| ২৪ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

রাঙ্গামাটিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে হাবীব আজম- সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান

রাঙ্গামাটিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে হাবীব আজম- সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

শারদীয় দুর্গাপূজা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং এটি সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির মেলবন্ধনের এক মহাসমারোহ। এই উৎসবকে ঘিরে রাঙ্গামাটিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবীব আজম।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর)২৬ খ্রিঃ সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। পরিদর্শনকালে তিনি পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক পরিবেশ, পূজার আয়োজন এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি পূজার আয়োজক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শন করা মণ্ডপগুলোর মধ্যে ছিল রাঙ্গামাটি কেন্দ্রীয় তবলছড়ি বাজার শ্রী শ্রী রক্ষা কালী মন্দির, রিজার্ভ বাজার শ্রী শ্রী গীতাশ্রম মন্দির, তবলছড়ি স্বর্ণটিলা শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দির, বনরূপা কাঠালতলী শ্রী শ্রী দুর্গা মাতৃমন্দির, আসামবস্তি শ্রী শ্রী শীতলা মন্দির এবং বনরূপা হ্যাপির মোড় জগদ্ধাত্রী মাতৃমন্দিরসহ শহরের আরও কয়েকটি পূজামণ্ডপ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের রাঙ্গামাটি জেলা সভাপতি ও শিক্ষক অরূপ কুমার মুৎসুদ্দী, ওয়ার্ল্ড পীস্ এন্ড হিউম্যান রাইটস সোসাইটি রাঙ্গামাটি জেলার যুগ্ন সম্পাদক নজরুল ইসলাম চাঁন মিঞা, পিসিসিপি রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন, জেলা শাখার ছাত্রনেতা মো. অন্তর, দীপ দাশ ও সাকিবুল ইসলাম। এ ছাড়া সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীপ্ত বড়ুয়া, মোহাম্মদ রবি হোসেন ও মোহাম্মদ শাকিলসহ অন্যান্যরা।

পরিদর্শনকালে হাবীব আজম বলেন, “শারদীয় দুর্গাপূজা আমাদের সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—এই চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে মিলেমিশে উৎসব উদ্‌যাপন করতে হবে। রাঙ্গামাটির দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, উৎসবের আনন্দ যেন সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, সে জন্য সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। একই সঙ্গে পূজামণ্ডপে আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ, সেনাবাহিনী ও আনসার বাহিনীর টহল দল সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। উৎসব নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

সদর উপজেলার দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা বিজয়া দশমীর দিন কাপ্তাই হ্রদে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। এদিন শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ থেকে প্রতিমা নিয়ে এসে কাপ্তাই হ্রদে বিসর্জন দেওয়া হবে।

হ্যাপি ইউনাইটেড নেশন ডে-২০২৬

রাঙ্গামাটিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে হাবীব আজম- সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান

 

বিশেষ প্রতিবেদক :

জাতিসংঘ দিবস ২০২৬ শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে পালন করা হয়। এই দিনটি ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হওয়ার বার্ষিকীকে চিহ্নিত করে, যা শান্তি, মানবাধিকার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি বিশ্বব্যাপী প্রতিশ্রুতির প্রতিনিধিত্ব করে।

মূল হাইলাইট এবং থিম মূল ফোকাস: জাতিসংঘ দিবস বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং বহুপাক্ষিক কূটনীতিকে তুলে ধরে।

পালনীয় : বিশ্বব্যাপী অনুষ্ঠিত ইভেন্টগুলির মধ্যে রয়েছে মডেল জাতিসংঘের অধিবেশন, পতাকা অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক বিনিময়, প্যানেল আলোচনা এবং ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDGs) এর উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা শিক্ষামূলক উদ্যোগ।

জাতিসংঘ দিবস পালনের উপায় শিক্ষাগত ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম: স্কুল এবং সম্প্রদায়গুলি জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলিতে আন্তর্জাতিক খাদ্য উত্সব, ঐতিহ্যবাহী পোশাক প্রদর্শন এবং উপস্থাপনা আয়োজন করে।

মডেল ইউএন কনফারেন্স: ছাত্র এবং তরুণ প্রাপ্তবয়স্করা জলবায়ু পরিবর্তন এবং সমুদ্র সংরক্ষণের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের সমাধান অন্বেষণ করতে জাতিসংঘের বিতর্ক অনুকরণ করে।

শান্তি ও স্থায়িত্ব সচেতনতা: সম্প্রদায়ের ইভেন্টগুলি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যগুলির প্রতি স্থানীয় অবদানগুলিকে তুলে ধরে।

কেংড়াছড়িতে গাজী কালী শাহ (রহ.) মাজারে বার্ষিক ওরশ উদযাপন

রাঙ্গামাটিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে হাবীব আজম- সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,
বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার কেংড়াছড়ি ইউনিয়নে গাজী কালী শাহ (রহ.) মাজারে বার্ষিক ওরশ উদযাপন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ৯টায় মাজার প্রাঙ্গণে আয়োজিত ওরশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও রাঙামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি মো. জাফর আহাম্মদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. রেজাউল করিম রনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান ধর্মীয় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ মোহাম্মদিয়া তৈয়্যেবিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক মুহাম্মদ সারোয়ার হোসেন। বিশেষ ধর্মীয় আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন আল-মাহমুদিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মোহাম্মদ আবুল হোসাইন ও হাফেজ মুহাম্মদ শাহরিয়া আহমেদ। এ সময় উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইমাম হাসান সিকদার।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী হায়দার, সাধারণ সম্পাদক অলি আহমেদ, কেংড়াছড়ির মনির হোসেন, মো. মতিয়ার রহমান, মো. কবির হোসেন, ফাতেমা বেগম ও মুছাম্মৎ কুলসুম বেগম। আরও উপস্থিত ছিলেন আনসার ও ভিডিপির সহকারী প্লাটুন ইনচার্জ মো. নইম উদ্দিন, মো. শাহাদাৎ হোসেন, ফারুয়ার আলেখ্যং মাজারের দায়িত্বে সমীর দাশ এবং এগুজ্যাছড়ি মাজারের তপন কান্তি দাশসহ বিভিন্ন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
ওরশ উপলক্ষে মাজার প্রাঙ্গণে শত শত ভক্ত ও আশেকানের সমাগম ঘটে। অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন ইউনিয়ন দলনেত্রী লাইলী বেগমসহ আনসার সদস্যরা।

রাতব্যাপী জিকির, সম্মাননা প্রদান, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বার্ষিক ওরশের আয়োজন সম্পন্ন হয়।

থানচিতে প্রবারণা পূর্ণিমার ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ম্রো: ইয়াং এফসি

রাঙ্গামাটিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে হাবীব আজম- সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান

 

চিংথোয়াই অং মার্মা, থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের থানচিতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘মাহা ওয়াগ্যোয়াই পোয়ে’ (শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা) উপলক্ষে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে নিংরংক্রে একাদশকে ৫-১ গোলে ব্যবধানে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ম্রো: ইয়াং এফসি।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে থানচি উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে দাপুটে জয় তুলে নিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে ম্রো: ইয়াং এফসি দলটি। অন্যদিকে বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়ে রানার্সআপ হয় নিংরংক্রে একাদশ। ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র করে থানচি উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম পরিণত হয় উৎসবমুখর মিলনমেলায়। খেলা উপভোগ করতে মাঠের চারপাশে জড়ো হন বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর শত শত ফুটবলপ্রেমী দর্শক। দুই দলের খেলোয়াড়দের নৈপুণ্য, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ এবং গোলের মুহূর্তে দর্শকদের করতালি ও উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মাঠ।

ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা স্থানীয় মানুষের মধ্যে আনন্দ ও সম্প্রীতির আবহ তৈরি করেছে। ফাইনালে থানচি ম্রো: ইয়াং এফসি শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ধারাবাহিক চাপ সৃষ্টি করে একের পর এক গোলের সুযোগ তৈরি করে তারা। বিপরীতে নিংরংক্রে একাদশ একটি গোল করলেও প্রতিপক্ষের আক্রমণ ঠেকাতে ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত ৫-১ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ম্রো: ইয়াং এফসি।

খেলা শেষে অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। টুর্নামেন্ট উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক নুমংপ্রু মার্মার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য অ্যাডভোকেট উবাথোয়াই মার্মা, থানচি উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান চসাথোয়াই মার্মা, থানচি প্রেস ক্লাবের সভাপতি মংবোওয়াংচিং মার্মা (অনুপম), সমাজপতি ক্রাপ্রুঅং মার্মা এবং প্রধান শিক্ষক চশৈউ মার্মা। তাঁরা বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, খেলাধুলা পাহাড়ের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার কার্যকর মাধ্যম। প্রবারণা পূর্ণিমার মতো ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবকে কেন্দ্র করে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে যুবসমাজকে মাদকাসক্তি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে সুস্থ বিনোদন এবং ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে খেলাধুলার প্রসার প্রয়োজন। তাঁরা আরও বলেন, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন তরুণ খেলোয়াড়দের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করে। নিয়মিত এমন আয়োজন অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে এখান থেকে দক্ষ ফুটবলার উঠে আসার সম্ভাবনা বাড়বে।

আয়োজক কমিটি জানায়, স্থানীয় পর্যায়ে ফুটবলের প্রসার ঘটানো, নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদার করাই ছিল টুর্নামেন্টের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এ ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা ও প্রত্যাশার কথাও জানান আয়োজকেরা। থানচি ম্রো: ইয়াং এফসির শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয় প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে আয়োজিত এই ফুটবল টুর্নামেন্ট।

ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে এমন ক্রীড়া আয়োজন থানচির তরুণ সমাজকে খেলাধুলায় আরও উৎসাহিত করবে এবং পাহাড়ের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

×