| ২৯ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

আলীকদমে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

আলীকদমে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

 

‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা,

‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

‎জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার দূগর্ম কুরুকপাতা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড বিদ্যামনি পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। ‎

‎রবিবার (২৮ জুন) সকালে কুরুকপাতা এলাকায় আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বান্দরবান জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. হানিফ, ৪নং কুরুকপাতা ইউপি চেয়ারম্যান ক্রাতপুং ম্রো, ইউনিসেফের প্রতিনিধি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

‎উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, আলীকদম উপজেলার চারটি ইউনিয়নে অস্থায়ী ৯৬টি কেন্দ্র, একটি স্থায়ী কেন্দ্র এবং একটি অতিরিক্ত কেন্দ্রসহ মোট ৯৮টি কেন্দ্রে একযোগে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

‎আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, এ ক্যাম্পেইনের আওতায় ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৮ হাজার ২৩৮ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ১ হাজার ৪৩৬ জন শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

‎স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, অপুষ্টিজনিত সমস্যা এবং ভিটামিন ‘এ’-এর ঘাটতিজনিত জটিলতা প্রতিরোধে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ‎‎এ উপলক্ষে স্বাস্থ্য বিভাগ নির্ধারিত বয়সী সব শিশুকে নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

রাজস্থলী উপজেলা পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়া উদ্দিন ; উন্নয়ন কার্যক্রমে সন্তোষ, সমস্যা সমাধানের আশ্বাস

আলীকদমে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

 

রাজস্থলী (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়া উদ্দিন রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, উন্নয়ন প্রকল্প ও জনসেবামূলক কার্যক্রম ঘুরে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

আজ (২৮ জুন) সকালে রাজস্থলীতে পৌঁছালে বিভাগীয় কমিশনারকে রাজস্থলী থানা পুলিশের একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে তাকে বরণ করে নেন।

পরিদর্শনকালে বিভাগীয় কমিশনার উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি, সরকারি দপ্তরের সেবার মান এবং চলমান কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত ও মানসম্মত সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আরও আন্তরিক ও দায়িত্বশীল হতে হবে।

পরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি। সভায় বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা নিজ নিজ দপ্তরের কার্যক্রম, বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। বিভাগীয় কমিশনার মনোযোগ সহকারে সব বক্তব্য শোনেন এবং যৌক্তিক সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জোনায়েদ, রাজস্থলী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম, রাজস্থলী থানার ওসি (তদন্ত) জসিম উদ্দিন, উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।

পরিদর্শনের অংশ হিসেবে বিভাগীয় কমিশনার রাজস্থলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলমান টিকাদান কর্মসূচি পরিদর্শন করেন। সেখানে স্বাস্থ্যসেবার মান ও টিকাদান কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

পরিদর্শনের শেষ পর্যায়ে তিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরে একটি বৃক্ষরোপণ করেন। এ সময় পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি সকলকে বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

বিভাগীয় কমিশনারের এ সফরকে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়রা উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি বাড়ানো এবং জনসেবার মানোন্নয়নে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

জমজমাট দীঘিনালা লারমা স্কয়ারের সবজি বাজারে শতাধিক নারী বিক্রেতার প্রাণচাঞ্চল্য

আলীকদমে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা, খাগড়াছড়ি :

খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলার লারমা স্কয়ার সবজি বাজারে প্রতিদিন বসছে জমজমাট হাট।

এ বাজারে শতাধিক নারী বিক্রেতা নিজস্ব উৎপাদিত ও স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করা বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি নিয়ে বসেন। ফলে বাজারটি এলাকায় কৃষিপণ্য বিক্রির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

সকালের শুরু থেকেই বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতিতে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যায়। বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা নারী বিক্রেতারা লাউ, কুমড়া, বেগুন, ঢেঁড়স, কাঁচামরিচ, শসা, পুঁইশাক, লালশাকসহ নানা ধরনের মৌসুমি সবজি বিক্রি করেন। এসব সবজি তুলনামূলক ভাবে তাজা হওয়ায় ক্রেতাদের কাছেও এর চাহিদা বেশি।

নারী বিক্রেতারা জানান, কৃষিকাজের পাশাপাশি বাজারে সবজি বিক্রি করে তারা পরিবারের আয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। নিয়মিত বিক্রির সুযোগ থাকায় সংসারের খরচ, সন্তানদের পড়াশোনা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন।

স্থানীয় ক্রেতারা বলেন, লারমা স্কয়ার বাজারে সহজেই টাটকা ও স্থানীয়ভাবে পাহাড়ের উৎপাদিত সবজি পাওয়া যায়। দামও অনেক ক্ষেত্রে অন্যান্য বাজারের তুলনায় সহনীয় হওয়ায় তারা নিয়মিত এখান থেকে কেনাকাটা করেন।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নারী বিক্রেতাদের জন্য বাজারে আরও উন্নত অবকাঠামো, নিরাপদ বসার ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে তাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও সম্প্রসারিত হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে।

রাজস্থলীতে পরিদর্শনে আসেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ডক্টর জিয়াউদ্দিন

আলীকদমে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি জেলা রাজস্থলী উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্প ও অফিস পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড জিয়াউদ্দিন এসময় তিনি প্রকল্পগুলো পরির্দশন করে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার জন্য বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।এর আগে বিভাগীয় কমিশনার ড, জিয়া উদ্দিন কে রাজস্থলী থানার চৌকস পুলিশ তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন ।পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জোনায়েদ, রাজস্থলী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার রায়হানুল ইসলাম, রাজস্থরী থানা ওসি তদন্ত জসিম উদ্দিন সহ উপজেলার বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারী ও স্থানীয় গণ্যমান্যব্যক্তিবর্গ ও গনমাধ্যমকর্মীগনবৃন্দ। পরে কমিশনার বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে বিভিন্ন বিভাগের কথা মনোযোগ সহকারে শ্রবন করেন। যার যার সমস্যা গুলো তিনি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন। পরে তিনি হাসপাতালে ঠিকাদান কর্মসুচি পরিদর্শন করার পর পরিষদের পাশে বৃক্ষ চারা রোপন করা হয়েছে ।

×