শিরোনাম:

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং জোরদার, বাঙ্গালহালিয়া বাজারে ভ্রাম্যমাণ অভিযানে জরিমানা

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং জোরদার, বাঙ্গালহালিয়া বাজারে ভ্রাম্যমাণ অভিযানে জরিমানা

 

উচ্চপ্রু মারমা, রাজস্থলী প্রতিনিধি :

পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল ও সহনীয় রাখতে রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া বাজারে ব্যাপক বাজার মনিটরিং পরিচালনা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিনা আক্তার।

আজ (২৪ ফেব্রুয়ারি) রমজান মাসে সাধারণত নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। এ সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে—এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন মাঠপর্যায়ে তদারকি জোরদার করেছে। এরই অংশ হিসেবে বাঙ্গালহালিয়া বাজারে হঠাৎ পরিদর্শন ও মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে বাজারের বিভিন্ন মুদি দোকান, সবজির আড়ত, কাঁচাবাজার এবং ফার্মেসী পরিদর্শন করা হয়। এসময় পণ্যের মূল্যতালিকা প্রদর্শন, নির্ধারিত দামে বিক্রয়, ক্রয়-বিক্রয়ের রসিদ সংরক্ষণ, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বা পণ্য বিক্রি হচ্ছে কিনা—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হয়।

মনিটরিংকালে একটি সবজির দোকানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে পণ্য বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এবং ছোটন বড়ুয়া সবজি ব্যবসায়ী কে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে একটি মনীর ফার্মেসীতে ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার বলেন, রমজান মাস সংযম ও সহমর্মিতার মাস। এ সময় কেউ যাতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বা অতিরিক্ত লাভের আশায় জনগণকে ভোগান্তিতে না ফেলে, সে বিষয়ে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি নিশ্চিত করতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীদের উচিত সততা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করা। অন্যথায় আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে বাজারে উপস্থিত সাধারণ ক্রেতারা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, নিয়মিত তদারকি থাকলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে কেনাকাটা করতে পারবে। বিশেষ করে রমজানে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বাজার নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তারা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, রমজানজুড়ে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে এ ধরনের মনিটরিং কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে। জনস্বার্থে বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করাই এ অভিযানের মূল লক্ষ্য।

রমজানের পবিত্রতা রক্ষা ও জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণে প্রশাসনের এ তৎপরতা এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ও আস্থার বার্তা দিয়েছে।

সাদুল্ল্যাপুর কার্ভার ভ্যানের ধাক্কায় ২ অটোরিকশা যাত্রী নিহত

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং জোরদার, বাঙ্গালহালিয়া বাজারে ভ্রাম্যমাণ অভিযানে জরিমানা

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

ইবান্ধার সাদুল্লাপুরে কাভার্টভ্যানের ধাক্কায় অটোরিকশার চালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত চারজন যাত্রী। তবে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে ধারনা করছেন চিকিৎসকরা। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গাইবান্ধা-সাদুল্লাপুর সড়কের মন্দুয়ার নামক স্থানে ‘শাহানা ফিলিং স্টেশন’ সংলগ্ন এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন,​ অটোরিকশা চালক আল আমিন মিয়া (৩০)। তিনি সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের তরফ বাজিত গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে। অপরজন অটোরিকশার যাত্রী গৌতম চন্দ্র (৬০) গাইবান্ধা শহরের পূর্বপাড়া এলাকার নারায়ণ চন্দ্রের ছেলে। ​দুর্ঘটনায় আহত চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।

​স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দুপুরে একটি পণ্যবাহী কার্ভারভ্যান গাইবান্ধার দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশাকে সাইড দিতে গিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা অন্য একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুইজন প্রাণ হারান। ​

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম জানান, ​”দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক যানটি শনাক্ত ও আইনি প্রক্রিয়া অনুমোদনের কাজ চলছে।” ​বর্তমানে দুর্ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

রাঙামাটিতে লেপ্রসি মিশনের উদ্যোগে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে অ্যাডভোকেসি সভা

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং জোরদার, বাঙ্গালহালিয়া বাজারে ভ্রাম্যমাণ অভিযানে জরিমানা

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি :

রাঙামাটিতে লেপ্রসি মিশনের উদ্যোগে ধর্মীয় গুরু ও নেতৃবৃন্দকে নিয়ে কুষ্ঠরোগ নির্মূলীকরণ বিষয় অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গল (২৪ ফেব্রুয়ারী) সকালে রাঙামাটি শহরের স্থানীয় একটি হোটেল এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লুৎফুন্নেছা বেগম। সভায় রাঙামাটির বিভিন্ন মসজিদ, প্যাগোডা, মন্দির, গীর্জা ও চার্চের পুরোহিতরা অংশ নেন।

অ্যাডভোকেসি সভায় পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে কুষ্ঠরোগের বিস্তার, চিকিৎসা, লেপ্রসি মিশনের কর্মসুচি সম্পর্কে তুলে ধরেন লেপ্রসি মিশনের চীফ প্রজেক্ট ম্যানেজার পরশ চাকমা ও মেডিকেল অফিসার ডা. জীবক চাকমা।

উন্নয়ন সংস্থা আলোর ফ্যাসিলিটেটর শাক্য সিংহ চাকমার সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক ইকবাল বাহার চৌধুরী, পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশের বর্ষীয়ান ভিক্ষু শুভদর্শী মহাথেরো, শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মন্দিরের পুরোহিত রনবীর চক্রবর্তী, চন্দ্রঘোনা ব্যাপ্টিস্ট চার্চের পাস্তর স্টিফেন মিত্র প্রমুখ।

লেপ্রসি মিশনের কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাথে সমন্বয় রেখে লেপ্রসি মিশন বিনামূল্যে কুষ্ঠরোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা রেখেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে কুষ্ঠরোগ নির্মুলের লক্ষ্যে লেপ্রসি মিশন কাজ করছে। ধর্মীয় গুরুদের মাধ্যমে কুষ্ঠরোগ বিষয়ে প্রচারণা ও সচেতনতা সৃষ্টি করা হলে পাহাড়ের প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাস করা রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে পারবে। কুষ্ঠরোগ নিয়ে সমাজে অনেক কুসংস্কার ও অন্ধ বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে।

সভায় ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, আমাদেরকে অবস্থান থেকে কুষ্ঠরোগ বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে হবে। দুর্গম এলাকার রোগীরা যাতে চিকিৎসা সেবা নিতে পারে সে বিষয়ে সকলকে সহযোগিতা দিতে হবে। এক্ষেত্রে গণমাধ্যমেরও ভুমিকা রাখতে হবে। কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত মানুষ যাতে হতাশায় না ভোগে দুশ্চিন্তায় না থাকে সেদিকটা গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে। কুষ্ঠরোগ বংশগত রোগ নয়। অভিশাপের কারণেও এ রোগ হয় না। এ বিষয়ে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

লেপ্রসি মিশনের কর্মকর্তারা বলেন কুষ্ঠরোগ নিয়ে যেহেতু সমাজে ভুল ধারণা ও কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে তাই সে বিষয়েও লোকজনকে সচেতন করা হয়। পাশাপাশি রোগীদের গোপনীয়তা রক্ষার ক্ষেত্রেও যথাযথভাবে যত্ন নেয়া হয়।

বিলাইছড়িতে লাল এ্যাংলিয়ানা পাংখোয়াকে জেলা পরিষদ সদস্য পদে না দেওয়ার দাবিতে  বিএনপির সংবাদ সন্মেলন

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং জোরদার, বাঙ্গালহালিয়া বাজারে ভ্রাম্যমাণ অভিযানে জরিমানা

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

বিলাইছড়িতে আগামী জেলা পরিষদ সদস্য পদে লাল এ্যাংলিয়ানা পাংখোয়াকে না দিয়ে অন্যএকজন যোগ্য ব্যক্তিকে মানোন্নয়ন দেওয়ার দাবিতে সংবাদ সন্মেলন করেছেন উপজেলা বিএনপি। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ টায় উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে এই সংবাদ সন্মেলন করেন।

এসময় জেলা পরিষদ সদস্য পদে অন্য প্রার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন। ১২ জন জেলা পরিষদ সদস্য পদে প্রার্থীরা হলেন বিএনপির জয়সিন্ধু চাকমা, শান্তি রায় চাকমা (রায়ধন), মো. জাফর আহাম্মদ, রেজাউল করিম রনি, মো. ইমাম হাসান সিকদার, শামশু তঞ্চঙ্গ্যা, খুশি বাবু তঞ্চঙ্গ্যা, চাথোয়াই রোয়াজা (প্রাত্তন ইউপি চেয়ারম্যান), ভিএল পাংখোয়া, রিনলম পালম বম, নেইলাই পাংখোয়া এবং ধনমুনি চাকমা।  তাদের দাবি তারা দীর্ঘ দিন ধরে বিএনপির সক্রিয় কর্মী এবং সবসময় সুখে-দুংখে দলকে রক্ষা করতে এবং জনগণের পাশে রয়েছেন। এজন্য জেলা পরিষদ সদস্য নিয়োগ পেলে আমাদের বারজন হতে দিতে হবে বা পেতে হবে।

তাদের অভিযোগ এযাবৎ এ্যাংলিয়ানা পাংখোয়া বিএনপির সঙ্গে কোনো  সম্পৃক্ত  ছিলো না। এজন্য এ্যাংলিয়ানা সহ তার গোষ্ঠীদের থেকে কোন জনকে পুনরায় যেন আর জেলা পরিষদ সদস্য হিসেবে নিয়োগ না হন সেজন্য সংবাদ সম্মেলনের মধ্যে দিয়ে সাফ জানিয়ে দেন। তারা আরো জানান, এখানে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ১২ প্রার্থী তাদের দাতা জমা দিবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক  মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এঁর কাছে। সেখান থেকে দীপেন দেওয়ান যাকে যোগ্য মনে করেন তাকে জেলা পরিষদ সদস্য পদে নিয়োগ দেবে সেক্ষেত্রে তাদের কোনো অভিযোগ থাকবে না। কিন্তু এ্যাংলিয়ানাকে না। লাল এ্যাংলিয়ানাকে দিলে জনগণ মেনে নিবে না বলে সাফ জানিয়েছেন।

×