| ২২ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

লংগদুতে চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে আলেম-ওলামাদের সঙ্গে ইবনে সিনা লংগদু শাখার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

লংগদুতে চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে আলেম-ওলামাদের সঙ্গে ইবনে সিনা লংগদু শাখার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 

আবু বককর, লংগদু (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটির লংগদুতে চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের কাছে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে স্থানীয় আলেম-ওলামাদের নিয়ে আলোচনা, মতবিনিময় ও পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ইবনে সিনা হাসপাতালের রেষ্টহাউজের হল রুমে সকাল ১১.০০ ঘটিকায় এই আলোচনা, মতবিনিময় ও পরামর্শ সভা শুরু হয়।

ইবনে সিনা হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, লংগদু (রাবেতা)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর জনাব সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন হাসপাতালের মার্কেটিং অফিসার আবু বককর।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন রাবেতা প্রজেক্টের খতিব মাওলানা আবু বকর ছিদ্দিক।
সভায় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাইনীমুখ ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল জিএম রেজাউল ইসলাম, বায়তুশ শরফ আলিম মাদ্রাসা কমপ্লেক্সের প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মো. ফোরকান আহম্মদ, বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির লংগদু উপজেলা সভাপতি মাওলানা মো. আমিনুর রশিদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ লংগদু উপজেলা সভাপতি মাওলানা মো. আব্দুল মতিনসহ এলাকার বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসার আলেম-ওলামারা।

সভায় স্থানীয় জনগণের জন্য মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এলাকার মানুষের চিকিৎসাসংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় উপস্থিত আলেম-ওলামারা তাঁদের মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।

বক্তারা বলেন, মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে সুস্বাস্থ্য অন্যতম। তাই সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য, মানসম্মত ও আন্তরিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির সুযোগ আরও সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।
তাঁরা আরও বলেন, চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন ও স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধিতে চিকিৎসক, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। এ ধরনের মতবিনিময় সভা সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

সভায় প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর জনাব সাইফুল ইসলাম জানান আগামী নভেম্বর মাসের ২,৩ ও ৪ তারিখ ঢাকা ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজের সার্জারী ডাক্তারদের টিম আসবে সল্প ব্যয়ে জেনারেল সার্জারী (অপারেশন) করার ব্যবস্থা করেছি যাতে দরিদ্র এলাকার মানুষ গুলো সেবা নিতে পারে।

সভায় ইবনে সিনা হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, লংগদুর চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে বিভিন্ন পরামর্শ ও মতামত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪০ পিএম

রাঙ্গামাটিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে হাবীব আজম- সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান

লংগদুতে চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে আলেম-ওলামাদের সঙ্গে ইবনে সিনা লংগদু শাখার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

শারদীয় দুর্গাপূজা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং এটি সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির মেলবন্ধনের এক মহাসমারোহ। এই উৎসবকে ঘিরে রাঙ্গামাটিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবীব আজম।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর)২৬ খ্রিঃ সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। পরিদর্শনকালে তিনি পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক পরিবেশ, পূজার আয়োজন এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি পূজার আয়োজক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শন করা মণ্ডপগুলোর মধ্যে ছিল রাঙ্গামাটি কেন্দ্রীয় তবলছড়ি বাজার শ্রী শ্রী রক্ষা কালী মন্দির, রিজার্ভ বাজার শ্রী শ্রী গীতাশ্রম মন্দির, তবলছড়ি স্বর্ণটিলা শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দির, বনরূপা কাঠালতলী শ্রী শ্রী দুর্গা মাতৃমন্দির, আসামবস্তি শ্রী শ্রী শীতলা মন্দির এবং বনরূপা হ্যাপির মোড় জগদ্ধাত্রী মাতৃমন্দিরসহ শহরের আরও কয়েকটি পূজামণ্ডপ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের রাঙ্গামাটি জেলা সভাপতি ও শিক্ষক অরূপ কুমার মুৎসুদ্দী, ওয়ার্ল্ড পীস্ এন্ড হিউম্যান রাইটস সোসাইটি রাঙ্গামাটি জেলার যুগ্ন সম্পাদক নজরুল ইসলাম চাঁন মিঞা, পিসিসিপি রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন, জেলা শাখার ছাত্রনেতা মো. অন্তর, দীপ দাশ ও সাকিবুল ইসলাম। এ ছাড়া সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীপ্ত বড়ুয়া, মোহাম্মদ রবি হোসেন ও মোহাম্মদ শাকিলসহ অন্যান্যরা।

পরিদর্শনকালে হাবীব আজম বলেন, “শারদীয় দুর্গাপূজা আমাদের সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—এই চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে মিলেমিশে উৎসব উদ্‌যাপন করতে হবে। রাঙ্গামাটির দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, উৎসবের আনন্দ যেন সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, সে জন্য সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। একই সঙ্গে পূজামণ্ডপে আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ, সেনাবাহিনী ও আনসার বাহিনীর টহল দল সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। উৎসব নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

সদর উপজেলার দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা বিজয়া দশমীর দিন কাপ্তাই হ্রদে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। এদিন শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ থেকে প্রতিমা নিয়ে এসে কাপ্তাই হ্রদে বিসর্জন দেওয়া হবে।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৭ পিএম

বিলাইছড়িতে রাইংখ্যং নদীতে প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা

লংগদুতে চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে আলেম-ওলামাদের সঙ্গে ইবনে সিনা লংগদু শাখার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বিলাইছড়িতে বর্ণাঢ্য নৌ র‍্যালি ও রাইংখ্যং নদীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় উপজেলার একটি পূজামণ্ডপের প্রতিমা রাইংখ্যং নদীতে বিসর্জন দেওয়া হয়। এ সময় ঢাকঢোলের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি ও শত শত ভক্তের জয়ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে নদীর তীর। দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাতে নদীর তীরে ভিড় করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। আনন্দ-উৎসবের পাশাপাশি অশ্রুসিক্ত নয়নে দেবীকে বিদায় জানান তাঁরা।

দুর্গোৎসবে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ একত্রে মিলেমিশে অংশগ্রহণ করেন। অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সম্প্রীতির বন্ধনে বিলাইছড়িতেও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন করেন।

উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি সৈকত দাশ রুবেলের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় কেরণছড়ি, কেংড়াছড়ি, আমতলী, কুতুবদিয়া ও ধূপ্যাচরসহ বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করা হয়। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এ বছরের শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।

উৎসবকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

মায়ের বিদায়লগ্নে বিষাদের ছায়া: কাপ্তাইয়ে শান্তিপূর্ণভাবে কর্ণফুলী নদীতে প্রতিমা বিসর্জন ও দুর্গোৎসব সম্পন্ন

লংগদুতে চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে আলেম-ওলামাদের সঙ্গে ইবনে সিনা লংগদু শাখার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

“আসিছে বছর আবার ফিরে…” মায়ের চরণে এই আকুতি আর বুকভাঙ্গা কান্নার রোল নিয়েই শেষ হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। দশমী পূজার বিহিত পূজা, অঞ্জলি নিবেদন আর বিজয়ার সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠার পর বিষাদের সুর বাজলো রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে। দেবী দুর্গাকে মর্ত্যলোক থেকে বিদায় জানাতে কর্ণফুলী নদীর ঘাটে ঘাটে উপচে পড়েছিল ভক্তদের হাজারো মানুষের ঢল। আনন্দ আর বেদনার এক অপূর্ব মিতালীতে পূর্ণ হলো এবারের বিজয়া।

এ বছর কাপ্তাইয়ের ৯টি মন্দিরের প্রতিমা বিসর্জনের জন্য বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত শুভক্ষণ নির্ধারিত থাকলেও, প্রশাসনের পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বিকেল সাড়ে ৩টা থেকেই শুরু হয় এই আবেগঘন পর্ব। যা প্রায় সাড়ে ৫টার দিকে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। মা দুর্গাকে মর্ত্য ছেড়ে কৈলাসে ফিরে যাওয়ার এই বিদায়লগ্নে ভক্তদের চোখ ছিল অশ্রুসিক্ত। তবুও আগামী বছরের প্রত্যাশায় নদীর তীরে ধ্বনিত হয়েছে উলুধ্বনি আর ঢাকের বাদ্য।

উৎসবমুখর ও সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এই ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে কাপ্তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছিল কঠোর ও সুদৃঢ় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস এবং নৌবাহিনীর ডুবুরি দলের নিরলস তৎপরতায় পুরো বিসর্জন প্রক্রিয়াটি নিরাপদে সম্পন্ন হয়।

​বিসর্জনের এই আনন্দঘন ও আবেগপূর্ণ মুহূর্তকে আরও বর্ণিল করতে কাপ্তাই উপজেলা পূজা উদযাপন সমন্বয় কমিটির উদ্যোগে কর্ণফুলী নদীতে আয়োজন করা হয় এক জমকালো ‘বিজয়া নৌ র‍্যালী-২০২৬’। শত শত ভক্ত ইঞ্জিনচালিত বোটে চড়ে ঢাকঢোল, কাঁসর ও খঞ্জরার তালে তালে নেচে-গেয়ে মেতে ওঠেন অনাবিল আনন্দে। কর্ণফুলীর নদীজল ছুঁয়ে যাওয়া সেই উল্লাস, পন্টুন ও ফেরিঘাট এলাকার চারপাশ মুখরিত করে তোলে এক অন্যরকম উৎসবের আমেজে।

বিসর্জন শেষে ভক্তরা শান্তিজল গ্রহণের মাধ্যমে মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে আগামী শরতে আবার ফিরে আসার আকুল প্রার্থনা জানান।

এর আগে পূজা ও বিসর্জন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই উপজেলা পূজা উদযাপন সমন্বয় কমিটির সভাপতি জগদীশ চন্দ্র দাশ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন এবং রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য উথোয়াই মং মারমা। এছাড়াও অনুষ্ঠানে জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং উপজেলা পূজা উদযাপন সমন্বয় কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের সম্মানিত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে এই আনন্দ ও বিষাদের ক্ষণে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

×