শিরোনাম:

খননের কাজ চলছে কষ্ট সাময়িক ১৫ মে’র পরই বদলাবে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার চিত্র —- মেয়র ডা: শাহাদাত হোসেন

খননের কাজ চলছে কষ্ট সাময়িক ১৫ মে’র পরই বদলাবে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার চিত্র —- মেয়র ডা: শাহাদাত হোসেন

 

স্টাফ রিপোর্টার :

চট্টগ্রাম নগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল)২৬ খ্রিঃ সকালে তিনি মুরাদপুর, কাতালগঞ্জ ও প্রবর্তক মোড়সহ জলাবদ্ধতা প্রবণ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে মেয়র স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের ভোগান্তির বিষয়টি মনোযোগ দিয়ে শোনেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের কাছ থেকে খাল সংস্কার কাজের সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত হন।

মেয়র জানান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)’র অধীনে নগরীর বিভিন্ন খালে সংস্কার কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। বিশেষ করে হিজরা খাল ও জামালখান খালের সংস্কার কার্যক্রম চলমান থাকায় কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলে জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে। তিনি বলেন, “উন্নয়ন কাজের কারণে সাময়িক দুর্ভোগ তৈরি হলেও এটি দীর্ঘমেয়াদে নগরবাসীর জন্য স্বস্তি বয়ে আনবে। কাজ শেষ হলে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা অনেক উন্নত হবে।”

মেয়র আরও জানান, আগামী ১৫ মে’র মধ্যে সিডিএ’র খাল সংস্কার কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে করে নগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থায় বড় ধরনের উন্নতি আসবে এবং জলাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, চলতি বর্ষা মৌসুমেই চট্টগ্রামের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরিদর্শনকালে চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রামে প্রবল বৃষ্টিতে সড়কে হাঁটু পর্যন্ত পানি, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী

খননের কাজ চলছে কষ্ট সাময়িক ১৫ মে’র পরই বদলাবে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার চিত্র —- মেয়র ডা: শাহাদাত হোসেন

কাপ্তাইয়ে ঝড়ে উপড়ে পড়ল গাছ দুই বসতঘর বিধ্বস্ত, অল্পের জন্য রক্ষা

খননের কাজ চলছে কষ্ট সাময়িক ১৫ মে’র পরই বদলাবে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার চিত্র —- মেয়র ডা: শাহাদাত হোসেন

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলা কলেজ এলাকায় আকস্মিক ঝড়ো হাওয়ায় একটি বিশাল গাছ উপড়ে পড়ে দুটি বসতঘর পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে বসতঘরগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কর্ণফুলী কলেজের দপ্তরি রহমত আলী। তিনি বর্তমানে অবসর পূর্বকালীন ছুটিতে (এলপিআর) রয়েছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, তার ঘরটি বিশাল গাছের নিচে চাপা পড়ে দুমড়েমুচড়ে গেছে। একই সময়ে গাছের অংশবিশেষ আবুল বশর নামে আরেক বাসিন্দার ঘরের ওপর পড়লে সেটিরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

​ভুক্তভোগী রহমত আলী জানান, মুহূর্তের মধ্যে ঝড় শুরু হয়ে গাছটি ঘরের ওপর আছড়ে পড়ে। অল্পের জন্য পরিবারের সদস্যরা প্রাণে বেঁচে গেলেও তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ রুহুল আমিন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং তাদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন। এসময় তিনি সংশ্লিষ্টদের দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।

​পরিদর্শন শেষে ইউএনও ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ওই এলাকার অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো দ্রুত কেটে ফেলার জন্য বন বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

​এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কলেজ কর্তৃপক্ষকে এই ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলোর বিষয়ে বারবার জানানো হলেও তারা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। স্থানীয়দের দাবি, সময়মতো গাছগুলো অপসারণ করা হলে আজ এই ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হতো।

​উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, উপজেলার আরও কয়েকটি স্থানে ঝড়ে গাছ পড়ার খবর পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

গোবিন্দগঞ্জে ভাতিজার লাঠির আঘাতে চাচা নিহত

খননের কাজ চলছে কষ্ট সাময়িক ১৫ মে’র পরই বদলাবে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার চিত্র —- মেয়র ডা: শাহাদাত হোসেন

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা :

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ভাতিজা আব্দুল জলিল শেখের লাঠির আঘাতে চাচা কপিল উদ্দিন (৫৫) নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের উত্তর হরিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কপিল উদ্দিন ওই গ্রামের ফজর উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, হরিরামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ও ছমছেল শেখের ছেলে আব্দুল জলিল শেখের সাথে কপিল উদ্দিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এরই এক পর্যায়ে মঙ্গলবার সকালের দিকে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। এসময় লাঠি-ধারালো অস্ত্র নিয়ে উত্তেজিত হয়ে জলিল শেখরা হামলা করে। এতে লাঠির আঘাতে কপিল উদ্দিন নিহত হন। একইসঙ্গে আহন হন আব্দুল জলিল শেখ নামের অপর একজন। তাকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, ঘটনাস্থলে পলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

×