শিরোনাম:

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য মধ্যদিয়ে দীঘিনালা বন বিহারে চৈত্র পূর্ণিমা উদযাপন

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য মধ্যদিয়ে দীঘিনালা বন বিহারে চৈত্র পূর্ণিমা উদযাপন

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ধর্ম প্রচারক ও বৌদ্ধরত্ন উপাধিপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পরম শ্রদ্ধেয় শ্রীমৎ নন্দপাল মহাস্থবির উপস্থিতিতে দীঘিনালা ঐতিহ্যবাহী বন বিহারে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব চৈত্র পূর্ণিমা!

বৃহস্পতিবার ১ এপ্রিল ২০২৬ ভোর থেকেই বিভিন্ন পাড়া থেকে বিহার প্রাঙ্গণে ভক্তদের আগমন শুরু হয়।

অনুষ্টানের শুরুতে বুদ্ধ পতাকা উক্তোলনের মধ্যদিয়ে বৌদ্ধ মুর্তিদান, সংঘদান, অষ্টপিস্কার দান, অষ্টশীল গ্রহণ, প্রার্থনা ও ধর্মদেশনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্টানে পঞ্চশীল প্রার্থনা করেন জ্যোতি প্রিয় চাকমা, শ্রদ্ধা অজ্ঞলী পাঠ করেন সুমিতা চাকমা। অনুষ্টানে প্রধান ধমীয় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তজার্তিক খ্যাতিসম্পন্ন ধর্মপ্রচারক পরম পুজ্য নন্দপাল মহাস্হবির ভান্তে। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দিঘীনালা বন বিহারের ভারপ্রপ্ত অধ্যক্ষ শ্রদ্ধেয় শুভ বন্ধন মহাস্থবির ভান্তে, শীলা প্রিয় ভান্তে, দিঘীনালা ২নং বোয়ালখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কালাধন চাকমাসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্তিত ছিলেন।

অনুষ্টানকে ঘিরে সকাল থেকে বিভিন্ন পেশা শ্রেনী নারী- পুরুষ উৎসবমুখর পরিবেশে বিহারে আসতে থাকে।

অনুষ্টানে ধর্ম দেশনায় ভান্তে বলেন, মানবজীবনে শান্তি, সম্প্রীতি ও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার জন্য পঞ্চশীল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সমাজে অস্থিরতা ও নৈতিক অবক্ষয় রোধ করতে হলে প্রত্যেক মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে পঞ্চশীল মেনে চলতে হবে। পঞ্চশীলের মাধ্যমে মানুষ নিজের জীবনকে শুদ্ধ করতে পারে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ বৌদ্ধ অনুসারীরা নন্দপাল ভান্তের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে পঞ্চশীল পালনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

শেষে তিনি সকলের সুখ, শান্তি ও মঙ্গল কামনা করেন।

খাগড়াছড়িতে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য মধ্যদিয়ে দীঘিনালা বন বিহারে চৈত্র পূর্ণিমা উদযাপন

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, লংগদু :

পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি সদরে অবস্থিত নতুন কুঁড়ি ক্যান্টনমেন্ট হাই স্কুলের পরিচালনা কমিটির সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিদ্যালয়ের সভা কক্ষে পরিচালনা পর্ষদের এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতো সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ২০৩ পদাতিক বিগ্রেড ও খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক।

এসময় সভায় সহ সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি সদর জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. খাদেমুল ইসলাম। এছাড়াও সভায় অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একইসঙ্গে বিদায়ী সদস্যদের সম্মাননা প্রদানসহ নতুন সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়। যা অনুষ্ঠানে এক আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করে।

সভা শেষে সভাপতি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অবকাঠামো পরিদর্শন করেন এবং মাঠ প্রাঙ্গণে একটি বৃক্ষরোপণ করেন। এই উদ্যোগ পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধির একটি প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

বাঘাইছড়ি মারিশ্যা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ধরা পড়ল ৫০ লিটার অকটেন

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য মধ্যদিয়ে দীঘিনালা বন বিহারে চৈত্র পূর্ণিমা উদযাপন

 

‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

‎রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে মারিশ্যা সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৫০ লিটার চোরাই জ্বালানী তৈল (অকটেন) জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

‎বুধবার (১লা এপ্রিল ২০২৬) গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মাঝিপাড়া সীমান্ত সড়ক হয়ে একটি মোটরসাইকেলে করে ভারত থেকে বাংলাদেশে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে অকটেন আনা হচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে মারিশ্যা ব্যাটালিয়ন (২৭ বিজিবি) এর অধীনস্থ কচুছড়ি বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা কচুছড়ি চেকপোস্টে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করে।

‎রাত আনুমানিক ৮টা ২০ মিনিটে একটি বেসামরিক মোটরসাইকেলকে তল্লাশির জন্য সংকেত দিলে চালক দ্রুতগতিতে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় তার বহন করা একটি প্লাস্টিকের বস্তা সড়কে পড়ে যায়। পরে বিজিবির টহল দল ঘটনাস্থল থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় বস্তাটি উদ্ধার করে।

তল্লাশি করে বস্তার ভেতর থেকে একটি জারিকেন ও ৩০টি প্লাস্টিকের বোতলে ভরা মোট ৫০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়। জব্দকৃত অকটেনের আনুমানিক মূল্য ৬ হাজার ৫০ টাকা।

‎মারিশ্যা জোন (২৭ বিজিবি) এর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, পিএসসি জানান, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। চোরাকারবারীরা বিভিন্ন নতুন কৌশল ব্যবহার করায় বিজিবি গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি টহল কার্যক্রম জোরদার করেছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪১ হাজার বৃক্ষ রোপণ কার্যক্রম শুরু

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য মধ্যদিয়ে দীঘিনালা বন বিহারে চৈত্র পূর্ণিমা উদযাপন

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ :

বর্তমান সরকারের ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে রাঙ্গামাটি সড়ক বিভাগ রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ ৪টি আঞ্চলিক সড়কের দুই পাশে ৪১ হাজার গাছের চারা রোপণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) ২৬ খ্রিঃ দুপুরে রাঙ্গামাটির সড়কের পাশে গাছের চারা রোপণ করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোফাজ্জল হায়দার।

এ সময় জেলা সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী তৌহিদুল বারী, রনেল চাকমা ও সহকারী প্রকৌশলী রেনুকা তঞ্চঙ্গা, সাপছড়ি যৌথ খামার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও সড়ক বিভাগের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ কর্মসূচীর আওতায় জেলা সদর, কাউখালি, নানিয়ারচর ও রাজস্থলী উপজেলার আঞ্চলিক সড়কের দুই পাশে চলতি বছর ১ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হবে।

২০২৬ সাল থেকে ৩০ সালের মধ্যে প্রতি বছর ১০ হাজার করে গাছের চারা রোপণ করা হবে। তত্ত্বাবধায়ক, প্রকৌশলী জানান, রাঙ্গামাটি জেলার পাশাপাশি খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার সড়কের দুই পাশেও পর্যায়ক্রমে গাছের চারা রোপণ করা হবে।

×