সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম:

“পাহাড়ি-বাঙালি সম্প্রীতির সেতুবন্ধন” কাপ্তাইয়ে জেলা পরিষদ সদস্য পদে আলোচনায় মানবিক নেতা অজিত কুমার তঞ্চঙ্গ্যা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৭ পিএম
8 বার পড়া হয়েছে
“পাহাড়ি-বাঙালি সম্প্রীতির সেতুবন্ধন” কাপ্তাইয়ে জেলা পরিষদ সদস্য পদে আলোচনায় মানবিক নেতা অজিত কুমার তঞ্চঙ্গ্যা

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের আসন্ন অন্তর্বর্তীকালীন কাপ্তাই উপজেলা থেকে সদস্য পদে আলোচনায় উঠে এসেছেন এক মানবিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব অজিত কুমার তঞ্চঙ্গ্যা। কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়ন সাপছড়ি তঞ্চঙ্গ্যা পাড়ার এই কৃতী সন্তান তাঁর দীর্ঘ সরকারি কর্মজীবন শেষে বর্তমানে পাহাড়ের মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। স্থানীয়দের মতে, পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের সমন্বয়ে তিনি এক অনন্য আস্থার নাম।

​১৯৭০ সালে ওয়াগ্গা ইউনিয়নের এক তঞ্চঙ্গ্যা পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন অজিত কুমার তঞ্চঙ্গ্যা। তাঁর পিতা মৃত শ্লোকধন তঞ্চঙ্গ্যা এবং মাতা কন্যাবি তঞ্চঙ্গ্যা। ১৯৮৯ সালে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীনে বস্ত্র অধিদপ্তরে স্টোর কিপার হিসেবে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। দীর্ঘ ২৭ বছর সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন শেষে ২০১৬ সালে তিনি সরকারি চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন। সেই দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাই এখন তাঁর সামাজিক ও সাংগঠনিক নেতৃত্বের মূল শক্তি।

​সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বে সফল পদচারণা অজিত কুমার তঞ্চঙ্গ্যা বর্তমানে বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থা (বাতকস)- এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির কোষাধ্যক্ষ এবং কাপ্তাই অঞ্চল কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি সংস্থাটির সাংগঠনিক ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিজ সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করেছেন। সমাজ ও ধর্মের কল্যাণে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন,ওয়াগ্গা-সাপছড়ি বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটি সভাপতি ও ওয়াগ্গা-সাপছড়ি শ্মশান রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন পরিচালনা কমিটি ​সাধারণ সম্পাদক।স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নের প্রধান শর্ত হলো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। অজিত কুমার তঞ্চঙ্গ্যা দীর্ঘদিন ধরে কাপ্তাইয়ের পাঁচটি ইউনিয়নের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর বিনয়ী আচরণ ও নির্লোভ মানসিকতা পাহাড়ি এবং বাঙালি—উভয় জনগোষ্ঠীর মানুষের কাছে তাঁকে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। তিনি রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন; বিশেষ করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯নং আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে তাঁর সাংগঠনিক ও সমন্বয় ক্ষমতা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

​কাপ্তাইয়ের তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, সরকার তঞ্চঙ্গ্যা জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি হিসেবে তাঁর দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড বিবেচনা করে তাঁকে জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তী সদস্য হিসেবে মনোনীত করবেন। এলাকাবাসীর বিশ্বাস, অজিত কুমার তঞ্চঙ্গ্যার অন্তর্ভুক্তি কাপ্তাইয়ের সামাজিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে এবং পার্বত্য অঞ্চলের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উন্নয়নে এক নতুন মাত্রা যুক্ত করবে।

বম জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৫ পিএম
“পাহাড়ি-বাঙালি সম্প্রীতির সেতুবন্ধন” কাপ্তাইয়ে জেলা পরিষদ সদস্য পদে আলোচনায় মানবিক নেতা অজিত কুমার তঞ্চঙ্গ্যা

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম যমুনাছড়ির বম জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান। তিনি রবিবার (১ মার্চ) দুপুরে রাঙ্গামাটির নিজ বাসভবনে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন আসন্ন জেলা পরিষদ সদস্য পদে মানোন্নয়ন প্রার্থী বিএনপির নেতা এবং যমুনাছড়ি বম পাড়ার হেডম্যান রিনলম পালম বম।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পালক প্রধান রবার্ট বম সহ অন্যান্য বম নেতা ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ। সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, শান্তি-শৃঙ্খলা ও সামাজিক অগ্রগতি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এ সময়  রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য হিসেবে বম জনগোষ্ঠী হতে একজন মনোনয়নের পাওয়ার দাবি জানান। তিনি সবার কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং এলাকার উন্নয়নে একযোগে কাজ করার আশ্বাস দেন।

দুর্গম সাজেকে বাঘাইহাট ৫৪ বিজিবির ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১ মার্চ, ২০২৬, ৩:২০ পিএম
“পাহাড়ি-বাঙালি সম্প্রীতির সেতুবন্ধন” কাপ্তাইয়ে জেলা পরিষদ সদস্য পদে আলোচনায় মানবিক নেতা অজিত কুমার তঞ্চঙ্গ্যা

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

দুর্গম পাহাড়ি জনপদ সাজেক ভ্যালি এলাকায় মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বাঘাইহাট ৫৪ বিজিবি ব্যাটালিয়ন।

বরিবার ১ মার্চ বাঘাইহাট ৫৪ বিজিবির জোন অধিনায়ক লে: কর্ণেল মো: মহিউদ্দিন ফারুকী বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম সাজেক ইউনিয়নের মাচালং ৯নং ত্রিপুরা পাড়ায় হত দরিদ্র পাহাড়িদের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ আর্থীক সহায়তা তুলে দেন।

এসময় লে: কর্ণেল মহিউদ্দিন ফারুকী বলেব বিজিবি সিমান্ত নিরাপক্তার পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলের সুবিধা বঞ্চিত অসহায় মানুষের পাশে মানবিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। এই কার্যত্রুম ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যহত থাকবে বলে জানা মহিউদ্দিন ফারুকী। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির দায়িত্বের অংশ। স্থানীয়দের জীবনমান উন্নয়ন ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীরা বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, দুর্গম এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা সীমিত হওয়ায় এমন সহায়তা তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য, বাঘাইহাট ৫৪ বিজিবি ব্যাটালিয়ন নিয়মিতভাবে পাহাড়ি অঞ্চলে সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অগ্রগতি নিয়ে দীপেন দেওয়ান এর সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১ মার্চ, ২০২৬, ২:৪৯ পিএম
“পাহাড়ি-বাঙালি সম্প্রীতির সেতুবন্ধন” কাপ্তাইয়ে জেলা পরিষদ সদস্য পদে আলোচনায় মানবিক নেতা অজিত কুমার তঞ্চঙ্গ্যা

 

এম এস শ্রাবন মাহমুদ :

রবিবার (১ মার্চ) ‘২৬ খ্রিঃ সকাল ১০ঃ৩০ মিনিটের সময় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এর সম্মেলন কক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এর সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী’র সভাপতিত্বেঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, এমপি’র উপস্থিতিতে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা, জনসেবামূলক কার্যক্রম জোরদার করা এবং সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।

মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে সমন্বয়ের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান ও উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের নির্দেশনা প্রদান করেন।

×