বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম:

পার্বত্য চট্টগ্রামের অবসতিকারী পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীকে পদায়নের প্রতিবাদে বিশিষ্টজনদের যৌথ বিবৃতি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:০৬ পিএম
26 বার পড়া হয়েছে
পার্বত্য চট্টগ্রামের অবসতিকারী পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীকে পদায়নের প্রতিবাদে বিশিষ্টজনদের যৌথ বিবৃতি

ছবি- প্রতিকী

অন্য মন্ত্রণালয়ের পদায়নের দাবি জানিয়ে বিবৃতি প্রদান

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন’কে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে পদায়নের প্রতিবাদে এবং তাঁকে অন্য মন্ত্রণালয়ে পদায়নের দাবি জানিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করেছেন ৩৫ বিশিষ্ট নাগরিক। আজ ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ তারিখে এ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।

বিবৃতিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিকে বরখেলাপ করে একজন অ-পাহাড়ী এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসী নন এমন একজনকে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে পদায়নে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে অবিলম্বে তাঁকে অন্য মন্ত্রণালয়ে পদায়নের দাবি জানানো হয়।

বিবৃতির শুরুতে নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে উল্লেখ করা হয় যে, ”গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইংরেজী, বৃহষ্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছেন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), যার জন্য আমরা অভিবাদন জানাচ্ছি। এছাড়া নবগঠিত সরকারের মন্ত্রীসভায় রাঙ্গামাটি-২৯৯ আসন থেকে নির্বাচিত সাংসদ দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আলোকে গঠিত ও পরিচালিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী হিসেবে পদায়ন করায় আমরা সাধুবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমরা আশা করি তাঁর নেতৃত্বে আগামীতে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিবদমান সমস্যা ও সংকট নিরসন এবং পাহাড়ের অধিবাসীদের সামগ্রিক জীবনমান উন্নয়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহনে সক্ষম হবে।”

বিবৃতিতে আরো বলা হয় যে, ”পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির (ঘ) খন্ডের ১৯ ধারায় স্পষ্টভাবে বর্ণিত “উপজাতীয়দের মধ্য হইতে একজন মন্ত্রী নিয়োগ করিয়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক একটি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা হইবে” কে অনুসরণ করে রাঙ্গামাটির সাংসদ দীপেন দেওয়ানকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করলেও চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) থেকে নির্বাচিত সাংসদ মীর হেলালকে একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ করে উক্ত ধারাকে ভঙ্গ করেছে নবনির্বাচিত সরকার। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির মধ্য দিয়ে গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মূল কাজ হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্পর্কিত বাংলাদেশ সরকারের সামগ্রিক সিদ্ধান্ত গ্রহন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে সরকারের সাথে পাহাড়ের অধিবাসীদের কার্যকরী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আলোকে নির্বাহী সংস্থা হিসেবে বিভিন্ন উদ্যোগ ও কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়া। সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহন প্রক্রিয়ায় সরকারের কর্মকান্ডের মধ্যে পাহাড়ের আদিবাসীদের কার্যকর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করাও এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী বা সংশ্লিষ্ট সকলের দায়িত্ব। কাজেই এটা খুবই স্বাভাবিক যে, মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত নির্বাহী দায়িত্বে যতজনই থাকুক না কেন সকলেই পাহাড়ী বা পাহাড়ের অধিবাসী পাহাড়ী নাগরিক হবেন। তাই পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহন প্রক্রিয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরের এবং অ-পাহাড়ী একজনকে প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত করার মধ্য দিয়ে পার্বত্য চুক্তিকে চরমভাবে বরখেলাপ করা হয়েছে।”

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ”অন্যদিকে আমরা এযাবৎকালে আরো লক্ষ করেছি যে, পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিযুক্তির ক্ষেত্রে পাহাড়ের পাহাড়ী নাগরিকদের অংশগ্রহন অত্যন্ত নগন্য। এক্ষেত্রে পার্বত্য চুক্তির মূল প্রস্তাবনা- “পার্বত্য চট্টগ্রাম একটি উপজাতীয় অধ্যুষিত অঞ্চল” হবে তার প্রতিফলনও আমরা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে খুঁজে পাইনি। অন্যদিকে বর্তমানে সরকারের নেত্বেত্বে থাকা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ঘোষিত ৩১ দফা’র ২ নং দফা’র “সম্প্রীতিমূলক সমন্বিত রাষ্ট্রসত্তা (রেইনবো নেইশন)” প্রতিষ্ঠার ধারণা’র সাথেও সাংঘর্ষিক।”

বিবৃতিতে সর্বশেষ, নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানে কাছে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আলোকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে নিয়োজিত মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন’কে অন্য মন্ত্রণালয়ে পদায়ন এবং উক্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকতা ও কর্মচারী নিযুক্তির ক্ষেত্রে পাহাড়ী আদিবাসী নাগরিকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়।

এই বিবৃতিতে, বিবৃতি দাতাদের পক্ষে স্বাক্ষর করেছেন, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক ইন্টুমনি তালুকদার ।

 

বিবৃতিতে আরো স্বাক্ষর করেছেন:

১. প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা (অব: উপ সচিব), সভাপতি, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ‘ক’ অঞ্চল।
২. বিজয় কেতন চাকমা, সভাপতি, এমএন লারমা মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন।
৩. ডা: মং উষা থোয়াই মার্মা (সাবেক সিভিল সার্জন), সভাপতি, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, বান্দরবান জেলা শাখা।
৪. শিশির চাকমা, বিশিষ্ট লেখক ও সভাপতি, জুম ঈসথেটিক কাউন্সিল।
৫. মংক্যশৈনু (নেভী), অব: কর্মকর্তা, সভাপতি, সিএইচটি রাইটার্স ইউনিয়ন, বান্দরবান।
৬. মধুমঙ্গল চাকমা, অব: অধ্যাপক, খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ।
৭. সন্তোষিত চাকমা বকুল, সাধারণ সম্পাদক, জুম্ম শরণার্থী কল্যাণ সমিতি।
৮. নমিতা চাকমা, উন্নয়ন কর্মী।
৯. ইন্টুমনি চাকমা, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল।
১০. নব কুমার চাকমা, সভাপতি, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, খাগড়াছড়ি জেলা শাখা।
১১. জিংমুলিয়ান বম, বিশিষ্ট চিত্র শিল্পী, বান্দরবান।
১২. জিরকুং সাহু, বিশিষ্ট লেখক ও সমাজকর্মী, বান্দরবান।
১৩. ক্যসামং মারমা, বিশিষ্ট লেখক ও সাংস্কৃতি কর্মী, বান্দরবান।
১৪. মোহনী রঞ্জন চাকমা, অব: প্রকৌশলী, সভাপতি, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, রাঙ্গামাটি জেলা শাখা।
১৫. সুরেন্দ্র লাল চাকমা, অব: প্রকৌশলী, এলজিইডি, রাঙ্গামাটি।
১৬. জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা, অব: খাদ্য কর্মকর্তা, রাঙ্গামাটি।
১৭. জহর বিকাশ চাকমা, অব: প্রকৌশলী, রাঙ্গামাটি।
১৮. প্রসন্ন কুমার চাকমা, অব: প্রধান শিক্ষক ও বিশিষ্ট লেখক (চাকমা ভাষা), রাঙ্গামাটি।
১৯. শুক্র কুমার চাকমা, সভাপতি, আদিবাসী পাহাড়ী বৈদ্য শাস্ত্রীয় বহুমুখী কল্যাণ সমিতি, রাঙ্গামাটি।
২০. ইন্দুলাল চাকমা, অব: মৎস্য কর্মকর্তা, রাঙ্গামাটি।
২১. সাথোয়াই মারমা, সাংবাদিক, খাগড়াছড়ি।
২২. পলাশ কুসুম চাকমা, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, সহ সভাপতি, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদ, রাঙ্গামাটি।
২৩. যতীন বিহারী চাকমা, বিশিষ্ট ঠিকাদার, রাঙ্গামাটি।
২৪. সাগর রানী চাকমা, অব: শিক্ষক, খাগড়াছড়ি।
২৫. বিজয় গিরি চাকমা, সভাপতি, ত্রিদিব নগর ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি, রাঙ্গামাটি।
২৬. থুয়াসা খিয়াং, সংস্কৃতি কর্মী, রাঙ্গামাটি।
২৭. মালেকা চাকমা, কারবারী বিহারপুর, রাঙ্গামাটি
২৮. চন্দ্রশেখর তালুকদার, হেডম্যান, গোরস্থান মৌজা, বরকল।
২৯. লোমা লুসাই, সহসভাপতি, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ, রাঙ্গামাটি।
৩০. স্মৃতি শংকর চাকমা, বিশিষ্ট সমাজকর্মী।
৩১. শান্তিমায়া ত্রিপুরা, বিশিষ্ট নারী নেত্রী।
৩২. জুনান তঞ্চঙ্গ্যা, চিত্রশিল্পী।
৩৩. থুইচা প্রু মারমা, কাউখালী।
৩৪. শ্যামা চাকমা, সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান।
৩৫. ত্রিপন জয় ত্রিপুরা, সাংবাদিক, খাগড়াছড়ি।

বিলাইছড়িতে কৃষি অফিস কর্তৃক প্রমোদনা বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৪৭ পিএম
পার্বত্য চট্টগ্রামের অবসতিকারী পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীকে পদায়নের প্রতিবাদে বিশিষ্টজনদের যৌথ বিবৃতি

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

বিলাইছড়ি উপজেলা কৃষি অফিস কর্তৃক ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে হলুদ প্রনোদনা কর্মসূচীর আওতায় ২৫ জন কৃষকের মাঝে বীজ হলুদ ১০০ কেজি, ডিএপি সার ৫ কেজি, এমওপি সার ৫ কেজি। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাজার ঘাট এলাকা হতে এইসব প্রণোদন বিতরণ করা হয়েছে।

বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার রাজেশ প্রসাদ রায়, কৃষি অফিসের উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমনগুপ্ত, উপসহকারী কৃষি অফিসার অনুময় চাকমা ও রুবেল বড়ুয়া, কৃষক শুভলাল চাকমা এবং বাপ্পী চাকমা প্রমূখ।

দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়ন হতে জেলা পরিষদ সদস্য পদে খুশি বাবু তঞ্চঙ্গ্যার মানোন্নয়নের দাবি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৫ পিএম
পার্বত্য চট্টগ্রামের অবসতিকারী পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীকে পদায়নের প্রতিবাদে বিশিষ্টজনদের যৌথ বিবৃতি

ফারুয়া বাসীর আস্থার প্রতীক :খুশি বাবু তঞ্চঙ্গ্দস্য পদে মানোন্নয়ন দাবি

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা ;

বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়ন হতে এবারে প্রথম জেলা পরিষদ সদস্য পদে মানোন্নয়ন দাবি জানিয়েছেন গোয়াইনছড়ির কৃতি সন্তান খুশি বাবু তঞ্চঙ্গ্যা। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এক লিখিত বার্তায় তিনি এই দাবি জানান। তথ্য মতে জানা গেছে, তিনি একমাত্র ফারুয়া ইউনিয়নে বিএনপি পরিবারের সন্তান। এবং  তিনিই একমাত্র সাবেক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি প্রয়াত: কালেয়া তঞ্চঙ্গ্যা’র ছেলে এবং ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির উপদেষ্টা প্রয়াত: তেজেন্দ্র লাল তঞ্চঙ্গ্যা একমাত্র ভাইপো। ফারুয়া ইউনিয়নে একমাত্র বিএনপি পরিবারের সন্তান। ১৯৮১ সালে মেজর জিয়াউর রহমান খাল কাটা শুরু করেছিলো এক মাত্র তার পিতা কলেয়া ও তার জেঠা তেজেন্দ্র লাল চেয়ারম্যানকে নিয়ে। বংশ পরস্পরায় একমাত্র তিনিই জিনিয়াস বিএনপি।

তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সে বর্তমানে ফারুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা বিএনপির সক্রিয় সদস্য। তার রাজনৈতিক জীবনে ২০০৬ -২০১০ সাল পর্যন্ত ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য, ২০১১-২০১৪ সাল পর্যন্ত যুবদলের সাধারণ সম্পাদক, ২০১৫-২০১৭ সাল পর্যন্ত ফারুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য এবং ২০১৮ হতে অদ্যবধি পর্যন্ত ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সদস্য।

তিনি আরও জানান, এযাবৎ ফারুয়া ইউনিয়ন হতে জেলা পরিষদ সদস্য পদে কাউকে মানোন্নয়ন দেওয়া হয়নি। অথচ এই এলাকাটি অত্যন্ত দুর্গম ও পশ্চাৎপদ। সদরে সঙ্গে এখনো যোগাযোগের সু-ব্যবস্থা নেই,নেই কোন চিকিৎসার জন্য উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র। ডেলিভারী রোগী যেতে যেতে পথে মারা যায়। মোবাইল নেটওয়ার্ক তো নেই,নেই বিদ্যুৎতের সুব্যবস্থাও। এযাবৎ কেউ ফিরে দেখেনা এই বিষয়ে। কত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান – সদস্য এলো- গেলো খবর নিলোনা কেউ।

তিনি আবেকগণ কন্ঠে আরো বলেন, গত ১২ই ফেব্রুয়ারি রাঙ্গামাটিতে বিপুল ভোটে বিএনপি জয়লাভ করে। এবং একি ভাবে দশ হাজারের বেশি ভোটে পেয়েছে বিএনপি । এজন্য সারা দেশে সবার চেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রাঙ্গামাটি আসনে। তাই মাননীয় সাবেক  প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য পুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মহোদয় এ্যাড.দীপেন আপনাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন।

শুনেছি শ্রীঘ্রই জেলা পরিষদ নিয়োগ দেওয়া হবে। তাই বিপুল ভোট এবং দলকে টিকিয়ে রাখা অন্যান্য সক্রিয় কর্মীর চেয়ে আমার ভুমিকাও কম ছিলো না। তাছাড়া ফারুয়া আপামর জনগণও আমাকে জেলা পরিষদ সদস্য হিসেবে দেখতে চাই এবং একইভাবে দেখতে চাই আমাদের নেতাকর্মীও। তাছাড়া তঞ্চঙ্গ্যা সদস্য পদটি জনসংখ্যায় তঞ্চঙ্গ্যা বেশি হিসেবে ফারুয়া এলাকা হতে দাবি রাখে। গত বারে অন্তর্বতীকালীন সরকার রাঙাবী কে নিয়োগ দিলেও পরে মামলার কারণে স্থগিত হয়ে গেছে, সেটাও বিতর্কিত। এজন্য তঞ্চঙ্গ্যারা বার বার অবহেলা বঞ্চনার শিকার। আশা করি মহোদয় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কোনো ভুল করবেন না। এজন্য বিলাইছড়ি উপজেলা হতে জেলা পরিষদ সদস্য পদটি পেতে হলে আমার বেশি দাবি রাখে।

বিলাইছড়ি হতে জেলা পরিষদ সদস্য পদে জয়সিন্ধু চাকমার মানোন্নয়ন দাবি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৩২ পিএম
পার্বত্য চট্টগ্রামের অবসতিকারী পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীকে পদায়নের প্রতিবাদে বিশিষ্টজনদের যৌথ বিবৃতি

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাই ছড়ি (রাঙ্গামাটি) জেলা প্রতিনিধি:

জেলা পরিষদ সদস্য পদে মানোন্নয়ন পেলে বিলাইছড়ি উন্নয়নের কর্ণধার হতে পারে জয়সিন্ধু চাকমা। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর বিলাইছড়ি বাজারে এক হোটেলে সংবাদ সন্মেলনে নিজেকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমি জয়সিন্ধু চাকমা, পিতা: গোপাল চন্দ্র চাকমা, ঠিকানা :- গ্রাম: গাছকাটা ছড়া দোজরীপাড়া, ১২২নং কুতুবদিয়া মৌজা, ৩নং ওয়ার্ড বিলাইছড়ি রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা। জন্মসূত্রে একজন বাংলাদেশের নাগরিক।

দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিতে ছিলাম। ১৯৯৯ হতে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ছিলাম। ২০০৭ হতে ২০১৩ পর্যন্ত তৃণমূল দলের সভাপতি। ২০১৩ হতে ২০১৮ পর্যন্ত উপজেলা বিএনপির উপজাতীয় বিষয়ক সম্পাদক। ২০১৮ হতে অদ্যবধি পর্যন্ত উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সম্পাদক হিসেবে রয়েছি। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট সরকারের অত্যাচারে স্বীকার হওয়ার পরও দলে থেকেই দলকে টিকিয়ে রাখার ভূমিকা রেখেছি, যা অন্য কোনো সক্রিয় সদস্যর চেয়েও  কোনো অংশেই কম নয়। বর্তমানে সুসংগত পরিস্থিতি কারণে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে এবং সারাদেশের ন্যায় গত ১২ই ফেব্রুয়ারি রাঙ্গামাটিতে বিপুল ভোটে বিএনপি জয়লাভ করে। এবং একি ভাবে বিলাইছড়িতেও দশ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে। এজন্য সারা বাংলাদেশে সবার চেয়ে বেশি ভোট পেয়ে বর্তমানে সরকার গঠনে সক্ষম হয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  তারেক রহমান এ্যাড. দীপেন দেওয়ান স্যার আপনাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন। আপনি সবসময় পার্বত্যবাসীর সুখ-দুংখের পাশে থাকবেন যেমনি, তেমনি পাশে থাকবেন নেতাকর্মীদের সাথেও। বিলাইছড়িবাসীসহ পার্বত্যবাসী আপনাকে পেয়ে খুবই ধন্য। শুনেছি শীঘ্রই জেলা পরিষদ নিয়োগ দেওয়া হবে। তাই বিপুল ভোট এবং দলকে টিকিয়ে রাখার অন্যান্য সক্রিয় কর্মীর চেয়ে আমার ভুমিকাও কম ছিলনা। তাছাড়া বিলাইছড়ি আপামর জনগণও আমাকে জেলা পরিষদ সদস্য হিসেবে দেখতে চাই এবং একইভাবে দেখতে চাই আমাদের নেতাকর্মীরাও। তাছাড়া এই উপজেলা হতে একবারও চাকমা সম্প্রদায় থেকে জেলা পরিষদ সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়নি, দেয়া হয়েছে তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায় হতে, দেয়া হয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে পাংখোয়া সম্প্রদায় থেকে।

এজন্য দাবি রাখছি যে, বিলাইছড়ি উপজেলা থেকে চাকমা সম্প্রদায় হলে একমাত্র আমি যোগ্য প্রার্থী। আপনার ছয়াতলে পাশে  থেকে গরীব দুঃখী মানুষের সেবা করার সুযোগ দানে আমাকেও একবার সুযোগ দিলে আমি চিরকৃতজ্ঞ থাকিব। আশা করি মহোদয় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কোনো ভুল করবেন না।

×