বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম:

আলীকদমে দুর্গম পাহাড়ি শিশুদের স্বাস্থ্যসেবায় সেনাবাহিনী ও স্বাস্থ্য বিভাগের মানবিক কার্যক্রম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২ মে, ২০২৬, ৪:২১ পিএম
2 বার পড়া হয়েছে
আলীকদমে দুর্গম পাহাড়ি শিশুদের স্বাস্থ্যসেবায় সেনাবাহিনী ও স্বাস্থ্য বিভাগের মানবিক কার্যক্রম


‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার দুর্গম ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন মায়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকা পাহাড় ভাঙ্গা পাড়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আলীকদম জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধান,নিরাপত্তা সহায়তা ও সমন্বয়ে সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে হাম- রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি।

‎গত ১০ মে থেকে ১২ মে ২০২৬ পর্যন্ত পোয়ামুহুরী আর্মি ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। আলীকদম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ব্র্যাকের স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আলীকদম জোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

 

‎দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল, সীমিত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও প্রতিকূল ভৌগোলিক পরিবেশের কারণে যেখানে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত কঠিন,সেখানে সেনাবাহিনীর সদস্যরা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সমন্বয়, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ,যাতায়াত ব্যবস্থাপনা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের কার্যক্রম পরিচালনায় সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় পুরো টিকাদান ও স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম।

‎কর্মসূচির আওতায় পোয়ামুহুরী আর্মি ক্যাম্পের অধীন সাতটি দুর্গম মায়ানমার সীমান্তবর্তী পাড়ায় মোট ২৭৭ জন শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী ১০২ জন এবং ৬ থেকে ১৫ বছর বয়সী ১৭৫ জন শিশু টিকাসেবার আওতায় আসে।

‎টিকাদান কার্যক্রম শুরুর আগে স্থানীয় জনগণের মাঝে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়। এ সময় হাম ও রুবেলা রোগের ঝুঁকি, প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং টিকাদানের গুরুত্ব সম্পর্কে অভিভাবকদের অবহিত করা হলে স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ও সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।



‎সংশ্লিষ্টরা জানান, এ কার্যক্রমের মাধ্যমে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের শিশুদের হাম ও রুবেলার মতো সংক্রামক রোগের ঝুঁকি হ্রাসের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের মাঝে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি আস্থা ও ইতিবাচক মনোভাব আরও সুদৃঢ় হয়েছে।

‎কার্যক্রম চলাকালে পুরো এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল এবং কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। সংশ্লিষ্ট আর্মি ক্যাম্পসমূহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সহায়তা প্রদান করে কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নে সহায়তা করে।

‎এ বিষয়ে আলীকদম সেনাজোনের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান আশিক বলেন,“দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় জনগণের পাশে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

‎স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক ও সাধারণ জনগণ দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এ মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, স্বাস্থ্য বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বাঘাইছড়ি পশুর হাটে মলম পার্টির খপ্পরে ব্যবসায়ী, হাতিয়ে নিল ২ লাখ ৪১ হাজার টাকা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ মে, ২০২৬, ১:০৬ পিএম
আলীকদমে দুর্গম পাহাড়ি শিশুদের স্বাস্থ্যসেবায় সেনাবাহিনী ও স্বাস্থ্য বিভাগের মানবিক কার্যক্রম

 

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধ :

‎কোরবানির ঈদ কে সামনে রেখে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যাপক সমাগম দেখা গেছে। সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা গরু-ছাগল নিয়ে হাটে আসতে শুরু করেন। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে জমে ওঠে কেনাবেচা, বাড়তে থাকে মানুষের ভিড়।

‎তবে জমজমাট এই হাটেই সক্রিয় হয়ে ওঠে প্রতারক চক্র। অভিযোগ রয়েছে, “মলম পার্টি” নামে পরিচিত একটি চক্র কৌশলে দুই বিক্রেতা —সলিমুল্লাহ ও বিকাশ চাকমার কাছ থেকে মোট ২ লাখ ৪১ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা দিশেহারা হয়ে পড়েন এবং পুরো হাট এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পশুর হাটে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় এমন প্রতারণার ঘটনা বারবার ঘটছে। খোলা মাঠে হাট বসানো হওয়ায় তীব্র গরমে মানুষ ও পশু—উভয়কেই চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। অতিরিক্ত গরমে অনেক পশুকে হাঁপাতে ও দুর্বল হয়ে পড়তে দেখা যায়।

‎এ বিষয়ে স্থানীয়দের দাবি, পশুর হাটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি আরও জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি পুলিশের জন্য আলাদা ছাউনি নির্মাণ, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসা সামগ্রীর ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান তারা। তাদের মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে একদিকে যেমন নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভোগান্তিও অনেকাংশে কমে আসবে।

‎এ বিষয়ে বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ নাছির উদ্দিন মজুমদার মুঠোফোনে জানান, “ঘটনার বিষয়ে এখনো কোনো ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ করেননি। তবে বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ মোবাইল টিম পাঠিয়েছে এবং হাট এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

ঈদকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে লক্ষ্যে পুলিশ মাঠপর্যায়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। একই সঙ্গে নগদ টাকা বহনের ক্ষেত্রে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

‎তিনি আরো বলেন, বাজার কমিটির সঙ্গেও কথা হয়েছে। আগামীতে পুলিশের পাশাপাশি বাজার কমিটির পক্ষ থেকেও স্বেচ্ছাসেবক (ভলান্টিয়ার) দায়িত্ব পালন করবেন। প্রথম বাজার হওয়ায় এবার পর্যাপ্ত ভলান্টিয়ার দেখা যায়নি, তবে পরবর্তীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আরও সমন্বয় বাড়ানো হবে।”

রাঙামাটির বিলাইছড়ি-রাজস্থলী সড়কে জীপ উল্টে বৃদ্ধের মৃত্যু 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ মে, ২০২৬, ৭:৫৫ এএম
আলীকদমে দুর্গম পাহাড়ি শিশুদের স্বাস্থ্যসেবায় সেনাবাহিনী ও স্বাস্থ্য বিভাগের মানবিক কার্যক্রম

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির রাজস্থলী-ফারুয়া সীমান্ত সড়কে হলুদবোঝাই একটি জীপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে মো. সালাম (৬০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন বলে জানান রাজস্থলী থানার ওসি মো. খালের হোসেন ও বিলাইছড়ি থানা এসআই মো. সিরাজুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করেন। এ ঘটনায় মো. বেল্লাল (৩৮) নামে আরো একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যা ৬ টার দিকে বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নের লতাপাহাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও গণমাধ্যম সূত্রে আরো জানা গেছে, লতাপাহাড় এলাকার একটি উঁচু টিলা থেকে নামার সময় হলুদ বোঝাই জীপটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ওপর উল্টে যায়। এতে গাড়িতে থাকা সালাম ও বেল্লাল গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় রাতে তাদের উদ্ধার করে রাজস্থলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসক জানান, সালামকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, আহত বেল্লাল বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আরো জানা গেছে, নিহত মো. সালাম রাজস্থলী উপজেলার ৩ নম্বর বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। আহত বেল্লাল একই গ্রামের মো. কবির হোসেনের ছেলে।

রাজস্থলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এক যুগের প্রতীক্ষার অবসান : লিচুবাগানে উৎসবমুখর পরিবেশে ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ মে, ২০২৬, ৬:৪৮ এএম
আলীকদমে দুর্গম পাহাড়ি শিশুদের স্বাস্থ্যসেবায় সেনাবাহিনী ও স্বাস্থ্য বিভাগের মানবিক কার্যক্রম

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই ও রাঙ্গুনিয়া :

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলা সংলগ্ন রাঙ্গুনিয়া উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির দ্বিতীয় বার্ষিক নির্বাচন দীর্ঘ ১২ বছর পর অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় পর ভোটাধিকার ফিরে পেয়ে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মাঝে লক্ষ্য করা গেছে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা। ভোটাররা জানিয়েছেন, আইনি ও অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন জটিলতায় গত ১২ বছর ধরে সমিতির নির্বাচন স্থগিত ছিল। সম্প্রতি ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার মাধ্যমে নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে। এবারের নির্বাচনে ১০টি পদের বিপরীতে মোট ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থানের কারণে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সকাল ৯ টায় থেকে বিকেল ৪ টায় পর্যন্ত ভোটগ্রহণ শেষ হয়।

​প্রধান নির্বাচন কমিশনার নজরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, “দীর্ঘ ১২ বছর পর নির্বাচন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে অভূতপূর্ব সাড়া দেখা গেছে। আমরা একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে পেরেছি।”

​ভোট গণনা শেষে উৎসবমুখর পরিবেশে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

সভাপতি আব্দুল মালেক তালুকদার দোয়াত কলম প্রতীক ৫৯৯ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, সহ-সভাপতি মো: সেকান্দর প্রজাপতি প্রতীক ২৫৭ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, সাধারণ সম্পাদক মো: শোয়াইব আনারস প্রতীক ৫৮১ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো: সাজ্জাত হোসেন তালাচাবী প্রতীক ৬১৭ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: জসীম উদ্দিন শিকদার মোরগ প্রতীক ৫১৬ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, অর্থ সম্পাদক মো: আলমগীর হামিদ ডাব প্রতীক ৪২৯ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক টিপু সুলতান চৌধুরী সিংহ প্রতীক ৩১৪ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো: আরজান হোসেন আরজু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা নির্বাচিত হয়েছেন, কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, প্রথম সদস্য আব্দুল শবুর (মোমবাতি প্রতীক) – ৫০১ ভোট। দ্বিতীয় সদস্য আরিফুল ইসলাম (শাপলা প্রতীক) – ৩০২ ভোট। তৃতীয় সদস্য মোহাম্মদ মোজ্জম্মেল (ঘোড়া প্রতীক) – ২৯৩ ভোট।

​লিচুবাগানের সাধারণ ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করছেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে যোগ্য এবং সৎ নেতৃত্ব উঠে এসেছে। তাদের মতে, নির্বাচনের ফলে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে সমিতির কার্যক্রমে পুনরায় গতিশীলতা ফিরবে এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অধিকার আদায়ে নতুন কমিটি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করবে। ফলাফল ঘোষণার পর পুরো চন্দ্রঘোনা ও লিচুবাগান এলাকায় এখন আনন্দঘন নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে।

×