শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম:

বাঘাইছড়ির চৌমুহনী–হাজীপাড়া সড়কে বিদ্যুতের খুঁটি নেই, চরম ঝুঁকিতে ব্যবসায়ীরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:০৫ পিএম
13 বার পড়া হয়েছে
বাঘাইছড়ির চৌমুহনী–হাজীপাড়া সড়কে বিদ্যুতের খুঁটি নেই, চরম ঝুঁকিতে ব্যবসায়ীরা

 

আনোয়ার হোসেন, বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা চৌমুহনী শাপলা চত্বর থেকে হাজীপাড়া মোড় পর্যন্ত সড়কের দু’পাশে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুতের খুঁটি না থাকায় চরম ঝুঁকির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এলাকার ব্যবসায়ীরা। প্রায় এক থেকে দেড়শ দোকান বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে বাধ্য হচ্ছেন ১৫০০ থেকে ২০০০ ফিট দূর থেকে টানা বৈদ্যুতিক তার ব্যবহার করে, যা দোকানের চাল ও টিনের উপর দিয়ে ঝুলে রয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে গিয়ে তারা বাধ্য হয়ে এভাবে অস্থায়ী ও ঝুঁকিপূর্ণ সংযোগ ব্যবহার করছেন। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি, ঝড় ও বজ্রপাতের সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠেতে পারে।

একজন দোকান মলিক বেলাল হোসেন বলেন, “বিদ্যুতের খুঁটি না থাকায় বহু দূর থেকে তার চালের উপর দিয়ে টেনে আনতে হচ্ছে। একটু বৃষ্টি বা বাতাস হলেই মনে হয় বড় কিছু ঘটে যেতে পারে ।তার গুলো ঝুলে থাকার কারণে মাল ভর্তি ট্রাক যাওয়ার সময় তারে আটকে যায়, বিদ্যুৎ বন্ধ করে পার হতে হয়।

আরেক ব্যবসায়ী জসিমউদদীন বলেন। “এখানে প্রতিদিন শত শত মানুষ কেনাকাটা করতে আসে। যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তার দায় কে নেবে? আমরা বহুবার বিষয়টি জানিয়েছি, কিন্তু কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।” ব্যবসায়ীরা আরও জানান, এই সড়কটি বাঘাইছড়ি উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এখানে মুদি দোকান, কাপড়ের দোকান, খাবারের হোটেলসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বিদ্যুতের খুঁটি না থাকায় শুধু নিরাপত্তা ঝুঁকিই নয়, ব্যবসায়িক কার্যক্রমও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এই এলাকায় পর্যাপ্ত সংখ্যক বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপন ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে এবং ব্যবসায়ীরা স্বস্তিতে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।

এ বিষয়ে তারা সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “অতি দ্রুত যেন এই এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি অনুমোদন ও স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি।” এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা আশা প্রকাশ করেন, জনস্বার্থ ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

রুমায় খাদ্য শস্য বরাদ্ধ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:১১ পিএম
বাঘাইছড়ির চৌমুহনী–হাজীপাড়া সড়কে বিদ্যুতের খুঁটি নেই, চরম ঝুঁকিতে ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি, বান্দরবান :

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের বিশেষ প্রকল্প কর্মসূচির আওতায় খাদ্যশস্য বরাদ্দ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় তদারকির ঘাটতিকে কাজে লাগিয়ে বরাদ্দ আত্মসাতের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

জানা যায়, জীবন-জীবিকা উন্নয়ন, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেকারত্ব দূরীকরণ ও দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চলতি অর্থবছরে বিশেষ প্রকল্প কর্মসূচির আওতায় রুমা উপজেলার জন্য মোট ১০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়। এর মধ্যে মহিলা মেম্বারদের নামে ৪০ মেট্রিক টন এবং তিন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের নামে ৬০ মেট্রিক টন বরাদ্দ দেওয়া হয়।

বান্দরবান জেলা পরিষদে তথ্যের সূত্র জানায়, ডিউ সব দেওয়া হয়ে গেছে চেয়ারম্যান ও মহিলা মেম্বার সহ মিলে ১০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দের একটি অংশ থেকে ১নং পাইন্দু ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য অংমেসিং মারমা, ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য ভান নুন এং বম, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য উম্রানু মারমা এবং ৪নং গালেঙ্গা ইউনিয়নের মহিলা সদস্য পাইংপিয় ম্রো প্রত্যেকে ১০ মেট্রিক টন করে বরাদ্দ পান। চারজন মিলে মোট ৪০ মেট্রিক টন এবং উপজেলা তিন চেয়ারম্যান ৬০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ গ্রহণ করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব বরাদ্দের বিপরীতে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সঠিকভাবে বিতরণের প্রমাণ মিলছে না। উপকারভোগীর তালিকা ও বিতরণের ছবি চাইলেও তা দেখানো হয়নি বলে দাবি তাদের।

পাইন্দু ইউনিয়নের মহিলা সদস্য অংমেসিং মারমা বলেন, “আমরা বরাদ্দ পেয়েছি, তবে পুরো চাল একসঙ্গে হাতে পাইনি। ধাপে ধাপে বিতরণের প্রক্রিয়া চলছে। এই প্রকল্প নিয়ে আমরা নানা জটিলতায় আছি। এখন পর্যন্ত ৫০ হাজার টাকা হাতে পেয়েছি, চেয়ারম্যানের কাছ থেকে আরও টাকা পাওয়ার কথা রয়েছে।

মহিলা সদস্য ভান নুন এং বম বলেন, প্রথম ধাপে বরাদ্দের টাকা আমরা পাইনি, চেয়ারম্যান নিজেই উত্তোলন করেছেন। দ্বিতীয় ধাপে আমরা মহিলা মেম্বাররা মিলে জেলা পরিষদ থেকে চেয়ারম্যানের অজান্তে টাকা উত্তোলন করি। বিষয়টি জানার পর চেয়ারম্যান আমাদের নানাভাবে হয়রানি করেন। প্রথম ধাপের টাকা নিয়ে আমরা শিগগিরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেব।

পাইন্দু ইউনিয়নের মহিলা সদস্য উম্রানু মারমার সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

গালেঙ্গা ইউনিয়নের মহিলা সদস্য পাইংপিয় ম্রোর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ছেলে চিংওয়াই ম্রো জানান, এমন কোনো বিতরণের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। মা এখন একটি অনুষ্ঠানে আছেন। ফ্রি হলে তাকে বিষয়টি জানাবো।

অন্যদিকে বিশেষ প্রকল্প কর্মসূচির আওতায় পৃথক বরাদ্দ থেকে তিন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ২০ মেট্রিক টন করে মোট ৬০ মেট্রিক টন চাল পান।

১নং পাইন্দু ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমা কৃষি সামগ্রী বিতরণ ও দুগ্ধজাত গাভী পালনের প্রকল্পের নামে ২০ মেট্রিক টন বরাদ্দ পান। তবে সরেজমিনে গিয়ে দৃশ্যমান কোনো কার্যক্রমের প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে স্থানীয়রা দাবি করেন।

পাইন্দু ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমা বলেন, “কৃষি সামগ্রী ও গাভী পালনের প্রকল্প বাস্তবায়ন চলমান রয়েছে। আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকলেও ধাপে ধাপে বিতরণ করা হচ্ছে। ৩নং রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিরা বম একই প্রকল্পের আওতায় ২০ মেট্রিক টন বরাদ্দ পান। সরেজমিনে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে গেলে তিনি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট বিতরণের ছবি বা উপকারভোগীর তালিকা তাৎক্ষণিকভাবে দেখাতে পারেননি—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান জিরা বম অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, জেলা পরিষদ এই প্রকল্প থেকে ২৫ শতাংশ অর্থ কেটে নিয়েছে। প্রতি টনে ৪০ হাজার টাকা হিসেবে পাওয়ার কথা থাকলেও সম্পূর্ণ অর্থ পাইনি। ২০ মেট্রিক টনে প্রায় ৮ লাখ টাকা পাওয়ার কথা, সেটিও পুরোপুরি দেওয়া হয়নি। বরাদ্দের অর্থ সংকোচনের কারণে বাস্তবায়নে জটিলতা হয়েছে। তবে থাংখ্যং পাড়া ও সুংসং পাড়ায় গরু-ছাগল বিতরণ করা হয়েছে।

রুমা সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অংসিংনু মারমা বলেন,বরাদ্দ অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা যেতে পারে।”

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান থাংজামা লুসাই তিনি জানান, ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের বিশেষ প্রকল্প বিষয়ে এই মুহূর্তে কিছু বলতে পারছি না। আমরা খাদ্যশস্য প্রকল্প সভাপতিদের কাছে হস্তান্তর করেছি। এখন তারাই ভালো-মন্দ বলতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে চাইলে আমাদের অফিসে ইঞ্জিনিয়ার উসাই মং মারমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সরকারি বরাদ্দকৃত প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। প্রকৃত দুঃস্থ ও গরিব পরিবার যাতে প্রাপ্য সহায়তা পায়, তা নিশ্চিত করা জরুরি।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদে চাকমা জনগোষ্ঠীর পক্ষে মানোন্নয়ন দাবি জানিয়েছেন শান্তি রায় চাকমা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৪ পিএম
বাঘাইছড়ির চৌমুহনী–হাজীপাড়া সড়কে বিদ্যুতের খুঁটি নেই, চরম ঝুঁকিতে ব্যবসায়ীরা

  

সুজন  কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য পদে মানোন্নয়নের দাবি জানিয়েন শান্তি রায় চাকমা (রায় বাবু)। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে গণমাধ্যমকে তিনি এই তথ্য জানান। তিনি বিলাইছড়ি সদরের বাসিন্দা এবং উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক।

তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজীবন বিএনপির পতাকা তলে কাজ করেছি এবং করে যাচ্ছি। সবসময় জনসেবায়  নিয়োজিত ছিলাম এবং থাকবো। সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে কাজ করে যাবো। আগামীতে নবগঠিত জেলা পরিষদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে সবার দোয়া কামনা করছি সবার প্রিয় হয়ে। আর্তমানবতার সেবায় এবং সামাজিক উন্নয়নে আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে আমাকে এটা শেখায়। এক আধুনিক ও বৈষম্যহীন উপজেলা গড়তে এবং সদস্য পদ পেতে মাননীয় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ানের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

সাজেকে ইউপিডিএফ ও জেএসএস গ্রুপের মধ্যে ঘন্টাব্যাপী বন্দুক যুদ্ধে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৮ পিএম
বাঘাইছড়ির চৌমুহনী–হাজীপাড়া সড়কে বিদ্যুতের খুঁটি নেই, চরম ঝুঁকিতে ব্যবসায়ীরা

 

বিশেষ প্রতিনিধি, খাগড়াছড়ি :

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের দূর্গম ভুয়াছড়ি এলাকায় মিতিঙ্গাছড়ি পাড়ায় পাহাড়ের দুই আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) ও জুম্ম লিবারেশন আর্মি (জেএলএ)-র মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দেড় ঘন্টা ধরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) বিকেল ৪ ঘটিকা থেকে সাড়ে ৫ ঘটিকা পর্যন্ত টানা বন্দুক যুদ্ধ চলে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। মাসালং বাজার থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার উত্তরে দুর্গম ভূয়াছড়ি এলাকার ওপরে মিতিংগাছড়ি নামক স্থানে এ গোলাগুলি শুরু হয় । ঘন্টাব্যাপী চলা এই বন্দুক যুদ্ধে উভয় পক্ষের মধ্যে আনুমানিক ৭০০ থেকে ৮০০ রাউন্ড গুলি বিনিময় হয়েছে।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থেমে থেমে গোলাগুলি চলার খবর পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। গুলাগুলির ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়াও খাগড়াছড়ির পানছড়ি ও মাটিরাঙ্গায় একই সময়ে দুই গ্রুপের মধ্যে গুলাগুলি হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

এবিষয়ে আঞ্চলিক সংগঠন এর নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এলাকাটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকা  হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহে কিছুটা জটিলতা রয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সাজেক থানার সার্কেল অফিসার ও রাঙ্গামাটির সহকারী পুলিশ সুপার মো: মাহামুদুল হাছান বন্দুক যুদ্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে হতাহতের বিষয়ে কোন তথ্য নিশ্চিত করতে পারেনি।

×