বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম:

রামগড়ে অবৈধ বালু উত্তোলন বিরোধী অভিযানে বালু উত্তোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে ইউএনও-ওসিসহ আহত ১৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২ মে, ২০২৬, ৭:৫৩ পিএম
5 বার পড়া হয়েছে
রামগড়ে অবৈধ বালু উত্তোলন বিরোধী অভিযানে বালু উত্তোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে ইউএনও-ওসিসহ আহত ১৫

 

রামগড় প্রতিনিধি, খাগড়াছড়ি :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ও আনসার সদস্যরা রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে।

ঘটনায় রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শামীম, রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজির আলমসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার রামগড় ইউনিয়নের পূর্ববলিপাড়া ও দক্ষিণ লামকপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে ইউএনও’র নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্য এপিসি মো. সালাহ উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ-১, নুর মোহাম্মদ-২ ও খোরশেদ আলম রয়েছেন। এছাড়া ইউএনও কার্যালয়ের স্টাফ আব্দুল ওহাব জুয়েল, ইউএনও’র গাড়ি চালক কামাল উদ্দিন, উপজেলা পরিষদের স্টাফ হারুন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মচারী জয়নাল আবেদীন, পৌরসভার স্টাফ সিহাব উদ্দিন এবং গ্রামবাসী নুর হোসেন, সুমন ত্রিপুরা, আজাদ ও আবুল হাসান আহত হন। আহত চার গ্রামবাসী রাবার বুলেটে আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শামীম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দুপুরে পূর্ববলিপাড়া ও দক্ষিণ লামকপাড়া এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে কিছু ব্যক্তি অভিযানে বাধা দেয়। পরে প্রায় দেড়শ নারী-পুরুষ ইটপাটকেল ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়।

তিনি বলেন, “অভিযান চলাকালে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করা হয়। এতে আমি নিজেসহ প্রশাসনের অন্তত ১১ জন সদস্য আহত হই। ওই এলাকায় প্রায় ১০টি স্থানে পাম্প মেশিন ব্যবহার করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল।”

রামগড় থানার ওসি মো. নাজির আলম বলেন, “শতাধিক নারী-পুরুষ সংঘবদ্ধ হয়ে প্রশাসনের ওপর হামলা চালালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ পাঁচ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে এবং আনসার সদস্যরা পাঁচ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে।” তবে গ্রামবাসীর দাবি ভিন্ন।

আহত গ্রামবাসী দেলোয়ার, সুমন ও নুর হোসেন অভিযোগ করেন, প্রশাসন কৃষকদের জমিতে সেচ কাজে ব্যবহৃত খালের পাড়ে রাখা কয়েকটি পাম্প মেশিন ভাঙচুর করে। এতে স্থানীয়রা বাধা দিলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে গুলিবর্ষণ করা হয়।

কৃষক ফারুক অভিযোগ করে বলেন, “আমার সেচের কাজে ব্যবহৃত পাম্প মেশিন ভেঙে ফেলা হয়েছে। একইভাবে কিবরিয়া ও বশর নামের আরও দুই কৃষকের পাম্পও ভাঙচুর করা হয়েছে।” তবে কৃষকদের সেচ পাম্প ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউএনও কাজী শামীম। তিনি বলেন, “অবৈধ বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত সরঞ্জামের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের সেচ পাম্প ভাঙচুরের অভিযোগ সঠিক নয়।”

বাঘাইছড়ি পশুর হাটে মলম পার্টির খপ্পরে ব্যবসায়ী, হাতিয়ে নিল ২ লাখ ৪১ হাজার টাকা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ মে, ২০২৬, ১:০৬ পিএম
রামগড়ে অবৈধ বালু উত্তোলন বিরোধী অভিযানে বালু উত্তোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে ইউএনও-ওসিসহ আহত ১৫

 

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধ :

‎কোরবানির ঈদ কে সামনে রেখে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যাপক সমাগম দেখা গেছে। সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা গরু-ছাগল নিয়ে হাটে আসতে শুরু করেন। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে জমে ওঠে কেনাবেচা, বাড়তে থাকে মানুষের ভিড়।

‎তবে জমজমাট এই হাটেই সক্রিয় হয়ে ওঠে প্রতারক চক্র। অভিযোগ রয়েছে, “মলম পার্টি” নামে পরিচিত একটি চক্র কৌশলে দুই বিক্রেতা —সলিমুল্লাহ ও বিকাশ চাকমার কাছ থেকে মোট ২ লাখ ৪১ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা দিশেহারা হয়ে পড়েন এবং পুরো হাট এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পশুর হাটে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় এমন প্রতারণার ঘটনা বারবার ঘটছে। খোলা মাঠে হাট বসানো হওয়ায় তীব্র গরমে মানুষ ও পশু—উভয়কেই চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। অতিরিক্ত গরমে অনেক পশুকে হাঁপাতে ও দুর্বল হয়ে পড়তে দেখা যায়।

‎এ বিষয়ে স্থানীয়দের দাবি, পশুর হাটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি আরও জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি পুলিশের জন্য আলাদা ছাউনি নির্মাণ, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসা সামগ্রীর ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান তারা। তাদের মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে একদিকে যেমন নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভোগান্তিও অনেকাংশে কমে আসবে।

‎এ বিষয়ে বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ নাছির উদ্দিন মজুমদার মুঠোফোনে জানান, “ঘটনার বিষয়ে এখনো কোনো ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ করেননি। তবে বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ মোবাইল টিম পাঠিয়েছে এবং হাট এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

ঈদকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে লক্ষ্যে পুলিশ মাঠপর্যায়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। একই সঙ্গে নগদ টাকা বহনের ক্ষেত্রে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

‎তিনি আরো বলেন, বাজার কমিটির সঙ্গেও কথা হয়েছে। আগামীতে পুলিশের পাশাপাশি বাজার কমিটির পক্ষ থেকেও স্বেচ্ছাসেবক (ভলান্টিয়ার) দায়িত্ব পালন করবেন। প্রথম বাজার হওয়ায় এবার পর্যাপ্ত ভলান্টিয়ার দেখা যায়নি, তবে পরবর্তীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আরও সমন্বয় বাড়ানো হবে।”

রাঙামাটির বিলাইছড়ি-রাজস্থলী সড়কে জীপ উল্টে বৃদ্ধের মৃত্যু 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ মে, ২০২৬, ৭:৫৫ এএম
রামগড়ে অবৈধ বালু উত্তোলন বিরোধী অভিযানে বালু উত্তোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে ইউএনও-ওসিসহ আহত ১৫

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির রাজস্থলী-ফারুয়া সীমান্ত সড়কে হলুদবোঝাই একটি জীপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে মো. সালাম (৬০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন বলে জানান রাজস্থলী থানার ওসি মো. খালের হোসেন ও বিলাইছড়ি থানা এসআই মো. সিরাজুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করেন। এ ঘটনায় মো. বেল্লাল (৩৮) নামে আরো একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যা ৬ টার দিকে বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নের লতাপাহাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও গণমাধ্যম সূত্রে আরো জানা গেছে, লতাপাহাড় এলাকার একটি উঁচু টিলা থেকে নামার সময় হলুদ বোঝাই জীপটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ওপর উল্টে যায়। এতে গাড়িতে থাকা সালাম ও বেল্লাল গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় রাতে তাদের উদ্ধার করে রাজস্থলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসক জানান, সালামকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, আহত বেল্লাল বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আরো জানা গেছে, নিহত মো. সালাম রাজস্থলী উপজেলার ৩ নম্বর বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। আহত বেল্লাল একই গ্রামের মো. কবির হোসেনের ছেলে।

রাজস্থলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এক যুগের প্রতীক্ষার অবসান : লিচুবাগানে উৎসবমুখর পরিবেশে ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ মে, ২০২৬, ৬:৪৮ এএম
রামগড়ে অবৈধ বালু উত্তোলন বিরোধী অভিযানে বালু উত্তোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে ইউএনও-ওসিসহ আহত ১৫

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই ও রাঙ্গুনিয়া :

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলা সংলগ্ন রাঙ্গুনিয়া উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির দ্বিতীয় বার্ষিক নির্বাচন দীর্ঘ ১২ বছর পর অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় পর ভোটাধিকার ফিরে পেয়ে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মাঝে লক্ষ্য করা গেছে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা। ভোটাররা জানিয়েছেন, আইনি ও অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন জটিলতায় গত ১২ বছর ধরে সমিতির নির্বাচন স্থগিত ছিল। সম্প্রতি ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার মাধ্যমে নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে। এবারের নির্বাচনে ১০টি পদের বিপরীতে মোট ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থানের কারণে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সকাল ৯ টায় থেকে বিকেল ৪ টায় পর্যন্ত ভোটগ্রহণ শেষ হয়।

​প্রধান নির্বাচন কমিশনার নজরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, “দীর্ঘ ১২ বছর পর নির্বাচন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে অভূতপূর্ব সাড়া দেখা গেছে। আমরা একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে পেরেছি।”

​ভোট গণনা শেষে উৎসবমুখর পরিবেশে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

সভাপতি আব্দুল মালেক তালুকদার দোয়াত কলম প্রতীক ৫৯৯ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, সহ-সভাপতি মো: সেকান্দর প্রজাপতি প্রতীক ২৫৭ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, সাধারণ সম্পাদক মো: শোয়াইব আনারস প্রতীক ৫৮১ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো: সাজ্জাত হোসেন তালাচাবী প্রতীক ৬১৭ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: জসীম উদ্দিন শিকদার মোরগ প্রতীক ৫১৬ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, অর্থ সম্পাদক মো: আলমগীর হামিদ ডাব প্রতীক ৪২৯ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক টিপু সুলতান চৌধুরী সিংহ প্রতীক ৩১৪ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো: আরজান হোসেন আরজু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা নির্বাচিত হয়েছেন, কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, প্রথম সদস্য আব্দুল শবুর (মোমবাতি প্রতীক) – ৫০১ ভোট। দ্বিতীয় সদস্য আরিফুল ইসলাম (শাপলা প্রতীক) – ৩০২ ভোট। তৃতীয় সদস্য মোহাম্মদ মোজ্জম্মেল (ঘোড়া প্রতীক) – ২৯৩ ভোট।

​লিচুবাগানের সাধারণ ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করছেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে যোগ্য এবং সৎ নেতৃত্ব উঠে এসেছে। তাদের মতে, নির্বাচনের ফলে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে সমিতির কার্যক্রমে পুনরায় গতিশীলতা ফিরবে এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অধিকার আদায়ে নতুন কমিটি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করবে। ফলাফল ঘোষণার পর পুরো চন্দ্রঘোনা ও লিচুবাগান এলাকায় এখন আনন্দঘন নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে।

×