বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম:

​মাঠ মাতালো ক্ষুদে ফুটবলাররা কাপ্তাই উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন চিৎমরম ও কারিগর পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪৭ পিএম
7 বার পড়া হয়েছে
​মাঠ মাতালো ক্ষুদে ফুটবলাররা কাপ্তাই উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন চিৎমরম ও কারিগর পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) :

​রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উপজেলা পর্যায়ের গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বালক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে চিৎমরম ইসলামিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বালিকা বিভাগে শিরোপা জিতেছে কারিগর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

​বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় কাপ্তাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের আয়োজনে কাপ্তাই উপজেলা সদর বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হয়।

​দিনের প্রথম ম্যাচে বালিকা বিভাগে মুখোমুখি হয় কারিগর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চংড়াছড়ি আবাসিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এতে কারিগর পাড়া ২-১ গোলে চংড়াছড়িকে পরাজিত করে উপজেলা চ্যাম্পিয়ন হয়।

​দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে বালক বিভাগে বিএফআইডিসি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে চিৎমরম ইসলামিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

​খেলা শেষে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি ও মেডেল তুলে দেন।

​উপজেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে এবং বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জগদীশ চন্দ্র দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন এবং উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আঁখি তালুকদার।

​অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি একরাম হোসেন, সহ-সভাপতি নুরুল আবসার বাবুল, কাপ্তাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী ইলিয়াস হোসেন, সাবেক প্রধান শিক্ষক ইউসুফ মিয়া সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিপুল সংখ্যক ক্রীড়ামোদী দর্শক।

​ফাইনাল খেলাগুলো সুচারুভাবে পরিচালনা করেন শিক্ষক আবু বক্কর ছিদ্দিক সোহেল, উসাইমং মারমা, দেবানন্দ বড়ুয়া এবং মো. ইসমাইল হোসেন।

​উপজেলা পর্যায়ের এই সাফল্যে বিজয়ী দলগুলোকে অভিনন্দন জানিয়ে অতিথিরা বলেন, প্রাথমিক স্তর থেকেই খেলাধুলার চর্চা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বান্দরবানে এলজিইডির নির্মিত তিন সড়কের উন্নয়ন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩৬ পিএম
​মাঠ মাতালো ক্ষুদে ফুটবলাররা কাপ্তাই উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন চিৎমরম ও কারিগর পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়

বান্দরবান প্রতিনিধিঃ

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ, খানা-খন্দ আর বিচ্ছিন্নতার জীবন পেছনে ফেলে উন্নয়নের নতুন পথে হাঁটছে বান্দরবানের পাহাড়ি জনপদ। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) নির্মিত গোয়ালিয়াখোলা, ঈদগড়-বাইশারী ও ঘুমধুম—এই তিন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বদলে দিয়েছে প্রায় আড়াই লক্ষাধিক মানুষের জীবনযাত্রা। সহজ হয়েছে যোগাযোগ, বেড়েছে কৃষিপণ্য পরিবহন, চাঙা হচ্ছে গ্রামীণ অর্থনীতি। পাহাড়ি জনপদে ফিরেছে স্বস্তি।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, গোয়ালিয়াখোলা সড়ক ৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার, ঈদগড়-বাইশারী সড়ক ৪ কিলোমিটার এবং ঘুমধুম সড়ক ৪ কিলোমিটার উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে গোয়ালিয়াখোলা ও ঘুমধুম সড়কের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে, আর ঈদগড়-বাইশারী সড়কের প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
গোয়ালিয়াখোলা সড়ক তিন প্যাকেজে বাস্তবায়ন করা হয়েছে, এস অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা লিমিটেড, ইউ টি মং এবং মিলটন ট্রেডার্স। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

অন্যদিকে ঈদগড়-বাইশারী সড়কে ব্যয় হচ্ছে ৪ কোটি ১০ লাখ টাকা। ঘুমধুম সড়কের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

সম্প্রতি সময়ে সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, এলাকার সাধারণ মানুষজন সহজে হাট-বাজারসহ নানা কাজে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করছে। ছাত্রছাত্রীরা নিজ এলাকা থেকে স্কুল-কলেজে সহজে ও সঠিক সময়ে পৌচ্ছাতে পারছে। এতে লোকজনের মধ্যে স্বস্তি দেখা যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সড়কগুলো চালু হওয়ায় বাইশারী, ঈদগড়, ঘুমধুম ও গোয়ালিয়াখোলা অঞ্চলের মানুষের জীবন অনেক সহজ হয়েছে। পরিবহন বেড়েছে ও কৃষিপণ্য বাজারে পৌঁছাতে সময় করেছে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি ফিরেছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায়ও মিলছে সুফল।

বিশেষ করে কৃষি খাতে ইতিবাচক প্রভাব ইতোমধ্যে দৃশ্যমান। আগে দুর্গমতার কারণে অনেক কৃষক ফসলের পণ্য ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করতে পারতেন না। এখন সড়ক উন্নয়নে বাজারজাতকরণ সহজ হওয়ায় কৃষকদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

ঘুমধুমের বাসিন্দা আবু নূর জানান, কাদা আর গর্তে ভরা রাস্তাগুলো যেন ছিল দুর্ভোগের প্রতীক। নতুন সড়কে এখন সেই চিত্র বদলেছে।

বাইশারীর বাসিন্দা ছৈয়দ আলম বলেন, একসময় বর্ষা এলেই এসব সড়ক দিয়ে চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যেত। রোগী হাসপাতালে নিতে, শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো।

গোয়ালিয়াখোলার বাসিন্দা কৃষক আবুল আহাম্মেদ জানান, ভালো সড়কের অভাবে জমির ফসল মাথায় ও কাঁদে বহণ করে বাজারে নিতে খুবই কষ্ট হতো। এই কষ্টের কারণে অনেক ফসল জমিতেই নষ্ট হতো। এখন সহজে বাজারজাত করা যাচ্ছে।

বান্দরবান এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী প্রতিপদ দেওয়ান বলেন, পাহাড়ে অবকাঠামো নির্মাণ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও আমরা টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। এসব সড়ক শুধু যোগাযোগ নয়, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও জীবনমান উন্নয়নেরও ভূমিকা রাখবে।

চিৎমরমে বুদ্ধ পূর্ণিমায় উৎসবের আমেজ বোধিবৃক্ষে জল ঢেলে মৈত্রী প্রার্থনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩৪ পিএম
​মাঠ মাতালো ক্ষুদে ফুটবলাররা কাপ্তাই উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন চিৎমরম ও কারিগর পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) :

জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক’—এই চিরন্তন মৈত্রী বাণীর মধ্য দিয়ে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে অত্যন্ত ভাবগম্ভীর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা’। বুদ্ধের ত্রিস্মৃতি বিজড়িত (জন্ম, বোধিলাভ ও মহাপরিনির্বাণ) এই পবিত্র দিনে কাপ্তাইয়ের ঐতিহাসিক চিৎমরম বৌদ্ধ বিহারে ছিল পুণ্যার্থীদের আগমন।

 

পাহাড়ের ঐতিহ্যের লীলাভূমি কাপ্তাই উপজেলাধীন ঐতিহাসিক চিৎমরম বৌদ্ধ বিহারে সকাল থেকেই ছিল উৎসবের আমেজ। দিনের কর্মসূচি শুরু হয় পঞ্চশীল ও অষ্টশীল গ্রহণ, বুদ্ধ পূজা এবং পিন্ডদানের মধ্য দিয়ে। বিহারের অধ্যক্ষের উপস্থিতিতে বরেণ্য ভিক্ষু ও ধর্মীয় পণ্ডিতগণ গৌতম বুদ্ধের অহিংসা ও সাম্যের দর্শন নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা বর্তমান অশান্ত পৃথিবীতে বুদ্ধের মৈত্রী ভাবনার প্রাসঙ্গিকতা ও গুরুত্ব তুলে ধরেন।
​বোধিবৃক্ষে জলসেচন ও বিশেষ প্রার্থনা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, গৌতম বুদ্ধ যে বৃক্ষের নিচে বসে বোধি বা জ্ঞান লাভ করেছিলেন, সেই স্মৃতিকে অম্লান রাখতেই পালিত হয় ‘জল ঢালা’ উৎসব।সকাল থেকে দূর-দূরান্ত থেকে আসা শত শত পুণ্যার্থী সারিবদ্ধভাবে জাদি প্রাঙ্গণে অবস্থিত অর্ধশতবর্ষী পবিত্র বোধিবৃক্ষে জলসেচন করেন।

সকালে পূজা ও ধর্মদেশনা শেষে নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোর নির্বিশেষে চন্দন কাঠের সুবাসিত পানি ও ঝর্ণার পবিত্র বারিধারা নিয়ে বিহার প্রদক্ষিণ করেন। এসময় সমবেত প্রার্থনায় বিশ্বশান্তি ও মানবিক কল্যাণের জন্য দেশনা করা হয়। এছাড়াও অনুষ্ঠানে সূত্রপাঠ ও সূত্র শ্রবণের মধ্য দিয়ে দিনটির মাহাত্ম্য তুলে ধরা হয়।চিৎমরম উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা আগত পুণ্যার্থীদের মাঝে শরবত বিতরণ করে সেবার হাত বাড়িয়ে দেয়। প্রখর রোদে পুণ্যার্থীদের তৃষ্ণা মেটাতে শিক্ষার্থীদের এই আন্তরিক উদ্যোগ সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।

রাঙ্গামাটি ও পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে আসা পুণ্যার্থীরা চিৎমরম বিহারের শান্ত ও মনোরম পরিবেশে উৎসব পালন করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন। আগত এক পুণ্যার্থী সংবাদ মাধ্যমকে জানান, “আমরা প্রার্থনা করেছি যেন পৃথিবী থেকে সকল যুদ্ধ-বিগ্রহ ও অশান্তি দূর হয় এবং সকল মানুষ যেন সম্প্রীতির সাথে বসবাস করতে পারে।”

​কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই প্রশাসনের সতর্ক নজরদারিতে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দিনব্যাপী ধর্মীয় আচারসমূহ সম্পন্ন হয়েছে। ‘অহিংসা পরম ধর্ম’—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের এই উৎসব পাহাড়ের বুকে শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে।

কাপ্তাইয়ে ‘পার্টনার’ ফিল্ড কংগ্রেসের উদ্বোধন কৃষিতে উৎপাদন বিপ্লবের আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২১ পিএম
​মাঠ মাতালো ক্ষুদে ফুটবলাররা কাপ্তাই উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন চিৎমরম ও কারিগর পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ উদ্যোগে ‘পার্টনার’ প্রকল্পের আওতায় রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে ‘ফিল্ড কংগ্রেস’-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। আধুনিক ও টেকসই কৃষির রূপান্তরের মাধ্যমে পুষ্টি নিশ্চিতকরণ এবং কৃষকদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কাপ্তাই উপজেলা কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা হর্টিকালচার সেন্টারের হলরুমে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ‘Program on Agricultural and Rural Transformation for Nutrition, Entrepreneurship and Resilience in Bangladesh’ (PARTNER) প্রকল্পের অধীনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি এবং পার্টনার ফিল্ড শতাধিক কৃষক-কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন।
​রাঙ্গামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মনিরুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিল্ড কংগ্রেসের উদ্বোধন করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “কৃষিখাতে প্রকৃত উন্নয়ন ও উৎপাদন বিপ্লব ঘটাতে হলে উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বর্তমান সরকারের স্মার্ট কৃষি গড়ার লক্ষে কৃষক কার্ড বিতরণসহ বিভিন্ন উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রান্তিক কৃষকদের ভাগ্যোন্নয়নে ব্যাপক সুফল বয়ে আনছে।”

কাপ্তাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসান হাবীবের সভাপতিত্বে এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বাপ্পা মল্লিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা. রহমত উল্লাহ
​জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক অরুণ চন্দ্র রায়।

বক্তারা বলেন, এ ধরনের প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকরা আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হতে পারবেন, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা উদ্যানতত্ত্ববিদ রাকিব জোবায়ের, সহকারী তথ্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা হিমেল কান্তি দে, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন এবং উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা থোয়াইনু চিং মারমা। কৃষকদের পক্ষ থেকে নিজের অভিজ্ঞতা ও প্রত্যাশা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন কৃষক আশীষ কুমার তঞ্চঙ্গ্যা
​উদ্বোধনী পর্ব শেষে ‘পার্টনার’ প্রকল্পের কার্যক্রম ও এর ভবিষ্যৎ প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। স্থানীয় কৃষকরা সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

×