| ২০ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

আলীকদমে হামের প্রাদুর্ভাবঃ রোগীর পাশে থেকে নিরলস কাজ করছে ম্রো ইয়ুথ অর্গানাইজেশন

আলীকদমে হামের প্রাদুর্ভাবঃ রোগীর পাশে থেকে নিরলস কাজ করছে ম্রো ইয়ুথ অর্গানাইজেশন

 

সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা,
আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

বান্দরবানের আলীকদম ও লামা উপজেলায় হাম রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ম্রো ইয়ুথ অর্গানাইজেশন সমন্বিতভাবে কাজ করছে। আলীকদম উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় করে হাম আক্রান্ত রোগীদের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি। ২২ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমে দুর্গম এলাকার রোগীদের চিকিৎসা, পর্যবেক্ষণ ও সার্বিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ হানিফের নেতৃত্বে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে দুর্গম এলাকায় সরকারি টিকাদান কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য সহকারীদের সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে ম্রো ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের স্বেচ্ছাসেবীরা।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত আলীকদম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫৫ জন এবং লামা উপজেলায় ৫ জনসহ মোট ৬০ জন হাম আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা সেবার আওতায় এসেছে। এর মধ্যে ৪৭ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে ১৮ জন রোগী বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যাদের মধ্যে আলীকদম, লামা ও কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।

ম্রো ইয়ুথ অর্গানাইজেশন জানায়, তারা দুর্গম এলাকার হাম আক্রান্ত রোগীদের সরাসরি পাশে থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করছে। রোগীদের হাসপাতালে আনা-নেওয়া, চিকিৎসা সহায়তা প্রদান, পরামর্শ এবং জটিল রোগীদের রেফার করতেও সংগঠনটির সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

নেতৃত্ব ও সমন্বয় :

সংগঠনটির সভাপতি সেথং ম্রো (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, লামা) বলেন, “দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানো এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা রোগীদের পাশে থেকে কাজ করছি, যাতে কোনো রোগী অবহেলায় না থাকে এবং দ্রুত চিকিৎসা পায়।”

সাধারণ সম্পাদক পাতলাই ম্রো (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) বলেন, “স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা আলীকদম ও লামার প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছি। এই কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি।”

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেনথাব ম্রো (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়) বলেন, “মাঠ পর্যায়ে প্রতিটি রোগীর খোঁজখবর রাখা, হাসপাতালে ভর্তি নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান আমাদের প্রধান দায়িত্ব। আমরা নিরলসভাবে এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।”

কোষাধ্যক্ষ মেনতং ম্রো জানান, “সংগৃহীত অনুদান স্বচ্ছতার সাথে রোগীদের চিকিৎসা, পরিবহন ও প্রয়োজনীয় খরচে ব্যয় করা হচ্ছে, যাতে প্রতিটি সহযোগিতা সঠিকভাবে কাজে লাগে।”

নারী বিষয়ক সম্পাদক কারসিং ম্রো (এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন, চট্টগ্রাম) বলেন, “নারী ও শিশু রোগীরা যাতে নিরাপদ ও প্রয়োজনীয় সেবা পায়, সেজন্য আমরা বিশেষভাবে কাজ করছি এবং তাদের পাশে থেকে মানসিক সহায়তাও প্রদান করছি।”

এছাড়া সভাপতি আরও বলেন, “এই মানবিক কার্যক্রম সফল করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা দুর্গম এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারবো এবং এই উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করতে পারবো।”

লামা হাসপাতাল সমন্বয় :

ম্রো ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের পাশাপাশি লামা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে “বাংলাদেশ ম্রো স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন” লামা শাখার প্রতিনিধিত্বে ক্রইঙন ম্রো ও প্রেনপং ম্রো সমন্বয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

বিশেষ কার্যক্রম টিম :

ম্রো ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের একটি দায়িত্বশীল টিম মাঠ পর্যায়ে সরাসরি রোগীদের পাশে থেকে কাজ করছে। এই টিমে রয়েছেন—পারাও ম্রো,মাংইন ম্রো, মেনরিং ম্রো, মেনতে ম্রো, পারিং ম্রো, চামলে ম্রো, রাংরেং ম্রো, রেংকুর ম্রো, পুষা ম্রো, লেংরাও ম্রো, রেংঅং ম্রো, মানিক ম্রো, মাংরুম ম্রো, থংতান ম্রো এবং প্রেনপং ম্রো।

আর্থিক সহায়তা ও ব্যয় :

সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, ২২ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া কার্যক্রমে এ পর্যন্ত মোট ১,৯১,৭০৮.৮০ টাকা অনুদান সংগ্রহ করা হয়েছে, যা রোগীদের চিকিৎসা, পরিবহন ও প্রয়োজনীয় সেবায় ব্যয় করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দুর্গম এলাকায় হাম রোগ মোকাবেলায় ম্রো ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের এই মানবিক উদ্যোগ একটি কার্যকর উদাহরণ হয়ে উঠেছে। প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও প্রগতিশীলভাবে পরিচালিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

ড্রাগন ফলের দাম কম ; হতাশ বান্দরবানের চাষিরা

আলীকদমে হামের প্রাদুর্ভাবঃ রোগীর পাশে থেকে নিরলস কাজ করছে ম্রো ইয়ুথ অর্গানাইজেশন

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা :

পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং স্বাস্থ্যসম্মত ফল হিসেবে পরিচিত ড্রাগন ফল (পিটায়া) একসময় বান্দরবানের কৃষকদের কাছে ছিল সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত। উচ্চ বাজারমূল্যের কারণে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ব্যাপকভাবে ড্রাগন চাষ সম্প্রসারিত হয়েছিল। তবে বর্তমানে বাজারে দাম কমে যাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন চাষিরা।

বান্দরবান সদর, রোয়াংছড়ি, রুমা, থানচি, লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় কমবেশি ড্রাগন ফলের চাষ হয়ে থাকে। স্থানীয় কৃষকদের মতে, পাঁচ থেকে ছয় বছর আগে প্রতি কেজি ড্রাগন ফল ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হতো। সে সময় অনেক কৃষক ড্রাগন চাষে ঝুঁকে পড়েন এবং এটিকে ভাগ্য পরিবর্তনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে দেখতেন। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে চাষের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে বর্তমানে প্রতি কেজি ড্রাগন ফল মাত্র ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। উৎপাদন খরচের তুলনায় এ মূল্য অনেক কম হওয়ায় কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

বান্দরবানে চিম্বুকের এক ড্রাগন চাষি বলেন, ড্রাগন চাষ করতে খুঁটি স্থাপন, সেচ, সার ও পরিচর্যায় প্রচুর টাকা ব্যয় হয়। কিন্তু এখন বাজারে যে দাম পাওয়া যাচ্ছে, তাতে উৎপাদন খরচই উঠে আসে না।

রুমা থেকে আরেক কৃষক জানান, আগে ড্রাগন চাষ লাভজনক ছিল। এখন দাম কমে যাওয়ায় নতুন করে বাগান করতে আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেকেই। এ অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে ড্রাগন চাষ কমে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ড্রাগন ফল শুধু সুস্বাদুই নয়, এটি অত্যন্ত পুষ্টিকরও। এতে রয়েছে ভিটামিন-সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, খাদ্য-আঁশ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। নিয়মিত ড্রাগন ফল খেলে হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, রক্তশূন্যতা দূর হয় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

কৃষকদের দাবি, ড্রাগন ফলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগ, সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং নতুন বাজার সৃষ্টি করা প্রয়োজন। তা না হলে পাহাড়ে সম্ভাবনাময় এ ফলের চাষ ধীরে ধীরে কমে যেতে পারে।

স্থানীয় কৃষকদের আশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে এবং ড্রাগন চাষিদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।

পরিবেশ সংরক্ষণে বিলাইছড়িতে প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণে সেনাবাহিনী

আলীকদমে হামের প্রাদুর্ভাবঃ রোগীর পাশে থেকে নিরলস কাজ করছে ম্রো ইয়ুথ অর্গানাইজেশন

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

রাঙ্গামাটির প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিলাইছড়ি জোনের উদ্যোগে একটি বিশেষ প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বিলাইছড়ি জোনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। অভিযানের আওতায় বিলাইছড়ি জোন হেডকোয়ার্টার এলাকা, বিলাইছড়ি বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ এবং আশপাশের জনসমাগমস্থলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিক, পলিথিন, বোতল ও অন্যান্য পরিবেশ দূষণকারী বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ করা হয়।

অভিযান চলাকালে সেনাসদস্যরা পরিবেশ সংরক্ষণে প্লাস্টিক বর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে স্থানীয় জনগণকে সচেতন করেন এবং পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখতে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ ধরনের কার্যক্রম পরিবেশ দূষণ হ্রাস, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

বিলাইছড়ি জোনের পক্ষ থেকে বিলাইছড়ি জোন উপ অধিনায়ক মেজর মো. ফখরুল আবেদীন জানান যে, বর্তমান বিশ্বে প্লাস্টিক দূষণ একটি ভয়াবহ অভিশাপ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা আমাদের মাটি, পানি ও সামগ্রিক ইকোসিস্টেমকে বিপন্ন করে তুলছে। বিশেষ করে রাঙ্গামাটির মতো পার্বত্য ও পর্যটনসমৃদ্ধ এলাকায় প্লাস্টিক বর্জ্যের যত্রতত্র ব্যবহার এখানকার জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য এক বিরাট হুমকি। এই পরিস্থিতিতে বিলাইছড়ি জোনের এই বর্জ্য অপসারণ অভিযান কেবল একটি সাময়িক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নয়, বরং পরিবেশ বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে এক জোরালো প্রতিরোধ ও সচেতনতার বার্তা।

আলীকদমে শিক্ষা ও উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সঙ্গে রিজিয়ন কমান্ডারের মতবিনিময়

আলীকদমে হামের প্রাদুর্ভাবঃ রোগীর পাশে থেকে নিরলস কাজ করছে ম্রো ইয়ুথ অর্গানাইজেশন


‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎বান্দরবানের আলীকদমে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন বান্দরবান রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম।

‎ শনিবার (২০ জুন) আলীকদমের মুরুং কমপ্লেক্সে আয়োজিত এ সভায় পার্বত্য এলাকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন এবং মুরুং কমপ্লেক্সের কার্যক্রম সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়।

‎সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আলীকদম জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান আশিক এবং আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনজুরুল আলম।

‎এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

‎সভায় জানানো হয়, বর্তমানে মুরুং কমপ্লেক্সের ছাত্রাবাসে ১২৪ জন শিক্ষার্থী অবস্থান করছে। ভবিষ্যতে আরও বেশি শিক্ষার্থীকে আবাসনের সুযোগ দিতে ছাত্রাবাসের ধারণক্ষমতা ২০০ থেকে ২৫০ জনে উন্নীত করার প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন রিজিয়ন কমান্ডার।

‎এছাড়া শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত দুইজন শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হলে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় কুরুকপাতা ইউনিয়নে নতুন একটি মুরুং কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও উত্থাপিত হয়। সম্ভাব্যতা যাচাই সাপেক্ষে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন,“শিক্ষাই পার্বত্য অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রধান ভিত্তি। মুরুং জনগোষ্ঠীর শিক্ষার প্রসার এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।”

‎সভায় বক্তারা মুরুং জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, সামাজিক অগ্রগতি ও জীবনমান উন্নয়নে মুরুং কমপ্লেক্সের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং এর অবকাঠামোগত ও প্রশাসনিক সক্ষমতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

‎বক্তারা বলেন, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষা বিস্তার, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের মাধ্যমে আলীকদম জোন দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। মুরুং কমপ্লেক্স সেই ধারাবাহিক উদ্যোগের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

×