শিরোনাম:

দুর্গম রুমায় উন্নয়নের দাবি, বাস্তবায়নের অপেক্ষায় পাহাড়ের মানুষদের

দুর্গম রুমায় উন্নয়নের দাবি, বাস্তবায়নের অপেক্ষায় পাহাড়ের মানুষদের

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা প্রতিনিধি:

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি উপজেলা রুমায় একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণা এলেও এখনো মৌলিক নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন হাজারো মানুষ। সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন উদ্যোগের প্রচারণা থাকলেও স্থানীয়দের অভিযোগ, বাস্তবে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় তেমন কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসেনি।

বছরের পর বছর ধরে অবহেলা, দুর্ভোগ ও বৈষম্যের মধ্যেই জীবন কাটাতে হচ্ছে পাহাড়ি জনপদের বাসিন্দাদের। সবচেয়ে বেশি সংকট দেখা দিয়েছে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায়। সামান্য বৃষ্টি হলেই অধিকাংশ পাহাড়ি সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বহু দুর্গম এলাকায় এখনো যানবাহন পৌঁছায় না। ফলে রোগী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দুর্গম পাহাড়ি পথ পাড়ি দিতে হয়। বর্ষা মৌসুমে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে অসংখ্য গ্রাম।

রুমা সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অংসিংনু মারমা বলেন, রুমা উপজেলা বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন সম্ভাবনাময় এলাকা। অথচ এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনো অত্যন্ত নাজুক। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়ক ভেঙে পড়ে এবং অনেক এলাকায় গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়, যা আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার সঙ্গে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যসেবা খাতেও পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসক, প্রয়োজনীয় ওষুধ কিংবা আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম। দুর্গম ইউনিয়নগুলোতে জরুরি রোগী পরিবহনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় অনেক সময় রোগীদের বাঁশের খাটিয়ায় করে দীর্ঘ পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে হাসপাতালে নিতে হয়।

রুমা উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী ঙৈনুচিং মারমা বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার অবস্থাও অত্যন্ত হতাশাজনক। বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকট রয়েছে। পাহাড়ি এলাকার শিশুদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয়। এতে ঝরে পড়ার হার বাড়ছে। টেকসই উন্নয়নের জন্য শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে স্থানীয় বাসিন্দাদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।

স্থানীয়দের মতে, বিদ্যুৎ সংযোগ সম্প্রসারণ, ইন্টারনেট সুবিধা বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাত সচল করার সরকারি উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও শুধুমাত্র প্রকল্প ঘোষণা দিয়ে দায়িত্ব শেষ করলে চলবে না। বাস্তবমুখী, দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ছাড়া পাহাড়ের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন সম্ভব নয়। গালেংগ্যা ইউনিয়নের সেপ্রু পাড়া, ছাংও পাড়া, পূর্ণবাসন পাড়া ও বাগান পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকার কারবারিরা জানান, গালেংগ্যা ইউনিয়নে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ সম্প্রসারণ, ইন্টারনেট সুবিধা বৃদ্ধি, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন সম্প্রসারণ, সড়ক সংস্কার, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা ও মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে রুমাসহ পুরো অঞ্চল দেশের অন্যতম উন্নয়নশীল পাহাড়ি জনপদে পরিণত হতে পারে।

রুমাবাসীর এখন একটাই দাবি—উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি যেন বাস্তবে রূপ নেয়। স্থানীয় সচেতন মহল ও এলাকাবাসীর দাবি, দুর্গম পাহাড়ি জনপদগুলোর উন্নয়নকে শুধু রাজনৈতিক বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় উন্নয়নের বহু প্রতিশ্রুতির আড়ালে রুমা উপজেলার মানুষের দুর্ভোগ আরও দীর্ঘস্থায়ী হবে।

বাঘাইছড়ি পশুর হাটে মলম পার্টির খপ্পরে ব্যবসায়ী, হাতিয়ে নিল ২ লাখ ৪১ হাজার টাকা

দুর্গম রুমায় উন্নয়নের দাবি, বাস্তবায়নের অপেক্ষায় পাহাড়ের মানুষদের

 

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধ :

‎কোরবানির ঈদ কে সামনে রেখে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যাপক সমাগম দেখা গেছে। সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা গরু-ছাগল নিয়ে হাটে আসতে শুরু করেন। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে জমে ওঠে কেনাবেচা, বাড়তে থাকে মানুষের ভিড়।

‎তবে জমজমাট এই হাটেই সক্রিয় হয়ে ওঠে প্রতারক চক্র। অভিযোগ রয়েছে, “মলম পার্টি” নামে পরিচিত একটি চক্র কৌশলে দুই বিক্রেতা —সলিমুল্লাহ ও বিকাশ চাকমার কাছ থেকে মোট ২ লাখ ৪১ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা দিশেহারা হয়ে পড়েন এবং পুরো হাট এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পশুর হাটে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় এমন প্রতারণার ঘটনা বারবার ঘটছে। খোলা মাঠে হাট বসানো হওয়ায় তীব্র গরমে মানুষ ও পশু—উভয়কেই চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। অতিরিক্ত গরমে অনেক পশুকে হাঁপাতে ও দুর্বল হয়ে পড়তে দেখা যায়।

‎এ বিষয়ে স্থানীয়দের দাবি, পশুর হাটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি আরও জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি পুলিশের জন্য আলাদা ছাউনি নির্মাণ, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসা সামগ্রীর ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান তারা। তাদের মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে একদিকে যেমন নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভোগান্তিও অনেকাংশে কমে আসবে।

‎এ বিষয়ে বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ নাছির উদ্দিন মজুমদার মুঠোফোনে জানান, “ঘটনার বিষয়ে এখনো কোনো ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ করেননি। তবে বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ মোবাইল টিম পাঠিয়েছে এবং হাট এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

ঈদকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে লক্ষ্যে পুলিশ মাঠপর্যায়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। একই সঙ্গে নগদ টাকা বহনের ক্ষেত্রে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

‎তিনি আরো বলেন, বাজার কমিটির সঙ্গেও কথা হয়েছে। আগামীতে পুলিশের পাশাপাশি বাজার কমিটির পক্ষ থেকেও স্বেচ্ছাসেবক (ভলান্টিয়ার) দায়িত্ব পালন করবেন। প্রথম বাজার হওয়ায় এবার পর্যাপ্ত ভলান্টিয়ার দেখা যায়নি, তবে পরবর্তীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আরও সমন্বয় বাড়ানো হবে।”

রাঙামাটির বিলাইছড়ি-রাজস্থলী সড়কে জীপ উল্টে বৃদ্ধের মৃত্যু 

দুর্গম রুমায় উন্নয়নের দাবি, বাস্তবায়নের অপেক্ষায় পাহাড়ের মানুষদের

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির রাজস্থলী-ফারুয়া সীমান্ত সড়কে হলুদবোঝাই একটি জীপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে মো. সালাম (৬০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন বলে জানান রাজস্থলী থানার ওসি মো. খালের হোসেন ও বিলাইছড়ি থানা এসআই মো. সিরাজুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করেন। এ ঘটনায় মো. বেল্লাল (৩৮) নামে আরো একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যা ৬ টার দিকে বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নের লতাপাহাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও গণমাধ্যম সূত্রে আরো জানা গেছে, লতাপাহাড় এলাকার একটি উঁচু টিলা থেকে নামার সময় হলুদ বোঝাই জীপটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ওপর উল্টে যায়। এতে গাড়িতে থাকা সালাম ও বেল্লাল গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় রাতে তাদের উদ্ধার করে রাজস্থলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসক জানান, সালামকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, আহত বেল্লাল বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আরো জানা গেছে, নিহত মো. সালাম রাজস্থলী উপজেলার ৩ নম্বর বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। আহত বেল্লাল একই গ্রামের মো. কবির হোসেনের ছেলে।

রাজস্থলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এক যুগের প্রতীক্ষার অবসান : লিচুবাগানে উৎসবমুখর পরিবেশে ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন

দুর্গম রুমায় উন্নয়নের দাবি, বাস্তবায়নের অপেক্ষায় পাহাড়ের মানুষদের

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই ও রাঙ্গুনিয়া :

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলা সংলগ্ন রাঙ্গুনিয়া উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির দ্বিতীয় বার্ষিক নির্বাচন দীর্ঘ ১২ বছর পর অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় পর ভোটাধিকার ফিরে পেয়ে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মাঝে লক্ষ্য করা গেছে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা। ভোটাররা জানিয়েছেন, আইনি ও অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন জটিলতায় গত ১২ বছর ধরে সমিতির নির্বাচন স্থগিত ছিল। সম্প্রতি ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার মাধ্যমে নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে। এবারের নির্বাচনে ১০টি পদের বিপরীতে মোট ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থানের কারণে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সকাল ৯ টায় থেকে বিকেল ৪ টায় পর্যন্ত ভোটগ্রহণ শেষ হয়।

​প্রধান নির্বাচন কমিশনার নজরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, “দীর্ঘ ১২ বছর পর নির্বাচন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে অভূতপূর্ব সাড়া দেখা গেছে। আমরা একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে পেরেছি।”

​ভোট গণনা শেষে উৎসবমুখর পরিবেশে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

সভাপতি আব্দুল মালেক তালুকদার দোয়াত কলম প্রতীক ৫৯৯ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, সহ-সভাপতি মো: সেকান্দর প্রজাপতি প্রতীক ২৫৭ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, সাধারণ সম্পাদক মো: শোয়াইব আনারস প্রতীক ৫৮১ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো: সাজ্জাত হোসেন তালাচাবী প্রতীক ৬১৭ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: জসীম উদ্দিন শিকদার মোরগ প্রতীক ৫১৬ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, অর্থ সম্পাদক মো: আলমগীর হামিদ ডাব প্রতীক ৪২৯ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক টিপু সুলতান চৌধুরী সিংহ প্রতীক ৩১৪ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো: আরজান হোসেন আরজু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা নির্বাচিত হয়েছেন, কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, প্রথম সদস্য আব্দুল শবুর (মোমবাতি প্রতীক) – ৫০১ ভোট। দ্বিতীয় সদস্য আরিফুল ইসলাম (শাপলা প্রতীক) – ৩০২ ভোট। তৃতীয় সদস্য মোহাম্মদ মোজ্জম্মেল (ঘোড়া প্রতীক) – ২৯৩ ভোট।

​লিচুবাগানের সাধারণ ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করছেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে যোগ্য এবং সৎ নেতৃত্ব উঠে এসেছে। তাদের মতে, নির্বাচনের ফলে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে সমিতির কার্যক্রমে পুনরায় গতিশীলতা ফিরবে এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অধিকার আদায়ে নতুন কমিটি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করবে। ফলাফল ঘোষণার পর পুরো চন্দ্রঘোনা ও লিচুবাগান এলাকায় এখন আনন্দঘন নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে।

×