সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম:

ঋতুরাজ বসন্তকে রাঙিয়ে তুলতে ফোটেছে শিমুল ফুল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১ মার্চ, ২০২৬, ১১:১০ এএম
24 বার পড়া হয়েছে
ঋতুরাজ বসন্তকে রাঙিয়ে তুলতে ফোটেছে শিমুল ফুল

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ :

বিলাইছড়িতে গোডাউন,ক্লোনি,হাসপাতাল এবং উপজেলা এলাকার শিমুল গাছগুলো সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে। এক একটি গাছ প্রায় ১২ থেকে ১৮ ফুটের উপড়ে। বিশালকায় এই গাছগুলো যেন পাখিদের আবাসস্থল হয়েছে। প্রতিদিন শালিক, ফিঙে, ঘুঘু,কাক,চড়ুই পাখি ও অন্যান্য পাখির কলকাকলিতে মুখর। ভোরে ঘুম থেকে জেগে তুলে এবং সন্ধ্যায় ঘুমিয়ে দেয়। সেদিকে আসা পথিকরা মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকেন। বসন্ত কালে ফোটে। এইসময় গাছে গাছে জেগে উঠেছে সবুজ পাতা আর আমের মুকুল দেখে বোঝা যায় শীত বিদায় নিয়ে আবার এসেছে ফাগুন, ফিরেছে বসন্ত কাল। ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে আবহমান গ্রাম বাংলার প্রকৃতিকে রাঙিয়ে তুলেছে নয়নাভিরাম শিমুল ফুলের মেলা। কিন্তু কালের বিবর্তনে অগ্নি ঝরা ফাগুনে চোখ ধাঁধানো গাঢ় লাল রঙের অপরূপ সাজে সজ্জিত শিমুল গাছ বিলাইছড়িতে তেমন আর দেখা যায় না। স্থানীয় ভাষায় তুলা গাছ নামে চিনে।অসাধু ব্যবসায়ীরা কেটে শেষ করে ফেলেছে। উপজেলা ও বাজার এলাকায় ৫ -৭ টি বড় বড় শিমুল গাছ দেখা গেলেও গ্রামাঞ্চলে তেমন আর দেখা যায় না।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে বয়স্ক মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে,আগে গ্রামের অধিকাংশ বাড়ির আনাচে-কানাচে, সরকারি রাস্তায়, পতিত ভিটায় প্রচুর শিমুল গাছ দেখা যেত। গাছে গাছে ফোটা শিমুল ফুলই মনে করিয়ে দিত বসন্তের আগমনী বার্তা। কৃষিতে আধুনিকতার ছোঁয়ায় অনেক ফুলের দেখা মিললেও চোখে পড়েনা সেই চোখ ধাঁধানো গাঢ় লাল রঙ্গের শিমুল ফুল। শিমুল গাছ ধ্বংস করায় পরিবেশে পড়েছে নেতিবাচক প্রভাব। বসন্তের বার্তাবাহক গাছ বিলুপ্তির জন্য কৃষি বিভাগের উদাসিনতাকে দায়ী করছেন অনেকে।

শিমুল গাছ বসন্তের শুরুতেই ফুল ফোটে। চৈত্র মাসের শেষের দিকে ফল পুষ্ট হয়। বৈশাখ মাসের দিকে ফলগুলো পেকে শুকিয়ে গিয়ে বাতাসে আপনা-আপনিই ফল ফেটে প্রাকৃতিকভাবে তুলার সঙ্গে উড়ে উড়ে দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে পড়া বীজ থেকেই এর জন্ম হয়। প্রাকৃতিকভাবেই শিমুল গাছ বেড়ে উঠে। বিলাইছড়ি উপজেলা, গোডাউন, হাসপাতাল, ক্লোনি এলাকা শিমুল গাছগুলো কাটা হয় না বলে সবার মন কেড়ে নিচ্ছে। ছোটবেলায় দেখেছি বাড়ির লেপ, তোষক, বালিশ তৈরী করা হতো শিমুল তুলা দিয়ে। প্রাকৃতিকভাবে তুলা আহরণের অন্যতম অবলম্বন শিমুল গাছ। এ গাছে বিভিন্ন ধরনের পাখি বাসা বেঁধে বসবাস করতো। শিমুল ফুলগুলো অনেকে মাছ,ইছা সাথে তরকারি হিসেবে খেয়ে থাকে।পাহাড়িরা সিদ্ধ করে শুটকির সঙ্গে মরিচ মিশিয়েও খেয়ে থাকে।

গাছ উজাড় হওয়ায় পাখিরা আবাসস্থল হারিয়ে অস্তিত্ব সংকটে এবং ধিরে ধিরে এসব পাখিরাও হারিয়ে যাচ্ছে। সরকারী ভাবে উদ্যোগ গ্রহন করলে একটি বড় ধরনের শিমুল গাছ থেকে তুলা বিক্রি করে কয়েক হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। শিমুল ঔষধি গাছ হিসাবে সুপরিচিত। উপকারী গাছটি বিলুপ্তির পথে। শিমুল গাছের চারা রোপণে কৃষকের উদাসীনতার পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি কোনো উদ্যোগ না থাকাকে বিলুপ্তির কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। সরকারী খাস জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বড়বড় রাস্তার ধারে কৃষি বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগ শিমুল গাছ রোপনের কর্মসূচি গ্রহনের দাবী এলাকাবাসীর।

বম জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৫ পিএম
ঋতুরাজ বসন্তকে রাঙিয়ে তুলতে ফোটেছে শিমুল ফুল

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম যমুনাছড়ির বম জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান। তিনি রবিবার (১ মার্চ) দুপুরে রাঙ্গামাটির নিজ বাসভবনে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন আসন্ন জেলা পরিষদ সদস্য পদে মানোন্নয়ন প্রার্থী বিএনপির নেতা এবং যমুনাছড়ি বম পাড়ার হেডম্যান রিনলম পালম বম।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পালক প্রধান রবার্ট বম সহ অন্যান্য বম নেতা ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ। সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, শান্তি-শৃঙ্খলা ও সামাজিক অগ্রগতি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এ সময়  রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য হিসেবে বম জনগোষ্ঠী হতে একজন মনোনয়নের পাওয়ার দাবি জানান। তিনি সবার কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং এলাকার উন্নয়নে একযোগে কাজ করার আশ্বাস দেন।

দুর্গম সাজেকে বাঘাইহাট ৫৪ বিজিবির ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১ মার্চ, ২০২৬, ৩:২০ পিএম
ঋতুরাজ বসন্তকে রাঙিয়ে তুলতে ফোটেছে শিমুল ফুল

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

দুর্গম পাহাড়ি জনপদ সাজেক ভ্যালি এলাকায় মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বাঘাইহাট ৫৪ বিজিবি ব্যাটালিয়ন।

বরিবার ১ মার্চ বাঘাইহাট ৫৪ বিজিবির জোন অধিনায়ক লে: কর্ণেল মো: মহিউদ্দিন ফারুকী বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম সাজেক ইউনিয়নের মাচালং ৯নং ত্রিপুরা পাড়ায় হত দরিদ্র পাহাড়িদের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ আর্থীক সহায়তা তুলে দেন।

এসময় লে: কর্ণেল মহিউদ্দিন ফারুকী বলেব বিজিবি সিমান্ত নিরাপক্তার পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলের সুবিধা বঞ্চিত অসহায় মানুষের পাশে মানবিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। এই কার্যত্রুম ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যহত থাকবে বলে জানা মহিউদ্দিন ফারুকী। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির দায়িত্বের অংশ। স্থানীয়দের জীবনমান উন্নয়ন ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীরা বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, দুর্গম এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা সীমিত হওয়ায় এমন সহায়তা তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য, বাঘাইহাট ৫৪ বিজিবি ব্যাটালিয়ন নিয়মিতভাবে পাহাড়ি অঞ্চলে সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অগ্রগতি নিয়ে দীপেন দেওয়ান এর সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১ মার্চ, ২০২৬, ২:৪৯ পিএম
ঋতুরাজ বসন্তকে রাঙিয়ে তুলতে ফোটেছে শিমুল ফুল

 

এম এস শ্রাবন মাহমুদ :

রবিবার (১ মার্চ) ‘২৬ খ্রিঃ সকাল ১০ঃ৩০ মিনিটের সময় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এর সম্মেলন কক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এর সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী’র সভাপতিত্বেঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, এমপি’র উপস্থিতিতে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা, জনসেবামূলক কার্যক্রম জোরদার করা এবং সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।

মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে সমন্বয়ের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান ও উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের নির্দেশনা প্রদান করেন।

×