| ২০ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

লামায় শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে উত্তেজনা ; সেনাবাহিনীর পদক্ষেপে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত

লামায় শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে উত্তেজনা ; সেনাবাহিনীর পদক্ষেপে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত

 

সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ ,

‎আআলীকম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎বান্দরবানের লামা উপজেলায় এক ত্রিপুরা শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আলীকদম সেনাজোনের আওতাধীন গজালিয়া আর্মি ক্যাম্পের সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপে এলাকার পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ভাবে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ‎ ‎

আজ বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ১২ টার দিকে লামা উপজেলার গাজালিয়া ইউনিয়নের বছাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ‎ ‎

অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফরিদুল আলম (৫৩) প্রথম শ্রেণির এক ত্রিপুরা ছাত্রী রেশমি ত্রিপুরাকে (৬) চড় মারেন। এতে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে বলে পরিবারের দাবি। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক চড় মারার কথা স্বীকার করলেও শিশুটি অজ্ঞান হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

‎জানা যায়, শিক্ষক শিক্ষার্থীদের ইংরেজি বর্ণমালা (A–Z) লিখে আনতে বলেছিলেন। নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন করতে না পারায় কয়েক জন শিক্ষার্থীকে শাস্তি দেওয়া হয়। এ সময় রেশমি ত্রিপুরার সঙ্গে ওই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে। ‎ ‎ঘটনার পর শিশুটির পরিবার ও স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করে। এতে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা প্রাথমিক ভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও পরিস্থিতির সংবেদনশীলতার বিবেচনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। ‎‎গাজালিয়া আর্মি ক্যাম্প থেকে ক্যাপ্টেন আসলামের নেতৃত্বে একটি টহল দল দ্রুত গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে বিকাল আনুমানিক ৫ টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা,স্থানীয় প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সেনাবাহিনীর মধ্যস্থতায় বৈঠকে সমঝোতা হয়।

‎স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অভিযুক্ত শিক্ষককে ওই বিদ্যালয় থেকে বদলির আশ্বাস দেন। এতে উভয় পক্ষ শান্ত হয় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে। ‎বৈঠক শেষে সেনাবাহিনীর টহল দল সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়ে ভুক্তভোগী পরিবার, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেয়। ‎বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টির অপচেষ্টা ছিল বলেও জানা গেছে, যা সেনাবাহিনীর সময়োপযোগী পদক্ষেপে নস্যাৎ হয়েছে। ‎সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পার্বত্য এলাকায় শান্তি, সম্প্রীতি ও জননিরাপত্তা বজায় রাখতে তারা সবসময় সতর্ক ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আবারও চট্টগ্রাম ভাসল মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী

লামায় শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে উত্তেজনা ; সেনাবাহিনীর পদক্ষেপে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

মাত্র ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের টানা ভারী বৃষ্টিতে’ই আবারও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরী।

শুক্রবার (১৯ জুন)২৬খ্রিঃ সকালে হওয়া এই বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়।
ফলে ছুটি’র দিনেও জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ ও শ্রমজীবী পেশাজীবীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
সকাল সাড়ে ৮টার সময় শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি প্রায় ৪৫ মিনিট স্থায়ী হয়। অল্প সময়ের এ বর্ষণেই চকবাজার, কাতালগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমে যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভারী বৃষ্টির পর চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকার বেশ কয়েকটি সড়ক দ্রুত পানির নিচে চলে যায়। সড়কে পানি জমে থাকায় অনেক যানবাহন মাঝপথে আটকে পড়ে। এতে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে বাড়তি সময় লাগার পাশাপাশি দুর্ভোগও বাড়ে।
অনেক পথচারীকে হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে দেখা যায়।

স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বছরের পর বছর ধরে তারা জলাবদ্ধতার সমস্যা ভোগ করছেন। একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও বাস্তব পরিস্থিতির তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি।

রিকশাচালক রাসেল বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে রিকশা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে তাদের আয়ও কমে যাচ্ছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নাইম বলেন, রাস্তায় পানি জমে থাকায় যানবাহনের সংকট দেখা দিয়েছে। বাধ্য হয়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
এ সুযোগে কিছু পরিবহনচালক অতিরিক্ত ভাড়াও আদায় করছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার জন্য আলোচিত প্রবর্তক মোড়ে এবার তুলনামূলক কম পানি জমতে দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় হিজড়া খালে চলমান উন্নয়নকাজের ফলে ওই এলাকায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

তবে আশপাশের নিচু এলাকা ও সংযোগ সড়কগুলো পানির নিচে চলে যাওয়ায় সামগ্রিক দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মেলেনি। চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম জানান, শুক্রবার সকাল ৯ঃ০০টা পর্যন্ত নগরীতে ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। স্বল্প সময়ে ভারী বর্ষণের কারণেই নিচু এলাকাগুলোতে পানি জমেছে।
দিনভর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে এবং থেমে থেমে আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে নগরবাসীর অভিযোগ, দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাল পুনর্খনন ও সংস্কারকাজের ধীরগতি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। কোটি কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক বাসিন্দা।

আলীকদমে শিক্ষা ও উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সঙ্গে রিজিয়ন কমান্ডারের মতবিনিময়

লামায় শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে উত্তেজনা ; সেনাবাহিনীর পদক্ষেপে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত


‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎বান্দরবানের আলীকদমে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন বান্দরবান রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম।

‎ শনিবার (২০ জুন) আলীকদমের মুরুং কমপ্লেক্সে আয়োজিত এ সভায় পার্বত্য এলাকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন এবং মুরুং কমপ্লেক্সের কার্যক্রম সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়।

‎সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আলীকদম জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান আশিক এবং আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনজুরুল আলম।

‎এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

‎সভায় জানানো হয়, বর্তমানে মুরুং কমপ্লেক্সের ছাত্রাবাসে ১২৪ জন শিক্ষার্থী অবস্থান করছে। ভবিষ্যতে আরও বেশি শিক্ষার্থীকে আবাসনের সুযোগ দিতে ছাত্রাবাসের ধারণক্ষমতা ২০০ থেকে ২৫০ জনে উন্নীত করার প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন রিজিয়ন কমান্ডার।

‎এছাড়া শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত দুইজন শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হলে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় কুরুকপাতা ইউনিয়নে নতুন একটি মুরুং কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও উত্থাপিত হয়। সম্ভাব্যতা যাচাই সাপেক্ষে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন,“শিক্ষাই পার্বত্য অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রধান ভিত্তি। মুরুং জনগোষ্ঠীর শিক্ষার প্রসার এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।”

‎সভায় বক্তারা মুরুং জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, সামাজিক অগ্রগতি ও জীবনমান উন্নয়নে মুরুং কমপ্লেক্সের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং এর অবকাঠামোগত ও প্রশাসনিক সক্ষমতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

‎বক্তারা বলেন, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষা বিস্তার, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের মাধ্যমে আলীকদম জোন দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। মুরুং কমপ্লেক্স সেই ধারাবাহিক উদ্যোগের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন রামগড় কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের

লামায় শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে উত্তেজনা ; সেনাবাহিনীর পদক্ষেপে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন করেছে পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। দীর্ঘ গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ সাফল্য অর্জিত হওয়ায় পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

জানা গেছে, রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হকের নেতৃত্বে কয়েক বছর ধরে পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষ নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। শুরুতে বিষয়টি গবেষকদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। কারণ পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি, আবহাওয়া ও পরিবেশ সমতল এলাকার তুলনায় ভিন্ন হওয়ায় এ ফলের চাষ উপযোগী করা সহজ ছিল না। তবে নিরলস গবেষণা, উন্নত পরিচর্যা পদ্ধতি ও উপযোগী জাত নির্বাচন করে গবেষকরা ধীরে ধীরে সফলতা অর্জন করেন। বর্তমানে গবেষণা কেন্দ্রের পরীক্ষামূলক বাগানে উৎপাদিত আলুবোখারা গাছে ভালো ফলন দেখা যাচ্ছে, যা স্থানীয় কৃষকদের মাঝেও ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

কৃষি গবেষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি নতুন ও লাভজনক ফল চাষ সম্প্রসারণে কাজ করছে গবেষণা কেন্দ্র। আলুবোখারা চাষ সফল হওয়ায় পাহাড়ি কৃষকদের জন্য এটি একটি সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হক বলেন, “পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা (বারি ১) চাষ একসময় বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। দীর্ঘ গবেষণা ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা সফলতা পেয়েছি। এখন পাহাড়ি এলাকার কৃষকরাও এ ফল চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।” তিনি আরও বলেন, বাণিজ্যিকভাবে আলুবোখারা চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকদের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় বহুমুখী ফল চাষের সম্ভাবনাও আরও বিস্তৃত হবে।

×