রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম:

আইন পেশায় বিশেষ অবদানের জন্য শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ পেলেন এ্যাড. বিউটি দত্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০১ এএম
1 বার পড়া হয়েছে
আইন পেশায় বিশেষ অবদানের জন্য শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ পেলেন এ্যাড. বিউটি দত্ত

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :

আইন পেশায় অসামান্য অবদান এবং শিক্ষামূলক কাজে বিশেষ সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ লাভ করেছেন তিনি।

অবিভক্ত বাংলার অবিসংবাদিত নেতা শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হকের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তাকে এই মর্যাদাপূর্ণ গোল্ড মেডেল প্রদান করা হয়।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল)২৬ খ্রিঃ বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কঁচি-কাঁচা মেলা অডিটোরিয়ামে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক স্মৃতি পরিষদ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেরে বাংলার দৌহিত্র, সাবেক তথ্য সচিব ও বিটিআরসির সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ। শিক্ষকতার পাশাপাশি, আইন পেশায় ও বিশেষ অবদান রাখেন এ্যাড. বিউটি দত্ত।

পুরস্কার প্রাপ্তির পর এক প্রতিক্রিয়ায় অ্যাড. বিউটি দত্ত
বলেন, যেকোনো স্বীকৃতিই কাজের গতি ও দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে দেয়। শেরে বাংলার মতো মহান নেতার নামে এই সম্মাননা পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ড. মো. আবু তারিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হামিদা খানম এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) প্রফেসর ডা. নাজমা বেগম নাজু।
উল্লেখ্য, ব্যবসা, রাজনীতি, সাংবাদিকতা ও সমাজসেবাসহ মোট ২০টি ক্যাটাগরিতে সমাজের শ্রেষ্ঠ ও সফল ব্যক্তিত্বদের এ বছর ‘শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়।

বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে দেশের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পাহাড়ের নৈসর্গিকতা যেখানে মেঘ আর মাটি মেশে এক বিন্দুতে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৯ পিএম
আইন পেশায় বিশেষ অবদানের জন্য শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ পেলেন এ্যাড. বিউটি দত্ত

 

ছন্দ সেন চাকমা, বিশেষ প্রতিবেদক :

​প্রকৃতি কেবল দেখার বিষয় নয়, প্রকৃতি হলো অনুভবের গভীর এক জগত। যান্ত্রিক জীবনের কোলাহল যখন আমাদের আত্মাকে ক্লান্ত করে তোলে, তখন পাহাড় আমাদের ডাকে এক পরম আশ্রয়ের মতো। নিচে সাজেকের মেঘরাজ্য, বান্দরবানের উচ্চতা আর রাঙ্গামাটির শান্ত জলের এক আত্মিক রূপরেখা তুলে ধরা হলো:

বান্দরবান: আকাশের সাথে মিতালি

নীলগিরি বা নীলাচলে দাঁড়িয়ে যখন মেঘের টুকরো আপনার শরীর ছুঁয়ে যাবে, তখন মনে হবে আপনি মাটির মানুষ নন, বরং আকাশের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। বোগা লেকের স্বচ্ছ জল আর পাহাড়ের খাঁজে লুকিয়ে থাকা ছোট ছোট গ্রামগুলো আমাদের শেখায়—জীবন কতটা সহজ ও সুন্দর হতে পারে। পাহাড়ি ঝর্ণার পতন আর আদিবাসীদের সরল জীবনযাপন আপনাকে মনে করিয়ে দেয় যে, সত্যিকারের সুখ চাকচিক্যে নয়, বরং প্রকৃতির সাথে একাত্ম হয়ে শ্বাস নেওয়ার মাঝে।

রাঙ্গামাটি: জলের আয়নায় আত্মদর্শন

কাপ্তাই হ্রদের নীল জল যখন পাহাড়ের সবুজকে আয়নার মতো প্রতিফলিত করে, তখন হৃদয়ে এক অপার্থিব প্রশান্তি নেমে আসে। নৌকায় ভেসে যাওয়ার সময় কেবল জলের শব্দ আর পাহাড়ের ছায়া আপনাকে সঙ্গ দেবে। রাজবন বিহারের পবিত্র শান্ত পরিবেশ যেন ফিসফিস করে বলে—সব অস্থিরতা মুছে ফেলে নিজের ভেতরের শান্ত সত্তাকে খুঁজে নাও। ঝুলন্ত সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে যখন নিচে অতল জলরাশির দিকে তাকাবেন, তখন মনে হবে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বিশালতার কাছে আমাদের সব দম্ভ কতটা তুচ্ছ।

পাহাড় কেবল পাথর আর মাটির স্তূপ নয় ;

পাহাড় হলো ধৈর্যের প্রতীক, মেঘ হলো পবিত্রতা আর জল হলো বহমান জীবনের নাম। যান্ত্রিকতার শিকল ভেঙে একবার পাহাড়ের এই শান্তির নীড়ে হারিয়ে যান। দেখবেন, পাহাড় আপনার ক্লান্তি কেড়ে নিয়ে আপনাকে ফিরিয়ে দিচ্ছে এক নতুন প্রাণশক্তি।

​সাজেক: মেঘের চাদরে আধ্যাত্মিক অবগাহন

​সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৮০০ ফুট উঁচুতে দাঁড়িয়ে যখন আপনি মেঘের সমুদ্র দেখবেন, তখন মনে হবে পৃথিবী আর আকাশের সীমানা মিলেমিশে এক হয়ে গেছে। রুইলুই আর কংলাক পাড়ার চূড়ায় দাঁড়ালে জাগতিক সব দুশ্চিন্তা মেঘের মতোই হালকা হয়ে বাতাসে মিলিয়ে যায়। ভোরের প্রথম আলো যখন পাহাড়ের গায়ে পড়ে, তখন মনে হয় সৃষ্টিকর্তা নিজ হাতে পাহাড়ের কপালে সোনালি তিলক এঁকে দিচ্ছেন। এই নিস্তব্ধতায় আপনি কেবল নিজের হৃদস্পন্দন আর প্রকৃতির নীরব গান শুনতে পাবেন—যা কোনো প্রার্থনার চেয়ে কম নয়।

থামুন, গভীর শ্বাস নিন এবং এই অপার সৃষ্টিকে ভালোবাসুন। কারণ প্রকৃতির কোলেই লুকিয়ে আছে মানুষের পরম মুক্তি।

অসুস্থ শরীর নিয়ে চট্টগ্রামে জব্বারের বলিখেলায় টানা তিনবারের চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা হুমনার বাঘা শরীফ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০৫ পিএম
আইন পেশায় বিশেষ অবদানের জন্য শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ পেলেন এ্যাড. বিউটি দত্ত

 

ষ্টাফ রিপোর্টার :

২৫ মিনিটের টানটান উত্তেজনায় প্রতিপক্ষ রাশেদ বলিকে হারিয়ে তিনি তার জয়লাভ করেন! সত্যিই এমন একটা উৎসবমুখর আয়োজনের জন্য পুরো চট্টগ্রামের মানুষ বছর ধরেই অপেক্ষা করে বসে থাকে। গোটা চট্টগ্রাম থেকে তো বটেই, অনেক দূর-দূরান্ত থেকেও মানুষ এই খেলা দেখতে ভীড় জমিয়েছেন কয়েক কিলোমিটারজুড়ে।

হাজার হাজার মানুষের হাসি-আড্ডা আর আনন্দের আসর হয়েছে পুরো লালদিঘীর আশপাশ। দেশের অন্য কোনো জেলায় এতো বড় মেলা আর বলিখেলার আয়োজন হয় না বলেই চট্টগ্রাম এদিক দিয়ে সেরা।

১৯০৯ সালে বদরপাতি এলাকার ব্যবসায়ী আবদুল জব্বার সওদাগরের শুরু করা এই বলীখেলার আসর আজও মুখরিত।

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের তরুণদের শক্তি ও সাহস জাগিয়ে তুলতেই শুরু হয়েছিল এই আয়োজন। তবে ধীরে ধীরে তা চট্টগ্রামের মানুষের অন্যতম বড় ও প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়েছে। তাই চট্টগ্রামকে আজও বলা হয় বলীর দেশ।

প্রতিবছর ১২ বৈশাখ লালদীঘি মাঠে বসে এই বলীখেলা।
একে ঘিরে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে জমে ওঠে বৈশাখী মেলা। কেনাবেচা, আড্ডা আর মানুষের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

কাপ্তাইয়ে বিএনপি নেতার বাসায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি, নগদ টাকা ও অলঙ্কার লুটে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১২ পিএম
আইন পেশায় বিশেষ অবদানের জন্য শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ পেলেন এ্যাড. বিউটি দত্ত

ছবি – প্রতিকী

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় সন্ধ্যায় এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জাফর আহমদ স্বপনের শিলছড়িস্থ বাসভবনে হানা দিয়ে নগদ টাকা ও মূল্যবান অলঙ্কার লুট করে নিয়ে গেছে অজ্ঞাত পরিচয় ডাকাত দল।

​শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়নের শিলছড়ি ওয়াপদা কলোনিতে এই ঘটনা ঘটে।

​ভুক্তভোগী জাফর আহমদ স্বপন জানান, ঘটনার সময় তার বাড়িতে কেবল তার পুত্রবধু অবস্থান করছিলেন। বাড়ির কোনো পুরুষ সদস্য না থাকার সুযোগে মুখে মাস্ক ও হাতে গ্লাভস পরা দুই জন অজ্ঞাত ব্যক্তি পেছনের দরজা দিয়ে অতর্কিত ঘরে প্রবেশ করে।

​ডাকাতরা তার পুত্রবধূর গলায় ধারালো ছুরি ধরে প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং আলমারির চাবি ছিনিয়ে নেয়। এরপর তারা ঘরের আলমারি ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে তল্লাশি চালায়। লুণ্ঠিত মালামালের মধ্যে রয়েছে,

​নগদ ৩ হাজার টাকা  একটি রুপার চেইন পালিয়ে যাওয়ার সময় ডাকাতরা এই বিষয়ে কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দিয়ে যায়। তবে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

​ঘটনার পরপরই কাপ্তাই থানায় মৌখিকভাবে জানানো হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কাপ্তাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,”খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছি। তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

​সন্ধ্যায় কলোনির ভেতর এমন চুরিবৃত্ত ও ডাকাতির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসী এই ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

×