বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম:

বান্দরবানে এলজিইডির নির্মিত তিন সড়কের উন্নয়ন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩৬ পিএম
12 বার পড়া হয়েছে
বান্দরবানে এলজিইডির নির্মিত তিন সড়কের উন্নয়ন।

বান্দরবান প্রতিনিধিঃ

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ, খানা-খন্দ আর বিচ্ছিন্নতার জীবন পেছনে ফেলে উন্নয়নের নতুন পথে হাঁটছে বান্দরবানের পাহাড়ি জনপদ। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) নির্মিত গোয়ালিয়াখোলা, ঈদগড়-বাইশারী ও ঘুমধুম—এই তিন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বদলে দিয়েছে প্রায় আড়াই লক্ষাধিক মানুষের জীবনযাত্রা। সহজ হয়েছে যোগাযোগ, বেড়েছে কৃষিপণ্য পরিবহন, চাঙা হচ্ছে গ্রামীণ অর্থনীতি। পাহাড়ি জনপদে ফিরেছে স্বস্তি।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, গোয়ালিয়াখোলা সড়ক ৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার, ঈদগড়-বাইশারী সড়ক ৪ কিলোমিটার এবং ঘুমধুম সড়ক ৪ কিলোমিটার উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে গোয়ালিয়াখোলা ও ঘুমধুম সড়কের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে, আর ঈদগড়-বাইশারী সড়কের প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
গোয়ালিয়াখোলা সড়ক তিন প্যাকেজে বাস্তবায়ন করা হয়েছে, এস অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা লিমিটেড, ইউ টি মং এবং মিলটন ট্রেডার্স। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

অন্যদিকে ঈদগড়-বাইশারী সড়কে ব্যয় হচ্ছে ৪ কোটি ১০ লাখ টাকা। ঘুমধুম সড়কের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

সম্প্রতি সময়ে সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, এলাকার সাধারণ মানুষজন সহজে হাট-বাজারসহ নানা কাজে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করছে। ছাত্রছাত্রীরা নিজ এলাকা থেকে স্কুল-কলেজে সহজে ও সঠিক সময়ে পৌচ্ছাতে পারছে। এতে লোকজনের মধ্যে স্বস্তি দেখা যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সড়কগুলো চালু হওয়ায় বাইশারী, ঈদগড়, ঘুমধুম ও গোয়ালিয়াখোলা অঞ্চলের মানুষের জীবন অনেক সহজ হয়েছে। পরিবহন বেড়েছে ও কৃষিপণ্য বাজারে পৌঁছাতে সময় করেছে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি ফিরেছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায়ও মিলছে সুফল।

বিশেষ করে কৃষি খাতে ইতিবাচক প্রভাব ইতোমধ্যে দৃশ্যমান। আগে দুর্গমতার কারণে অনেক কৃষক ফসলের পণ্য ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করতে পারতেন না। এখন সড়ক উন্নয়নে বাজারজাতকরণ সহজ হওয়ায় কৃষকদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

ঘুমধুমের বাসিন্দা আবু নূর জানান, কাদা আর গর্তে ভরা রাস্তাগুলো যেন ছিল দুর্ভোগের প্রতীক। নতুন সড়কে এখন সেই চিত্র বদলেছে।

বাইশারীর বাসিন্দা ছৈয়দ আলম বলেন, একসময় বর্ষা এলেই এসব সড়ক দিয়ে চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যেত। রোগী হাসপাতালে নিতে, শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো।

গোয়ালিয়াখোলার বাসিন্দা কৃষক আবুল আহাম্মেদ জানান, ভালো সড়কের অভাবে জমির ফসল মাথায় ও কাঁদে বহণ করে বাজারে নিতে খুবই কষ্ট হতো। এই কষ্টের কারণে অনেক ফসল জমিতেই নষ্ট হতো। এখন সহজে বাজারজাত করা যাচ্ছে।

বান্দরবান এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী প্রতিপদ দেওয়ান বলেন, পাহাড়ে অবকাঠামো নির্মাণ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও আমরা টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। এসব সড়ক শুধু যোগাযোগ নয়, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও জীবনমান উন্নয়নেরও ভূমিকা রাখবে।

বান্দরবানে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬ এর আয়োজন উপলক্ষে প্রেস ব্রিফিং।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৬ পিএম
বান্দরবানে এলজিইডির নির্মিত তিন সড়কের উন্নয়ন।

বান্দরবান প্রতিনিধি :

বান্দরবান জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬ এর আয়োজন উপলক্ষে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ( ৩০ এপ্রিল) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বান্দরবান জেলা প্রশাসনের আয়োজনে
এই প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) মোঃ আবু তালেব,নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতন্য রাজবংশী,জেলা ক্রীড়া অফিসার রেজাউল করিম সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।

জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস বলেন, আগামী ০২ মে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে সারাদেশে একযোগে ‘নতুন ক্রীড়া স্পোর্টস ২০২৬’ উদ্বোধন করবেন। একই সময়ে বান্দরবান জেলা পর্যায়েও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বান্দরবান-৩০০ নং আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী। বান্দরবানে ০২ মে থেকে ১০মে পর্যন্ত এ প্রতিযোগিতা চলবে। তিনি আয়োজনটির সফল করার লক্ষ্যে সাংবাদিকসহ  সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি আরো বলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে তৃণমূল পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত দক্ষ ক্রীড়াবিদ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই দেশে ‘নতুন ক্রীড়া স্পোর্টস ২০২৬’ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। খেলাধুলার মাধ্যমে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোর ও তরুণদের সুস্থ ক্রীড়া চর্চায় সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি তাদের মেধা ও দক্ষতা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। তিনি বলেন, তরুণ সমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রেখে সুস্থ, সুন্দর ও আত্মবিশ্বাসী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। খেলাধুলা একজন মানুষের শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও নৈতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে দলগত চেতনা, নেতৃত্বগুণ, শৃঙ্খলাবোধ এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিতেও ক্রীড়ার অবদান অপরিসীম।

তিনি আরও বলেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলার সাতটি উপজেলা ও বান্দরবান পৌরসভাসহ মোট আটটি দল এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে। প্রতিটি উপজেলা থেকে বিপুল সংখ্যক খেলোয়াড় অংশ নেবে এবং তাদের মধ্য থেকে সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে জেলা দল গঠন করা হবে। জেলা দল পরবর্তীতে চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। চট্টগ্রাম অঞ্চলে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার দলগুলো অংশগ্রহণ করবে। সেখানে যারা ভালো করবে তারা জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
জেলা প্রশাসক বলেন, এ প্রতিযোগিতায় ফুটবল, টি-টেন ক্রিকেট, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, দাবা, অ্যাথলেটিক্স এবং মার্শাল আর্ট (কারাতে/তায়কোয়ান্দো/জুডো)সহ বিভিন্ন ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। ভবিষ্যতে এসব প্রতিযোগিতা থেকে উঠে আসা মেধাবী খেলোয়াড়দের দীর্ঘমেয়াদি আবাসিক প্রশিক্ষণ, ক্রীড়াবৃত্তি, ক্রীড়া ভাতা ও বিকেএসপিতে ভর্তির সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

বান্দরবানে উদযাপিত হলো বুদ্ধ ধর্মালম্বীদের বুদ্ধ পূর্ণিমা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪২ পিএম
বান্দরবানে এলজিইডির নির্মিত তিন সড়কের উন্নয়ন।

বান্দরবান প্রতিনিধি:

নানা আয়োজনে বান্দরবানে বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বুদ্ধত্ব লাভ ও মহাপরিনির্বানের স্মৃতি বিজরিত শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপিত হচ্ছে।

গৌতম বুদ্ধত্ব লাভের জন্য ২৯বছর বয়সে গৃহ ত্যাগ করেন এবং বিভিন্ন ধর্মীয় গুরুর কাছে শিষ্যত্ব গ্রহনের পর নিরঞ্জনা নদীর তীরে এক বটবৃক্ষ মূলে ৬বছর কঠোর তপস্যার পর বুদ্ধত্ব লাভ করেন, আর তাই বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের জন্য আজকের এই দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যময়।

এদিকে শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বান্দরবানের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা নানা আয়োজনে এই দিনটিকে স্মরণ করে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মাধ্যমে পালন করছে।

শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে বান্দরবানের রাজবাড়ি প্রাঙ্গণ থেকে একটি মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজগুরু বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গণে এসে বোধিবৃক্ষতলে সমবেত হয় পূজারীরা। সেখানে পঞ্চশীল ও অষ্টশীল গ্রহনের পর নর-নারী, দায়ক-দায়িকা এবং উপাসক-উপাসীকারা চন্দনের জল ঢেলে ও ফুল নিয়ে বোধি বৃক্ষমূলের পূজা করেন।

পরে বিহারে পঞ্চশীল গ্রহণ এবং হাজার প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্যদিয়ে দেশ ও জাতীর মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। এসময় ধর্মদেশনা প্রদান করেন বান্দরবানের উজানীপাড়া রাজগুরু মহা বৌদ্ধ বিহারের বিহারাধ্যক্ষ ভদন্ত ড.সুবন্নলংকারা মহাথের ও রাজগুরু বৌদ্ধ বিহারের বিহারাধ্যক্ষ ভদন্ত উ: কেতুঃ মহাথের, আবাসিক ভিক্ষু নন্দশ্রী থের।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ১৭তম বোমাং রাজা উ চ প্রু রাজ কুমার চহ্লা প্রু জিমি, রাজকুমার মংওয়ে প্রু, রাজকুমার চসিং প্রু বনি সহ বৌদ্ধ ধর্মালম্বী নর-নারী এবং দায়ক-দায়ীকারা ।

প্রতি বছর বৌদ্ধ ধর্মালম্বীরা বৈশাখ মাসের পূর্ণীমা তিথিতে নানা আয়োজনে বুদ্ধ পূর্ণিমা পালন করে আসছে।

​মাঠ মাতালো ক্ষুদে ফুটবলাররা কাপ্তাই উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন চিৎমরম ও কারিগর পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪৭ পিএম
বান্দরবানে এলজিইডির নির্মিত তিন সড়কের উন্নয়ন।

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) :

​রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উপজেলা পর্যায়ের গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বালক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে চিৎমরম ইসলামিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বালিকা বিভাগে শিরোপা জিতেছে কারিগর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

​বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় কাপ্তাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের আয়োজনে কাপ্তাই উপজেলা সদর বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হয়।

​দিনের প্রথম ম্যাচে বালিকা বিভাগে মুখোমুখি হয় কারিগর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চংড়াছড়ি আবাসিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এতে কারিগর পাড়া ২-১ গোলে চংড়াছড়িকে পরাজিত করে উপজেলা চ্যাম্পিয়ন হয়।

​দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে বালক বিভাগে বিএফআইডিসি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে চিৎমরম ইসলামিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

​খেলা শেষে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি ও মেডেল তুলে দেন।

​উপজেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে এবং বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জগদীশ চন্দ্র দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন এবং উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আঁখি তালুকদার।

​অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি একরাম হোসেন, সহ-সভাপতি নুরুল আবসার বাবুল, কাপ্তাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী ইলিয়াস হোসেন, সাবেক প্রধান শিক্ষক ইউসুফ মিয়া সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিপুল সংখ্যক ক্রীড়ামোদী দর্শক।

​ফাইনাল খেলাগুলো সুচারুভাবে পরিচালনা করেন শিক্ষক আবু বক্কর ছিদ্দিক সোহেল, উসাইমং মারমা, দেবানন্দ বড়ুয়া এবং মো. ইসমাইল হোসেন।

​উপজেলা পর্যায়ের এই সাফল্যে বিজয়ী দলগুলোকে অভিনন্দন জানিয়ে অতিথিরা বলেন, প্রাথমিক স্তর থেকেই খেলাধুলার চর্চা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

×