| ১৮ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

বাউবির এইচএসসি প্রোগ্রামের বইসহ ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

বাউবির এইচএসসি প্রোগ্রামের বইসহ ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

ভর্তির সময় বইয়ের টাকা নিয়েও বই না পাওয়ার অভিযোগ, ক্লাস-সিলেবাস ও ফলাফল নিয়ে ক্ষোভ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) এইচএসসি প্রোগ্রামসহ বিভিন্ন শিক্ষাক্রমের শিক্ষার্থীদের সময়মতো পাঠ্যবই সরবরাহ এবং ১০ দফা যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর)২৬খ্রিঃ সকাল ১০ঃ০০ ঘটিকায় সময় চট্টগ্রামের জামালখান এলাকায় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যাণমূলক অরাজনৈতিক সংগঠন “ডাক দিয়ে যাই”-এর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য ও বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক এবং হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের ভিপি মোঃ পারভেজ খানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতির সাংগঠনিক সচিব, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের সভাপতি ও চট্টগ্রাম কলেজের আহ্বায়ক মোঃ ফরহাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকির হোসেন।

মানববন্ধনে হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম কলেজ, সরকারি সিটি কলেজ, সরকারি কমার্স কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ, এনায়েত বাজার মহিলা কলেজ, ব্যারিস্টার সুলতান আহমদ চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ, চট্টগ্রাম মডেল কলেজ ও বিজয় স্বরণী ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী প্রতিনিধি এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

এ সময় বক্তব্য দেন সংগঠনের সহসাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, গোলাম আজম লিটন ও বোরহান উদ্দিন; সাংগঠনিক সম্পাদক ও সরকারি সিটি কলেজের ভিপি আশরাফুল ইসলাম সাকিল,ত্রাণ ও দুর্যোগবিষয়ক সম্পাদক এবং সরকারি মহিলা কলেজের আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান। এ ছাড়া সরকারি কমার্স কলেজের আহ্বায়ক আল আমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফুল ও নুরুল হুদা এবং সদস্যসচিব সাদমান মাহিসহ বিভিন্ন কলেজের প্রতিনিধিরা ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নের পক্ষে বক্তব্য দেন।

বই না পেয়ে বিপাকে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ভর্তির সময় বইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ নেওয়া হলেও এইচএসসি প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীরা এখনো পাঠ্যবই হাতে পাননি। অথচ নির্ধারিত ২০টি ক্লাসের মধ্যে ইতোমধ্যে তিনটি ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বই ছাড়াই পাঠদান কার্যক্রম চলায় পড়াশোনা ও পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। তাঁরা বলেন, সময়মতো বই না পাওয়ায় পাঠ্যসূচি অনুসরণ, বিষয়বস্তু অনুশীলন এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ ব্যাহত হচ্ছে। তাই অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের হাতে প্রয়োজনীয় বই পৌঁছে দিতে হবে। ব

ক্তারা আরও অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, শ্রেণিকক্ষে পড়ানো বিষয়বস্তুর সঙ্গে পরীক্ষার প্রশ্নের প্রত্যাশিত সামঞ্জস্য পাওয়া যায় না। এ সমস্যা সমাধানে পাঠদান ও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়নের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা। পাশাপাশি ক্লাস শুরুর আগেই পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস সরবরাহের আহ্বান জানান। তাঁদের ভাষ্য, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি নেওয়ার পরও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ও যথাযথ সেবা নিশ্চিত না হলে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সময়মতো বই সরবরাহ, নিয়মিত পাঠদান, নির্ভুল ফলাফল প্রকাশ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব সেবা নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

শিক্ষার্থীদের ১০ দফা দাবি মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা নিম্নোক্ত ১০ দফা দাবি উত্থাপন করেন— ১. সময়ে বই সরবরাহ: সব প্রোগ্রামের টিউটোরিয়াল ক্লাস শুরুর আগেই প্রয়োজনীয় বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দিতে হবে। ২. রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ: এসএসসি, এইচএসসিসহ বিভিন্ন প্রোগ্রামে পরবর্তী কোর্সে রেজিস্ট্রেশন করতে না পারা শিক্ষার্থীদের পুনরায় সুযোগ দিতে হবে। ৩. আগাম সিলেবাস প্রকাশ: ক্লাস শুরুর আগেই পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস সরবরাহ করতে হবে। ৪. ক্লাসের সংখ্যা বৃদ্ধি: নির্ধারিত পাঠ্যসূচি যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে ক্লাসের সংখ্যা বাড়াতে হবে। ৫. সারাদেশে সমন্বিত পাঠদান: দেশের সব অঞ্চলে প্রতিটি প্রোগ্রামে একই সময়ে ও নির্ধারিত সিলেবাস অনুযায়ী ক্লাস নিশ্চিত করতে হবে। ৬. ফলাফলের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি: পরীক্ষার ফলাফলে ত্রুটি থাকলে দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি করে সংশোধিত ফলাফল প্রকাশ করতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট না হয়। ৭. যোগ্য কর্মকর্তার দায়িত্ব নিশ্চিত: বাউবির সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগ্য ও দক্ষ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দিতে হবে। ৮. শিক্ষার্থীসেবায় জনবল বৃদ্ধি: বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিসে প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ দিতে হবে। ৯. হয়রানি বন্ধ: বিভিন্ন অফিসে শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধ করে সেবাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। ১০. এসএমএসের মাধ্যমে তথ্য প্রদান: পরীক্ষা, ফলাফল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে তথ্য জানাতে হবে।

দাবি বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ প্রত্যাশা প্রধান বক্তা কাজী জাকির হোসেন বলেন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং তাঁদের পাশে দাঁড়াবে বলে তাঁরা প্রত্যাশা করেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে শিক্ষার মানোন্নয়ন, সময়মতো পাঠ্যবই সরবরাহ, নিয়মিত পাঠদান এবং শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।

রামগড়ে দুর্গাপূজার মণ্ডপে এসআরবি-৭ এর টহল, গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা

বাউবির এইচএসসি প্রোগ্রামের বইসহ ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

শারদীয় দুর্গোৎসব-২০২৬ উপলক্ষে খাগড়াছড়ির রামগড়ে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা জোরদার করেছে এসআরবি-৭। উৎসবকে শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন রাখতে নিয়মিত টহল, দ্রুত সাড়াদানকারী দল (কুইক রেসপন্স টিম) মোতায়েন এবং সাদাপোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে কেউ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে রামগড়ের শ্রীশ্রী দক্ষিণেশ্বরী কালী বাড়ি মন্দিরের দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এসআরবি-৭, সিপিসি-১ ফেনী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মিজানুর রহমান। এ সময় তিনি মণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

এসআরবি-৭ সিপিসি-১ ফেনী ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, ক্যাম্পের আওতাধীন পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে চারটি গাড়িতে ২৪ ঘণ্টা নিয়মিত টহল পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রতিটি মণ্ডপে টহল দলের পাশাপাশি কুইক রেসপন্স টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের মুঠোফোন নম্বর। এ ছাড়া সাদাপোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিও অব্যাহত রয়েছে।

সূত্রটি জানায়, প্রশাসন, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবকেরাও দায়িত্ব পালন করছেন। কোনো ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি দেখা দিলে দ্রুত নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পরিদর্শনকালে কোম্পানি কমান্ডার মিজানুর রহমান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তা মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট বিভাগ সতর্ক রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কোনো ব্যক্তি গুজব ছড়িয়ে বা অন্য কোনো উপায়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নিরাপত্তা বাহিনীর টহল অব্যাহত থাকবে। যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন এসআরবি-৭ সিপিসি-১ ফেনী ক্যাম্পের ডিএডি মহিদুল ইসলাম, এসআই আরিফুর রহমান ও ফয়েজুর রহমান, রামগড় ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা বিশান্তর বড়ুয়া, শ্রীশ্রী দক্ষিণেশ্বরী কালী বাড়ি মন্দির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি বাদল চক্রবর্তী ও সাধারণ সম্পাদক স্বপন দে।

এ ছাড়া স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, এসআরবি, বিজিবি ও আনসার সদস্য এবং সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বান্দরবানে বিজিবির বিশেষ প্রস্তুতি

বাউবির এইচএসসি প্রোগ্রামের বইসহ ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

 

মথি ত্রিপুরা, বান্দরবান রুমা, প্রতিনিধি:

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে বান্দরবান সেক্টরের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। নিরাপত্তা জোরদারে ২৪ ঘণ্টা ১২টি প্লাটুনের মাধ্যমে টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং ছয়টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তায় বডি-অন ক্যামেরা, ডগ স্কোয়াড ও মাইন সুইপিং টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিজিবি সেক্টর সদর দপ্তর, বান্দরবান থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যেন নিরাপদে, নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি, সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ এবং স্থানীয় প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

বিজিবির পরিকল্পনা অনুযায়ী, সারা দেশে ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে বান্দরবান সেক্টর সদর দপ্তর এবং অধীনস্থ রুমা ব্যাটালিয়ন-৯ বিজিবি, বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন-৩৮ বিজিবি ও আলীকদম ব্যাটালিয়ন-৫৭ বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় রয়েছে নয়টি পূজামণ্ডপ। এসব পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ছয়টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ১৬ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবেন। সরকারের নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ের ভিত্তিতে বিজিবির সদস্যদের মোতায়েন ও দায়িত্বের পরিধি নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রয়োজনে জেলা পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা সহায়তা দেওয়া হবে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধে বিশেষ নজরদারি রাখা হবে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত সাড়া দেওয়ার পাশাপাশি টহলের সময় বডি-অন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে।

বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দুর্গাপূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগের পাশাপাশি জনসচেতনতা ও সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য গুজবে কান না দেওয়া, যাচাই না করে কোনো তথ্য প্রচার না করা এবং সন্দেহজনক কিছু নজরে এলে নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

বান্দরবান সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মুহাম্মদ রুবায়াত জামিল বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করার মাধ্যমে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শারদীয় দুর্গাপূজাকে শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর করে তোলা সম্ভব।

দুর্যোগ মোকাবিলায় ত্রান ও ধর্মীয় উৎসবে সহায়তা দিলেন এমপি ওয়াদুদ ভূঁইয়া

বাউবির এইচএসসি প্রোগ্রামের বইসহ ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তা এবং ধর্মীয় উৎসব উদ্‌যাপনে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে। অতিবৃষ্টি, পাহাড়ধস ও বন্যার ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় ৩০ জনের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী, শিশু খাদ্য ও গো-খাদ্য বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দুটি পূজামণ্ডপ এবং প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে ৪৯টি বৌদ্ধ বিহারে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে রামগড় উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এসব সহায়তা বিতরণ করা হয়।

রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী শামীম এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ বি এম মোজাম্মেল হক, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীল আল জান্নাত, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হাফেজ আহমেদ ভূঁইয়া এবং রামগড় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

×