মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম:

পুলিশের ভুলভ্রান্তি নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে সেটি আমি কখনো নেগেটিভদেখিনা —– সিএমপি কমিশনার হাসান মোঃ শতকত আলী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৮ পিএম
2 বার পড়া হয়েছে
পুলিশের ভুলভ্রান্তি নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে সেটি আমি কখনো নেগেটিভদেখিনা —– সিএমপি কমিশনার হাসান মোঃ শতকত আলী

স্টাফ রিপোর্টার :

পুলিশের ভুলভ্রান্তি নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে নেগেটিভলি দেখি না বরং এতে নিজেদের সংশোধন করার বার্তা খুঁজে পায়- সিএমপি কমিশনার। পুলিশের ভুলভ্রান্তি নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে নেগেটিভলি দেখেন না উল্লেখ করে সিএমপি কমিশনার জানান, অনেকে মনে করেন আমাদের সম্পর্কে কোনো নিউজ হওয়া মানেই সেটি নেতিবাচক। কিন্তু আমি বিষয়টিকে সেভাবে দেখি না। প্রতিটি সংবাদের ভেতরেই আমার জন্য কোনো না কোনো বার্তা থাকে। সেখানে ভুল শুধরে নেওয়ার সুযোগ থাকে, শেখারও সুযোগ থাকে। সংবাদের নির্যাসটুকু নিয়ে আমরা আমাদের কাজ আরও উন্নত করার চেষ্টা করি। সামাজিক মাধ্যমের নেতিবাচক মন্তব্য দেখেও বিচলিত হন না তিনি। ফেসবুকে কোনো অভিযোগ বা মন্তব্য দেখলে সেটির স্ক্রিনশট নিয়ে কর্মকর্তাদের দিয়ে যাচাই করতে বলি। জনগণের সরাসরি প্রতিক্রিয়া পাওয়ার এটি একটি বড় মাধ্যম।

সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন শওকত আলী।
আপনারা সাধারণ মানুষের জন্য এবং প্রশাসনের সহায়তায় মাঠপর্যায়ে কাজ করেন। অনেক তথ্য আমাদের অজানা থেকে যায়। সাংবাদিকরাই খুঁজে বের করেন।

আমি যদি সেই তথ্যগুলো ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করি তাহলে সেটি সমাজের জন্যই মঙ্গলজনক হবে।
গণমাধ্যমকে প্রশাসনের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করে -শওকত আলী বলেছিলেন পুলিশ ও সাংবাদিকরা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করলে নগরবাসীকে আরও উন্নত সেবা দেওয়া সম্ভব।
চট্টগ্রামে কর্মরত কয়েকজন সাংবাদিকদের সাথে উনার অফিসে আজ সোমবার শুভেচ্ছো বিনিময়কালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মোঃ শওকত আলী এসব বক্তব্য রাখেন।

পুলিশের ভুলভ্রান্তি নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে নেগেটিভলি দেখি না বরং এতে নিজেদের সংশোধন করার বার্তা খুঁজে পায়- সিএমপি কমিশনার।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শিকার কাপ্তাইয়ে ১৬ কেজির মহাবিপন্ন বাঘা আইড় জব্দ, ধ্বংস করে মাটিচাপা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২৮ এএম
পুলিশের ভুলভ্রান্তি নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে সেটি আমি কখনো নেগেটিভদেখিনা —– সিএমপি কমিশনার হাসান মোঃ শতকত আলী

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি কাপ্তাইয়ে বন বিভাগের বিশেষ অভিযানে বিপন্ন প্রজাতির একটি বিশালাকৃতির ‘বাঘা আইড়’ মাছ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার জেটিঘাট এলাকা থেকে ১৬ কেজি ওজনের মাছটি জব্দ করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে সেটিকে ধ্বংস করে মাটিচাপা দিয়েছে বন বিভাগ।

বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদে মাছের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারিভাবে ৩ মাসের মাছ ধরা নিষিদ্ধ রয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এক জেলে কর্ণফুলী নদী বা হ্রদ থেকে ১৬ কেজি ওজনের একটি বাঘা আইড় শিকার করেন। মাছটি গোপনে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা হলে মো. লিয়াকত নামে এক ব্যবসায়ী প্রতি কেজি ১ হাজার টাকা দরে মোট ১৬ হাজার টাকায় সেটি কিনে নেন।

​গোপন সংবাদ পেয়ে কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রহমানের নেতৃত্বে জেটিঘাট এলাকায় অভিযান চালায় বন বিভাগ। এসময় ব্যবসায়ী লিয়াকতের কাছ থেকে মাছটি উদ্ধার করা হয়। মাছটি লম্বায় প্রায় ৪ ফুট এবং ওজনে ১৬ কেজি ছিল।

​বন বিভাগ জানায়, বাঘা আইড় (Bagarius bagarius) বর্তমানে বাংলাদেশে ‘লাল তালিকাভুক্ত’ একটি মহাবিপন্ন প্রজাতি। বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ী এই মাছ শিকার, পরিবহন ও কেনাবেচা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

​পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) এস এম সাজ্জাদ হোসেনের নির্দেশনায়, উদ্ধারকৃত মাছটি রাত সাড়ে ৯টার দিকে কেটে কেরোসিন তেল মিশিয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়, যাতে কেউ এটি ব্যবহার করতে না পারে।

অভিযান ও ধ্বংসকরণ প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন,কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ, কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান, কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রহমান ও বন বিভাগের অন্যান্য কর্মচারীবৃন্দ।

​কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রহমান জানান, হ্রদে মাছ ধরার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা এবং বিপন্ন বন্যপ্রাণী রক্ষায় তাদের এ ধরনের অভিযান ও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

রেহাই পেলনা মৃত হাতি- রাতের আঁধারে দেহে দুর্বৃত্তদের থাবা উধাও পা, শুঁড় ও দাত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩০ এএম
পুলিশের ভুলভ্রান্তি নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে সেটি আমি কখনো নেগেটিভদেখিনা —– সিএমপি কমিশনার হাসান মোঃ শতকত আলী

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ : 

রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলায় দীর্ঘ চিকিৎসার পর মারা যাওয়া বন্য হাতিটির দেহও শেষ পর্যন্ত রক্ষা পেল না।
মৃত্যুর এক রাত না পোহাতেই দুর্বৃত্তরা হাতিটির একটি পা (রান), শুঁড় ও দাঁত কেটে নিয়ে যায় ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার (২৬ এপ্রিল) ২৬ খ্রিঃ
সকালে লোকালয় সংলগ্ন এলাকায় মারা যায় প্রায় ৬০ বছর বয়সী হাতিটি। বন বিভাগ দাফনের প্রস্তুতি নেওয়ার আগেই রাতের আঁধারে এ ঘটনা ঘটে। সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতিটির দেহের গুরুত্বপূর্ণ অংশ কাটা অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা।

ঘটনার ধরন দেখে ধারণা করা হচ্ছে, এটি কোনো বন্যপ্রাণীর কাজ নয়,পরিকল্পিতভাবে মানুষের হাতেই এমন নৃশংসতা ঘটেছে। এতে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।

বন বিভাগের পাবলাখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, গত রাতে স্ত্রী হাতিটি বনে ফিরে গেলে মৃতদেহটি একা পড়ে ছিল। এই সুযোগে গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা হানা দিয়ে হাতিটির শুঁড় ও একটি পেছনের পা কেটে নিয়ে যায়। বন বিভাগের প্রহরী সকালে গিয়ে বিষয়টি দেখতে পান।

শরীফুল ইসলাম বলেন, একজন প্রহরীর পক্ষে শত শত মানুষকে সামলানো সম্ভব নয়। রাতে নিরাপত্তার কারণে প্রহরী ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে দুর্বৃত্তরা এই সুযোগ নেয়। আমরা তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

একদিকে জীবিত অবস্থায় বাঁচানো গেল না, অন্যদিকে মৃত্যুর পরও মিলল না সম্মান,লোভের কাছে আবারও হেরে গেল এক নিরীহ বন্যপ্রাণী।

দুর্গম পাহাড়ে চালু হতে যাচ্ছে ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স —— পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩৬ পিএম
পুলিশের ভুলভ্রান্তি নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে সেটি আমি কখনো নেগেটিভদেখিনা —– সিএমপি কমিশনার হাসান মোঃ শতকত আলী

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ : 

​পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে দ্রুতই ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি বলেন, আজকের এই দিনটি পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য খাতের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও গণপূর্ত বিভাগ’র আয়োজন ​সোমবার (২৭ এপ্রিল)২৬ খ্রিঃ দুপুরে রাঙ্গামাটি সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে নবনির্মিত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। ​মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই ২৫০ শয্যার হাসপাতাল ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে এ অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার, আর এই অধিকার থেকে কাউকে বঞ্চিত করা যাবে না।

​তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পার্বত্য চট্টগ্রামের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখানকার মানুষ এখনো পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা থেকে কিছুটা পিছিয়ে আছে। তবে বর্তমান সরকার এই খাতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।  পার্বত্য অঞ্চলের চিকিৎসা ব্যবস্থায় বিদ্যমান সমস্যাগুলো তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ​জনবল বৃদ্ধি এ অঞ্চলে চিকিৎসক ও নার্সের যে সংকট রয়েছে, তা দ্রুত সমাধানের জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করা হয়েছে।​ অগ্রাধিকার, পার্বত্য তিন জেলার (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।​ আধুনিক যন্ত্রপাতি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা যন্ত্রপাতির অভাব দূর করণে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।​

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও গণপূর্ত বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×