বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম:

আলীকদমে বন্যপ্রাণী-বন সংরক্ষণে সিসিএ’র আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩ মার্চ, ২০২৬, ২:১৫ পিএম
2 বার পড়া হয়েছে
আলীকদমে বন্যপ্রাণী-বন সংরক্ষণে সিসিএ’র আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

 

‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ, ‎ আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি: ‎ ‎

বান্দরবানের আলীকদমে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বেসরকারি সংস্থা Creative Conservation Alliance (CCA)–এর উদ্যোগে “Integrating Conservation with Poverty Alleviation” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‎মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বেলা ১১ ঘটিকার সময় আলীকদমে দারিদ্র্য বিমোচনের সাথে বন্যপ্রাণী ও বন সংরক্ষণ সমন্বয়ে সিসিএ’র বেসরকারি সংস্থা Creative Conservation Alliance (CCA)–এর উদ্যোগে “Integrating Conservation with Poverty Alleviation” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ‎

‎সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুর আলম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, আলীকদম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোহেল রানা, আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবু হানিফসহ আলীকদম উপজেলার বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন পাড়ার কারবারি, মিডিয়া কর্মী, এনজিও সংস্থা BRAC–এর এরিয়া ও জোনাল ম্যানেজার, সিসিএ’র দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গসহ অংশগ্রহণ করেন।

‎আলোচনা সভায় সিসিএ’র প্রতিনিধিরা আলীকদম উপজেলার Sangu Reserve Forest ও Matamuhuri Reserve Forest এলাকায় ক্যামেরা ট্র্যাপিং কার্যক্রমের মাধ্যমে বন্যপ্রাণীর অবস্থান নির্ণয়ের অগ্রগতি তুলে ধরেন। তারা জানান, এ দুই রিজার্ভ ফরেস্ট এলাকায় বিলুপ্তপ্রায় ও বিপন্ন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ‎বিশেষভাবে সংরক্ষণের আওতায় থাকা বন্যপ্রাণীর মধ্যে রয়েছে সোনালী বিড়াল, চিতাবাঘ, বন কুকুর, সূর্য ভাল্লুক, বনরুই, বনগরু, বন ছাগল, চাম্বা হরিণ ও উল্লুকসহ বিভিন্ন প্রজাতি। এসব প্রাণী পাচার রোধ, প্রাকৃতিক আবাসস্থল রক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট আইনগত বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

‎সভায় বক্তারা বলেন, বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কেবল পরিবেশ সুরক্ষার বিষয় নয়; এটি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবিকায়নের সাথেও গভীর ভাবে সম্পৃক্ত। দারিদ্র্য বিমোচন ও সংরক্ষণ কার্যক্রমকে সমন্বিত ভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে আলীকদম উপজেলায় একটি টেকসই উন্নয়ন মডেল গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

‎আলোচনা সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা সংরক্ষণ কার্যক্রমে স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি ও সচেতনতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।

লামায় অস্ত্র ও গুলিসহ ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক)-এর দুই সদস্য আটক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩ মার্চ, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
আলীকদমে বন্যপ্রাণী-বন সংরক্ষণে সিসিএ’র আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

 

‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ, ‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎বান্দরবানের লামায় সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক)-এর দুই সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে। ‎সোমবার (২ মার্চ) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে লামা উপজেলার লুলাইং এলাকার মারাইত্তা বাজারে সশস্ত্র অবস্থায় কয়েকজন ব্যক্তি চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করেন।

স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা একজনকে আটক করে সেনাবাহিনীর লুলাইং ক্যাম্পে হস্তান্তর করেন। আটককৃত ব্যক্তির সরই ইউনিয়নের ঢেঁকিছড়া পাড়ার বাসিন্দা মেনসিং ম্রো ছেলে প্রেনপং ম্রো। ‎সেনাবাহিনীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি অস্ত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে চাঁদাবাজির চেষ্টার কথা স্বীকার করেন বলে জানা গেছে। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মারাইত্তা বাজার সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাটির নিচে লুকানো একটি পিস্তল ও ১৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।‎

এদিকে একই দিনে আটক ব্যক্তির ভাই তং পং মোরং গজালিয়া এলাকায় অবস্থিত একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। তবে জিজ্ঞাসাবাদে তার বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো অভিযোগের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ‎

আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। পার্বত্য অঞ্চলে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ‎

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহাজাহান কামাল বলেন, অস্ত্রসহ পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) সদস্যকে আটকের পর থানায় হস্তান্তর করে সেনাবাহিনী। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে।

কবিতার নাম : “ শিক্ষক ’’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫১ পিএম
আলীকদমে বন্যপ্রাণী-বন সংরক্ষণে সিসিএ’র আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

“ শিক্ষক ’’

লেখিকা : স্বপ্না আকতার

শিক্ষক মানে পিতা মাতার মতো

অনেক ভালোবাসা,

শিক্ষক মানে পড়ালেখায় এগিয়ে নিয়ে যাওয়া

শিক্ষক মানে পড়ালেখার পাশাপাশি অনেক আনন্দ করা।

শিক্ষক মানে পিতা মাতার পরে দ্বিতীয় পিতা-মাতা

শিক্ষক মানে লেখাপড়ায় ভালো ফলাফল করানো,

শিক্ষক মানে আদর করে মায়ের মতো পড়ানো।

বাতকস কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:০৩ পিএম
আলীকদমে বন্যপ্রাণী-বন সংরক্ষণে সিসিএ’র আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থা (বাতকস) কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান। তিনি মঙ্গলবার (৩রা মার্চ) সকালে নিজ রাঙ্গামাটির নিজ বাস ভবনে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল  বিনিময় করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাতকস কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক মিলন কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা (অবসরপ্রাপ্ত), সুচিত্রা তঞ্চঙ্গ্যা ও কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির মহাসচিব উজ্জ্বল তঞ্চঙ্গ্যা।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বিশ্বজিত তঞ্চঙ্গ্যা ও যুগ্ম-মহা সচিব  শাক্য মিত্র তঞ্চঙ্গ্যা, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজিব কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, অর্থ সম্পাদক অজিত কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রত্না তঞ্চঙ্গ্যা, সহ গ্রন্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক চন্দ্র সেন তঞ্চঙ্গ্যাসহ কেন্দ্রীয় ও অঞ্চল কমিটির নেতৃবৃন্দ।

সৌজন্য সাক্ষাতে মন্ত্রীর সঙ্গে কমিটির কৌশল বিনিময় হয়। এসময়  তঞ্চঙ্গ্যা জাতির সুরক্ষা জন্য শিক্ষা, সংস্কৃতি, অবকাঠামো উন্নয়ন, ভাষা রক্ষা এবং সদস্য পদসহ ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

×