| ৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

 

সিএইচটি বার্তা ডেক্স রিপোর্ট :

রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন মাসব্যাপী ‘জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’-এর অংশ হিসেবে ছাত্রী হলে বিশেষ ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) দুপুর ৩:৩০ ঘটিকায় ছাত্রী হল প্রাঙ্গণে উক্ত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ও এগ্রিকালচারাল এন্ড বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ জুনাইদ কবির।

ছাত্রী হলের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী বলেন, “পত্রপত্রিকা ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে আমরা জানতে পারছি— শিশু থেকে শুরু করে বয়োবৃদ্ধ, বহু মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন এবং অনেকের জীবনে নেমে আসছে ভয়াবহ বিপর্যয়। ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে মুক্ত থাকতে সারা দেশব্যাপী জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই ছাত্রী হলে আমাদের এই কর্মসূচি।” তিনি ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাব চলাকালে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এবং নিজ নিজ চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি রাতে ও দিনে ঘুমানোর সময় বাধ্যতামূলকভাবে মশারি ব্যবহারের পরামর্শ দেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এডিস মশার বংশবৃদ্ধি হতে পারে এমন সম্ভাব্য স্থানগুলো চিহ্নিত করে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে এবং এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে।

উল্লেখ্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা মোতাবেক ‘ডেঙ্গু মশক নিধন’ কর্মসূচির আওতায় রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত মোট ৩ (তিন) মাসব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রমের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। উক্ত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যেই ছাত্র ও ছাত্রী হলে ফগার মেশিনের সাহায্যে ওষুধ স্প্রে করা হয়েছে।

আজকের এ কর্মসূচীতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডেঙ্গু প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক ও ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন, প্রক্টর ড. মোঃ ফখরুদ্দিন, ছাত্রী হলের প্রভোস্ট জনাব সপ্তর্ষি চাকমা, সহকারী প্রভোস্ট ধ্বনিতা ত্রিপুরা, ছাত্র হলের প্রভোস্ট জি এম সাখাওয়াত হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক ড. তানজিম মাহমুদ, ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোঃ মতিউর রহমান চৌধুরী, সহকারী অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মামুন, উপ-রেজিস্ট্রার টিংকেল খীসা, এস্টেট দপ্তরের উপ-রেজিস্ট্রার সেতু চাকমাসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষে ছাত্রী হলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত মোটরসাইকেল আরোহী পকেট থেকে ৯৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ

রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

 

মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত এক মোটরসাইকেল আরোহী পকেট থেকে ৯৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের গভামারা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামগামী একটি দ্রুতগতির ট্রাক বিপরীত দিক থেকে আসা ঐ মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী গুরুতর আহত হয়ে তার ডান হাত ভেঙে যায় এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে দ্রুত মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তার অবস্থার অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এদিকে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ও প্রাথমিক চিকিৎসা চলাকালীন রোগীর পকেট তল্লাশি করে ৯৫০ পিস ই’য়াবা জব্দ করেছে মানিকছড়ি থানা পুলিশ। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে পুলিশি পাহারায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

উদ্ধারকৃত ইয়াবাসহ আহত ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করেছে মানিকছড়ি থানা পুলিশ। তার নাম মো: এনামুল হক (৪৫), পিতা মো. রাজা মিয়া। তার বাড়ি চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানার উত্তর কুলগাঁও এলাকায়।

মানিকছড়ি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ রাশেদ খান চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

মহিমাগঞ্জে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি ও আর্থিক সাক্ষরতা সমাবেশ অনুষ্ঠিত

রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

দেশের শীর্ষ স্থানীয় বেসরকারি ব্যাংক আইএফআইসি’র ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে গাইবান্ধার মহিমাগঞ্জে গ্রাহকদের নিয়ে আর্থিক সাক্ষরতা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্যাংকের মহিমাগঞ্জ উপ শাখার উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, মহিমাগঞ্জ উপ শাখার অফিসার ইনচার্জ নুর মোহাম্মদ, ট্রানজেকশন অফিসার তৌহিদুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত আমানতকারীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নূর মোস্তাফিজুর রহমান পান্না, চঞ্চল রায়, শরিফুল ইসলাম, আবু বাক্কার সিদ্দিক প্রমুখ। বক্তারা আইএফআইসি ব্যাংকের গ্রাহক সেবায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। আগামীতে এই ব্যাংক আরও সাফল্য অর্জন করবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন।

সাজেকে দক্ষতা উন্নয়নে সেনা জোনের উদ্যোগ, প্রশিক্ষণার্থীদের সনদ ও নগদ অর্থ প্রদান

রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম সাজেক এলাকায় দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেনা জোনের উদ্যোগে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সমাপনী অনুষ্ঠানে আজ ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে ৩০ জন কম্পিউটার প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে সনদপত্র এবং ৩২ জন সেলাই মেশিন প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে সনদপত্র ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর দক্ষতা বৃদ্ধি ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাই ছিল এ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে বাঘাইহাট জোনের জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মোঃ তারেকুল ইমরান, পিএসসি, টু-আই-সি মেজর মোঃ সালমান সিদ্দিক, পিএসসি, এ্যাডজুটেন্ট লে. মোঃ জোবায়ের আল মাহমুদ, ৩৬নং সাজেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অতুলাল চাকমাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশিক্ষক, প্রশিক্ষণার্থী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জোন কমান্ডার বলেন, প্রশিক্ষণার্থীরা অর্জিত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন। দুর্গম এলাকার মানুষের দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সেনা জোন ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

×