বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২
শিরোনাম:

রাঙ্গামাটির কাউখালীতে পুলিশের অভিযানে চোরাই মালামাল উদ্ধার, ৫ জন গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১৪ পিএম
1 বার পড়া হয়েছে
রাঙ্গামাটির কাউখালীতে পুলিশের অভিযানে চোরাই মালামাল উদ্ধার, ৫ জন গ্রেফতার

 

নিজস্ব প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার কাউখালী থানার পুলিশের বিশেষ অভিযানে চোরাই মালামাল উদ্ধারসহ ৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল ২০২৬) রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর নির্দেশনায় এবং কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ এনামুল হক চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৩০ মিনিট থেকে ৭টা ৩০ মিনিটের মধ্যে কাউখালী থানাধীন একটি নির্মাণাধীন ভবনের দ্বিতীয় তলার কক্ষ থেকে অজ্ঞাতনামা চোরেরা নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত প্রায় ৪৫ কেজি লোহার রড এবং শ্রমিকদের ব্যবহৃত একটি গ্যাস সিলিন্ডার চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় কাউখালী থানায় মামলা নং-০১, তারিখ ০১ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিঃ, পেনাল কোডের ৪৫৭/৩৮০ ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হাবিবুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ তথ্য-প্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চুরির সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন ৫ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। একই সঙ্গে চোরাইকৃত ৪৫ কেজি লোহার রড ও একটি গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মোঃ সুলতান আহম্মদ (৬৫), জোবায়েদ (১৭), শাহাদাত হোসেন (১৬), মোঃ আরিফুল ইসলাম (১৭) ও শুভ্রত দাশ (১৭)। তাদের সকলের বাড়ি কাউখালী থানাধীন এলাকায়।

পুলিশের বক্তব্য: কাউখালী থানার ওসি মোঃ এনামুল হক চৌধুরী জানান, “চুরি প্রতিরোধে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং চোরাইকৃত মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।” গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

রাঙ্গামাটিতে সাইবার ক্রাইম সেলের সাফল্য: ২৫টি হারানো মোবাইল উদ্ধার, মালিকদের হাতে তুলে দিল পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ পিএম
রাঙ্গামাটির কাউখালীতে পুলিশের অভিযানে চোরাই মালামাল উদ্ধার, ৫ জন গ্রেফতার

 

নিজস্ব প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের সফল অভিযানে হারিয়ে যাওয়া ২৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল ২০২৬) রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব মোবাইল ফোন আনুষ্ঠানিকভাবে ভুক্তভোগীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে হারিয়ে যাওয়া এসব মোবাইল ফোন আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে উদ্ধার করে জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেল। মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে ভুক্তভোগীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।

অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব বলেন, বর্তমান যুগে তথ্য-প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার করলে অনেক জটিল অপরাধও সহজে উদ্ঘাটন করা সম্ভব। হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমাদের দায়িত্বের অংশ। জনগণের আস্থা অর্জন এবং সেবার মান বৃদ্ধি করতে জেলা পুলিশ সর্বদা সচেষ্ট থাকবে।” তিনি আরও বলেন, মোবাইল হারানোর ঘটনায় দ্রুত থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি। এতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হয়।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ ইকবাল হোছাইন, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ জসীম উদ্দীন চৌধুরী, পিপিএমসহ সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের সদস্যবৃন্দ।

অনুষ্ঠানটি ছিল ভুক্তভোগীদের জন্য স্বস্তির এবং পুলিশের প্রযুক্তিনির্ভর সেবার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে প্রধান শিক্ষকের রাজকীয় বিদায় ; মেহেবুল কালাম আজাদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩৩ পিএম
রাঙ্গামাটির কাউখালীতে পুলিশের অভিযানে চোরাই মালামাল উদ্ধার, ৫ জন গ্রেফতার

মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবন শেষে রাজকীয় বিদায় নিলেন মানিকছড়ি যোগ্যাছোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক মোঃ মেহেবুল কালাম আজাদ। ৩৩ বছরের কর্মময় জীবন শেষে বিদায় বেলায় তাকে ফুলসজ্জিত গাড়িতে করে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়। এলাকায় মান্যগণ্য, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আবেগঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে এই অনন্য সম্মাননা জানানো হয়। তাকে বিদায় জানাতে স্কুলের গেটে ভিড় করেন শিক্ষার্থীরা। সৃষ্টি হয় আবেগঘন মুহূর্ত।

বিদায় বেলায় সাবেক, বর্তমান শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের ভালোবাসায় এভাবেই সিক্ত হয়েছেন খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার যোগ্যাছোলা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক মোঃ মেহেবুল কালাম আজাদ।

বৃহস্পতিবার (২এপ্রিল) দুপুরে প্রধান শিক্ষকের অবসরগ্রহণ উপলক্ষে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। একই দিনের বিদ্যালয়ে ২০২৬ সনের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও ৬ষ্ঠ শ্রের্ণীতে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।

শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘ ৩৩বছর শিক্ষকতা শেষে অশ্রুসিক্ত ভালোবাসায় বিদায় নেন মোঃ মেহেবুল কালাম আজাদ। এদিন তাকে সম্মাননা স্মারক, উপহার সামগ্রী ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে তাঁকে ফুলে সাজানো গাড়িতে করে বাড়িতে পৌঁছে দেন শিক্ষক ও কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

যোগ্যাছোলা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে ১৯৯৩ সালের ২ জানুয়ারি মোঃ মেহেবুল কালাম আজাদ কর্মজীবন শুরু হয়। ২০২৬ সালের ২শে এপ্রিল অবসর গ্রহন করেন। তিনি ৩৩ বৎসর যাবৎ অবহেলিত যোগ্যাছোলা উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের পাঠদান দিয়ে আলোকিত করেছেন। তিনি খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও পার্বত্য উন্নয়ন বোর্ড মাধ্যমে বিদ্যালয়ে ভবনসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ করেছেন।

মেহেবুল কালাম আজাদ বলেন, বিদায় অনেক কষ্টের। তবে আমার কোমলমতি শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও এলাকাবাসীদের এমন বিদায় সংবর্ধনা পেয়ে আমি সত্যিই মুগ্ধ। বিদ্যালয়ের যেকোনো প্রয়োজনে আমি পাশে থাকবো।

বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (বাংলা) আশীষ কুমার দেব সঞ্চালনায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল মান্নান সভাপতিত্ব অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, তিনটহরী উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক সুদীর কুমার নাথ, বড়ডলু উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক বশির আহমেদ, মানিকছড়ি বালিকা উচ্চ ভারপ্রাপ্ত প্রধান

শিক্ষক কামরুল জামান, কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মংশেপ্রু মারমা, মানিকছড়ি প্রেস ক্লাবে সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল মান্নান, যোগ্যাছোলা ইউনিয়নে বিএনপি সভাপতি মোঃ জামাল উদ্দিন সরকার, খাগড়াছড়ি জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ ইজ্ঞিঃ আমিনুল ইসলাম রকি, যোগ্যাছোলা গ্রামের প্রধান ক্যজাই কার্বারী প্রমূখ।

আসছে নানা আয়োজনে মারমা সাংগ্রাইং জল উৎসব

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:১১ পিএম
রাঙ্গামাটির কাউখালীতে পুলিশের অভিযানে চোরাই মালামাল উদ্ধার, ৫ জন গ্রেফতার

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিবেদক :

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলা এবারেও সাংগ্রাইং উৎসবের মৈত্রী পানিবর্ষণ অনুষ্ঠিত হবে। বিগত জলকেলি উৎসবে হাজারো মানুষের ঢল উপস্থিতিতে উদ্‌যাপিত হলো মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী সাংগ্রাই। এই সাংগ্রাই উৎসব ঘিরে মারমা তরুন তরুনীরা আমেজ প্রস্তুতি সভাসহ আলাপ আলোচনা চলছে বলে সূত্রে জানা যায়। বিগত বছরে ন্যায় এবারে সুন্দর মূখরিত পরিবেশে মারমা জনগোষ্ঠীর জল কেলি সাংগ্রাই উৎসব সুশৃঙ্খলা শান্তি পরিবেশে উদযাপিত করতে সরকারে বিভিন্ন দপ্তরের কাছে প্রশাসনিক সার্বিক সহযোগিতায় কামনা করেন।

মারমা সাংগ্রাইং জলোৎসবের মধ্যে দিয়ে ১৬ এপ্রিল শুরু হতে যাচ্ছে পাহাড়ের প্রধান অনুষ্ঠান সাংগ্রাইং মহা উৎসব। ঐদিন জলকেলিতে মেতে উঠে মারমা জনগোষ্ঠীরা। নিজের ঐতিহ্য থামি পোষাক পরে তরুণ-তরুণীরা একে অপরের গায়ে পানি নিক্ষেপের মাধ্যমে পুরোনো বছরের সব জীর্ণতাগ্লানি দু:খ কষ্টের রাগ অনুরাগ ধুয়ে মুছে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার এই রীতিকে সাংগ্রাইং জলোৎসব বলা হয়। পার্বত্য চট্রগ্রাম মারমা সংস্কৃতি ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশের লক্ষ্যে প্রতি বছর এই সাংগ্রাই উদযাপিত।

একে জলকেলি বা জল উৎসবও বলা হয়। নানা বয়সের কয়েক হাজার মানুষ এই পানিবর্ষণে অংশ নেন। মাঠে দুই সারিতে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে একদল তরুণ-তরুণী পরস্পরের দিকে পানি ছিটান। পরে বাকি সবাইও তাতে যোগ দেন। পানির বোতল কিংবা ওয়াটার গান—হাতের কাছে যা পান, তা দিয়েই ভেজান একে অপরকে। শহরজুড়ে চলে পানি খেলা। শিশু থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণী এমনকি বয়স্ক মানুষেরাও একে অপরের গায়ে পানি ছিটিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেন। আনন্দ-উদ্দীপনা আর সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে বর্ণিল হয়ে ওঠে।

পাহাড়ে আদিবাসী মানুষ পুরনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণের মাধ্যমে তাদের সামাজিক উৎসব বিজু, বিষু, বিহু, বৈসু, সাংগ্রাই, সাংক্রাণ পালন করে। প্রত্যেক জনগোষ্ঠীর আলাদা আলাদা নামে উদযাপিত এই অনুষ্ঠানকে এক্ষেত্রে বৈসাবি হিসেবে ডাকা হয়। যার মাধ্যমে সব জনগোষ্ঠীর ঐক্যের প্রমাণ পাওয়া যায়। গত ১৪ এপ্রিল থেকে পাঁচ দিনব্যাপী বৈসাবি উৎসবের মাধ্যমে এই পার্বত্য চট্রগ্রামের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংগঠনের নানান বর্ণিল আয়োজন এবং বাড়িতে বাড়িতে আতিথ্য বিভিন্ন পাহাড়ি খাবার গ্রহণ শেষে মারমা জনগোষ্ঠীরা সাংগ্রাঁইং জলোৎসবের মাধ্যমে শেষ হয়। এই বছরের বৈসাবি উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামের আনুষ্ঠানিক বিভিন্ন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীরা পালিত হবে। অন্যদিকে ঐতিহ্য বাঁশে উঠা খেলা সহ নানা ধরনের খেলা আয়োজন করা হয়ে থাকে।

৩ পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি বান্দরবান খাগড়াছড়ির জেলা জুড়ে পাহাড়ের বসবাসরত মারমা জনগোষ্ঠীরা নিজেদের সংস্কৃতি জীবন মান সাংস্কৃতিক ও র্যালী মধ্যে দিয়ে তুলে ধরতে চাই। বাংলা চৈত্র সংক্রান্তি মাসে ৩ দিন ধরে মারমা সম্প্রদায় পাড়া গ্রামে মহল্লা পল্লী গলিতে ছোট ছোট দল তরুন তরুনী একে অপরে পানির জল ছিটিয়ে আনন্দ মূখরিত মেতে উঠে। ১৩ এপ্রিল মাসে বাংলা চৈত্র সংক্রান্তি নববর্ষের দিনে তরুন তরুনীরা পাড়ায় পাড়ায় দল ভাগ করে গুরুজনদের ও বয়স্কদেরকে গোসল স্নান করে আর্শীবাদ কামনা করেন। ভোর বেলায় পাহাড়ের মারমা সাংগ্রাই ফুল সংগ্রহ করতে তরুন তরুনী দলে দলে বের হন। ঐ সাংগ্রাই ফুল বছরে একবার চৈত্র সংক্রান্তি বাংলা নববর্ষের দিনে ফুল ফুটে। ঐ সাংগ্রাই সংগ্রহ ফুলকে বাড়িতে এনে গৌতম বুদ্ধের কাছে ফুল পূঁজা দান করে, এরপর চারপাশে বাড়িতে ফুল দিয়ে সাজসজ্জা করা হয়ে থাকে। সন্ধ্যাবেলায় তরুণ তরুণীরা বুদ্ধ বিহারে গিয়ে মোমবাতি প্রজ্জলন জলীয় পূজায় দান টাকা পয়সা দান পঞ্চশীল অষ্টশীল গ্রহণ করা হয়ে থাকে। অনুষ্ঠানে মারমা জনগোষ্ঠী বিভিন্ন এলাকার হতে তরুন তরুণীরা নিজের ঐতিহ্য পোষাক থামি ড্রেস পড়ে জলোৎসবে অংশ দেখা যায়। দুই পাশে পানিভর্তি ড্রামের পাশে তরুণ-তরুণীরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ায়। বাঁশি বাজানোর পরপরই শুরু হয় একে-অপরের গায়ে পানি নিক্ষেপ প্রতি বছরের ন্যায় এ বছর মহা সাংগ্রাই শুরু হচ্ছে। পানি নিক্ষেপের ফলে অতীতের সব গ্লানি-দুঃখ-হতাশাকে বিদায় জানিয়ে সুন্দর পরিশুদ্ধ হৃদয়ে নতুন বছরকে বাংলা নববর্ষের চৈত্র সংক্রান্তি ১৪৩২ বরণ করে নেওয়া হবে। এ সময় বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর বর্ণিল সাংস্কৃতিক উপস্থাপনা নিজের ঐতিহ্য পোষাক পরে পরিবেশন করা হবে বলে জানা যায়। এমন আয়োজনে উচ্ছ্বাস আনন্দ মেতে প্রকাশ করেছেন মারমা তরুণ-তরুণী আনন্দ মেতে উঠে নিজস্ব সংস্কৃতির গানে গানে মহা সাংগ্রাই উৎসব পালিত হয়ে থাকে।

×