| ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

বাউবির এইচএসসি প্রোগ্রামের বইসহ ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

বাউবির এইচএসসি প্রোগ্রামের বইসহ ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

ভর্তির সময় বইয়ের টাকা নিয়েও বই না পাওয়ার অভিযোগ, ক্লাস-সিলেবাস ও ফলাফল নিয়ে ক্ষোভ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) এইচএসসি প্রোগ্রামসহ বিভিন্ন শিক্ষাক্রমের শিক্ষার্থীদের সময়মতো পাঠ্যবই সরবরাহ এবং ১০ দফা যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর)২৬খ্রিঃ সকাল ১০ঃ০০ ঘটিকায় সময় চট্টগ্রামের জামালখান এলাকায় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যাণমূলক অরাজনৈতিক সংগঠন “ডাক দিয়ে যাই”-এর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য ও বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক এবং হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের ভিপি মোঃ পারভেজ খানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতির সাংগঠনিক সচিব, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের সভাপতি ও চট্টগ্রাম কলেজের আহ্বায়ক মোঃ ফরহাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকির হোসেন।

মানববন্ধনে হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম কলেজ, সরকারি সিটি কলেজ, সরকারি কমার্স কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ, এনায়েত বাজার মহিলা কলেজ, ব্যারিস্টার সুলতান আহমদ চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ, চট্টগ্রাম মডেল কলেজ ও বিজয় স্বরণী ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী প্রতিনিধি এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

এ সময় বক্তব্য দেন সংগঠনের সহসাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, গোলাম আজম লিটন ও বোরহান উদ্দিন; সাংগঠনিক সম্পাদক ও সরকারি সিটি কলেজের ভিপি আশরাফুল ইসলাম সাকিল,ত্রাণ ও দুর্যোগবিষয়ক সম্পাদক এবং সরকারি মহিলা কলেজের আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান। এ ছাড়া সরকারি কমার্স কলেজের আহ্বায়ক আল আমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফুল ও নুরুল হুদা এবং সদস্যসচিব সাদমান মাহিসহ বিভিন্ন কলেজের প্রতিনিধিরা ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নের পক্ষে বক্তব্য দেন।

বই না পেয়ে বিপাকে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ভর্তির সময় বইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ নেওয়া হলেও এইচএসসি প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীরা এখনো পাঠ্যবই হাতে পাননি। অথচ নির্ধারিত ২০টি ক্লাসের মধ্যে ইতোমধ্যে তিনটি ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বই ছাড়াই পাঠদান কার্যক্রম চলায় পড়াশোনা ও পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। তাঁরা বলেন, সময়মতো বই না পাওয়ায় পাঠ্যসূচি অনুসরণ, বিষয়বস্তু অনুশীলন এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ ব্যাহত হচ্ছে। তাই অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের হাতে প্রয়োজনীয় বই পৌঁছে দিতে হবে। ব

ক্তারা আরও অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, শ্রেণিকক্ষে পড়ানো বিষয়বস্তুর সঙ্গে পরীক্ষার প্রশ্নের প্রত্যাশিত সামঞ্জস্য পাওয়া যায় না। এ সমস্যা সমাধানে পাঠদান ও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়নের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা। পাশাপাশি ক্লাস শুরুর আগেই পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস সরবরাহের আহ্বান জানান। তাঁদের ভাষ্য, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি নেওয়ার পরও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ও যথাযথ সেবা নিশ্চিত না হলে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সময়মতো বই সরবরাহ, নিয়মিত পাঠদান, নির্ভুল ফলাফল প্রকাশ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব সেবা নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

শিক্ষার্থীদের ১০ দফা দাবি মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা নিম্নোক্ত ১০ দফা দাবি উত্থাপন করেন— ১. সময়ে বই সরবরাহ: সব প্রোগ্রামের টিউটোরিয়াল ক্লাস শুরুর আগেই প্রয়োজনীয় বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দিতে হবে। ২. রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ: এসএসসি, এইচএসসিসহ বিভিন্ন প্রোগ্রামে পরবর্তী কোর্সে রেজিস্ট্রেশন করতে না পারা শিক্ষার্থীদের পুনরায় সুযোগ দিতে হবে। ৩. আগাম সিলেবাস প্রকাশ: ক্লাস শুরুর আগেই পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস সরবরাহ করতে হবে। ৪. ক্লাসের সংখ্যা বৃদ্ধি: নির্ধারিত পাঠ্যসূচি যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে ক্লাসের সংখ্যা বাড়াতে হবে। ৫. সারাদেশে সমন্বিত পাঠদান: দেশের সব অঞ্চলে প্রতিটি প্রোগ্রামে একই সময়ে ও নির্ধারিত সিলেবাস অনুযায়ী ক্লাস নিশ্চিত করতে হবে। ৬. ফলাফলের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি: পরীক্ষার ফলাফলে ত্রুটি থাকলে দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি করে সংশোধিত ফলাফল প্রকাশ করতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট না হয়। ৭. যোগ্য কর্মকর্তার দায়িত্ব নিশ্চিত: বাউবির সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগ্য ও দক্ষ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দিতে হবে। ৮. শিক্ষার্থীসেবায় জনবল বৃদ্ধি: বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিসে প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ দিতে হবে। ৯. হয়রানি বন্ধ: বিভিন্ন অফিসে শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধ করে সেবাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। ১০. এসএমএসের মাধ্যমে তথ্য প্রদান: পরীক্ষা, ফলাফল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে তথ্য জানাতে হবে।

দাবি বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ প্রত্যাশা প্রধান বক্তা কাজী জাকির হোসেন বলেন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং তাঁদের পাশে দাঁড়াবে বলে তাঁরা প্রত্যাশা করেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে শিক্ষার মানোন্নয়ন, সময়মতো পাঠ্যবই সরবরাহ, নিয়মিত পাঠদান এবং শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।

বাঘাইছড়িতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, আর্থিক অনুদান দিলেন ইউএনও আমেনা মারজান

বাউবির এইচএসসি প্রোগ্রামের বইসহ ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

 

‎আনোয়ার হোসেন, ‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

‎রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়নের দুরছড়ি বাজারে অবস্থিত শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেব মন্দিরের দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান। ‎

‎রবিবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় তিনি মন্দিরের দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং পূজা উদযাপনের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি মন্দির পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। ‎ ‎

মণ্ডপ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য বিল্টু চাকমা, বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাছির উদ্দিন মজুমদার, খেদারমারা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রুপেল বিকাশ চাকমা। এ ছাড়া উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং মন্দির পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ। ‎ ‎

এ সময় দুর্গাপূজা উদযাপনকে কেন্দ্র করে মণ্ডপের সার্বিক প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। স্থানীয় পর্যায়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়। ‎ ‎

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান প্রদানকে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উদযাপনে সহযোগিতার একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাঘাইছড়ির সাজেক থেকে ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত ৭ পর্যটক

বাউবির এইচএসসি প্রোগ্রামের বইসহ ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

 

আনোয়ার হোসেন, 
বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র সাজেক থেকে খাগড়াছড়ি ফেরার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পর্যটকবাহী একটি চাঁদের গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। এতে সাত পর্যটক আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

‎‎রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার সিজকছড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।‎‎

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আহত পর্যটকেরা মানিকগঞ্জের সিংগাইর এলাকার বাসিন্দা। তাঁরা গতকাল ১৭ অক্টোবর দুপুর ১টার দিকে সাজেক ভ্রমণে আসেন। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চাঁদের গাড়িতে করে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হন। পথে সিজকছড়া এলাকায় পৌঁছালে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।‎‎ দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বাঘাইহাট জোনের (১৪ ইবি) অধীন সাজেক টিওবি থেকে ট্যুরিস্ট এসকর্ট টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে। পরে তাঁদের অন্য একটি চাঁদের গাড়িতে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

‎‎দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ব্যক্তিরা হলেন মো. আজাহার মিয়া (৬০) ও শাহানারা আক্তার (৪৫)। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরিফুর রহমান (৩৫), সোহরাব, নাসরিন (৩৫), মো. শাহজাহান (৪৫) ও আশা (১৩)। আহত সবাই মানিকগঞ্জের সিংগাইর এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।‎‎

এদিকে, দুর্ঘটনার পর গাড়ি চালক সুখ কান্তি চাকমা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন বলে জানা গেছে। তবে কী কারণে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।‎

দীঘিনালায় বৌদ্ধ মন্দিরে টিন দিল দীঘিনালা সেনাবাহিনীর জোন

বাউবির এইচএসসি প্রোগ্রামের বইসহ ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার ২নং বোয়ালখালি ইউনিয়নের কাটারংছড়া বৌদ্ধ মন্দিরে টিন প্রদান করেছে দীঘিনালা সেনাবাহিনীর জোন। বরিবার ১৮ অক্টোবর সকালে দিঘীনালা জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল মো: আল- আমিন পিএসসি নির্দেশনায় জোনের আরএমও তত্বাবধানে বিহার উন্নয়নের জন্য ডেউটিন ও স্হানীয় পাহাড়িদের চিকিৎসাসেবা প্রধান করা হয়।

সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগকে স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সদস্যরা ইতিবাচকভাবে দেখছেন। এ ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্হানীয় এলাকাবাসিরা। টিন বিতরণ অনুষ্টানে কাটারংছড়া বৌদ্ধ মন্দিরের সভাপতি প্রদীপ চন্দ্র চাকমা বলেছেন, বৌদ্ধ বিহারের উন্নয়ন ও সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর অবদান আমরা কখনো ভুলতে পারব না। সেনাবাহিনীর এই সহযোগিতা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনী সব সময় এলাকার মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করে আসছে। তাদের এই আন্তরিকতা ও অবদান বৌদ্ধ বিহার কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ জয় বৈদ্য ভিক্ষু সেনাবাহিনীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের সহযোগিতা ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সামাজিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও সেনাবাহিনী ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতির এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

×