| ১০ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

রামগড়ে ৬ কেজি গাঁজাসহ আটক ১, সিএনজি জব্দ

রামগড়ে ৬ কেজি গাঁজাসহ আটক ১, সিএনজি জব্দ

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬ কেজি গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। এসময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও জব্দ করা হয়।

বুধবার (১০ জুন) রামগড় থানা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে পৌরসভার দারোগাপাড়া এলাকায় অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।

আটক ব্যক্তি মাহবুব আলম (৩৫)। তিনি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ১নং বাগান বাজার ইউনিয়নের বাংলাবাজার হলুদিয়া গ্রামের মো. নুরুল আলমের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পাওয়া যায় যে চট্টগ্রাম জেলার ভূজপুর থানাধীন বাংলাবাজার এলাকা থেকে একটি সিএনজিযোগে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য রামগড়ের দিকে আনা হচ্ছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে রামগড় থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কাদের সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আঞ্চলিক মহাসড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করেন।

পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে একটি সন্দেহভাজন সিএনজি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় সিএনজিতে থাকা দুই ব্যক্তি কৌশলে পালিয়ে গেলেও চালক মাহবুব আলমকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। পরে সিএনজিতে থাকা একটি ব্যাগ তল্লাশি করে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজির আলম জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধনী/২০২০) এর ৩৬(১) সারণির ১৯(খ)/৩৮/৪১ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং বিধি মোতাবেক তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

১২ মাইল ওয়াই জংশন বাজারে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা

রামগড়ে ৬ কেজি গাঁজাসহ আটক ১, সিএনজি জব্দ

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের রুমা-চিম্বুক প্রধান সড়কের পাশে অবস্থিত ১২ মাইল ওয়াই জংশন বাজার এলাকায় মাদকদ্রব্য সেবন, ক্রয়-বিক্রয় ও সংশ্লিষ্ট সকল অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে বাজার উন্নয়ন কমিটি। এ লক্ষ্যে বাজার এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে “জিরো টলারেন্স” নীতি ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বাজার কমিউনিটি সেন্টার হলরুমে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বাজার উন্নয়ন কমিটির সভাপতি সাংখাম ম্রো, সাধারণ সম্পাদক মেনপা ম্রো, এলাকার কারবারিগণ, স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সভায় উপস্থিত সকলের সম্মতিক্রমে বাজার উন্নয়ন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও কারবারিরা বলেন, এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তারা জানান, মাদক সেবন, বহন, সংরক্ষণ, ক্রয়-বিক্রয় কিংবা এ ধরনের যেকোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

সভায় বক্তারা আরও বলেন, মাদক শুধু ব্যক্তি নয়, পরিবার ও সমাজকেও ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। তাই মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সচেতন নাগরিক, ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। এ সময় উপস্থিত সবাই মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং “মাদককে না বলুন, সুস্থ সমাজ গঠনে এগিয়ে আসুন” এই আহ্বান জানান।

সভায় বাজারের সার্বিক উন্নয়ন ও সামাজিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে একটি সঞ্চয় তহবিল গঠনের প্রস্তাবও উত্থাপন করেন বাজার উন্নয়ন কমিটির সভাপতি সাংখাম ম্রো। তিনি জানান, বাজারের কোনো ব্যবসায়ী বা সদস্যের জরুরি সমস্যা দেখা দিলে কিংবা বাজারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে এ তহবিলের অর্থ ব্যয় করা হবে। প্রস্তাবের পর উপস্থিত সকলের সম্মতিক্রমে বাজারের প্রতিটি দোকান ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রতি মাসে ২০ টাকা করে চাঁদা বা সঞ্চয় সংগ্রহের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

 

এছাড়া বাজারকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব রাখতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। বাজারের সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখতে ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনগণকে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান বক্তারা।

স্থানীয়দের মতে, বাজার উন্নয়ন কমিটির এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এলাকায় মাদকসংক্রান্ত অপরাধ কমে আসবে, বাজার ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর সামাজিক পরিবেশ গড়ে উঠবে।

রুমা উপজেলায় ট্যুরিস্ট গাইড সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন ; সভাপতি বেলাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ফ্রেডিক ভান লালসম বম

রামগড়ে ৬ কেজি গাঁজাসহ আটক ১, সিএনজি জব্দ

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের রুমা উপজেলা ট্যুরিস্ট গাইড সমিতির নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে মো. বেলাল উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ফ্রেডিক ভান লাল সম বম বিজয়ী হয়েছেন। সোমবার (৯ জুন) সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রুমা সদর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে মোট ১৩০ জন ভোটারের মধ্যে ১২২ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, যা ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণের প্রমাণ বহন করে। নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রাসেল দেব। সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মফিজুর রশিদ এবং উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের ক্রেডিট সুপারভাইজার খালেদ রাউজান। ভোট গণনার সময় পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উহ্লাম মারমা, রুমা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অংসিং মারমা, পুলিশ,গোয়েন্দার সংস্থা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে চেয়ার প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মো. বেলাল উদ্দিন ৬৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে টেবিল প্রতীক নিয়ে প্রবণ বড়ুয়া ৬৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। সাধারণ সম্পাদক পদে মোরগ প্রতীক নিয়ে ফ্রেডিক ভান লাল সম বম ৭৪ ভোট লাভ করে নির্বাচিত হন।

এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ইলিশ প্রতীক নিয়ে ভিং দন নিশান বম ৯৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। কোষাধ্যক্ষ পদে উড়োজাহাজ প্রতীক নিয়ে প্রদীপ বড়ুয়া ৬৫ ভোট পেয়ে বিজয় অর্জন করেন। অন্যদিকে, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মিলন মজুমদার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ রুমা উপজেলার পর্যটন খাতের উন্নয়ন, পর্যটকদের সেবার মান বৃদ্ধি এবং স্থানীয় ট্যুরিস্ট গাইডদের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। স্থানীয় পর্যটন সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে রুমার পর্যটন শিল্প আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ হবে।

কাপ্তাই লেকে সাঁতার কাটতে নেমে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের মৃত্যু

রামগড়ে ৬ কেজি গাঁজাসহ আটক ১, সিএনজি জব্দ

 

ছন্দ সেন চাকমা, রাঙ্গামাটি :

রাঙামাটির কাপ্তাই লেকে সাঁতার কাটতে নেমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ইনতিশার হাসনাত (২২) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তাঁর পিতার নাম মো. বেলাল। তাঁদের বাড়ি কক্সবাজারের পেকুয়া এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে আগত চার বন্ধু বিকেলে নৌকাযোগে কাপ্তাই লেকে ভ্রমণে বের হন। তাঁদের নৌকা চক্রপাড়া সংলগ্ন ‘বালুচর’ এলাকায় পৌঁছালে তাঁরা পানিতে নেমে সাঁতার কাটতে শুরু করেন। একপর্যায়ে ইনতিশার হাসনাত সাঁতার কাটতে কাটতে লেকের গভীর অংশে চলে গেলে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান।

খবর পেয়ে রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। স্টেশন লিডার লিটন কান্তি দেবের নেতৃত্বে ডুবুরিরা প্রায় ২৫ ফুট গভীর থেকে তাঁকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন।

পরে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাঁকে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিস জানায়, বিকেল ৫টা ৩৮ মিনিটে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

×