| ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

তামাক চাষ বন্ধের দাবিতে রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য ছাত্র ফোরামের বিক্ষোভ

তামাক চাষ বন্ধের দাবিতে রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য ছাত্র ফোরামের বিক্ষোভ

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ রাঙামাটি থেকে ফিরে :

তামাক চাষের জন্য বন ও পাহাড় উজাড় করা হচ্ছে। তামাককে না বলি, নিরাপদ সমাজ গড়ি। “তামাক চাষ বন্ধ চাই-নিরাপদ সমাজ চাই” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পার্বত্য ছাত্র ফোরাম রাঙ্গামাটি জেলা শাখার উদ্যোগে পার্বত্য অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষায় তামাক চাষ বন্ধের বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ’২৫ খ্রিঃ বিকেলে রাঙ্গামাটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এসময় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষ করে প্রেস ক্লাব পর্যন্ত মিছিল করে ছাত্র ফোরাম।

সচেতন ছাত্র সমাজকে নিয়ে মাদক এর বিরুদ্ধে সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই পার্বত্য ছাত্র ফোরাম এর মুল লক্ষ্য। উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ হাবীব আজম, মিনহাজ মুরশিদ, পার্বত্য ছাত্র ফোরামের আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম তাজের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য ছাত্র ফোরামের রাঙ্গামাটি জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আলমগীর, পারভেজ মোশাররফ হোসেন, সদস্য জাহিদুল ইসলাম রনি, রিয়াজুল ইসলাম প্রমুখ।

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে তামাক চাষের কারণে কৃষি জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে, কারণ এটি মাটি থেকে পুষ্টি উপাদান শোষণ করে নেয় এবং মাটির রাসায়নিক গঠন পরিবর্তন করে। তামাক চাষের জন্য বন উজাড় করে জমি পরিষ্কার করা হয়, যা স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। এছাড়াও, তামাক চাষের ফলে খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এবং উর্বর কৃষি জমি কমে যায়। তামাক গাছ মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান শোষণ করে, যার ফলে মাটির উর্বরতা কমে যায় এবং তা অনুর্বর হয়ে পড়ে। তামাক চাষে ব্যবহৃত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক মাটির স্বাভাবিক গঠন ও রাসায়নিক ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়, যা দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি সাধন করে। তামাক চাষে ঘন ঘন জমি চাষ করা হয়। এবং বন উজাড় করা হয়, যা মাটি ক্ষয়কে বাড়িয়ে তোলে।

বক্তারা আরও বলেন, তামাক চাষের জন্য বন ও পাহাড় উজাড় করা হয়, যার ফলে জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ে এবং অনেক প্রাণী তাদের বাসস্থান হারায়। খাদ্য শস্য চাষের জমি তামাক চাষে ব্যবহৃত হওয়ায় খাদ্য শস্যের উৎপাদন কমে যায়, যা স্থানীয়ভাবে খাদ্য সংকট তৈরির আশঙ্কা তৈরি করে। তামাক শুকানোর জন্য বিপুল পরিমাণে কাঠ পোড়ানো হয়, যা বায়ুদূষণ ও বন উজাড়ের জন্য দায়ী।

একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, পৃথিবীর ২-৩% বন ধ্বংসের জন্য তামাক চাষ দায়ী। পার্বত্য চট্টগ্রামে তামাক চাষ বন্ধে কঠোর হুশিয়ারি দেওয়া হয়। অন্যথায় আরো ব্যাপক কর্মসূচি পালন করা হবে বলে ঘোষণা দিয়ে নেতৃবৃন্দরা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ভুমিতে তামাক চাষ সহ পরিবেশ ক্ষতিকারক কোন চাষাবাদ যেন করা না হয়। এই ক্ষতিকর প্রভাবগুলোর কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামে খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশের সুরক্ষার জন্য আইন করে তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।

দীঘিনালায় ১ তম স্কাউট লিডার কোর্সের মহা তাঁবু জলসা সমাপনী অনুষ্টান সম্পন্ন

তামাক চাষ বন্ধের দাবিতে রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য ছাত্র ফোরামের বিক্ষোভ

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় বাংলাদেশ স্কাউটসের উদ্যোগে ১ তম স্কাউট লিডার কোর্স-২০২৬-এর মহা তাঁবু জলসা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় দীঘিনালা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে দীঘিনালা উপজেলার ২২টি বিদ্যালয়ের মোট ৪০ জন স্কাউট লিডার অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সুন্দর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩ নম্বর কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা উপজেলা স্কাউটসের সাধারণ সম্পাদক মো. আক্কাস আলী এবং উপজেলা স্কাউটসের কমিশনার মো. এ কে এম বদিউজ্জামাল।

আয়োজকরা জানান, স্কাউটিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের গুণাবলি, দায়িত্ববোধ, মানবিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করাই এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। তিন দিনব্যাপী লিডার কোর্সে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের বিভিন্ন ব্যবহারিক কার্যক্রম, নেতৃত্ব ও স্কাউটিংয়ের মৌলিক বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে স্কাউট লিডাররা বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা প্রদর্শন করেন। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের বিদ্যালয়ে স্কাউটিং কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

চট্টগ্রামে সফল চক্ষু অপারেশন শেষে সাজেকে ফিরেছেন ১৭ রোগী

তামাক চাষ বন্ধের দাবিতে রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য ছাত্র ফোরামের বিক্ষোভ

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

রাঙ্গামাটির জেলার সাজেক এলাকায় সেনা জোনের মানবিক সহায়তা ও উদ্যোগে চট্টগ্রামের লায়ন্স হসপিটালে চক্ষু চিকিৎসা ও অপারেশন সম্পন্ন করা ১৭ জন পাহাড়ি ও বাঙালি রোগী সফল চিকিৎসা শেষে সাজেকে ফিরে এসেছেন।

সাজেকের দুর্গম এলাকার সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সেনা জোনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় চক্ষু সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিহ্নিত করে উন্নত চিকিৎসার জন্য সেনা জোনের নিজস্ব অর্থায়নে, চট্টগ্রামের লায়ন্স হসপিটালে গমনাগমন করা হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চক্ষু অপারেশন সম্পন্ন করা হয়।

চিকিৎসা শেষে রোগীরা সুস্থ ও নিরাপদে সাজেকে ফিরে আসেন। এ সময় রোগী ও তাদের স্বজনরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সহযোগিতা করায় সেনা জোনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সাজেক সেনা জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুর্গম পার্বত্য এলাকার সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বিলাইছড়িতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কার বিতরণ

তামাক চাষ বন্ধের দাবিতে রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য ছাত্র ফোরামের বিক্ষোভ

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,
বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

নজরুল বর্ষ উপলক্ষে দেশব্যাপী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক উপজেলা পর্যায়ে আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নৃত্য, চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃত্তিসহ বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। পুরস্কার হিসেবে প্রাইজবন্ড দেওয়া হয়।

এর আগে গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) উপজেলার ১৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ১টি কলেজের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রায়হানুল ইসলাম (অ.দা.), উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাজেশ প্রসাদ রায়, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার বিভীষণ চাকমা, উপজেলা শিক্ষা অফিসার নিরালা কান্তি চাকমা এবং থানা পুলিশের এসআই (ভা.) সিরাজুল ইসলাম।

×