শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২
শিরোনাম:

পাহাড়ের মারমা নারীরা জীবিকা নির্বাহ পরিশ্রম এক সংগ্রাম জীবন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮ জুন, ২০২৫, ১০:১০ এএম
553 বার পড়া হয়েছে
পাহাড়ের মারমা নারীরা জীবিকা নির্বাহ পরিশ্রম এক সংগ্রাম জীবন

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিবেদক:

পার্বত্য চট্টগ্রাম এর দক্ষিণ অঞ্চলে রাঙামাটি জেলা রাজস্থলী উপজেলা ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের অন্তর্গত একটি মারমা আদর্শ গ্রাম এর মারমা নারীরা নিজেদের জীবিকা নির্বাহ পরিশ্রম এক সংগ্রাম জীবন মারমা নারী দৃশ্যমান পথ চলতে দেখা গেছে।

রবিবার (৮ জুন) মাঠ পর্যায় সরেজমিনে ঘুরে এসে দেখা গেছে, এক মারমা আদর্শ গ্রামের দুঃস্থ দরিদ্র পরিবারের বেঁচে থাকা মান্না রে মারমা নারীরা বিভিন্ন প্রান্তে অদূরে ক্ষেত খামার কৃষি কাজে জীবিকা নির্বাহের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, পাহাড়ের বসবাসরত মারমা নারী পুরুষের পাশাপাশি মারমা নারী জনগোষ্ঠীরা বিভিন্ন কাজে কষ্টের পরিশ্রমে এক সংগ্রাম জীবন মারমা নারী।

পার্বত্য চট্টগ্রামে মারমা নারীরা পূর্বপুরুষ আমল হতে পরিবারের ভরণ-পোষণ ক্ষেত্রে পুরুষের চেয়ে নারীরা পরিশ্রম জীবিকা নির্বাহ উপার্জনের অবদান রয়েছে এক প্রসংসনীয় বলা যায়। পাহাড়ের শৈশবকালে মারমা নারীরা জীবিকা নির্বাহে পরিশ্রম সফল চাবিকাঠি নিজে বেঁচে থাকার পিছিয়ে নেই বলে জানা যায়। মারমা নারীরা সবদিক দিয়ে নিজেদের পরিশ্রম জীবিকা নির্বাহ উর্পাজনকে মনে প্রাণে ভালোবাসে এভাবে বহুদূর পথ চলা। তাই মারমা নারীরা শত কষ্টের পরিশ্রমের বিনিময়ে নিজের পরিবার সংসারকে হাল ধরে অন্যদিকে গৃহিণী হিসাবে পরিচয় মূখ দিতে চাই।

পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত জনগোষ্ঠী মারমা নারীরা বিভিন্ন কাজেও পারদর্শী। পরিবারে গৃহস্থালী কাজেও দৈনন্দিন প্রতিনিয়ত কাজে লিপ্ত থাকে। অন্যদিকে পরিশ্রমের তুলনা তাদের মজুরি ন্যায্য মূল্য এখনো সঠিক নির্ধারিত মূল্য শ্রমের বঞ্চিত। পার্বত্য চট্টগ্রামের মারমা নারীরাও নিজের জীবনকে বলে দিতে চায় যা পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে নিজের আর্থ সামাজিক পরিবর্তনশীল করতে চায়।

কয়েকজন নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক গণমাধ্যমকে জানান, আমরা নারী হয়ে পুরুষের চেয়ে কম না বিভিন্ন পরিশ্রম কাজেও এক ধাপ এগিয়ে যেতে চায় তবে একদিকে পার্বত্য চট্টগ্রামে নারীদের মজুরী নির্ধারিত মূল্য এখনো সঠিক নাই। আমরা পাহাড়ের বসবাসরত মারমা নারীরা জন্মগতভাবে নিজের পরিশ্রমকে আপন মনে করি। রোদ বৃষ্টি ঝড় তুফান মোকাবেলার মধ্যে দিয়ে আমরা বিভিন্ন কাজে কৃষি ক্ষেত খামার সহ নানান কাজে এভাবে জীবিকা নির্বাহের জন্য অর্থ উর্পাজন ও পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য আর নিজের আর্থ সামাজিক পরিবর্তনে পার্বত্য চট্টগ্রামে মারমা নারীরা পরিশ্রম করে যাচ্ছে। এখানে উৎপাদনের বিভিন্ন ফলজ বনজ শাক-সবজি সহ ফলমূল বাজারে এসে বিক্রি ন্যায্য মূল্য সঠিক পাইনা বলে নারীরা দুঃখ প্রকাশ করেন।

আসুন আমরা নারীর প্রতি মর্যাদা সহ মারমা নারীদেরকে সম্মান শ্রদ্ধা করতে পারি। এরা সমাজকে উন্নয়নের দিকে পরিবর্তনশীল দেখতে আশাবাদী। তবে পুরুষের পাশাপাশি পাহাড়ের মারমা নারীরা বিভিন্ন কাজে উন্নয়নের অবদান রাখতে চায়। পার্বত্য চট্টগ্রামে মারমা নারীদেরকেও সকালে স্যালুট জানাই। ভবিষ্যতেও পাহাড়ে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নারীদের পরিশ্রমের ন্যায্য মূল্য মজুরি ফিরে আসুক এটাই প্রত্যাশা কামনা করি।

আলীকদম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেনাবাহিনীর ঈদ শুভেচ্ছা ও মানবিক সহায়তা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ মার্চ, ২০২৬, ৩:১৫ পিএম
পাহাড়ের মারমা নারীরা জীবিকা নির্বাহ পরিশ্রম এক সংগ্রাম জীবন


‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি।

‎পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বান্দরবানের আলীকদম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী ও ডাক্তার,নার্স চিকিৎসাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেছে আলীকদম সেনা জোন।

‎শনিবার (২১ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন আলীকদম সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান আশিক (এসপিপি, পিএসসি)। তিনি হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। একই সঙ্গে চিকিৎসক ও সেবাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

‎এ সময় রোগীদের মাঝে ফ্রুট বাস্কেট বিতরণ করা হয়। সেনাবাহিনীর এ মানবিক উদ্যোগে হাসপাতালে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং রোগীদের মাঝে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে।



‎আয়োজকরা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে সহমর্মিতা ও সম্প্রীতি জোরদার করে। ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

‎আলীকদম সেনা জোনের এই মহৎ প্রয়াস স্থানীয় জনগণের মাঝে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কল্যাণমুখী কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

দিঘীনালায় কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বিধবা শান্তি রানি চাকমা পাশে দীঘীনালা উপজেলা প্রশাসন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ মার্চ, ২০২৬, ১:১৮ পিএম
পাহাড়ের মারমা নারীরা জীবিকা নির্বাহ পরিশ্রম এক সংগ্রাম জীবন

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা, খাগড়াছড়ি :

খাগড়াছড়ি দীঘীনালা উপজেলায় ২নং ওয়ার্ডের ১নং মেরুং ইউনিয়নের ভৈরফা গ্রামে সাম্প্রতিক কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় বিধবা শান্তি রানি চাকমাকে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। দীঘীনালা উপজেলার নির্বাহী অফিসার তানজিম পারভেজ পক্ষ থেকে এই সহায়তা পৌঁছে দেন ১নং মেরুং ইউনিয়নের ৭নং ওযার্ডের মেম্বার সমীরন চাকমা।

জানা যায়, গতকাল শুত্রুবার ২০ মার্চ ২০২৬ বিকেলে হঠাৎ বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে শান্তি রানি বসতঘর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে তিনি মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হন। বিষয়টি ৭নং ওযার্ডে মেম্বার সমীরন চাকমা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করলে উপজেলা প্রশাসন দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করে। আজ ২১ মার্চ শনিবার উপজেলার নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনায় সমীরন চাকমা ক্ষতিগ্রস্ত শান্তি রানি চাকমা বাড়িতে গিয়ে শুকনো খাবারসহ জরুরি সহায়তা সামগ্রী তুলে দেন। এবং শান্তি চাকমাকে তার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে নগদ অর্থ প্রদান করেন।

এ সময় তিনি শান্তি রানি চাকমাকে খোঁজখবর নেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন। সহায়তা পেয়ে শান্তি রানি চাকমা উপজেলা প্রশাসন ও ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সমীরন চাকমার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

স্থানীয়রা প্রশাসনের এমন মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকতে তাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

পাহাড় জুড়ে বৈসাবির আমেজ, ব্যস্ত পাহাড়ি তরুণীরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ মার্চ, ২০২৬, ৬:৪১ পিএম
পাহাড়ের মারমা নারীরা জীবিকা নির্বাহ পরিশ্রম এক সংগ্রাম জীবন

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলে শুরু হচ্ছে বৈসাবির উৎসবমুখর প্রস্তুতি। পাহাড়জুড়ে এখন আনন্দ আর ব্যস্ততার এক অপূর্ব মেলবন্ধন। বৈসাবি—যা বৈসু, সাংগ্রাই ও বিজু এই তিন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী উৎসবের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে—তা ঘিরে পাহাড়ি জনপদে বইছে উৎসবের হাওয়া। উৎসবকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন পাহাড়ি তরুণীরা। নিজেদের ঐতিহ্য তুলে ধরতে তারা প্রস্তুত করছেন রঙিন পোষাক, পিনোন আর কাদি, গয়না এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উপকরণ। কেউ বুনছেন হাতে তৈরি কাপড়, কেউবা তৈরি করছেন ফুলের অলংকার। ঘরে ঘরে চলছে পিঠা ও ঐতিহ্যবাহী খাবার তৈরির প্রস্তুতি।

বাঘাইছড়ি উপজেলার পিংকি চাকমা নামে স্থানীয় এক তরুণী জানান, “বৈসাবি আমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব। এই সময়টাতে আমরা সবাই নতুন পোশাক পরি, ঘর সাজাই, আর নানা আয়োজন করি। তাই প্রস্তুতিটাও নিতে হয় অনেক আগেই।” পাহাড়ি বাজারগুলোতেও বেড়েছে কেনাকাটার ভিড়। রঙিন কাপড়, ফুল, প্রসাধনীসহ উৎসবের প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে ভিড় করছেন তরুণীরা। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য চলছে নাচ-গানের মহড়া।

এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার বিশেষ ব্যবস্থা, যাতে উৎসব নির্বিঘ্নে উদযাপন করা যায়। সব মিলিয়ে, বৈসাবিকে ঘিরে পাহাড়জুড়ে এখন প্রাণের স্পন্দন। আর এই উৎসবকে ঘিরে পাহাড়ি তরুণীদের প্রাণচাঞ্চল্যই যেন উৎসবের আসল রঙ আরও উজ্জ্বল করে তুলছে।

×