শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম:

রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে উথোয়াই মং মারমাকে পেতে কাপ্তাইবাসীর দাবি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৪৪ পিএম
26 বার পড়া হয়েছে
রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে উথোয়াই মং মারমাকে পেতে কাপ্তাইবাসীর দাবি

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

বিএনপি সরকার গঠনের পর সারা দেশে স্থানীয় সরকার ও প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের আসন্ন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদে কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক, পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা উথোয়াই মং মারমা-কে সদস্য মনোনীত করার জোর দাবি উঠেছে। ​উথোয়াই মং মারমার জন্মস্থান চিৎমরমসহ কাপ্তাই উপজেলার তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী, সাধারণ জনগণ এবং দলের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের অধিকাংশ নেতৃবৃন্দ এই দাবির পক্ষে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।

ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমান সরকারের প্রথম সংসদ অধিবেশন শেষেই রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠিত হতে পারে। দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে চরম প্রতিকূল পরিবেশেও উথোয়াই মং মারমা কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো ধরে রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি ছিলেন, নির্ভীক। দলের দুঃসময়ে কারানির্যাতিত নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হতে তিনি কখনো কার্পণ্য করেননি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তাকে একাধিকবার জেল-জুলুম ও মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে, তবুও তিনি দলের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ নং আসনে ধানের শীষের প্রার্থী এবং বর্তমান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে জয়যুক্ত করতে উথোয়াই মং মারমার ভূমিকা ছিল অপরিসীম। দিন-রাত সমান তালে নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি যেভাবে তৃণমূলকে সংগঠিত করেছেন, তা জেলা ও উপজেলা বিএনপির সকল পর্যায়ে প্রশংসিত হয়েছে। ​পাহাড়ি-বাঙালি ঐক্যের প্রতীক হিসেবে উথোয়াই মং মারমা কাপ্তাইয়ের পাঁচটি ইউনিয়নের সকল সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে এক পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য মুখ।

এলাকার সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করে, কাপ্তাই উপজেলা দীর্ঘদিন ধরে জেলা পরিষদে যোগ্য প্রতিনিধির অভাবে উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার হয়েছে।স্থানীয় এক প্রবীণ রাজনীতিবিদের মতে ​”উথোয়াই মং মারমা একজন সাদামাটা মনের মানুষ ও ক্লিন ইমেজের নেতা। তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সততাকে কাজে লাগিয়ে জেলা পরিষদে সদস্য মনোনীত করা হলে কাপ্তাইয়ের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আসবে।” ​কাপ্তাইয়ের তৃণমূল পর্যায়ের সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরা এখন উথোয়াই মং মারমাকে জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন। তারা মনে করেন, একজন ত্যাগী ও জনবান্ধব নেতাকে মূল্যায়ন করা হলে তা হবে তৃণমূলের নিঃস্বার্থ বিএনপি দলের কর্মী প্রতি শ্রেষ্ঠ প্রতিদান।

এ বিষয়ে তারা বিএনপি সরকার এবং বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের সু-দৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

গোবিন্দগঞ্জে ব্ল্যাকমেইল করে ছাত্রীকে ধর্ষণ, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০৮ পিএম
রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে উথোয়াই মং মারমাকে পেতে কাপ্তাইবাসীর দাবি

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপবৃত্তির প্রলোভন দেখিয়ে এবং আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পন্ডিতপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. রঞ্জু মিয়াকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত রঞ্জু মিয়া উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের খড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় পন্ডিতপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, ভুক্তভোগী ছাত্রী গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের জরিপপুর গ্রামের বেলাল হোসেনের মেয়ে। সে চার মাস আগে ওই মাদ্রাসার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয়। ভর্তির পর থেকেই অধ্যক্ষ রঞ্জু মিয়া ওই ছাত্রীর পরিবারের খোঁজ খবর নেওয়ার অযুহাতে তার মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন এবং প্রায় সময় তাকে সরকারি উপবৃত্তি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

গত ১৮ ডিসেম্বর (২০২৫) সকালে অধ্যক্ষ ওই ছাত্রীকে ফোন করে জানান যে, উপবৃত্তি ফরমে স্বাক্ষর করার জন্য জরুরি ভিত্তিতে তার পান্থাপাড়ার বাসায় যেতে হবে। অধ্যক্ষের কথায় সরল বিশ্বাসে ছাত্রীটি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তার বাসায় যায়। সেখানে কেউ না থাকার সুযোগে অধ্যক্ষ রঞ্জু মিয়া তাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

এ সময় অত্যন্ত কৌশলে মোবাইল ফোনে ধর্ষণের ভিডিও চিত্র ধারণ করে রাখেন তিনি। পরবর্তীতে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ব্ল্যাকমেইল করা হয় বলে অভিযোগে জানাগেছে। পরে বিষয়টি জানতে পেরে ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ দ্রুত অভিযানে নামে। শুক্রবার রাতে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা রাতেই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।

আসামিকে (শনিবার) আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গোবিন্দগঞ্জে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে স্কুল শিক্ষিকাকে হত্যা করেছে দুবৃর্ত্তরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০২ পিএম
রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে উথোয়াই মং মারমাকে পেতে কাপ্তাইবাসীর দাবি

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে শামসুন্নাহার রুমা নামের এক স্কুল শিক্ষককে হত্যা করেছে দুবৃর্ত্তরা। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ পৌরশহরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকার একটি বাসা থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

এসময় তার হাত-পা বাঁধা ছিল এবং গলায় ওড়না পেঁচানো ছিল। শামসুন্নাহার রুমা চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক ও উপজেলার ফুলবাড়ী গ্রামের সোলাইমান আলী মাষ্টারের কন্যা।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রুমা স্বামীর সাথে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর এক পুত্র সন্তান নিয়ে বাবার মালিকানাধীন এ বাসাটিতে বসবাস করছিলেন। পড়াশুনার কারণে পুত্র সন্তানটি ঢাকা থাকায় শামসুন্নাহার রুমা একাই বসবাস করেন।

গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মুহম্মদ মোজাম্মেল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হত্যার রহস্য উদ্ধারে ক্রাইমসিন কাজ করছে। এখন পর্যন্ত হত্যার কারণ সম্পর্কে জানা যায়নি।

বিলাইছড়ির রাজগুরু অগ্রবংশ উচ্চ বিদ্যালয় কমিটির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন পার্বত্য মন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:০৪ পিএম
রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে উথোয়াই মং মারমাকে পেতে কাপ্তাইবাসীর দাবি

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

বিলাইছড়ি উপজেলার রাজগুরু অগ্রবংশ বেসরকারি  উচ্চ বিদয়ালয় কমিটির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাঙ্গামাটির মন্ত্রী পাড়ায় নিজ বাসভবনে সাক্ষাৎ করেন। এতে মন্ত্রী বিদ্যালয়ের সুবিধা – অসুবিধার কথা জানেন। এবং তাদের সহযোগিতা কথা বলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আর্য্যলঙ্কার মহাথের, দীলিপ কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, শিক্ষক উপন তঞ্চঙ্গ্যা, কাজলা তঞ্চঙ্গ্যা, দীপলাল তঞ্চঙ্গ্যা, সুমন চাকমা, জয়া চাকমা এবং প্রিয় জ্যোতি চাকমা।

×