| ১৮ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

চট্টগ্রামে উদীচীর উদ্যোগে মহান মে দিবস উদযাপনে আন্তর্জাতিক বিশ্বতান টীম

চট্টগ্রামে উদীচীর উদ্যোগে মহান মে দিবস উদযাপনে আন্তর্জাতিক বিশ্বতান টীম

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিবেদক:

“রক্তে ধোয়া মে তোমায় সেলাম’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আজ চট্টগ্রাম শাহআমানত মার্কেট সংলগ্ন আমতল চত্বরে উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের আয়োজনে মহান মে দিবসের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

১ মে সকাল ১০ টায় উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক জসীম চৌধুরী সবুজের সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক এডভোকেট অসীম বিকাশ দাশের সঞ্চালনায় আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের সহ-সভাপতি ডা: অসীম কুমার চৌধুরী, চট্টগ্রাম থিয়েটার এর দলপ্রধান এডভোকেট দীপক চৌধুরী, ভাস্কর ধর, লেকচারার নরেন সাহা প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, মে দিবস হলো দুনিয়ার মেহনতী মানুষের সঙ্কল্প গ্রহণের দিন। এই সঙ্কল্প হলো সামাজিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে শ্রেণী বৈষম্যের বিলোপসাধন। মে দিবস দুনিয়ার শ্রমিকের এক হওয়ার ব্রত। আন্তর্জাতিক সংগ্রাম আর সৌভ্রাতৃত্বের দিন, শ্রমজীবী মানুষের উৎসবের দিন, জাগরণের গান, সংগ্রামে ঐক্য ও গভীর প্রেরণা। মে দিবস শোষণ মুক্তির অঙ্গীকার, ধনকুবেরের ত্রাস, সমাজতন্ত্র গড়ার নতুন শপথ। মে দিবস হলো কাজের সময় হ্রাস ও মজুরি বৃদ্ধির এক আন্দোলন এবং দুনিয়ার শ্রমিক সংহতি দিবস, পুঁজিবাদী শোষণ মুক্তির সংগ্রামী শপথ। শ্রমিকশ্রেণীর আন্দোলন থেকেই উঠে এসেছে এইদিনটি। আন্দোলনের পথ কখনই মসৃণ ছিল না, মসৃণ থাকেও না, সময়ের নিয়মেই ছিল নানা ঘটনার ঘাত-প্রতিঘাতে, জুলুম অত্যাচারে, প্রতিরোধে, ধর্মঘটে, মিছিলে, সংগ্রামী ঐক্যে রক্তলাঞ্ছিত। মে দিবস একদিনে এই আন্তর্জাতিক চেহারা পায়নি। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস। রয়েছে অনেক রক্তঝরার কাহিনী। জন্মলগ্ন থেকেই শ্রমিকশ্রেণীর ইতিহাস সংগ্রামের ইতিহাস। শ্রমিকশ্রেণীকে উদয়াস্ত কাজ করতে হবে আঠারো ঘণ্টা, কুড়ি ঘণ্টা পর্যন্ত ছিল কাজের সময়-সীমা এই অসম সীমারেখার প্রতিবাদ জানিয়েই ১৮৮৬ সালে শিকাগো শহরের হে মার্কেটে শ্রমিকশ্রনীর প্রতিবাদ এবং পরবর্তীতে রক্তাক্ত আন্দোলনের মধ্য দিয়েই শ্রমিক দিবসের প্রতিষ্ঠা পায়।

উক্ত আয়োজনে, শ্রমিকের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গণসংগীত পরিবেশন করেন উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের শিল্পীকর্মীরা, প্রতিবাদী আবৃত্তি পাঠ করেন শান্তা সেন গুপ্ত, একক সংগীত পরিবেশন করেন সীমা দাশ। স্কেচ গ্যালারি নন্দনের পরিবেশনায় পথনাটক “গুপ্তবিদ্যা “মঞ্চস্থ করা হয়।

সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন “বিশ্বতান ”এর শিল্পীবৃন্দ, নৃত্য ও সংগীত পরিবেশনা-আন্তর্জাতিক বিশ্বতান নৃত্য পরিচালনা -হৃদিতা দাশ পূজা, নৃত্য পরিচালনায়-নরেন সাহা, সংগীত পরিচালনা – নিভূ সেন, তবলা সংগীতে-নরেন সাহা, তবলা সংগীতে-দূর্জয় দাশ, আবৃত্তি – রুনা বড়ুয়া, আবৃত্তি – আলেয়া বড়ুয়া, জিপসি সংগীতে-পম্পি চৌধুরী।

রাঙ্গামাটি জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন ; সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ কামাল পাশা

চট্টগ্রামে উদীচীর উদ্যোগে মহান মে দিবস উদযাপনে আন্তর্জাতিক বিশ্বতান টীম

 

স্টাফ রিপোর্টার :

রাঙ্গামাটি জেলা আইনজীবী সহকারী (ক্লার্ক) সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন (২০২৬-২০২৭) উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এবারের নির্বাচনে অধিকাংশ পদের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেও একমাত্র কোষাধ্যক্ষ পদে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই ভোটে রনজিৎ দাশকে পরাজিত করে কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছেন অমল দত্ত।​ এর আগে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, অধিকাংশ পদে একক প্রার্থী থাকায় প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। নবনির্বাচিত কমিটির শীর্ষ পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন— সভাপতি পদে সুধীর কান্তি মজুমদার, সহ-সভাপতি পদে মোঃ কামাল পাশা ও মোঃ রহমত আলী, সাধারণ সম্পাদক পদে উজ্জল কান্তি দে, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ হারুনুর রশিদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ হাবিবুর রহমান (রনি)। ​

এছাড়াও অন্যান্য পদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মোঃ নুর আলম এবং কার্যনির্বাহী সদস্য পদে মোঃ ইউসুফ হোসেন, মোঃ রাজীব সহ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।​ এবারের নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার সঞ্জয় কুমার দে।

নির্বাচন কমিশনের সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন রনজিৎ দাশ মানিক এবং জ্যোতি কুমার তঞ্চঙ্গ্যা। ​এদিকে নির্বাচন শেষে এক প্রতিক্রিয়ায় নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দ ভোটার ও সাধারণ সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। তারা সমিতির সার্বিক উন্নয়ন, সদস্যদের কল্যাণ সাধন এবং পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় আগামী মেয়াদে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগে বাঘাইছড়ির পাহাড়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ অভিযান শুরু

চট্টগ্রামে উদীচীর উদ্যোগে মহান মে দিবস উদযাপনে আন্তর্জাতিক বিশ্বতান টীম

 

‎আনোয়ার হোসেন, ‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

‎পরিবেশ সংরক্ষণ, ভূমিক্ষয় রোধ এবং পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য রক্ষার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৬নং সাজেক ইউনিয়নের আওতাধীন এলাকায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। ‎

‎বুধবার (১৭ জুন) সকালে ৩৫নং বঙ্গলতলী ইউনিয়নের করেঙ্গাতলী এলাকায় পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

আয়োজক সূত্র জানায়, পর্যায়ক্রমে সাজেক ও রুপকারী ইউনিয়নেও এ বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালিত হবে। ‎২৪ পদাতিক ডিভিশন ও ২০৩ পদাতিক ব্রিগেডের পরিকল্পনা অনুযায়ী বাঘাইহাট জোনের তত্ত্বাবধানে বছরব্যাপী এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় তিন লক্ষ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হবে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ করা হয়। ‎‎বৃক্ষরোপণ অভিযানে সেনাবাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণ, শিক্ষার্থী, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

‎এ সময় বাঘাইহাট জোনের জোন কমান্ডার বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলকে বেশি বেশি বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসতে হবে।” তিনি আরও বলেন, পাহাড়ি এলাকায় বৃক্ষরোপণ ভূমিধস প্রতিরোধ, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

‎তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিবেশ সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখবে। ‎কর্মসূচির স্লোগান নির্ধারণ করা হয়— “একটি গাছ একটি প্রাণ, সবুজ হোক বাংলাদেশের প্রতিটি স্থান।” ‎

‎সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, পাহাড়ি অঞ্চলে এ ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায়ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। ‎

চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা মামলায় আবীরের মৃত্যুদণ্ড বাকলিয়ার শিশু ধর্ষন মামলার রায় ঘোষনা আজ

চট্টগ্রামে উদীচীর উদ্যোগে মহান মে দিবস উদযাপনে আন্তর্জাতিক বিশ্বতান টীম

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ :

চট্টগ্রামে পাঁচ বছর বয়সী শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতকে অপহরণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন)২৬খ্রি: চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আবীর আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্র জানায়, মামলায় ৩৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। গত শনিবার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়েছিল। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর নগরের ইপিজেড থানার নয়ারহাট এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার পাঁচ বছর বয়সী কন্যা আলিনা ইসলাম আয়াত নিখোঁজ হয়। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে, প্রতিবেশী আবীর আলী মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে শিশুটিকে অপহরণ করে এবং পরিকল্পনা ভেস্তে গেলে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এরপর মরদেহ ছয় টুকরো করে সাগরে ফেলে দেয়।

ঘটনার তদন্তে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বটি, শিশুটির জুতা এবং বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করে। ডিএনএ পরীক্ষাতেও আবীরের বাসায় পাওয়া রক্তের নমুনার সঙ্গে আয়াতের ডিএনএর মিল পাওয়া যায়। তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৯ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক মনোজ কুমার দে।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে প্রায় সাড়ে তিন বছর পর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো। অন্যদিকে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় আজ বুধবার ঘোষণা করা হবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন)২৬ খ্রিঃ চট্টগ্রাম মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের জন্য দিন নির্ধারণ করেন।
মামলার একমাত্র আসামি মনির হোসেন (৩০) ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। তিনি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাসিন্দা হলেও চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় বসবাস করতেন।

রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে তারা আদালতে দাবি করেছেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২১ মে বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় একটি গুদামঘরে চার বছর বয়সী শিশুটিকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে শিশুর পরিবার মামলা দায়ের করলে পুলিশ দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে।
তদন্ত শেষে ৪ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় এবং ৯ জুন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। পরে অভিযুক্তকে নিরাপত্তার মধ্যে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ, মেডিক্যাল রিপোর্ট ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের মাধ্যমে স্বল্প সময়ের মধ্যেই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।

আলোচিত দুই ঘটনায় আদালতের কার্যক্রম ও রায়কে ঘিরে চট্টগ্রামজুড়ে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।

×