শিরোনাম:

রামগড়ে ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশা,দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জনজীবন, স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা

রামগড়ে ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশা,দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জনজীবন, স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় ;

খাগড়াছড়ির রামগড় পৌরসভার কেন্দ্রীয় মসজিদ রোড এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ড্রেনেজ ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনায় জনজীবন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। অপরিষ্কার ড্রেনের উপচে পড়া নোংরা পানি, তীব্র দুর্গন্ধ এবং খোলা ড্রেনে মুরগির রক্ত ও বর্জ্য ফেলার কারণে পরিস্থিতি দিন দিন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাজার এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে দীর্ঘদিন ধরে ড্রেন পরিষ্কার না করায় পানি জমে পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে মুরগি ড্রেসিংয়ের রক্ত ও বর্জ্য, যা কিছু অসাধু ব্যবসায়ী খোলা ড্রেনে ফেলছেন। ফলে ড্রেনের পানি কালচে ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে আশপাশের পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত করছে।
এ অবস্থায় স্থানীয় ব্যবসায়ী, পথচারী এবং কেন্দ্রীয় মসজিদে নামাজ আদায় করতে আসা মুসল্লিরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। দুর্গন্ধের কারণে বাজারে ক্রেতাদের আনাগোনা কমে গেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এতে তাদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, রাস্তার দুই পাশে বসে ব্যবসা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। জমে থাকা পচা পানি ও মুরগির বর্জ্য থেকে মশা ও বিভিন্ন রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ছে, যা ডেঙ্গুসহ নানা রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

রামগড় বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হেসেন ভুঁইয়া বলেন, “পৌরসভার ড্রেনেজ ব্যবস্থার নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং বিদ্যমান ড্রেনগুলো পরিষ্কার করা জরুরি।”

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সামান্য বৃষ্টিতেই মসজিদ রোড কাদা ও ময়লায় একাকার হয়ে যায়, ফলে চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। জনস্বার্থে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তারা পৌর প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক কাজী মোহাম্মদ শামীম বলেন, “বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বন্ধ ড্রেনগুলো পরিষ্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিলাইছড়িতে কৃষিবিয়ক প্রশিক্ষণ ও মাঠ পরিদর্শনে উপ-সচিব 

রামগড়ে ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশা,দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জনজীবন, স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার কৃষকদের কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও মাঠ পরিদর্শন করেন কৃষিমন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আফছানা বিলকিস।

সোমবার (৩০ মার্চ) উপজেলা হলরুমে মসল্লার উন্নত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন এবং নিজেই প্রশিক্ষণ করান। পরে উপকরণ বিতরণ করেন এবং ধান্য জমিসহ বিভিন্ন মাঠ ফসল পরিদর্শন করেন। তিনি কৃষকের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনেন এবং সমাধানের আশ্বস্ত করেন।

এসময় প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি অফিসের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) অরুন চন্দ্র রায়, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ফকির। উক্ত প্রশিক্ষণে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাজেশ প্রসাদ রায়। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন  উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমনগুপ্ত সহ অফিসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী।

কাপ্তাইয়ে প্রয়াত মংলু মারমা ও ম্রাজুপ্রু মারমা স্মরণে দুই দিনব্যাপী মহতী পুণ্যদান অনুষ্ঠান

রামগড়ে ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশা,দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জনজীবন, স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়নের বড়ইছড়ি মারমা পাড়ায় উৎসবমুখর ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে প্রয়াত সমাজসেবক মংলু মারমা এবং তাঁর সহধর্মিণী ম্রাজুপ্রু মারমার স্মরণে দুই দিনব্যাপী ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালা সম্পন্ন হয়েছে। ২৯ ও ৩০ মার্চ (রবিবার ও সোমবার) বড়ইছড়ি পাড়া সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গণে এই বিশাল ধর্মীয় সভায় ও পুণ্যদান অনুষ্ঠানের প্রধান আশীর্বাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চিৎমরম বৌদ্ধ বিহার অধ্যক্ষ উঃ পামোক্ষা মহাথের। এছাড়া কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন বিহারের অধ্যক্ষ ও ভিক্ষুসংঘের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

দুই দিনব্যাপী এই পুণ্যময় অনুষ্ঠানে শীল গ্রহণ, বুদ্ধ পূজা, ভিক্ষুসংঘকে পিণ্ডদান এবং অষ্টপরিষ্কার দানসহ নানা মাঙ্গলিক আচার পালন করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল চীবর দান, অর্থ ও অর্ঘ্য দান, কল্পতরু উৎসর্গ এবং প্রয়াতদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা। অনুষ্ঠানে আগত পূজনীয় ভিক্ষুসংঘ ও পুণ্যার্থীবৃন্দকে বিনম্র বন্দনা ও যথাযোগ্য অভিবাদনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের মূল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। প্রয়াতদের ধর্মপুত্র ভদন্ত সনাসীরি মহাথের-এর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রয়াত দম্পতির পুত্র-কন্যা, পুত্রবধূ, জামাতা ও নাতি-নাতনিসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা কয়েক হাজার বৌদ্ধ ধর্মালম্বী ও পুণ্যার্থীর উপস্থিতিতে বিহার প্রাঙ্গণ এক পবিত্র মিলনমেলায় পরিণত হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বড়ইছড়ি মারমা পাড়ার জনপ্রিয় কবিরাজ ও সমাজসেবক মংলু মারমা পাঁচ বছর আগে পরলোকগমন করেন। তাঁর মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই দেড় বছর ব্যবধানে তাঁর সহধর্মিণী ম্রাজুপ্রু মারমা মৃত্যুবরণ করেন।

প্রয়াতদের বড় ছেলে অংথোয়াইচিং মারমা ও বড় জামাতা টি মং মারমা জানান, বৌদ্ধ ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী বাবা-মায়ের পারলৌকিক সদগতি ও শান্তি কামনায় এই চীবর দান ও অষ্টশুদ্ধিকরণসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বিপুল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সোমবার বিকেলে এই দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

পার্বত্য ভূমি ব্যবস্থাপনায় গতি ফেরাতে কাপ্তাইয়ে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারের বিশেষ পরিদর্শন

রামগড়ে ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশা,দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জনজীবন, স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলা ভূমি অফিস ও ১০০নং ওয়াগ্গা মৌজার হেডম্যান কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) শারমিন জাহান। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি এই বিশেষ পরিদর্শন সম্পন্ন করেন। ​অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার প্রথমে কাপ্তাই উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শন করেন। দাপ্তরিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের পর তিনি ১০০নং ওয়াগ্গা মৌজার হেডম্যান কার্যালয়ে যান। সেখানে তিনি স্থানীয় ভূমি ব্যবস্থাপনা, নামজারি (মিউটেশন) প্রক্রিয়ার জটিলতা, ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে বিদ্যমান সমস্যা এবং জমি ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে স্থানীয়রা কী ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছেন—তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। ​

পরিদর্শনকালে শারমিন জাহান হেডম্যান ও কারবারিদের সাথে সরাসরি মতবিনিময় করেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, পার্বত্য অঞ্চলের ভূমি ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হেডম্যান কার্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন। ​হেডম্যান ও কারবারিদের দাপ্তরিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। ​”পার্বত্য অঞ্চলের ভূমি সেবা আরও গতিশীল করতে হেডম্যান-কারবারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই।” ​

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন, উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম চৌধুরী, ১১৯নং ভাইয্যাতলী মৌজার হেডম্যান থোয়াই অং মারমা, ১০০নংওয়াগ্গা মৌজার হেডম্যান অরুন তালুকদার, উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা বিমল জ্যোতি চাকমা, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সৈয়দ মাহমুদ হাসান, উপজেলা প্রশাসনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বরুণ চাকমা, স্থানীয় কারবারি অজিত কারবারি সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×