বিলাইছড়িতে লাল এ্যাংলিয়ানাকে কেন্দ্র করে VL পাংখোয়া ও পিএসডব্লিউও সংগঠনে মধ্যে পাল্টা-পাল্টি প্রতিবাদ
ছবিটি- এ্যাংলিয়ানা পাংখোয়া (গোল চিহ্নিত)
সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ
বিলাইছড়ি উপজেলার লাল এ্যাংলিয়ানা পাংখোয়াকে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য পদে মনোনীত না দেওয়ার জন্য গত ২৪/০২/২০২৬ ইং তারিখ সংবাদ সন্মেলনে করেন উপজেলা বিএনপি। এরই প্রতিবাদে ২৫ ফেব্রুয়ারি পাংখোয়া সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন (পিএসডব্লিউও) সংগঠন দৈনিক রূপান্তর বাংলা পত্রিকা ও সোসাল মিডিয়ায় প্রকাশিত সভাপতি লাল ছোয়াক লিয়ানা পাংখোয়া স্বাক্ষরিত VL পাংখোয়া সহ অন্য বিএনপির সিনিয়র নেতাকে তীব্র নিন্দা ও ক্ষমা চাওয়া জন্য বিবৃতিতে বলা হলে পূনরায় প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপির VL পাংখোয়া।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে এক লিখিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ জানান। বিবৃতিতে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো- বাবু এ্যাংলিয়ানা পাংখোয়া The Evengilical Church od Bangladesh (ECB)- প্রতিষ্ঠানের সদস্য তবে তার আপন ভাই উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। আমাদের প্রতিষ্ঠানের নাম Bangladesh Baptist Church Shangha-(BBCS). বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি সরকার আমলে বাবু এ্যাংলিয়ানা পাংখোয়া বিলাইছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। তখনকার সময়ে ক্ষমতা অপব্যবহার করে জোরপূর্বক তাদের প্রতিষ্ঠান ECB যোগদান করার নির্দেশ দেন। আমার বাবা এ্যাংলিয়ানার নির্দেশ না মানলে বাবার উপর শারীরিক-মানসিক নির্যাতন নির্যাতিত করে। বাবার মতো আরও অনেকে পাংখোয়া সম্প্রদায়ের নির্যাতনের ভুক্তভোগী। আওয়ামী লীগ এর সাথে যোগসাজশে তার আপন ভাতিজা বাবু রেমলিয়ানা পাংখোয়া রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য লাভ করেন। তার আপন কাকা বাবু এ্যাংলিয়ানা পাংখোয়া এর সূত্রে তিনিও ধর্মীয়গুরুদের সাথে খারাপ আচরণ করে।

এছাড়াও নিজের আত্বীয় ও আওয়ামী লীগের সদস্য ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি সরকারি চাকরি পাননি। ৪৭ বছর ধরে অনেক লোকজন সকল অধিকার ও সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আমাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আওতায় কোনো ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়া হয় নাই। সে কারণে বাবু এ্যাংলিয়ানা পাংখোয়া বিরোধিতা করে যা বর্তমানেও অব্যাহত থাকবে বলে সবার চিন্তাধারা। তার বা তার আত্মীয়ের মাঝে কেউ রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য লাভ করলে বাবু এ্যাংলিয়ানা পাংখোয়া নির্যাতন হতে রেহাই না পাওয়ার আশংকা রহিয়াছে।

২৪/০২/২০২৬ ইং তারিখে সংবাদ সন্মেলন করে বাবু এ্যাংলিয়ানা পাংখোয়া অতীতকৃত কর্মগুলি উল্লেখ করে সংক্ষেপে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি। তাই বাবু এ্যাংলিয়ানা পাংখোয়া আমাকে প্রকাশ্যে হুমকি এবং পরিবেশিত সংবাদের বিরোধিতা করছে। তাই তার কর্তৃত্ববাদের কারণে বিশদভাবে চরিত্র উন্মোচন করা হইল। তিনি চ্যালেঞ্জ করলে পরবর্তী সকল বিষয়ে আরও ব্যাখ্যা সহকারে বলতে বাধ্য হইব। আশা করি নিজের দোষ আড়াল না করে এলাকার মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করুন। ২০১৬ ইং সনে সালে বিএনপির কেন্দ্রীয় মহাসচিব জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মহোদয় কর্তৃক মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বাবু নিলাই পাংখোয়া ১নং বিলাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করেন। উক্ত নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী বাবু নিলাই পাংখোয়াকে প্রার্থীর প্রত্যাহার করার জন্য হুমকি দেন। ঐ সময়ে এ্যাংলিয়ানা পাংখোয়া বিএনপি প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করেন। ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়। ধানের শীষ প্রতিক বাবু মনিস্বপন দেওয়ান মহোদয় বিএনপির পক্ষে নির্বাচন করেন। বাবু এ্যাংলিয়ানার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নৌকার প্রতীক বাবু দীপংকর তালুকদারকে ভোট দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরবর্তী ২০২৪ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগ হয়ে কাজ করেছে। বিএনপির সঙ্গে যোগাযোগ বা সম্পর্ক

ছিলনা। Panghkua Student Welfare Organization (PSWO) ও The Pangkhu Students Association Of Bangladesh (PSAB) এই দুই সংগঠনের আওয়ামী লীগ সদস্য ও সমর্থক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে এ্যাংলিয়ানা পাংখোয়ার আপন ভাতিজা ও ভাগিনা। তাই বাবু এ্যাংলিয়ানা পক্ষ হয়ে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ পত্র ও সোসাল মিডিয়ায় বিভিন্ন খারাপ ও অযৌক্তিকমূলক লিখে পোস্ট করেন। আমি তার প্রতিবাদে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। কারণ আমি একজন বিবিসিএস প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলর ও পাংখোয়া এলাকার ব্যপ্টিষ্ট চার্চের সভাপতি। আমি ন্যায্য অধিকার বঞ্চিত পাংখোয়া সম্প্রদায়ের পক্ষে সত্য কথা বলায় আমাকে বিভিন্ন রকমের আমার বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য হুমকি দেয়। এসব মিথ্যা মামলা করলে বিএনপি শক্ত হাতে প্রতিবাদ করবে।
অন্যদিকে বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম ফকির প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার জন্য নির্দ্দেশ প্রদান করেন বলে জানা গেছে।



