| ৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ, সিভিল সার্জনের কাছে সুবিচারের দাবি

রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ, সিভিল সার্জনের কাছে সুবিচারের দাবি

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :

রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রসূতি রোগীর চিকিৎসায় চরম অবহেলা ও নবজাতকের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে কর্তব্যরত চিকিৎসাকর্মীদের বিরুদ্ধে। বিকেলেই বাচ্চার মাথা বের হয়ে আসার পরও দীর্ঘ সময় সিজারিয়ান অপারেশনের দোহাই দিয়ে ফেলে রাখা এবং বহিরাগত ক্লিনিকে রেফার করার চেষ্টার পর অবশেষে রাতে স্বাভাবিক প্রসবে প্রসূতির সন্তান জন্ম নিলেও ততক্ষণে নবজাতকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক সুবিচার ও উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে রাঙামাটির সিভিল সার্জন কাম তত্ত্বাবধায়কের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীর স্বজনরা।

অভিযোগ সূত্র থেকে জানা যায়, রাঙামাটির বরকল উপজেলার ঠেগা খুব্বাং গ্রামের সুজন চাকমার ২০ বছর বয়সী স্ত্রী নীতিশা চাকমাকে সন্তান প্রসবের জন্য গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাতে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন শনিবার বিকেলে প্রসব বেদনা বাড়লে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তাকে হাসপাতালের লেবার রুমে নেওয়া হয়। বেলা ৫টার দিকে গর্ভস্থ বাচ্চার মাথা আংশিক বের হয়ে আসলেও ডিউটিতে থাকা নার্স ত্রিসোনা চাকমা জানান, সিজারিয়ান অপারেশন ছাড়া স্বাভাবিক প্রসব সম্ভব নয়। এ সময় তিনি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার না করে রোগীকে শহরের হাসপাতাল রোড এলাকার ‘এবিসি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

রোগীর দরিদ্র পরিবার এতে অপরাগতা প্রকাশ করলে এবং পরবর্তীতে স্বজন জ্ঞান বিকাশ চাকমা হাসপাতালে পৌঁছে সিভিল সার্জন ও কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রশাসনিক যোগাযোগ শুরু করলে রাতে পরিস্থিতি বদলায়। অবশেষে অমলা চাকমা নামের এক সিনিয়র নার্সের হস্তক্ষেপে রাত সাড়ে ৮টায় প্রসূতির স্বাভাবিক (নরমাল) ডেলিভারি করানো হয়। তবে দীর্ঘ সময় ধরে শিশুটি প্রসব নালীতে আটকে থাকায় এবং যথাসময়ে চিকিৎসা না পাওয়ায় জন্ম নেওয়া নবজাতকটির শারীরিক পরিস্থিতির আশঙ্কাজনক অবনতি ঘটে।

পরবর্তীতে রাত সাড়ে ১০টার দিকে নবজাতকের অবস্থা সংকটাপন্ন দেখে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় এবং মা নীতিশা চাকমাকে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালেই চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়। পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম ও গাইনি চিকিৎসক থাকা সত্ত্বেও ছুটির দিনের অজুহাতে চিকিৎসা না দিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠানোর অপচেষ্টা এবং দীর্ঘ বিলম্বের কারণে নবজাতকের জীবন হুমকির মুখে ফেলার ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ঘটনার সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিভিল সার্জন কার্যালয়ে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন শিশুটির নানা জ্ঞান বিকাশ চাকমা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জ্ঞান বিকাশ চাকমা বলেন, গতকাল শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল থেকে ফেরত পাঠানো হয়। শিশুটির মাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সিভিল সার্জন বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত মোটরসাইকেল আরোহী পকেট থেকে ৯৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ

রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ, সিভিল সার্জনের কাছে সুবিচারের দাবি

 

মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত এক মোটরসাইকেল আরোহী পকেট থেকে ৯৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের গভামারা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামগামী একটি দ্রুতগতির ট্রাক বিপরীত দিক থেকে আসা ঐ মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী গুরুতর আহত হয়ে তার ডান হাত ভেঙে যায় এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে দ্রুত মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তার অবস্থার অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এদিকে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ও প্রাথমিক চিকিৎসা চলাকালীন রোগীর পকেট তল্লাশি করে ৯৫০ পিস ই’য়াবা জব্দ করেছে মানিকছড়ি থানা পুলিশ। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে পুলিশি পাহারায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

উদ্ধারকৃত ইয়াবাসহ আহত ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করেছে মানিকছড়ি থানা পুলিশ। তার নাম মো: এনামুল হক (৪৫), পিতা মো. রাজা মিয়া। তার বাড়ি চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানার উত্তর কুলগাঁও এলাকায়।

মানিকছড়ি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ রাশেদ খান চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

মহিমাগঞ্জে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি ও আর্থিক সাক্ষরতা সমাবেশ অনুষ্ঠিত

রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ, সিভিল সার্জনের কাছে সুবিচারের দাবি

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

দেশের শীর্ষ স্থানীয় বেসরকারি ব্যাংক আইএফআইসি’র ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে গাইবান্ধার মহিমাগঞ্জে গ্রাহকদের নিয়ে আর্থিক সাক্ষরতা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্যাংকের মহিমাগঞ্জ উপ শাখার উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, মহিমাগঞ্জ উপ শাখার অফিসার ইনচার্জ নুর মোহাম্মদ, ট্রানজেকশন অফিসার তৌহিদুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত আমানতকারীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নূর মোস্তাফিজুর রহমান পান্না, চঞ্চল রায়, শরিফুল ইসলাম, আবু বাক্কার সিদ্দিক প্রমুখ। বক্তারা আইএফআইসি ব্যাংকের গ্রাহক সেবায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। আগামীতে এই ব্যাংক আরও সাফল্য অর্জন করবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন।

সাজেকে দক্ষতা উন্নয়নে সেনা জোনের উদ্যোগ, প্রশিক্ষণার্থীদের সনদ ও নগদ অর্থ প্রদান

রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ, সিভিল সার্জনের কাছে সুবিচারের দাবি

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম সাজেক এলাকায় দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেনা জোনের উদ্যোগে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সমাপনী অনুষ্ঠানে আজ ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে ৩০ জন কম্পিউটার প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে সনদপত্র এবং ৩২ জন সেলাই মেশিন প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে সনদপত্র ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর দক্ষতা বৃদ্ধি ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাই ছিল এ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে বাঘাইহাট জোনের জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মোঃ তারেকুল ইমরান, পিএসসি, টু-আই-সি মেজর মোঃ সালমান সিদ্দিক, পিএসসি, এ্যাডজুটেন্ট লে. মোঃ জোবায়ের আল মাহমুদ, ৩৬নং সাজেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অতুলাল চাকমাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশিক্ষক, প্রশিক্ষণার্থী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জোন কমান্ডার বলেন, প্রশিক্ষণার্থীরা অর্জিত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন। দুর্গম এলাকার মানুষের দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সেনা জোন ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

×