| ৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

কৃষকরাই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি ; সরকার কৃষকদের ঘামের প্রকৃত মূল্যায়ন এবং জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর —— এড. দীপেন দেওয়ান

কৃষকরাই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি ; সরকার কৃষকদের ঘামের প্রকৃত মূল্যায়ন এবং জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর —— এড. দীপেন দেওয়ান

রাঙ্গামাটিতে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ বিতরণ

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :

“কৃষক কার্ড থাকলে হাতে সেবা পাবেন সাথে সাথে” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশের কৃষিখাতকে আধুনিকীকরণ ও প্রান্তিক কৃষকদের দোরগোড়ায় সরাসরি সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। চট্টগ্রামের ফেনীতে আয়োজিত কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই যুগান্তকারী কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কেন্দ্রীয় এই উদ্বোধনের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে রাঙ্গামাটিতেও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয় এ কর্মসূচি।

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটির ২৯৯নং আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। কেন্দ্রীয়ভাবে প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডের উদ্বোধন ঘোষণার সাথে সাথেই রাঙ্গামাটি প্রান্তে অপেক্ষমাণ কৃষকদের মোবাইল ফোনে সরাসরি আর্থিক সহায়তা পৌঁছে যায়। মধ্যস্বত্বভোগীদের কোনো রকম হয়রানি ছাড়াই মুহূর্তের মধ্যে মোবাইলে সহায়তার বার্তা পেয়ে উপস্থিত কৃষকরা উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

কৃষকদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী এড. দীপেন দেওয়ান বলেন, “কৃষকরাই আমাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। বর্তমান সরকার কৃষকের ঘামের প্রকৃত মূল্যায়ন করতে এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। এই ‘কৃষক কার্ড’ এমন একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, যার মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষক সরাসরি তার ন্যায্য অধিকার ও সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন। আজ পাহাড়ি ও বাঙালি কৃষকরা যেভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই সহায়তা গ্রহণ করছেন, এই সম্প্রীতি ও কৃষির ঐক্যবদ্ধ উন্নয়নই আমাদের আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।”

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই যুগান্তকারী উদ্যোগ প্রমাণ করে যে, বর্তমান বিএনপি সরকার শতভাগ কৃষিবান্ধব এবং প্রান্তিক মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আজ যে সরাসরি আর্থিক ও উপকরণ সহায়তা আপনাদের হাতে পৌঁছাচ্ছে, তা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে এবং আপনাদের মুখের হাসি ফোটাতে বড় ভূমিকা রাখবে। আমাদের এই পাহাড়ে কৃষির অপার সম্ভাবনা রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, পাহাড়ী ও বাঙ্গালী কৃষকরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই আধুনিক সুবিধার সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে পাহাড়ের অর্থনীতি তথা দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করে তুলবেন।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুর রকিব, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. নুরুজ্জামান, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন, জেলা কৃষক দলের সভাপতি অলোকপ্রিয় চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক রবিউল হোসেন বাবলুসহ স্থানীয় রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত মোটরসাইকেল আরোহী পকেট থেকে ৯৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ

কৃষকরাই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি ; সরকার কৃষকদের ঘামের প্রকৃত মূল্যায়ন এবং জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর —— এড. দীপেন দেওয়ান

 

মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত এক মোটরসাইকেল আরোহী পকেট থেকে ৯৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের গভামারা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামগামী একটি দ্রুতগতির ট্রাক বিপরীত দিক থেকে আসা ঐ মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী গুরুতর আহত হয়ে তার ডান হাত ভেঙে যায় এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে দ্রুত মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তার অবস্থার অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এদিকে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ও প্রাথমিক চিকিৎসা চলাকালীন রোগীর পকেট তল্লাশি করে ৯৫০ পিস ই’য়াবা জব্দ করেছে মানিকছড়ি থানা পুলিশ। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে পুলিশি পাহারায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

উদ্ধারকৃত ইয়াবাসহ আহত ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করেছে মানিকছড়ি থানা পুলিশ। তার নাম মো: এনামুল হক (৪৫), পিতা মো. রাজা মিয়া। তার বাড়ি চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানার উত্তর কুলগাঁও এলাকায়।

মানিকছড়ি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ রাশেদ খান চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

মহিমাগঞ্জে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি ও আর্থিক সাক্ষরতা সমাবেশ অনুষ্ঠিত

কৃষকরাই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি ; সরকার কৃষকদের ঘামের প্রকৃত মূল্যায়ন এবং জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর —— এড. দীপেন দেওয়ান

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

দেশের শীর্ষ স্থানীয় বেসরকারি ব্যাংক আইএফআইসি’র ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে গাইবান্ধার মহিমাগঞ্জে গ্রাহকদের নিয়ে আর্থিক সাক্ষরতা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্যাংকের মহিমাগঞ্জ উপ শাখার উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, মহিমাগঞ্জ উপ শাখার অফিসার ইনচার্জ নুর মোহাম্মদ, ট্রানজেকশন অফিসার তৌহিদুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত আমানতকারীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নূর মোস্তাফিজুর রহমান পান্না, চঞ্চল রায়, শরিফুল ইসলাম, আবু বাক্কার সিদ্দিক প্রমুখ। বক্তারা আইএফআইসি ব্যাংকের গ্রাহক সেবায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। আগামীতে এই ব্যাংক আরও সাফল্য অর্জন করবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন।

সাজেকে দক্ষতা উন্নয়নে সেনা জোনের উদ্যোগ, প্রশিক্ষণার্থীদের সনদ ও নগদ অর্থ প্রদান

কৃষকরাই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি ; সরকার কৃষকদের ঘামের প্রকৃত মূল্যায়ন এবং জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর —— এড. দীপেন দেওয়ান

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম সাজেক এলাকায় দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেনা জোনের উদ্যোগে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সমাপনী অনুষ্ঠানে আজ ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে ৩০ জন কম্পিউটার প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে সনদপত্র এবং ৩২ জন সেলাই মেশিন প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে সনদপত্র ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর দক্ষতা বৃদ্ধি ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাই ছিল এ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে বাঘাইহাট জোনের জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মোঃ তারেকুল ইমরান, পিএসসি, টু-আই-সি মেজর মোঃ সালমান সিদ্দিক, পিএসসি, এ্যাডজুটেন্ট লে. মোঃ জোবায়ের আল মাহমুদ, ৩৬নং সাজেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অতুলাল চাকমাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশিক্ষক, প্রশিক্ষণার্থী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জোন কমান্ডার বলেন, প্রশিক্ষণার্থীরা অর্জিত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন। দুর্গম এলাকার মানুষের দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সেনা জোন ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

×