| ১৮ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

দুর্যোগ মোকাবিলায় ত্রান ও ধর্মীয় উৎসবে সহায়তা দিলেন এমপি ওয়াদুদ ভূঁইয়া

দুর্যোগ মোকাবিলায় ত্রান ও ধর্মীয় উৎসবে সহায়তা দিলেন এমপি ওয়াদুদ ভূঁইয়া

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তা এবং ধর্মীয় উৎসব উদ্‌যাপনে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে। অতিবৃষ্টি, পাহাড়ধস ও বন্যার ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় ৩০ জনের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী, শিশু খাদ্য ও গো-খাদ্য বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দুটি পূজামণ্ডপ এবং প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে ৪৯টি বৌদ্ধ বিহারে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে রামগড় উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এসব সহায়তা বিতরণ করা হয়।

রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী শামীম এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ বি এম মোজাম্মেল হক, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীল আল জান্নাত, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হাফেজ আহমেদ ভূঁইয়া এবং রামগড় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

রামগড়ে দুর্গাপূজার মণ্ডপে এসআরবি-৭ এর টহল, গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা

দুর্যোগ মোকাবিলায় ত্রান ও ধর্মীয় উৎসবে সহায়তা দিলেন এমপি ওয়াদুদ ভূঁইয়া

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

শারদীয় দুর্গোৎসব-২০২৬ উপলক্ষে খাগড়াছড়ির রামগড়ে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা জোরদার করেছে এসআরবি-৭। উৎসবকে শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন রাখতে নিয়মিত টহল, দ্রুত সাড়াদানকারী দল (কুইক রেসপন্স টিম) মোতায়েন এবং সাদাপোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে কেউ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে রামগড়ের শ্রীশ্রী দক্ষিণেশ্বরী কালী বাড়ি মন্দিরের দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এসআরবি-৭, সিপিসি-১ ফেনী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মিজানুর রহমান। এ সময় তিনি মণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

এসআরবি-৭ সিপিসি-১ ফেনী ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, ক্যাম্পের আওতাধীন পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে চারটি গাড়িতে ২৪ ঘণ্টা নিয়মিত টহল পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রতিটি মণ্ডপে টহল দলের পাশাপাশি কুইক রেসপন্স টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের মুঠোফোন নম্বর। এ ছাড়া সাদাপোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিও অব্যাহত রয়েছে।

সূত্রটি জানায়, প্রশাসন, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবকেরাও দায়িত্ব পালন করছেন। কোনো ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি দেখা দিলে দ্রুত নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পরিদর্শনকালে কোম্পানি কমান্ডার মিজানুর রহমান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তা মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট বিভাগ সতর্ক রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কোনো ব্যক্তি গুজব ছড়িয়ে বা অন্য কোনো উপায়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নিরাপত্তা বাহিনীর টহল অব্যাহত থাকবে। যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন এসআরবি-৭ সিপিসি-১ ফেনী ক্যাম্পের ডিএডি মহিদুল ইসলাম, এসআই আরিফুর রহমান ও ফয়েজুর রহমান, রামগড় ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা বিশান্তর বড়ুয়া, শ্রীশ্রী দক্ষিণেশ্বরী কালী বাড়ি মন্দির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি বাদল চক্রবর্তী ও সাধারণ সম্পাদক স্বপন দে।

এ ছাড়া স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, এসআরবি, বিজিবি ও আনসার সদস্য এবং সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বান্দরবানে বিজিবির বিশেষ প্রস্তুতি

দুর্যোগ মোকাবিলায় ত্রান ও ধর্মীয় উৎসবে সহায়তা দিলেন এমপি ওয়াদুদ ভূঁইয়া

 

মথি ত্রিপুরা, বান্দরবান রুমা, প্রতিনিধি:

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে বান্দরবান সেক্টরের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। নিরাপত্তা জোরদারে ২৪ ঘণ্টা ১২টি প্লাটুনের মাধ্যমে টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং ছয়টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তায় বডি-অন ক্যামেরা, ডগ স্কোয়াড ও মাইন সুইপিং টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিজিবি সেক্টর সদর দপ্তর, বান্দরবান থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যেন নিরাপদে, নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি, সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ এবং স্থানীয় প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

বিজিবির পরিকল্পনা অনুযায়ী, সারা দেশে ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে বান্দরবান সেক্টর সদর দপ্তর এবং অধীনস্থ রুমা ব্যাটালিয়ন-৯ বিজিবি, বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন-৩৮ বিজিবি ও আলীকদম ব্যাটালিয়ন-৫৭ বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় রয়েছে নয়টি পূজামণ্ডপ। এসব পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ছয়টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ১৬ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবেন। সরকারের নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ের ভিত্তিতে বিজিবির সদস্যদের মোতায়েন ও দায়িত্বের পরিধি নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রয়োজনে জেলা পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা সহায়তা দেওয়া হবে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধে বিশেষ নজরদারি রাখা হবে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত সাড়া দেওয়ার পাশাপাশি টহলের সময় বডি-অন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে।

বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দুর্গাপূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগের পাশাপাশি জনসচেতনতা ও সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য গুজবে কান না দেওয়া, যাচাই না করে কোনো তথ্য প্রচার না করা এবং সন্দেহজনক কিছু নজরে এলে নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

বান্দরবান সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মুহাম্মদ রুবায়াত জামিল বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করার মাধ্যমে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শারদীয় দুর্গাপূজাকে শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর করে তোলা সম্ভব।

রাঙামাটিতে জামায়াতে ইসলামীর বিশেষ রুকন (সদস্য) সম্মেলন অনুষ্ঠিত:

দুর্যোগ মোকাবিলায় ত্রান ও ধর্মীয় উৎসবে সহায়তা দিলেন এমপি ওয়াদুদ ভূঁইয়া

 

আবু বককর, লংগদু (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাঙামাটি পার্বত্য জেলার বিশেষ রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১১টায় রাঙামাটি ইসলামিক সেন্টারের হলরুমে জেলার সকল রুকনদের অংশগ্রহণে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন নানিয়ারচর উপজেলার আমির মাওলানা মো: জুলফিকার আলী, সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য, রাঙামাটি জেলা নির্বাচনের পিজাইডিং অফিসার অধ্যাপক আহসান উল্লাহ।

সম্মেলনে জেলার রুকন(সদস্য) দের গোপন ভোটের মাধ্যমে আগামী ২০২৭-২০২৮ সেশনের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাঙামাটি পার্বত্য জেলার জেলা আমীর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলার সকল রুকন নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠিত এ বিশেষ রুকন সম্মেলনে আগামী সেশনের নেতৃত্ব নির্বাচনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

×