| ৩০ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনাম:

আলীকদমে দুর্গম পাহাড়ে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে হাম-রুবেলার টিকা ও স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে গেল

আলীকদমে দুর্গম পাহাড়ে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে হাম-রুবেলার টিকা ও স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে গেল

 

‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা, ‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎দুর্গম ও প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আবারও মানবিকতা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশেষ উদ্যোগে হাম-রুবেলা টিকাদান ও জরুরি চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

সম্প্রতি কুরুকপাতা ইউনিয়নে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ‎আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে সেনাবাহিনীর সহায়তায় তিনটি বিশেষ মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি টিমে সেনা সদস্যদের পাশাপাশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা রয়েছেন। তারা দুর্গম পাহাড়ি পথ অতিক্রম করে প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিটি পাড়ায় গিয়ে শিশুদের হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করছেন। ‎ ‎

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থান ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে অনেকেই উপজেলা সদর বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে টিকা নিতে অনীহা প্রকাশ করেন। ফলে অনেক শিশু টিকাদান কর্মসূচির বাইরে থেকে যায়। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সেনাবাহিনী সরাসরি জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছে। ‎টিকাদানের পাশাপাশি গুরুতর অসুস্থ রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী বিশেষ ব্যবস্থায় তাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসছে। দুর্গম এলাকায় যাতায়াত সমন্বয়, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও সেনাবাহিনী সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। ‎ ‎

এ বিষয়ে আলীকদম জোন কমান্ডার বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুর্গম অঞ্চলের মানুষ যাতে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ‎ ‎স্থানীয়দের মতে, সেনাবাহিনীর এই মানবিক উদ্যোগ পার্বত্য অঞ্চলে জনআস্থা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

​মাঠ মাতালো ক্ষুদে ফুটবলাররা কাপ্তাই উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন চিৎমরম ও কারিগর পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়

আলীকদমে দুর্গম পাহাড়ে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে হাম-রুবেলার টিকা ও স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে গেল

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) :

​রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উপজেলা পর্যায়ের গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বালক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে চিৎমরম ইসলামিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বালিকা বিভাগে শিরোপা জিতেছে কারিগর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

​বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় কাপ্তাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের আয়োজনে কাপ্তাই উপজেলা সদর বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হয়।

​দিনের প্রথম ম্যাচে বালিকা বিভাগে মুখোমুখি হয় কারিগর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চংড়াছড়ি আবাসিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এতে কারিগর পাড়া ২-১ গোলে চংড়াছড়িকে পরাজিত করে উপজেলা চ্যাম্পিয়ন হয়।

​দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে বালক বিভাগে বিএফআইডিসি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে চিৎমরম ইসলামিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

​খেলা শেষে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি ও মেডেল তুলে দেন।

​উপজেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে এবং বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জগদীশ চন্দ্র দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন এবং উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আঁখি তালুকদার।

​অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি একরাম হোসেন, সহ-সভাপতি নুরুল আবসার বাবুল, কাপ্তাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী ইলিয়াস হোসেন, সাবেক প্রধান শিক্ষক ইউসুফ মিয়া সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিপুল সংখ্যক ক্রীড়ামোদী দর্শক।

​ফাইনাল খেলাগুলো সুচারুভাবে পরিচালনা করেন শিক্ষক আবু বক্কর ছিদ্দিক সোহেল, উসাইমং মারমা, দেবানন্দ বড়ুয়া এবং মো. ইসমাইল হোসেন।

​উপজেলা পর্যায়ের এই সাফল্যে বিজয়ী দলগুলোকে অভিনন্দন জানিয়ে অতিথিরা বলেন, প্রাথমিক স্তর থেকেই খেলাধুলার চর্চা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

চিৎমরমে বুদ্ধ পূর্ণিমায় উৎসবের আমেজ বোধিবৃক্ষে জল ঢেলে মৈত্রী প্রার্থনা

আলীকদমে দুর্গম পাহাড়ে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে হাম-রুবেলার টিকা ও স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে গেল

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) :

জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক’—এই চিরন্তন মৈত্রী বাণীর মধ্য দিয়ে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে অত্যন্ত ভাবগম্ভীর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা’। বুদ্ধের ত্রিস্মৃতি বিজড়িত (জন্ম, বোধিলাভ ও মহাপরিনির্বাণ) এই পবিত্র দিনে কাপ্তাইয়ের ঐতিহাসিক চিৎমরম বৌদ্ধ বিহারে ছিল পুণ্যার্থীদের আগমন।

 

পাহাড়ের ঐতিহ্যের লীলাভূমি কাপ্তাই উপজেলাধীন ঐতিহাসিক চিৎমরম বৌদ্ধ বিহারে সকাল থেকেই ছিল উৎসবের আমেজ। দিনের কর্মসূচি শুরু হয় পঞ্চশীল ও অষ্টশীল গ্রহণ, বুদ্ধ পূজা এবং পিন্ডদানের মধ্য দিয়ে। বিহারের অধ্যক্ষের উপস্থিতিতে বরেণ্য ভিক্ষু ও ধর্মীয় পণ্ডিতগণ গৌতম বুদ্ধের অহিংসা ও সাম্যের দর্শন নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা বর্তমান অশান্ত পৃথিবীতে বুদ্ধের মৈত্রী ভাবনার প্রাসঙ্গিকতা ও গুরুত্ব তুলে ধরেন।
​বোধিবৃক্ষে জলসেচন ও বিশেষ প্রার্থনা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, গৌতম বুদ্ধ যে বৃক্ষের নিচে বসে বোধি বা জ্ঞান লাভ করেছিলেন, সেই স্মৃতিকে অম্লান রাখতেই পালিত হয় ‘জল ঢালা’ উৎসব।সকাল থেকে দূর-দূরান্ত থেকে আসা শত শত পুণ্যার্থী সারিবদ্ধভাবে জাদি প্রাঙ্গণে অবস্থিত অর্ধশতবর্ষী পবিত্র বোধিবৃক্ষে জলসেচন করেন।

সকালে পূজা ও ধর্মদেশনা শেষে নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোর নির্বিশেষে চন্দন কাঠের সুবাসিত পানি ও ঝর্ণার পবিত্র বারিধারা নিয়ে বিহার প্রদক্ষিণ করেন। এসময় সমবেত প্রার্থনায় বিশ্বশান্তি ও মানবিক কল্যাণের জন্য দেশনা করা হয়। এছাড়াও অনুষ্ঠানে সূত্রপাঠ ও সূত্র শ্রবণের মধ্য দিয়ে দিনটির মাহাত্ম্য তুলে ধরা হয়।চিৎমরম উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা আগত পুণ্যার্থীদের মাঝে শরবত বিতরণ করে সেবার হাত বাড়িয়ে দেয়। প্রখর রোদে পুণ্যার্থীদের তৃষ্ণা মেটাতে শিক্ষার্থীদের এই আন্তরিক উদ্যোগ সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।

রাঙ্গামাটি ও পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে আসা পুণ্যার্থীরা চিৎমরম বিহারের শান্ত ও মনোরম পরিবেশে উৎসব পালন করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন। আগত এক পুণ্যার্থী সংবাদ মাধ্যমকে জানান, “আমরা প্রার্থনা করেছি যেন পৃথিবী থেকে সকল যুদ্ধ-বিগ্রহ ও অশান্তি দূর হয় এবং সকল মানুষ যেন সম্প্রীতির সাথে বসবাস করতে পারে।”

​কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই প্রশাসনের সতর্ক নজরদারিতে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দিনব্যাপী ধর্মীয় আচারসমূহ সম্পন্ন হয়েছে। ‘অহিংসা পরম ধর্ম’—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের এই উৎসব পাহাড়ের বুকে শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে।

কাপ্তাইয়ে ‘পার্টনার’ ফিল্ড কংগ্রেসের উদ্বোধন কৃষিতে উৎপাদন বিপ্লবের আহ্বান

আলীকদমে দুর্গম পাহাড়ে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে হাম-রুবেলার টিকা ও স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে গেল

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ উদ্যোগে ‘পার্টনার’ প্রকল্পের আওতায় রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে ‘ফিল্ড কংগ্রেস’-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। আধুনিক ও টেকসই কৃষির রূপান্তরের মাধ্যমে পুষ্টি নিশ্চিতকরণ এবং কৃষকদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কাপ্তাই উপজেলা কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা হর্টিকালচার সেন্টারের হলরুমে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ‘Program on Agricultural and Rural Transformation for Nutrition, Entrepreneurship and Resilience in Bangladesh’ (PARTNER) প্রকল্পের অধীনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি এবং পার্টনার ফিল্ড শতাধিক কৃষক-কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন।
​রাঙ্গামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মনিরুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিল্ড কংগ্রেসের উদ্বোধন করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “কৃষিখাতে প্রকৃত উন্নয়ন ও উৎপাদন বিপ্লব ঘটাতে হলে উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বর্তমান সরকারের স্মার্ট কৃষি গড়ার লক্ষে কৃষক কার্ড বিতরণসহ বিভিন্ন উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রান্তিক কৃষকদের ভাগ্যোন্নয়নে ব্যাপক সুফল বয়ে আনছে।”

কাপ্তাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসান হাবীবের সভাপতিত্বে এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বাপ্পা মল্লিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা. রহমত উল্লাহ
​জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক অরুণ চন্দ্র রায়।

বক্তারা বলেন, এ ধরনের প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকরা আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হতে পারবেন, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা উদ্যানতত্ত্ববিদ রাকিব জোবায়ের, সহকারী তথ্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা হিমেল কান্তি দে, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন এবং উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা থোয়াইনু চিং মারমা। কৃষকদের পক্ষ থেকে নিজের অভিজ্ঞতা ও প্রত্যাশা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন কৃষক আশীষ কুমার তঞ্চঙ্গ্যা
​উদ্বোধনী পর্ব শেষে ‘পার্টনার’ প্রকল্পের কার্যক্রম ও এর ভবিষ্যৎ প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। স্থানীয় কৃষকরা সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

×