| ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

থানচিতে আংশিক এলাকায় পর্যটক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

থানচিতে আংশিক এলাকায় পর্যটক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

 

থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ

বান্দরবানের থানচিতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দীর্ঘ ১৩ মাস পর আংশিক এলাকায় পর্যটক ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। সীমিত পরিসরে রুমা ও থানচি উপজেলার আংশিক দর্শনীয় স্থানগুলো ভ্রমণকারীদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে।

শুক্রবার (৬ জুন) ২০২৫ থেকে থানচির তুমা-তুঙ্গী ও তিন্দু পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারবে। পর্যটক ভ্রমণে আংশিক পর্যটন স্পষ্টের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে নির্দেশিত স্থান ছাড়া অন্য কোথাও যাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, বান্দরবান জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, শামীম আরা রিনি স্বাক্ষরিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সমন্বয় সংক্রান্ত কোর কমিটির গত ০৩ জুন তারিখর সভার সিদ্ধান্ত ও সদর দপ্তর, ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড, বান্দরবান সেনানিবাসের ০৫ জুন তারিখের ১৪০/৫৯/জিএস (ইন্ট) পত্রের আলোকে থানচি-রুমা উপজেলায় অদ্য ০৬ জুন তারিখ হতে পর্যটকদের ভ্রমণ সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা বাতিল করা হয়েছে।

 

আরো জানা গেছে, থানচিতে মদক অভিমুখে তিন্দুমুখ পর্যন্ত এবং বাকলাই পাড়া অভিমুখে তমাতঙ্গি পর্যন্ত। রুমায় বাজার হতে মুনলাই পাড়াসহ বগালেক পর্যন্ত ভ্রমণে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তবে কিছু শর্তারোপ করা হয়েছে, উপজেলা প্রশাসনের নিবন্ধিত টুরিস্ট গাইড ব্যতীত ভ্রমণ করা যাবে না। পর্যটন কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট চেকপোস্ট অথবা পর্যটক তথ্য সেবা কেন্দ্রে চাহিত তথ্য অবশ্যই সরবরাহ করতে হবে। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় উপর্যুক্ত স্থান সমূহ ব্যতীত আর অন্য জায়গায় পর্যটকদের গমনাগমণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ৩৮, বিজিবি ব্যাটালিয়ন বলিপাড়া জোনের অধিনায়ক, লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মোঃ জহিরুল ইসলাম জি, আর্টিলারি বলেন, থানচিতে মদক অভিমুখে তিন্দুমুখ পর্যন্ত এবং বাকলাই পাড়া অভিমুখে তমাতঙ্গি পর্যন্ত পর্যটকদের ভ্রমণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় সবগুলো পর্যটন কেন্দ্রে ভ্রমণের ব্যবস্থা করা হবে।

দীঘিনালায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫০ পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের সোসাইটির ত্রাণ বিতরণ

থানচিতে আংশিক এলাকায় পর্যটক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫০টি পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি খাগড়াছড়ি ইউনিট।

বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্তেম্বর সকালে উপজেলার ১নং মেরুং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যলয়ে ও উপজেলার হল রুমে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় ও নিম্নআয়ের পরিবারের মধ্যে এ ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন মো: মোসারক হোসেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের সদস্য, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন শান্তি প্রিয় চাকমা ও দীঘিনালা উপজেলার বিএনপির সাধারন সম্পাদক মো: জয়নাল আবেদীনসহ স্হানীয় গনমাধ্যম কর্মীরা উপস্তিত ছিলেন। উপকার ভোগিদের মাঝে চাউল তেল,ডাল,চিনি,লবনসহ বিকাশের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে ৮০০০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে জানান সংশিষ্ট কতৃর্কপক্ষ।

এসময় ত্রাণ বিতরণকালে প্রধান অতিথি মোশারক হোসেন বলেন, দুর্যোগ ও সংকটের সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সেবা করা আমাদের মুল লক্ষে।

তিনি বলেন, “জনগণের পাশে থেকে সেবা করা আমাদের কাজ। মানুষের দুর্দিনে তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসাই আমাদের মূল লক্ষ্য। প্রয়োজনের সময়ে অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকেও মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ত্রাণ সহায়তা পেয়ে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। স্থানীয়রা বলেন, বন্যার কারণে অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ক্ষতির মুখে পড়েছে। এ সময়ে ত্রাণ সহায়তা তাদের দুর্ভোগ কিছুটা কমাতে সহায়ক হবে বলে জানান।

দীঘিনালায় আবাসিক হোটেল থেকে ইয়াবা সহ গ্রেপ্তার ৩

থানচিতে আংশিক এলাকায় পর্যটক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও অ্যালকোহল সেবনের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় অল্প পরিমাণ ভদকা, গলিত ইয়াবার আলামতসহ ইয়াবা সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী বাজারের ‘হোটেল একতা ইন’-এর তৃতীয় তলার ৩০৭ নম্বর কক্ষে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন খাগড়াছড়ির সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদ হোসেন। অভিযানে দীঘিনালা থানা পুলিশ সহযোগিতা করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মোঃ বাবুল মিয়া ওরফে বাবলু (৩৩), আব্দুর রহিম (২৪) এবং মোঃ শরীফুল ইসলাম ওরফে শরীফুল আলম (৩৩)। তারা দীঘিনালা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় একটি ৩৭৫ মিলিলিটারের বোতলে আনুমানিক ১০ মিলিলিটার ভদকা, গলিত ইয়াবাসহ চারটি ফয়েল পেপার, গলিত ইয়াবাসহ বিভিন্ন রঙের ১০টি বোতলের ছিপি, মাদক সেবনের তিনটি পাইপ, পাঁচটি লাইটার এবং মাদক সেবনে ব্যবহৃত পাঁচ টাকার একটি নোট উদ্ধার করা হয়।

পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রস্তুত করা জব্দ তালিকার ভিত্তিতে এবং তাঁর আদেশ অনুযায়ী গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে দীঘিনালা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

দীঘিনালা থানার এফআইআর নং-০১, তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ অনুযায়ী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার টেবিল ১৬ ও টেবিল ২৫-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়। মামলার তদন্তভার এসআই প্রাণতোষ বণিকের ওপর অর্পণ করা হয়েছে।

ভূমিদস্যু শাহ আলমের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

থানচিতে আংশিক এলাকায় পর্যটক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

 

আবু বককর, লংগদু প্রতিনিধি :

রাংগামাটি জেলার লংগদু উপজেলায় ভূমি দস্যুর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে করেছেন ভূক্তভোগীরা। লংগদু প্রেস ক্লাব হল রুমে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ‘২৬ইং এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। মাইনীমুখ ইউনিয়নের মুসলিম ব্লক গ্রামের বাসিন্দা শাহ আলম পিতা মো: ওবায়দুল হক (মিস্ত্রী) তিনি বিভিন্ন ভাবে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে নিজের বাবার সম্পত্তি পরিবারের অন্য কাউকে না দিয়ে জাল দলিল করে আত্মসাৎ করেছেন বলে পরিবারের সদস্য মা নুরবানু বেগম, ভাই নজরুল ইসলাম ও মামুন অভিযোগ করেন। একই মৌজার আঙ্গুরা বেগম স্বামী মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেনের ৩ (তিন) একর চাষিলা জমি জাল দলিলের মাধ্যমে জবর দখল করার চেষ্টা করে, অন্যদিকে শামসুন্নাহার গং এর ৬ (ছয়) একর জমির মধ্যে তার স্ত্রী নুর আক্তারের নামে ৩ (তিন) একর জাল দলিল করে জোড় পূর্বক দখলের চেষ্টা করে।

আরেক ভুক্তভোগী মনোয়ারা বেগমের ৪ (চার) একর চাষিলা জমি জাল দলিল করে জোড় পূর্বক দখলের চেষ্টা করে। অন্য আরেক ভুক্তভোগী আয়ুব আলী নামে রেকর্ডিও ০.৫০ (পঞ্চাশ শতক) জমি জাল দলিলের মাধ্যমে দখল করার চেষ্টা করে। আব্দুল মান্নান নামের রেকর্ডের ১.৫০(এক একর পঞ্চাশ শতক) জমির মধ্যে ০.৫০ (পঞ্চাশ শতক) জমি জাল দলিল করে দখলের চেষ্টা করে।

অন্যদিকে রাংগামাটি পার্বত্য জেলায় চিকিৎসা ও শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন ইবনে সিনা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার লংগদু (রাবেতা) হাসপাতাল।

হাসপাতালের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মো: সাইফুল ইসলাম বলেন, ইবনে সিনা ট্রাস্ট প্রতি বছর ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকা এখানে ভর্তুকি দিয়ে চিকিৎসা ও শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্যে কাজ করে যাচ্ছে এমন প্রতিষ্ঠানের ০.৫০ (পঞ্চাশ শতক) জমির জাল দলিল করে বিভিন্ন ভাবে উন্নয়ন মুলক কাজের ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে।

অভিযুক্ত শাহ আলম ইবনে সিনাসহ সকল ভুক্তভোগীদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে আসছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার সমুহ অভিযোগ করেন। ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কাছে দাবি করেন যে ভূমি দস্যু শাহ আলমকে আইনের আওতায় এনে অভিযোগকারী পরিবার ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা কামনা করেন।

×