বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম:

পাহাড় কেটে রিসোর্ট নির্মাণ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের কঠোর হুঁশিয়ারী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩ মার্চ, ২০২৬, ১:৪০ পিএম
1 বার পড়া হয়েছে
পাহাড় কেটে রিসোর্ট নির্মাণ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের কঠোর হুঁশিয়ারী

 

এম এস শ্রাবন মাহমুদ :

পার্বত্য মন্ত্রী উচ্চারণ করে বলেছেন, পরিবেশ ধ্বংস করে বা পাহাড় কেটে কোনো ধরনের রিসোর্ট বা পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ বরদাশত করা হবে না। তিনি স্পষ্ট জানান, পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করে পর্যটন শিল্পের বিকাশ সরকার সমর্থন করে না, বরং পাহাড়ের পরিবেশ রক্ষা করে পরিবেশবান্ধব বা ‘ইকো-ট্যুরিজম’ গড়ে তোলাই লক্ষ্য হওয়া উচিত।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ‘২৬ খ্রি: সকাল ১০ঃ০০ ঘটিকায় সময় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে পরিষদের কর্মকর্তাদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হলো স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত। তিনি বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন যতটুকু প্রয়োজন তা ইতিমধ্যে হয়েছে, তবে যেখানে একান্ত জরুরি সেখানে কাজ চলবে।

তিনি সকল দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অনেক ক্ষেত্রে দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা দেখা যায়, যা কাজের গতি কমিয়ে দেয়। তাই প্রতিটি উন্নয়ন কাজে পার্বত্য জেলা পরিষদের সাথে সমন্বয় বজায় রাখা এবং নিয়মিত মনিটরিং করা আবশ্যক। প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আরো হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, উন্নয়নের নামে কেবল প্রজেক্ট তৈরি করে অর্থ অপচয় করার সুযোগ আর থাকবে না। যেখানে প্রয়োজন নেই সেখানে প্রকল্প নেওয়া যাবে না। প্রতিটি কাজের যথাযথ তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও যোগ করেন, জেলা পরিষদের কাজের মাধ্যমেই জেলার উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে, তাই সেবার নামে কোনো প্রকার অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না।

সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা পাহাড়ি অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি ও দুর্গমতার বিষয়টি তুলে ধরেন। তারা জানান, সমতলের তুলনায় পাহাড়ে পরিবহন ও শ্রমিক খরচ অনেক বেশি, তাই দরপত্রের (টেন্ডার) সিডিউল রেট সমতলের মতো হওয়া যৌক্তিক নয়। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ এবং কাপ্তাই লেকের মৎস্য সম্পদ উন্নয়নসহ ইকো-ট্যুরিজম, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে মন্ত্রীর বিশেষ সহযোগিতা কামনা করা হয়।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য প্রতুল চন্দ্র দেওয়ান, বরুন বিকাশ দেওয়ান, হাবিব আজম, মিনহাজ মুরশিদ, নাইউপ্রু মারমা, সাগরিকা রোয়াজা, বৈশালী চাকমা ও দয়াল দাশ প্রমুখ।

লামায় অস্ত্র ও গুলিসহ ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক)-এর দুই সদস্য আটক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩ মার্চ, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
পাহাড় কেটে রিসোর্ট নির্মাণ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের কঠোর হুঁশিয়ারী

 

‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ, ‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎বান্দরবানের লামায় সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক)-এর দুই সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে। ‎সোমবার (২ মার্চ) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে লামা উপজেলার লুলাইং এলাকার মারাইত্তা বাজারে সশস্ত্র অবস্থায় কয়েকজন ব্যক্তি চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করেন।

স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা একজনকে আটক করে সেনাবাহিনীর লুলাইং ক্যাম্পে হস্তান্তর করেন। আটককৃত ব্যক্তির সরই ইউনিয়নের ঢেঁকিছড়া পাড়ার বাসিন্দা মেনসিং ম্রো ছেলে প্রেনপং ম্রো। ‎সেনাবাহিনীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি অস্ত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে চাঁদাবাজির চেষ্টার কথা স্বীকার করেন বলে জানা গেছে। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মারাইত্তা বাজার সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাটির নিচে লুকানো একটি পিস্তল ও ১৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।‎

এদিকে একই দিনে আটক ব্যক্তির ভাই তং পং মোরং গজালিয়া এলাকায় অবস্থিত একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। তবে জিজ্ঞাসাবাদে তার বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো অভিযোগের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ‎

আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। পার্বত্য অঞ্চলে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ‎

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহাজাহান কামাল বলেন, অস্ত্রসহ পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) সদস্যকে আটকের পর থানায় হস্তান্তর করে সেনাবাহিনী। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে।

কবিতার নাম : “ শিক্ষক ’’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫১ পিএম
পাহাড় কেটে রিসোর্ট নির্মাণ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের কঠোর হুঁশিয়ারী

“ শিক্ষক ’’

লেখিকা : স্বপ্না আকতার

শিক্ষক মানে পিতা মাতার মতো

অনেক ভালোবাসা,

শিক্ষক মানে পড়ালেখায় এগিয়ে নিয়ে যাওয়া

শিক্ষক মানে পড়ালেখার পাশাপাশি অনেক আনন্দ করা।

শিক্ষক মানে পিতা মাতার পরে দ্বিতীয় পিতা-মাতা

শিক্ষক মানে লেখাপড়ায় ভালো ফলাফল করানো,

শিক্ষক মানে আদর করে মায়ের মতো পড়ানো।

বাতকস কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:০৩ পিএম
পাহাড় কেটে রিসোর্ট নির্মাণ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের কঠোর হুঁশিয়ারী

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থা (বাতকস) কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান। তিনি মঙ্গলবার (৩রা মার্চ) সকালে নিজ রাঙ্গামাটির নিজ বাস ভবনে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল  বিনিময় করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাতকস কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক মিলন কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা (অবসরপ্রাপ্ত), সুচিত্রা তঞ্চঙ্গ্যা ও কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির মহাসচিব উজ্জ্বল তঞ্চঙ্গ্যা।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বিশ্বজিত তঞ্চঙ্গ্যা ও যুগ্ম-মহা সচিব  শাক্য মিত্র তঞ্চঙ্গ্যা, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজিব কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, অর্থ সম্পাদক অজিত কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রত্না তঞ্চঙ্গ্যা, সহ গ্রন্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক চন্দ্র সেন তঞ্চঙ্গ্যাসহ কেন্দ্রীয় ও অঞ্চল কমিটির নেতৃবৃন্দ।

সৌজন্য সাক্ষাতে মন্ত্রীর সঙ্গে কমিটির কৌশল বিনিময় হয়। এসময়  তঞ্চঙ্গ্যা জাতির সুরক্ষা জন্য শিক্ষা, সংস্কৃতি, অবকাঠামো উন্নয়ন, ভাষা রক্ষা এবং সদস্য পদসহ ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

×