শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম:

রামগড়ে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ধরা ছোঁয়ার বাহিরে, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪১ পিএম
12 বার পড়া হয়েছে
রামগড়ে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ধরা ছোঁয়ার বাহিরে, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে—এমন অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের কাছ থেকে। এদের মধ্যে অন্যতম রামগড় উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও প্যানেল মেয়র কাউন্সিলর নুর মোহাম্মদ শামীম। একাধিক গুরুতর মামলায় ওয়ারেন্ট জারি থাকলেও তিনি এখনো পুলিশের ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শামীমের বিরুদ্ধে অপহরণ, লুটপাট, ধর্ষণ, মাদকসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য মিন্টু আলীকে অপহরণসহ বিভিন্ন ঘটনায় তার নাম উঠে আসে। গত ৫ আগস্টের পর এলাকায় থেকে আত্মগোপনে গেলেও ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তিনি আবার প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরে বেড়াতে শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, শামীম শুধু প্রকাশ্যে চলাফেরাই করছেন না, বরং তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরকারীদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছেন। একইভাবে তার সহযোগী অন্যান্য আসামিরাও এলাকায় সক্রিয় রয়েছে, যদিও তাদের অনেকের বিরুদ্ধেই আদালতে মামলা ও ওয়ারেন্ট রয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম অভিযোগ করেন, “নুর মোহাম্মদ শামীম আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট করেছে। এ ঘটনায় আমি ৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছি।” তিনি জানান, ওই মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ালীগের সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার ফারুক, আওয়ামী লীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন মিন্টু, ছাত্রলীগ নেতা পারভেজ মোশাররফ, সহ-সভাপতি ফয়েজ আহমেদ মিলন ও যুবলীগ নেতা দাউদুল ইসলাম।তিনি আরও বলেন, “মামলার কয়েকজন আসামি জামিনে বের হয়ে এবং কেউ পলাতক থেকে আমাকে ও আমার পরিবারকে নিয়মিত হুমকি দিচ্ছে। আমি দ্রুত শামীম,কে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।”

অন্যদিকে, এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে শামীমের নিয়ন্ত্রণে থাকা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধের বিস্তার ঘটেছে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে তার পুনরায় ফিরে আসাকে কেন্দ্র করে এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে রামগড় থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আহাদ বলেন, “ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে নতুন রেস্টুরেন্ট আপন বাড়ি’র শুভ উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০৬ পিএম
রামগড়ে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ধরা ছোঁয়ার বাহিরে, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

 

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় “আপন বাড়ি” (আপন বাড়ি রেস্টুরেন্ট)-এর শুভ উদ্বোধন ১৬ এপ্রিল দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে রেস্টুরেন্টটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা বলেন, আপন বাড়ি রেস্টুরেন্ট এলাকাবাসীর জন্য মানসম্মত ও সুস্বাদু খাবারের নতুন একটি ঠিকানা হিসেবে কাজ করবে। আধুনিক পরিবেশ, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ও উন্নত সেবার মাধ্যমে এটি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ জানান, তারা দেশীয় ও বিভিন্ন পদের খাবার সুলভ মূল্যে পরিবেশন করার পাশাপাশি সর্বোচ্চ গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করবে বলে জানান। রেস্টুরেন্টের মালিকরা বলেন, আমরা বাঘাইছড়ির মানুষের জন্য একটি আরামদায়ক খাবারের পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই। সবার ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেলে ‘আপন বাড়ি রেস্টুরেন্ট’-কে আরও উন্নত সেবার মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব বলে আমরা আশাবাদী।”

ঠিকানা: আপন বাড়ি রেস্টুরেন্ট চৌমুহনী, কলেজ রোড, বাঘাইছড়ি, রাঙামাটি মোবাইল: ০১৮৮৪২০৯১৪৭

সাংগ্রাইং জলকেলী উৎসবের প্রস্তুতি পরিদর্শনে বিএনপি নেতৃবৃন্দ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১৩ পিএম
রামগড়ে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ধরা ছোঁয়ার বাহিরে, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

 

জেলা প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি মারি স্টেডিয়াম (মাসস) প্রাঙ্গণে মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী সাংগ্রাইং জলকেলী উৎসবকে সামনে রেখে চলমান প্রস্তুতি কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম ভুট্টু। পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজস্থলী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান থোয়াই সুঁই খইং চৌধুরী (মাসস) সভাপতি, মারমা সংস্কৃতি সংস্থা (মাসস)- উদযাপন কমিটির এর আহ্বায়ক পাইচিংমংসহ সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

এ সময় নেতৃবৃন্দ উৎসবস্থলের সার্বিক প্রস্তুতি, মঞ্চ নির্মাণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অন্যান্য আয়োজন ঘুরে দেখেন। তারা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে প্রস্তুতির অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংগ্রাইং জলকেলী উৎসব মারমা সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্যবাহী উৎসব, যা পার্বত্য অঞ্চলের সংস্কৃতি, সম্প্রীতি ও ঐক্যের প্রতীক। তারা আশা প্রকাশ করেন, যথাযথ প্রস্তুতি ও সবার সহযোগিতায় এবারের উৎসব আনন্দঘন ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে।

রুমা জোনের ৩৬ ব্যাটেলিয়নের মানবিক ও নিরাপত্তামূলক কার্যক্রমে পাহাড়ে ফিরছে শান্তি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১০ পিএম
রামগড়ে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ধরা ছোঁয়ার বাহিরে, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

 

রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

দুর্গম পাহাড়ি জনপদ বান্দরবানের রুমা উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে অনন্য ভূমিকা রাখছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৬ ব্যাটেলিয়ন (রুমা আর্মি জোন)। কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্থানীয়দের আস্থা অর্জন করে পাহাড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে এই ব্যাটেলিয়ন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রুমা জোনের সেনা সদস্যরা শুধু নিরাপত্তা কার্যক্রমেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক নানা উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। দুর্গম পাহাড়ি পাড়াগুলোতে নিয়মিত মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ, শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণসহ বিভিন্ন মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে তারা।

এছাড়া ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে সহায়তা প্রদান করে পার্বত্য এলাকায় সম্প্রীতির বন্ধন জোরদার করছে সেনাবাহিনী। স্থানীয় জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলে তাদের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানোর ফলে সেনাবাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় হয়েছে।

৩৬ ব্যাটেলিয়নের বর্তমান অধিনায়কের নেতৃত্বে মাদক ও অবৈধ অস্ত্রবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে। ফলে এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও ভয়ভীতির পরিবেশ অনেকাংশে কমে এসেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
রুমার একাধিক বাসিন্দা বলেন, সেনাবাহিনীর সক্রিয় উপস্থিতির কারণে এখন আমরা অনেক বেশি নিরাপদ বোধ করি। আগের তুলনায় এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম কমেছে। যেকোনো প্রয়োজনে তারা আমাদের পাশে দাঁড়ায়।
সব মিলিয়ে, পাহাড়ি অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে ৩৬ ব্যাটেলিয়নের পেশাদারিত্ব ও মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা আরও সুদৃঢ় হবে।

×