| ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

রাঙামাটিতে জামায়াতে ইসলামীর বিশেষ রুকন (সদস্য) সম্মেলন অনুষ্ঠিত:

রাঙামাটিতে জামায়াতে ইসলামীর বিশেষ রুকন (সদস্য) সম্মেলন অনুষ্ঠিত:

 

আবু বককর, লংগদু (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাঙামাটি পার্বত্য জেলার বিশেষ রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১১টায় রাঙামাটি ইসলামিক সেন্টারের হলরুমে জেলার সকল রুকনদের অংশগ্রহণে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন নানিয়ারচর উপজেলার আমির মাওলানা মো: জুলফিকার আলী, সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য, রাঙামাটি জেলা নির্বাচনের পিজাইডিং অফিসার অধ্যাপক আহসান উল্লাহ।

সম্মেলনে জেলার রুকন(সদস্য) দের গোপন ভোটের মাধ্যমে আগামী ২০২৭-২০২৮ সেশনের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাঙামাটি পার্বত্য জেলার জেলা আমীর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলার সকল রুকন নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠিত এ বিশেষ রুকন সম্মেলনে আগামী সেশনের নেতৃত্ব নির্বাচনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

রামগড়ে দুর্গোৎসবের নিরাপত্তা ও সীমান্তে মাদক-চোরাচালান রোধে ৪৩ বিজিবির সভা

রাঙামাটিতে জামায়াতে ইসলামীর বিশেষ রুকন (সদস্য) সম্মেলন অনুষ্ঠিত:

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড়।

খাগড়াছড়ির রামগড়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, জুয়া ও চাঁদাবাজি বন্ধসহ এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৪৩ ব্যাটালিয়ন।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে রামগড় ৪৩ বিজিবির জোন সদর দপ্তরে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ৪৩ বিজিবির জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আহসান উল ইসলাম।

সভায় উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সহসভাপতি হাফেজ আহমেদ ভূঁইয়া, রামগড় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি বাহার উদ্দিন, ৪৩ বিজিবির সহকারী পরিচালক (এডি) মো. শামছুল আলম, রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজির আলম, রামগড় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. নিজাম উদ্দিন এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেফায়েত মোর্শেদ ভূঁইয়া মিঠু।

এ ছাড়া বিভিন্ন দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক, স্থানীয় ব্যবসায়ী, সাংবাদিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সভায় অংশ নেন।

সভায় চলমান শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদ্‌যাপনে নিরাপত্তাব্যবস্থা, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, জুয়া বন্ধ এবং চাঁদাবাজি রোধসহ স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়। এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা জোরদারের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ আহসান উল ইসলাম সভায় বলেন রামগড়ের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত ভূমিকার রয়েছে, অপরাধ কর্মকান্ড প্রতিরোধে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।।

বাঙ্গালহালিয়া যুব সমাজ উদ্যোগের মারমা ওয়াগ্যাই উপলক্ষে এক প্রীতি ফুটবল খেলা উদ্বোধন 

রাঙামাটিতে জামায়াতে ইসলামীর বিশেষ রুকন (সদস্য) সম্মেলন অনুষ্ঠিত:

 

বিশেষ প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি জেলা রাজস্থলী উপজেলা ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের বিহার পরিচালনা যুব সমাজ উদ্যােগের  মারমাদের ওয়াগ্যাই উপলক্ষে এক প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৯ অক্টোবর রোজ রবিবার বিকাল ৩ ঘটিকায় বাঙ্গালহালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণের উদ্বোধন খেলা কাকড়াছড়ি পাড়া বিহার যুবক দল বনাম হেডম্যান পাড়া বৌদ্ধ বিহার বিবাহিত দল অংশগ্রহণ করেন।

শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ের চেয়ারম্যান আদোমং মারমা, সমাজ সেবক বিএনপি নেতা সাচিং মারমা ৩২০নং কাকড়াছড়ি মৌজা হেডম্যান প্রতিনিধি, বিশিষ্ট সাংবাদিক সসাজ সেবক ও আন্তজার্তিক মানবাধিকার এম্বাসেডর চাইথোয়াইমং মারমা, হেডম্যান পাড়া কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারে পরিচালনা কমিটি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ক্যচিং মারমা, কাড়ড়াছড়ি পাড়া প্রধান কার্বারী সুইক্যচিং মারমা, হেডম্যান পাড়া বিহার পরিচালনা কমিটি সম্পাদক মংসাথোয়াই মারমা, চাইল্ড কেয়ার স্কুল প্রতিষ্ঠাতা সানুমং মারমা, ওয়াগ্যাই ফুটবল খেলা পরিচালনা কমিটি আহবায়ক সুইচিংমং মারমা, আরো উপস্থিত ছিলেন রাজস্থলী উপজেলা সমাজ ত্রাণ কমিটি এমপি মনোনীত প্রতিনিধি জিকু কুমার দে, যুবদল আহবায়ক শামীম রুবেল ৬নং ওর্য়াড সদস্য শিমুল সহ এলাকায় যুবক পাড়া প্রধানগণ শিক্ষানুরাগী সমাজ সেবক  প্রবীন ক্রীড়া প্রেমিক মংঞো মারমা প্রমূখ।

উক্ত মারমাদের ওয়াগ্যাই ফুটবল খেলা পরিচালনা সঞ্চলনায় ছিলেন মো: মাসুম ও সুমন বড়ুয়া। প্রতিবছর ন্যায় মারমাদের ওয়াগ্যাই উপলক্ষে বৌদ্ধ বিহার পাড়া ভিত্তিক ফুটবল খেলা আয়োজন করা হয়। এবারে পুরো ইউনিয়নের যুবদল সহ বিবাহিত দল মোট ৮টি অংশগ্রহণ করবে বলে আহবায়ক সুইচিংমং মারমা গণমাধ্যম কে জানান।

এ ফুটবল খেলা আয়োজন মানে পাড়া বৌদ্ধ বিহারে পরিচালনা কমিটি যুবক ও বিবাহিত একটি সুন্দর পরিবেশের সম্প্রীতি খেলা হিসাবে মনে করে। সমাজের তরুন প্রজন্মের সমাজে লেখাপড়া পাশাপাশি খেলাধুলা মন মানসিক জাগ্রত সচেতন ও উদ্ভূত করা জন্য বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটি যৌথ পাড়া ভিত্তিক তরুন যুব সমাজ আয়োজন করেছে।

মারমাদের রীতিনীতি অনুসারে ৩ মাস বর্ষবাস বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা সাধুমা উপাসক উপাসিকা শ্রমণ ভিক্ষুগণ মাছ মাংস বিরত থাকে এবং ৩ মাস শেষ বর্ষবাসের পর ওয়াগ্যাই নামে পরিচিত লাভ করছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সুন্দর শৃঙ্খলা পরিবেশের বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটি কর্তৃক ফুটবল খেলা আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতার প্রদান করে থাকে।

আজকের উদ্বোধন খেলায় হেডম্যান পাড়া বৌদ্ধ বিহার পাড়া বিবাহিত দল বনাম কাকড়াছড়ি পাড়া যুব ৩ গোল বিজয়ী হন। প্রতিদিন বাকি ৬টি দল পযার্য়েরক্রমের সূচীনুযায়ী বিকাল ৪ ঘটিকায় খেলা অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২৫ তারিখে ওয়াগ্যাই উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল খেলা শেষ এবং ফাইনাল খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠিত হবে বলে খেলা পরিচালনায় কমিটি আহবায়ক সুইচিংমং জানান।

বাঘাইছড়িতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, আর্থিক অনুদান দিলেন ইউএনও আমেনা মারজান

রাঙামাটিতে জামায়াতে ইসলামীর বিশেষ রুকন (সদস্য) সম্মেলন অনুষ্ঠিত:

 

‎আনোয়ার হোসেন, ‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

‎রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়নের দুরছড়ি বাজারে অবস্থিত শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেব মন্দিরের দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান। ‎

‎রবিবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় তিনি মন্দিরের দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং পূজা উদযাপনের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি মন্দির পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। ‎ ‎

মণ্ডপ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য বিল্টু চাকমা, বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাছির উদ্দিন মজুমদার, খেদারমারা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রুপেল বিকাশ চাকমা। এ ছাড়া উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং মন্দির পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ। ‎ ‎

এ সময় দুর্গাপূজা উদযাপনকে কেন্দ্র করে মণ্ডপের সার্বিক প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। স্থানীয় পর্যায়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়। ‎ ‎

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান প্রদানকে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উদযাপনে সহযোগিতার একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

×