সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম:

আলীকদম মাতামূহুরী রিজার্ভে ২ লক্ষ গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৯ জুন, ২০২৬, ১:১৯ পিএম
1 বার পড়া হয়েছে
আলীকদম মাতামূহুরী রিজার্ভে ২ লক্ষ গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির উদ্বোধন

 

‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা,

‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে সারাদেশে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার দূগর্ম কুরুকপাতা ইউনিয়নের মাতামূহুরী রির্জাভ এলাকার মেনদন পাড়ায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

‎সোমবার (২৯ জুন) সকালে আলীকদম উপজেলার মাতামূহুরী রিজার্ভের মেনদন পাড়া এলাকায় গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।

‎এ সময় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুভ উদ্বোধন করেন আলীকদম জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান আশিক,এসপিপি, পিএসসি, লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান এবং আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মনজুর আলম।

‎অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাতামূহুরী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো.আবদুল মালেক,উক্যজাই মার্মা হেডম্যানসহ বন বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা- কর্মচারী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

‎বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পর্কে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে চলতি বছরে লামা উপজেলায় ৮০ হেক্টর জমিতে প্রায় ২ লাখ গাছের চারা রোপণ করা হবে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।”

‎উপস্থিত সকলকে তিনি বেশি বেশি গাছ লাগানো এবং রোপণকৃত গাছের পরিচর্যার মাধ্যমে সবুজ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান।

সেনাবাহিনীর উদ্যোগে রাজস্থলীতে হেডম্যান-কারবারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৯ জুন, ২০২৬, ২:৪৮ পিএম
আলীকদম মাতামূহুরী রিজার্ভে ২ লক্ষ গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির উদ্বোধন

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিনিধি:

রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই জোনের সাব জোন কমান্ডারের নির্দেশনায় এবং রাজস্থলী সাব-জোন কমান্ডারের তত্ত্বাবধানে রাজস্থলী আর্মি ক্যাম্পে হেডম্যান ও কারবারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) সকাল ১১ টায় অনুষ্ঠিতহয়। এ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন রাজস্থলী সাব-জোন কমান্ডার মেজর মো, হাফিজ। সম্মেলনটি নিয়মিত মাসিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়। সাব-জোন কমান্ডার স্থানীয় হেডম্যান ও কারবারীদের সাথে মতবিনিময়ের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রয়োজন ও সম্ভাবনা সম্পর্কে অবগত হন।

সভাপতির বক্তব্যে মেজর হাফিজ বলেন রণজয়ী আটত্রিশ দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে এলাকায় কাজ করে যাচ্ছে। এই অঞ্চলে দায়িত্ব পালন করতে পেরে তিনি নিজেকে গর্বিত মনে করেন। তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে নানা ঝুঁকি মোকাবিলা করে সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নিরলসভাবে অবদান রেখে চলেছে।

তিনি বলেন, কাপ্তাই জোনের উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের সাথে আরও সুসম্পর্ক গড়ে তোলা এবং উন্নয়ন কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে আমরা একসাথে কাজ করতে চাই। দুর্গম এলাকার মানুষ যারা এখনো আধুনিকতার ছোঁয়া পায়নি, তাদেরকে একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক সুবিধার আওতায় আনার জন্য আমরা কাজ করছি। ভবিষ্যতেও এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।” এলাকার শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয় ।

সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজস্থলী সাব-জোনের জেসিও ওয়াঃঅফিসার তৌহিদ , ১নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ২নং গাইন্দ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন মৌজা থেকে আগত ৪ জন মেম্বার, ৫ জন হেডম্যান ও ৫৩ জন কারবারী। এছাড়াও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

চুরির অপবাদে ১৫ বছরের শিশু কারাগারে ! পরিবার বলছে ‘নির্দোষ’, পুলিশের দাবি ‘স্বীকারোক্তি’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৯ জুন, ২০২৬, ২:৪১ পিএম
আলীকদম মাতামূহুরী রিজার্ভে ২ লক্ষ গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির উদ্বোধন

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড়, প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় একটি মোবাইল চুরির মামলায় ১৫ বছর বয়সী এক শিশুকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শিশুটির পরিবার দাবি করেছে, সে চুরির সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নয়; বরং প্রকৃত অভিযুক্তের সঙ্গে অজান্তে একটি মোবাইল ফোন বিক্রি করতে যাওয়ায় তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে শিশুটির মুক্তির দাবি জানিয়েছে পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

শিশুটির বাবা মো. হানিফ অভিযোগ করেন, তার ছেলে কখনো চুরির সঙ্গে জড়িত ছিল না। প্রকৃত অভিযুক্ত শিশুটিকে জানায়, মোবাইল ফোনটি তার খালার এবং সেটি বিক্রি করতে হবে। সেই বিশ্বাসে সে অভিযুক্তের সঙ্গে দোকানে গেলেও মোবাইলটি যে চুরি করা ছিল, তা শিশুটি জানত না।

পরিবারের অভিযোগ, রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাজির আলম শিশুটির বক্তব্য গুরুত্ব না দিয়ে দণ্ডবিধির ৩৮০, ৪১১ ও ৩৪ ধারায় দায়ের করা মামলায় তাকে আসামি করেন। জন্মসনদে শিশুটির বয়স ১৫ বছর হলেও মামলার নথিতে ১৬ বছর উল্লেখ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ পরিবারের।

পরিবার আরও দাবি করেছে, শিশুটিকে হাতকড়া পরিয়ে আদালতে নেওয়া হয়। খাগড়াছড়িতে শিশু হাজতের ব্যবস্থা না থাকায় পরে তাকে গাজীপুরের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

শিশুটির বাবার ভাষ্য, আটক অভিযানের সময় স্থানীয় এক সাংবাদিকের সঙ্গে পুলিশের বাকবিতণ্ডার ঘটনার জের ধরে ওসি ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিহিংসাবশত তার ছেলেকে মামলায় জড়িয়েছেন। এছাড়া, শিশু আটক করার আগে সমাজসেবা কর্মকর্তাকে অবহিত করার বিধান থাকলেও তা অনুসরণ করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে রামগড় থানার ওসি মো. নাজির আলম বলেন, “জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটি মোবাইল চুরির বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাই তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, শিশু সংশ্লিষ্ট মামলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা প্রয়োজন। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে শিশুটি নির্দোষ প্রমাণিত হলে দ্রুত মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

দীঘিনালায় লোকালয় থেকে বার্মিজ পাইথন উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৯ জুন, ২০২৬, ২:৩৭ পিএম
আলীকদম মাতামূহুরী রিজার্ভে ২ লক্ষ গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির উদ্বোধন

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার কবাখালী ইউনিয়নের পূর্ব হাচিনসনপুর এলাকায় প্রায় ৮ ফুট লম্বা একটি দেশীয় অজগর সাপ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাপটি নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে এক ব্যক্তি নালায় বসানো রিং জালে মাছ দেখতে গেলে জালের মধ্যে একটি বড় আকৃতির সাপ আটকে থাকতে দেখেন। খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে সতর্কতার সঙ্গে সাপটিকে জাল থেকে বের করেন। পরে বিষয়টি বন বিভাগকে জানানো হলে মেরুং রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. জাফর উল্লাহর নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাপটিকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

বন বিভাগ জানায়, উদ্ধার হওয়া সাপটি প্রায় ৮ ফুট লম্বা এবং এটি একটি দেশীয় প্রজাতির অজগর (Python molurus)। স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে সাপটিকে উপযুক্ত প্রাকৃতিক আবাসস্থলে অবমুক্ত করা হবে।

মেরুং রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. জাফর উল্লাহ বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি দেশীয় প্রজাতির অজগর বলে শনাক্ত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম অঞ্চলে এ ধরনের সাপের উপস্থিতি থাকলেও দীঘিনালায় এ প্রজাতির অজগর উদ্ধারের ঘটনা আমাদের জানা মতে এবারই প্রথম। স্থানীয়দের সচেতনতার কারণেই সাপটিকে কোনো ক্ষতি ছাড়াই উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বন্যপ্রাণী দেখলে আতঙ্কিত না হয়ে বন বিভাগকে খবর দেওয়ার আহ্বান জানাই। বন্যপ্রাণী প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ, তাই তাদের সংরক্ষণে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা জানান, এত বড় অজগর তারা আগে কখনও এলাকায় দেখেননি। বন বিভাগের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে সাপটি নিরাপদে উদ্ধার হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তারা।

×