| ১২ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

৯ মাসে ৩৬টি মেডিকেল ক্যাম্প, ৬৩৫ জনকে চিকিৎসাসেবা; শিক্ষা, উদ্ধার ও সম্প্রীতি উন্নয়নেও নানা উদ্যোগ

৯ মাসে ৩৬টি মেডিকেল ক্যাম্প, ৬৩৫ জনকে চিকিৎসাসেবা; শিক্ষা, উদ্ধার ও সম্প্রীতি উন্নয়নেও নানা উদ্যোগ

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, চোরাচালান ও অপরাধ দমন, অপহৃত ব্যক্তিদের উদ্ধার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি)। নিরাপত্তা কার্যক্রমের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা, শিক্ষা সহায়তা, খাদ্য ও ত্রাণ বিতরণ, পর্যটকদের উদ্ধার এবং পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি জোরদারে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে ব্যাটালিয়নটি।

রোববার (১১ অক্টোবর) ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানায় বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন কর্তৃপক্ষ। প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি)-এর অধিনায়ক ও জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ইয়াসির আরাফাত হোসেন, বিপিএমএস। এ সময় ব্যাটালিয়নের অন্যান্য কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, চোরাচালান ও অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের নিরাপত্তা ও কল্যাণে বিজিবি নিয়মিতভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতি জোরদারেও বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

অভিযান ও নিরাপত্তা কার্যক্রমে তৎপরতা বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম নয় মাসের বেশি সময়ে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অপরাধ দমন, অপহৃত ব্যক্তিদের উদ্ধার, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ এবং চোরাচালান প্রতিরোধে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

গত ১৩ থেকে ১৫ এপ্রিল রেমাক্রী এলাকায় বৈসাবি ও সাংগ্রাই উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। ২০ মে আরাকানে যোগদানের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পরিকল্পনা এবং অপহরণকারী চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দুই পাহাড়ি যুবককে আটকের তথ্যও ব্রিফিংয়ে তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া ২২ মে অপহৃত মো. আমু হোসেনকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ সময় অপহরণকারী চক্রের কাছ থেকে মুক্তিপণের তিন লাখ টাকা এবং অপহরণে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয় বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। ২৪ মে থানচিতে এক ত্রিপুরা ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে বিজিবি। ৮ জুন একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সন্দেহভাজন ১৩ জনকে আটক এবং ১০ জুন দুই আসামিসহ ১৯টি গ্রেনেড ও ৩৬ রাউন্ড গোলাবারুদ জব্দের তথ্যও প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়।

পরবর্তী সময়ে ছিনতাই হওয়া গাড়ি উদ্ধার, মিয়ানমারের নাগরিকদের আটক, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনার কথাও তুলে ধরা হয়। চাঁদাবাজি প্রতিরোধে নজরদারি পাহাড়ি অঞ্চলে চাঁদাবাজি ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা প্রতিরোধে নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়। কর্তৃপক্ষের উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে থানচি উপজেলায় বিভিন্ন উৎস থেকে সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রায় ২৭ কোটি টাকা চাঁদা আদায়ের তথ্য পাওয়া যায়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা কমে প্রায় ১৬ কোটি ৯১ লাখ ৩৬ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে বলে দাবি করা হয়। নিরাপত্তা অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারির ফলে চাঁদা আদায়ের পরিমাণ কমেছে বলে উল্লেখ করে কর্তৃপক্ষ জানায়, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। দুর্গম পাহাড়ে পর্যটক উদ্ধার ও মানবিক সহায়তা নিরাপত্তা কার্যক্রমের পাশাপাশি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিপদে পড়া পর্যটক ও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বলিপাড়া ৩৮ ব্যাটালিয়ন।

গত ৪ জুলাই আমিয়াখুম ভ্রমণে গিয়ে প্রতিকূল আবহাওয়ায় আটকা পড়া ৪৪ জন পর্যটককে উদ্ধার করে নিরাপদে থানচি সদরে পৌঁছে দেওয়া হয়। একইভাবে ২৪ জুলাই বড়পাথর এলাকায় সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় পর্যটক, মাঝি ও গাইডসহ ৩৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয় বলে ব্রিফিংয়ে জানানো হয়। এ ছাড়া ১৬ সেপ্টেম্বর আমুনামুখ এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে সৃষ্ট আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা হয়। ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে আসা পর্যটকদের একটি দল থানচিতে ভ্রমণে গেলে একজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে বিজিবি সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।

সর্বশেষ ৫ অক্টোবর ডিম পাহাড় থেকে তিন্দু মুখ যাওয়ার পথে পর্যটকবাহী একটি চাঁদের গাড়ি খাদে পড়ে দুইজন নিহত ও পাঁচজন আহত হন। এ ঘটনায় বিজিবি সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

৩৬টি মেডিকেল ক্যাম্পে ৬৩৫ জনকে চিকিৎসাসেবা
দুর্গম এলাকার সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সময়ে মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করেছে বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত ৩৬টি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে ৬৩৫ জন অসহায় ও দুস্থ রোগীকে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জটিল রোগে আক্রান্ত ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল ব্যক্তিদের উন্নত চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের কাছে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং অসহায় রোগীদের চিকিৎসার সুযোগ তৈরি করাকে ব্যাটালিয়নের মানবিক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়।

শিক্ষা সহায়তা ও শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সহায়তার অংশ হিসেবে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছ

গোবিন্দগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রেমের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

৯ মাসে ৩৬টি মেডিকেল ক্যাম্প, ৬৩৫ জনকে চিকিৎসাসেবা; শিক্ষা, উদ্ধার ও সম্প্রীতি উন্নয়নেও নানা উদ্যোগ

 

মানিক সাহা,  গাইবান্ধা :

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক অবহিত করণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা ৩টায় গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদের হল রুমে উপজেলা নিবাহী কর্মকতা সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকতা শফিউল আলম মন্ডল, উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ, পৌর বিএনপি’র সভাপতি রবিউল কবির মনু, সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর লেলিন, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মনির হোসেন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেষে উপজেলা নিবাহী অফিসার ও উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

বিলাইছড়িতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

৯ মাসে ৩৬টি মেডিকেল ক্যাম্প, ৬৩৫ জনকে চিকিৎসাসেবা; শিক্ষা, উদ্ধার ও সম্প্রীতি উন্নয়নেও নানা উদ্যোগ

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলায় শারদীয় দুর্গাপূজা–২০২৬ উপলক্ষে পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১২টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অভি দাশ।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ফকির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও রাঙামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি মো. জাফর আহাম্মদ।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুরজিত দত্ত, বিলাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ওসমান গনি, ১ নম্বর বিলাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান, সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক শান্তি বিজয় চাকমা, হেডম্যান সুনিক জ্যোতি তালুকদার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ফরহাদ হোসেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জবা রানী বড়ুয়া, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুবেল বড়ুয়া, তথ্য আপা আমবিয়া বেগম, কেংড়াছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি ওয়ার্ড সদস্য রিপন চাকমা এবং দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি সৈকত দাশ (রুবেল)।

সভায় আসন্ন দুর্গাপূজা চলাকালে পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা, অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধ, সিসি ক্যামেরা স্থাপন, যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এ সময় পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়।

জানা গেছে, বিলাইছড়ি বাজার এলাকায় একটি পূজামণ্ডপে শ্রীশ্রী কালীমন্দিরে জাঁকজমকপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি  উপজেলা বিএনপির পক্ষ হতেও সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন বলে জানা যায়।

গোবিন্দগঞ্জে রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার লুইস মুরমু মারা গেছে

৯ মাসে ৩৬টি মেডিকেল ক্যাম্প, ৬৩৫ জনকে চিকিৎসাসেবা; শিক্ষা, উদ্ধার ও সম্প্রীতি উন্নয়নেও নানা উদ্যোগ

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে অজ্ঞান অবস্থায় রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া লুইস মুরমু (৬৩) মারা গেছেন।
রবিবার (১২ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার কামদিয়া সড়কের শালপাড়া এলাকা থেকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করা হয় লুইস মুরমুকে প্রথমে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মারা যায়। লুইস মুরমু রাজাহার ইউপির রাজাবিরাট এলাকার মৃত সুরুজ মুরমুর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, রাত ৯টার দিকে পথচারীরা লুইসকে অজ্ঞান অবস্থায় রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সিএনজিযোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়ায় পাঠানো হয়। বগুড়া নেয়ার পথে মোকামতলা এলাকায় রাত ১১টার দিকে তিনি মারা যান।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান জানান, লুইস মুরমুর মাথায় গুরুতর আঘাত রয়েছে। তার জ্ঞান না ফেরায় তাকে বগুড়ায় পাঠানো হয়।

×