| ২০ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

পাহাড়ের মারমা নারীরা জীবিকা নির্বাহ পরিশ্রম এক সংগ্রাম জীবন

পাহাড়ের মারমা নারীরা জীবিকা নির্বাহ পরিশ্রম এক সংগ্রাম জীবন

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিবেদক:

পার্বত্য চট্টগ্রাম এর দক্ষিণ অঞ্চলে রাঙামাটি জেলা রাজস্থলী উপজেলা ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের অন্তর্গত একটি মারমা আদর্শ গ্রাম এর মারমা নারীরা নিজেদের জীবিকা নির্বাহ পরিশ্রম এক সংগ্রাম জীবন মারমা নারী দৃশ্যমান পথ চলতে দেখা গেছে।

রবিবার (৮ জুন) মাঠ পর্যায় সরেজমিনে ঘুরে এসে দেখা গেছে, এক মারমা আদর্শ গ্রামের দুঃস্থ দরিদ্র পরিবারের বেঁচে থাকা মান্না রে মারমা নারীরা বিভিন্ন প্রান্তে অদূরে ক্ষেত খামার কৃষি কাজে জীবিকা নির্বাহের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, পাহাড়ের বসবাসরত মারমা নারী পুরুষের পাশাপাশি মারমা নারী জনগোষ্ঠীরা বিভিন্ন কাজে কষ্টের পরিশ্রমে এক সংগ্রাম জীবন মারমা নারী।

পার্বত্য চট্টগ্রামে মারমা নারীরা পূর্বপুরুষ আমল হতে পরিবারের ভরণ-পোষণ ক্ষেত্রে পুরুষের চেয়ে নারীরা পরিশ্রম জীবিকা নির্বাহ উপার্জনের অবদান রয়েছে এক প্রসংসনীয় বলা যায়। পাহাড়ের শৈশবকালে মারমা নারীরা জীবিকা নির্বাহে পরিশ্রম সফল চাবিকাঠি নিজে বেঁচে থাকার পিছিয়ে নেই বলে জানা যায়। মারমা নারীরা সবদিক দিয়ে নিজেদের পরিশ্রম জীবিকা নির্বাহ উর্পাজনকে মনে প্রাণে ভালোবাসে এভাবে বহুদূর পথ চলা। তাই মারমা নারীরা শত কষ্টের পরিশ্রমের বিনিময়ে নিজের পরিবার সংসারকে হাল ধরে অন্যদিকে গৃহিণী হিসাবে পরিচয় মূখ দিতে চাই।

পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত জনগোষ্ঠী মারমা নারীরা বিভিন্ন কাজেও পারদর্শী। পরিবারে গৃহস্থালী কাজেও দৈনন্দিন প্রতিনিয়ত কাজে লিপ্ত থাকে। অন্যদিকে পরিশ্রমের তুলনা তাদের মজুরি ন্যায্য মূল্য এখনো সঠিক নির্ধারিত মূল্য শ্রমের বঞ্চিত। পার্বত্য চট্টগ্রামের মারমা নারীরাও নিজের জীবনকে বলে দিতে চায় যা পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে নিজের আর্থ সামাজিক পরিবর্তনশীল করতে চায়।

কয়েকজন নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক গণমাধ্যমকে জানান, আমরা নারী হয়ে পুরুষের চেয়ে কম না বিভিন্ন পরিশ্রম কাজেও এক ধাপ এগিয়ে যেতে চায় তবে একদিকে পার্বত্য চট্টগ্রামে নারীদের মজুরী নির্ধারিত মূল্য এখনো সঠিক নাই। আমরা পাহাড়ের বসবাসরত মারমা নারীরা জন্মগতভাবে নিজের পরিশ্রমকে আপন মনে করি। রোদ বৃষ্টি ঝড় তুফান মোকাবেলার মধ্যে দিয়ে আমরা বিভিন্ন কাজে কৃষি ক্ষেত খামার সহ নানান কাজে এভাবে জীবিকা নির্বাহের জন্য অর্থ উর্পাজন ও পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য আর নিজের আর্থ সামাজিক পরিবর্তনে পার্বত্য চট্টগ্রামে মারমা নারীরা পরিশ্রম করে যাচ্ছে। এখানে উৎপাদনের বিভিন্ন ফলজ বনজ শাক-সবজি সহ ফলমূল বাজারে এসে বিক্রি ন্যায্য মূল্য সঠিক পাইনা বলে নারীরা দুঃখ প্রকাশ করেন।

আসুন আমরা নারীর প্রতি মর্যাদা সহ মারমা নারীদেরকে সম্মান শ্রদ্ধা করতে পারি। এরা সমাজকে উন্নয়নের দিকে পরিবর্তনশীল দেখতে আশাবাদী। তবে পুরুষের পাশাপাশি পাহাড়ের মারমা নারীরা বিভিন্ন কাজে উন্নয়নের অবদান রাখতে চায়। পার্বত্য চট্টগ্রামে মারমা নারীদেরকেও সকালে স্যালুট জানাই। ভবিষ্যতেও পাহাড়ে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নারীদের পরিশ্রমের ন্যায্য মূল্য মজুরি ফিরে আসুক এটাই প্রত্যাশা কামনা করি।

আলীকদমে শিক্ষা ও উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সঙ্গে রিজিয়ন কমান্ডারের মতবিনিময়

পাহাড়ের মারমা নারীরা জীবিকা নির্বাহ পরিশ্রম এক সংগ্রাম জীবন


‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎বান্দরবানের আলীকদমে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন বান্দরবান রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম।

‎ শনিবার (২০ জুন) আলীকদমের মুরুং কমপ্লেক্সে আয়োজিত এ সভায় পার্বত্য এলাকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন এবং মুরুং কমপ্লেক্সের কার্যক্রম সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়।

‎সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আলীকদম জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান আশিক এবং আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনজুরুল আলম।

‎এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

‎সভায় জানানো হয়, বর্তমানে মুরুং কমপ্লেক্সের ছাত্রাবাসে ১২৪ জন শিক্ষার্থী অবস্থান করছে। ভবিষ্যতে আরও বেশি শিক্ষার্থীকে আবাসনের সুযোগ দিতে ছাত্রাবাসের ধারণক্ষমতা ২০০ থেকে ২৫০ জনে উন্নীত করার প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন রিজিয়ন কমান্ডার।

‎এছাড়া শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত দুইজন শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হলে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় কুরুকপাতা ইউনিয়নে নতুন একটি মুরুং কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও উত্থাপিত হয়। সম্ভাব্যতা যাচাই সাপেক্ষে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন,“শিক্ষাই পার্বত্য অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রধান ভিত্তি। মুরুং জনগোষ্ঠীর শিক্ষার প্রসার এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।”

‎সভায় বক্তারা মুরুং জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, সামাজিক অগ্রগতি ও জীবনমান উন্নয়নে মুরুং কমপ্লেক্সের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং এর অবকাঠামোগত ও প্রশাসনিক সক্ষমতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

‎বক্তারা বলেন, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষা বিস্তার, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের মাধ্যমে আলীকদম জোন দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। মুরুং কমপ্লেক্স সেই ধারাবাহিক উদ্যোগের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন রামগড় কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের

পাহাড়ের মারমা নারীরা জীবিকা নির্বাহ পরিশ্রম এক সংগ্রাম জীবন

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন করেছে পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। দীর্ঘ গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ সাফল্য অর্জিত হওয়ায় পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

জানা গেছে, রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হকের নেতৃত্বে কয়েক বছর ধরে পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষ নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। শুরুতে বিষয়টি গবেষকদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। কারণ পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি, আবহাওয়া ও পরিবেশ সমতল এলাকার তুলনায় ভিন্ন হওয়ায় এ ফলের চাষ উপযোগী করা সহজ ছিল না। তবে নিরলস গবেষণা, উন্নত পরিচর্যা পদ্ধতি ও উপযোগী জাত নির্বাচন করে গবেষকরা ধীরে ধীরে সফলতা অর্জন করেন। বর্তমানে গবেষণা কেন্দ্রের পরীক্ষামূলক বাগানে উৎপাদিত আলুবোখারা গাছে ভালো ফলন দেখা যাচ্ছে, যা স্থানীয় কৃষকদের মাঝেও ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

কৃষি গবেষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি নতুন ও লাভজনক ফল চাষ সম্প্রসারণে কাজ করছে গবেষণা কেন্দ্র। আলুবোখারা চাষ সফল হওয়ায় পাহাড়ি কৃষকদের জন্য এটি একটি সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হক বলেন, “পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা (বারি ১) চাষ একসময় বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। দীর্ঘ গবেষণা ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা সফলতা পেয়েছি। এখন পাহাড়ি এলাকার কৃষকরাও এ ফল চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।” তিনি আরও বলেন, বাণিজ্যিকভাবে আলুবোখারা চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকদের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় বহুমুখী ফল চাষের সম্ভাবনাও আরও বিস্তৃত হবে।

রাশিয়ায় ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ পেলেন রামগড়ের মেধাবী তরুণ ফারহান

পাহাড়ের মারমা নারীরা জীবিকা নির্বাহ পরিশ্রম এক সংগ্রাম জীবন

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার কৃতী সন্তান এসানুল বারী ফারহান রাশিয়ায় উচ্চশিক্ষার জন্য মর্যাদাপূর্ণ ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন করেছেন। তাঁর এ সাফল্যে পরিবার, শিক্ষাঙ্গন ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের পাশাপাশি গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, ফারহান রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে অবস্থিত মস্কো পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট (এমপিইআই)-এ ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ পেয়েছেন। স্কলারশিপের আওতায় তিনি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে লেখাপড়ার পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও অন্যান্য শিক্ষা-সুবিধা পাবেন। পাঁচ বছর মেয়াদি এই উচ্চশিক্ষা কর্মসূচির জন্য ইতোমধ্যে তাঁর সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী আগস্ট অথবা সেপ্টেম্বর মাসে তিনি রাশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন বলে জানা গেছে।

ফারহান রামগড় পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গর্জনতলী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মাওলানা এমদাদুর রহমান ও আলেমা হাছিনা আক্তারের জ্যেষ্ঠ পুত্র। ২০০৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণকারী ফারহান শৈশব থেকেই মেধাবী ও অধ্যবসায়ী শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত। উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি গ্রহণ করে আসছিলেন।

তাঁর সেই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ রাশিয়ার অন্যতম স্বনামধন্য প্রযুক্তি ও প্রকৌশল ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সুযোগ লাভ করেছেন। ফারহানের এই অর্জনে পরিবার, শিক্ষক, সহপাঠী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, পাহাড়ি অঞ্চলের একজন শিক্ষার্থীর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন নিঃসন্দেহে একটি গৌরবজনক ঘটনা। এটি রামগড়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

ফারহানের পরিবারের সদস্যরা জানান, কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস এবং লক্ষ্য অর্জনের দৃঢ় সংকল্পই তাকে এ পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে। তারা সকলের কাছে তাঁর জন্য দোয়া কামনা করেছেন, যাতে তিনি সফলভাবে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

×