রতিবেদক, খাগড়াছড়িঃ

পার্বত্য খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নের মুড়াপাড়ায় ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের আয়োজিত “শ্রীশ্রী সার্বজনীন মহাযজ্ঞ” অনুষ্ঠানে অর্থ সহায়তা ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গুইমারা রিজিয়নের সিন্দুকছড়ি জোন।

আজ বুধবার (৪ মার্চ) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিন্দুকছড়ি জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মো. মাজহার হোসেন রাব্বানী ও ক্যাপ্টেন মো. আসিফ বিন ফারুক।

“শ্রীশ্রী সার্বজনীন মহাযজ্ঞ” অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও নিরাপত্তায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাজ করছে বলে জানিয়েছে সেনা সূত্র।

সূর্যমুখী বাগানে ছবি তুলতে পাহাড়ি তরুণীদের ঢল

কবিতার নাম : “ শিক্ষক ’’

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

রঙিন সূর্যমুখীর হাসিতে ভরে উঠেছে পাহাড়ি জনপদের বিস্তীর্ণ বাগান। শীতের মৃদু রোদ আর নীল আকাশের নিচে সূর্যমুখী ফুলের সঙ্গে ছবি তুলতে ভিড় করছেন পাহাড়ি তরুণীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আকর্ষণীয় ছবি পোস্ট করতে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

বাঘাইছড়ি জেলার রুপাকারি, করেঙ্গাতলি, বঙ্গলতলি, সাজেকসহ বিভিন্ন সূর্যমুখী বাগানে সম্প্রতি দর্শনার্থীদের সংখ্যা বেড়েছে কয়েকগুণ। বিশেষ করে পাহাড়িদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সেজে তরুণীরা দলবেঁধে বাগানে এসে ছবি তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

কেউ বন্ধুদের সঙ্গে, কেউবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কাটাচ্ছেন আনন্দঘন সময়।

স্থানীয় উদ্যোক্তারা জানান, কয়েক বছর ধরে পরীক্ষামূলকভাবে সূর্যমুখী চাষ শুরু হলেও এবার ফলন ভালো হওয়ায় বড় পরিসরে বাগান করা হয়েছে। ফুল ফোটার মৌসুমে দর্শনার্থীদের জন্য বাগান উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এতে কৃষকেরা যেমন অতিরিক্ত আয় করছেন, তেমনি স্থানীয় পর্যটনও চাঙ্গা হচ্ছে।

৩৫নং বঙ্গলতলি ইউনিয়নের টিশা চাকমা নামে এক তরুণী দর্শনার্থী বলেন, “সূর্যমুখীর হলুদ রঙ আর পাহাড়ের সবুজ প্রকৃতি মিলিয়ে অসাধারণ দৃশ্য তৈরি হয়েছে। ছবি তোলার জন্য এর চেয়ে সুন্দর জায়গা আর হয় না।”
তবে অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতে বাগান কর্তৃপক্ষ কিছু নিয়ম-কানুন জারি করেছে। ফুল নষ্ট না করা, নির্দিষ্ট পথে চলাচল এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে সবার প্রতি।

স্থানীয় প্রশাসন মনে করছে, এ ধরনের কৃষিভিত্তিক পর্যটন উদ্যোগ পাহাড়ি অঞ্চলের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সূর্যমুখীর হাসিতে তাই শুধু বাগানই নয়, হাসছে পাহাড়ি এলাকার প্রত্যন্ত জনপদ।

×